মুহাম্মদ আতিকুর রহমান (আতিক), গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি ঃ জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান এএসএম আলী কবীর বলেছেন, ‘যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠান তাদের কল-কারখানার দূষিত পানি নদীতে ফেলবে তাদের পানির পাইপে জিও ব্যাগ দিয়ে বন্ধ করে দিতে হবে। যাতে তাদের ফেলানো পানি নিজেদের কারখানাতেই ফিরে যায়। নদী দূষণ ও দখল উভয়ই সমান অপরাধ।’
১৬ ফেব্রুয়ারি মমঙ্গলবার দুপুরে গাজীপুর টাউনের রথখোলাস্থ শহীদ বঙ্গতাজ অডিটরিয়ামে গাজীপুরে নদী সমীক্ষা বিষয়ক জেলা কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
এএসএম আলী কবীর আরও বলেন, ‘নদীর পানিকে সুপেয় পানির আধার হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। নদী দূষণ রোধ করতে ক্যাম্পেইন করতে হবে। চালাতে হবে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা। নদী তীরবর্তী বসবাসকারীসহ সবাইকে নদী দূষণ সম্পর্কে জানাতে হবে।’
জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, ‘নিজেদের নদী নিজেদের পানিকে নষ্ট করা এটি একটি আত্মহত্যার শামিল। গাজীপুরের বন-নদী নষ্ট হয়ে যাওয়া রাজধানী ঢাকার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এসএম তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ৪৮ নদী সমীক্ষা প্রকল্প, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন ও জেলা নদী রক্ষা কমিটি গাজীপুর জেলা কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য কামরুন নাহার আহমেদ, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বরতক উল্লাহ খান।

নদী দূষণ ও দখল উভয়ই সমান অপরাধ’-গাজীপুরে নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান

মুহাম্মদ আতিকুর রহমান (আতিক), গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি ঃ জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান এএসএম আলী কবীর বলেছেন, ‘যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠান তাদের কল-কারখানার দূষিত পানি নদীতে ফেলবে তাদের পানির পাইপে জিও বিস্তারিত

themesbazartvsite-01713478536