অারিফুজ্জামান অারিফ, বিশেষ প্রতিনিধি 
বাহ্মণবাড়িয়া:
গ্রীন ব্রাহ্মণবাড়িয়া’র আয়োজনে সরাইল সরকারি কলেজ প্রাঙ্গনে বিনামূল্যে গাছ বিতরণ অনুষ্ঠান এবং মোটিভেশনাল প্রোগ্রাম সফল ভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ঢাকা মহানগর শিক্ষা কমিটির সদস্য আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা রুম টু রিড এর আফজালুর রহমান রিপন এর বক্তব্য ও প্রাঞ্জল উপস্থাপনা অনুষ্ঠানে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।
প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সরাইল সরকারি কলেজের প্রিন্সিপাল শিক্ষাবিদ মৃধা আহমাদুল কামাল।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পিস ভিশন বাংলাদেণ এর সভাপতি, সরাইলের কৃতি সন্তান এড. শেখ জাহাঙ্গীর, সাধারন সম্পাদক,বিশিষ্ট সংগঠক, তিতাস বার্তার উপদেষ্টা শরীফ আহমেদ খান, সরাইল সরকারি কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক শহিদুল ইসলাম মামুন।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা শরিফ সিদ্দিক, বিশিষ্ট সংগঠক, এডমিন প্রাউড ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পরিচালক কোহিনুর আক্তার।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজের মেধাবী ছাত্রী ও সংগঠক তাছলিমা নাছরিন, লস্কর পাপিয়া জান্নাত প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
“নিজে বাঁচি পরিবেশ বাচাঁই
চলো সবাই সবাই গাছ লাগাই”
এই শ্লোগান কে সামনে রেখে এ সংগঠনের উপজেলা পর্যায়ের ৮ম প্রোগ্রাম।
গ্রীণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া হচ্ছে অনলাইন ও অফলাইন ভিত্তিক সেবামূলক, অব্যাবসায়িক ফেইসবুকভিত্তিক সংগঠন। যার মাধ্যমে বিনামূল্যে গাছ শেয়ারিং ও কেয়ারিং করে থাকে।

সংগঠনটি সরাইল সরকারি কলেজে ফুলের গাছ রোপনসহ ত্রিশজন শিক্ষার্থীকে বিনামূলে গাছ প্রদান করেছে।

গ্রীন ব্রাহ্মণবাড়িয়া’র আয়োজনে সরাইল সরকারি কলেজ প্রাঙ্গনে বিনামূল্যে গাছ বিতরণ অনুষ্ঠান

অারিফুজ্জামান অারিফ, বিশেষ প্রতিনিধি  বাহ্মণবাড়িয়া: গ্রীন ব্রাহ্মণবাড়িয়া’র আয়োজনে সরাইল সরকারি কলেজ প্রাঙ্গনে বিনামূল্যে গাছ বিতরণ অনুষ্ঠান এবং মোটিভেশনাল প্রোগ্রাম সফল ভাবে সম্পন্ন হয়েছে। অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ঢাকা মহানগর শিক্ষা কমিটির বিস্তারিত

ছেলে ধরা গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানালেন লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অপ্পেলা রাজু নাহা

নিজস্ব প্রতিবেদক : আজ ০৩ আগস্ট সন্ধা ৭টার দিকে বান্দরবানের লামা সরই কেয়াজু পাড়া পুলিশ ফাঁড়িতে লামা থানার ওসি অপ্পেলা রাজু নাহা সকলের কাছে গুজবে কান না দিতে বিনীত ভাবে বিস্তারিত

সাংবাদিকতা ও পুলিশের চাকরি-দু’টিই ঝুকিপূর্ণ পেশা : ডিএমপি কমিশনার

ঢাকা: সাংবাদিকতা ও পুলিশের চাকরি-দু’টি পেশাই ঝুকিপূর্ণ। ঝুকি নিয়েই এই সকল পেশার মানুষ কাজ করেন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া। আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের বিস্তারিত

নিজস্ব প্রতিবেদক :

‘বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ শুনে, তার ডাকে সাড়া দিয়ে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছি। কিন্তু দেশ স্বাধীনের ৪৭ বছর পার হলেও মুক্তিযোদ্ধার নামের তালিকায় আমার নাম ওঠেনি। সংসার চালাতে হয় স্ত্রীর ভিক্ষা করা টাকায়। মরার আগে হলেও অন্তত মুক্তিযোদ্ধার নামের তালিকায় নিজের নামটা দেখতে চাই’।

আবেগাপ্লুত হয়ে এমনটিই বললেন মহম্মদপুর উপজেলার পাল্লা গ্রামের ৯২ বছরের প্রবীণ মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাসেম শেখ। বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবুল হাসেম শেখ উপজেলার দীঘা ইউনিয়নের পাল্লা গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বার শেখের ছেলে। ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্ববানে সাড়া দিয়ে ৮ নম্বর সেক্টর বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন তিনি।

সে সময় আঞ্চলিক বাহিনীর অধিনায়ক গোলাম ইয়াকুবের (বীর প্রতীক) নেতৃত্বে একাধিকবার সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণসহ মুক্তিযোদ্ধাদের নানাভাবে সহযোগিতা করেছিলেন আবুল হাসেম।

পরে তিনি মহম্মদপুরের আহম্মদ-মহম্মদ বাহিনীতে যোগদান। মুক্তিযোদ্ধাদেরকে নিজের নৌকায় করে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় আনা-নেওয়া, তাদের গোলাবারুদ বহনসহ মুক্তিযোদ্ধাদের পাহারা দিয়ে রাখতেন আবুল হাসেম। যার মুক্তি বার্তা নম্বর (০৩)।

স্বধীনতার পরবর্তীতে ২০০৪ সালের আগস্ট মাসের ৯ তারিখে তিনি আবেদন করেন একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বিকৃতি পাবার জন্য। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, মো. আবুল হাসেম শেখের নাম আজো মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় স্থান পায়নি।

সরেজমিন শনিবার দুপুরে মো. আবুল হাসেম শেখের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, মুক্তিযুদ্ধকালীন আঞ্চলিক বাহিনীর অধিনায়ক মো. গোলাম ইয়াকুব (বীর প্রতীক), মাগুরা জেলা ইউনিটের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোল্লা নবুয়ত আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধার সাবেক কমান্ডার আলী রেজা খোকন ও ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল গফুর মোল্লার সাক্ষরসহ তার মুক্তিযোদ্ধার প্রত্যয়ন পত্র। একাধিক দফতরের সনদ তার সংগ্রহে থাকা সত্ত্বেও মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় নাম ওঠেনি আবুল হাসেমের। তারপরও তিনি পরম মমতায় সেগুলো বুকে আঁকড়ে ধরে রেখেছেন মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাবার জন্য।

তাই তিনি সমকাল প্রতিবেদকের মাধ্যমে সরকারের কাছে দাবি জানান, মৃত্যুর আগে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় তার নামটা তিনি যেন দেখে যেতে পারেন। আবুল হাসেম শেখ বলেন, জায়গা জমি নাই। মাত্র ২ শতক জমির উপর একটি দুচালা টিনের ঘর। চলা-ফেরা করতে পারি না। বৃদ্ধা স্ত্রী মহিরণ নেছা ভিক্ষা করে যা পান তা দিয়েই চলে সংসার।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় নাম ওঠানোর জন্য আমাদের ইউনিয়ন কমান্ডার আব্দুল গফুর মোল্লা ছয় বছর আগে সাড়ে ৫ হাজার টাকা নিয়েছেন। কিন্তু আজও মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি মেলেনি। আর সেই টাকাও ফেরত দেননি গফুর মোল্লা।

আবুল হাসেম আরও অভিযোগ করেন, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান আমার চেক বই নিয়ে আমার নামে আসা অনুদানের ৩৬ হাজার টাকা তুলে আমাকে মাত্র ৮ হাজার টাকা দিয়েছেন।

তবে ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল গফুর মোল্লা ও চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। মহম্মদপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার (সাবেক) আলী রেজা খোকন বলেন, আমি জানি আবুল হাসেম একজন মুক্তিযোদ্ধা। তিনি যুদ্ধকালীন সময়ে মহম্মদপুরে সংগঠিত বিভিন্ন যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

  1. কিন্তু কেন মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় তার নাম ওঠেনি সে ব্যাপারে তিনি কিছু জানে না বলে জানান।মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ সাদিকুর রহমান শনিবার দুপুরে এই মুক্তিযোদ্ধার করুণ অবস্থার কথা জানতে পেরে তার বাড়িতে যান। এ সময় তাকে দেখে আবুল হাসেম আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন। তার মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের কথাসহ বর্তমান সময়ের অস্বচ্ছল সংসারের করুণ কাহিনী অশ্রুসিক্ত হয়ে নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানান। এ সময় নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ সাদিকুর রহমান এই অসহায় মুক্তিযোদ্ধাকে জানান, সরকারের নির্দেশে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাচাই প্রকিয়া স্থগিত রয়েছে। তাই এ ক্ষেত্রে আপাতত কিছু করার নেই। তবে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ন-২ প্রকল্প থেকে বাড়ি বানানোর যে বরাদ্দ চালু আছে তার থেকে একটা বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়ার ব্যাপারে তাকে আশ্বস্ত করেন। 

স্বাধীনের ৪৭ বছর পার হলেও মুক্তিযোদ্ধার নামের তালিকায় আমার নাম ওঠেনি।

নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ শুনে, তার ডাকে সাড়া দিয়ে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছি। কিন্তু দেশ স্বাধীনের ৪৭ বছর পার হলেও মুক্তিযোদ্ধার বিস্তারিত

মাস্টার মোহাম্মদ মিয়া ফারুক সাহেব এর কার্যালয়ে আগামী ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উদযাপন উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

লোহাগাড়া প্রতিনিধি মোঃ কাউছার আলম অদ্য ২/৮ /২০১৯ ইংরেজি রোজ জুমা বার বিকাল ৫ ঘটিকার সময় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ছাত্রলীগ যুবলীগ কৃষকলীগ শ্রমিকলীগ সহ পদুয়া ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে পদুয়া শপিং বিস্তারিত

বরিশাল ও ফেনীতে সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসি হামলা ও হুমকির ঘটনায় বিএমএসএফ’র উদ্বেগ

মোঃ আমিনুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি: ঢাকা শনিবার ৩ আগষ্ট ২০১৯: বরিশাল ও ফেনীতে সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসি হামলা ও হুমকির ঘটনায় বিএমএসএফ’র পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করা বিস্তারিত

অারিফুজ্জামান অারিফ, বিশেষ প্রতিনিধি 
বাহ্মণবাড়িয়া:
গ্রীন ব্রাহ্মণবাড়িয়া’র আয়োজনে সরাইল সরকারি কলেজ প্রাঙ্গনে বিনামূল্যে গাছ বিতরণ অনুষ্ঠান এবং মোটিভেশনাল প্রোগ্রাম সফল ভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ঢাকা মহানগর শিক্ষা কমিটির সদস্য আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা রুম টু রিড এর আফজালুর রহমান রিপন এর বক্তব্য ও প্রাঞ্জল উপস্থাপনা অনুষ্ঠানে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।
প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সরাইল সরকারি কলেজের প্রিন্সিপাল শিক্ষাবিদ মৃধা আহমাদুল কামাল।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পিস ভিশন বাংলাদেণ এর সভাপতি, সরাইলের কৃতি সন্তান এড. শেখ জাহাঙ্গীর, সাধারন সম্পাদক,বিশিষ্ট সংগঠক, তিতাস বার্তার উপদেষ্টা শরীফ আহমেদ খান, সরাইল সরকারি কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক শহিদুল ইসলাম মামুন।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা শরিফ সিদ্দিক, বিশিষ্ট সংগঠক, এডমিন প্রাউড ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পরিচালক কোহিনুর আক্তার।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজের মেধাবী ছাত্রী ও সংগঠক তাছলিমা নাছরিন, লস্কর পাপিয়া জান্নাত প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
“নিজে বাঁচি পরিবেশ বাচাঁই
চলো সবাই সবাই গাছ লাগাই”
এই শ্লোগান কে সামনে রেখে এ সংগঠনের উপজেলা পর্যায়ের ৮ম প্রোগ্রাম।
গ্রীণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া হচ্ছে অনলাইন ও অফলাইন ভিত্তিক সেবামূলক, অব্যাবসায়িক ফেইসবুকভিত্তিক সংগঠন। যার মাধ্যমে বিনামূল্যে গাছ শেয়ারিং ও কেয়ারিং করে থাকে।

সংগঠনটি সরাইল সরকারি কলেজে ফুলের গাছ রোপনসহ ত্রিশজন শিক্ষার্থীকে বিনামূলে গাছ প্রদান করেছে।

গ্রীন ব্রাহ্মণবাড়িয়া’র আয়োজনে সরাইল সরকারি কলেজ প্রাঙ্গনে বিনামূল্যে গাছ বিতরণ অনুষ্ঠান

themesbazartvsite-01713478536