নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচী পালিত হয়েছে। সকাল ৯ টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে নির্মিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: নাসিম আহমেদ।

প্রধান অতিথি ছিলেন নীলফামারী জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য রাবেয়া আলীম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো: মোখছেদুল মোমিন, ভাইস চেয়ারম্যান আজমল হোসেন সরকার, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সানজিদা বেগম লাকী, উপেজলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আখতার হোসেন বাদল, সাধারণ সম্পাদক মহসিনুল হক মহসিন, সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আবুল হাসনাত খান, পৌর আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুল ইসলাম বাবু, সাধারন সম্পাদক মোজাম্মেল হক, বণিক সমিতির সভাপতি ইদ্রিস আলী প্রমুখ।

সৈয়দপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালন

  নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচী পালিত হয়েছে। সকাল ৯ টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে নির্মিত বঙ্গবন্ধুর বিস্তারিত

মোঃ জাকির হোসেন, সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতাঃ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে বৈশ্বিক মহামারী করোনাকালে সৃষ্ট সংকটে মানুষের পাশে থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করে জনসেবার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সৈয়দপুর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শিল্পপতি দিলনেওয়াজ খান। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা জননেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডাকে সাড়া দিয়ে করোনা মোকাবেলায় সর্বাত্মকভাবে নিজেকে নিয়োজিত করেন।
সরকারী অনুদান বা দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সহযোগিতার দিকে তাকিয়ে না থেকে তিনি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে সার্বিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন হাজার হাজার মানুষের দিকে। তার দেয়া ত্রাণ থেকে বাদ পড়েনি বাঙ্গালী উর্দুভাষী তথা কোন শ্রেণিপেশার মানুষ। দলীয় বাছ বিচার না করে তিনি সর্বস্তরের সৈয়দপুরবাসীর প্রতি মানবিক দৃষ্টি ভঙ্গিতে আত্মার টানে এগিয়ে গেছেন তাঁর চিরাচরিত অভ্যাসবশত। যে কারনে তাঁর সার্বিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে নিজস্ব বন্ধু বান্ধব ও সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে। যা সৈয়দপুরের প্রতিটি মানুষের মাঝে আন্তরিক নাড়া দিয়েছে। সহায়তাপ্রাপ্তরা ছাড়াও সব মানুষের মুখে মুখে তাই তার কর্মকাণ্ড উদাহরণ হিসেবে উঠে আসছে যে কোন আলোচনায়।
কোভিড-১৯ এর প্রভাবে চরম ক্রান্তিকালে অসহায় দরিদ্রদের দ্বারে দ্বারে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেয়ার পাশাপাশি পোশাক ও অন্যান্য সামগ্রী তুলে দিয়েছেন তাদের হাতে। কর্মহীন হয়ে পড়া স্বল্প আয়ের মানুষের সাথে সাথে মধ্যবিত্ত শ্রেণির যারা অসহায়ত্বের শিকার হয়েও মুখ ফুটে সহায়তা চাইতে পারছিলেন না তিনি খোঁজ নিয়ে তাদেরকে গোপনে সহযোগিতা করেছেন উদারভাবে।
বাংলাদেশে করোনার শুরু অর্থাৎ মার্চ মাসের শেষ দিক থেকেই নানা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামেন তিনি। করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য প্রচারণা চালানো, মহল্লায় মহল্লায় স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার বিষয়ে যুব ক্যাম্পিং, পাড়া মহল্লাসহ শহরের সড়কগুলোতে পথচারীসহ যান বাহনের চালক-যাত্রী ও দোকানদার ব্যবসায়ীদের মাঝে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক, সচেতনতা লিফলেট বিতরণ, সৈয়দপুর শহরের প্রবেশপথগুলোতে যান বাহনসমুহ জীবাণুমুক্ত করনে স্যানিটাইজার ক্যাম্প স্থাপন,  সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালসহ গুরুত্বপূর্ণ অফিসের প্রবেশ গেটে স্বয়ংক্রিয় জীবাণুনাশক স্প্রে টানেল স্থাপন, প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে জীবাণুনাশক পানি ছিটানোর কার্যক্রম পরিচালনা করেন সম্পূর্ণ নিজস্ব পরিকল্পনায় ও উদ্যোগে।
স্বাস্থ্য সুরক্ষামূলক এসব কার্যক্রমের পাশাপাশি চলতে থাকে তাঁর খাদ্য, বস্ত্র ও অর্থ সহায়তা কার্যক্রম। প্রায় প্রতিদিনই পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে রান্না করা খাবার, চাল-ডাল-লবন-চিনি-তেল-আটা-সাবান-আলু-পেয়াজ-মরিচসহ নানা নিত্যপন্যের প্যাকেজ ত্রান ও মুরগী বিতরন করা হয়েছে হাজার হাজার মানুষের মাঝে।
ঈদুল ফিতরে শিশুদের পোশাকসহ, শাড়ি-লুঙ্গি-পাঞ্জাবি-শার্ট এবং সেমাই-চিনি-দুধ-পোলওয়ের চালও দেয়া হয়েছে কয়েক হাজার মানুষকে।
এসব করেই খ্যান্ত হননি তিনি। এখন মানুষ কর্মে নিয়োজিত হয়েছে। দিন রাত বাহিরে বের হচ্ছে মানুষ। রাস্তায়, বাজারে, অফিসে জনসমাগম ঘটছে ব্যাপকহারে। কিন্তু এক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার বিষয়ে চরম উদাসীনতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। এমতাবস্থায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে ও মাস্ক ব্যবহার করতে জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য ‘যার মুখে মাস্ক নাই তার কাছে বিক্রি নাই, যার মুখে মাস্ক নাই এমন যাত্রীর প্রয়োজন নাই’ এমন স্লোগান সম্বলিত স্টিকার লাগানোর কার্যক্রম পরিচালনা করছেন প্রতিদিন।
এসব কার্যক্রম বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সহ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় দলীয় ওয়েব সাইটেও প্রকাশিত হয়েছে।
সৈয়দপুর উর্দুভাষীদের ক্যাম্প উন্নয়ন কমিটির আহ্বায়ক ও উর্দু কবি মাজিদ ইকবাল বলেন, ছাত্র জীবন থেকেই দিলনেওয়াজ খান চরম জনপ্রিয় একজন নেতা। উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন তিনি সৈয়দপুরের রাজনৈতিক মাঠে নৈতিকতা ও আদর্শের ভিত্তিতে দাপটের সাথে বাঙালি জাতীয়তাবাদ তথা আওয়ামী রাজনীতির নব উত্তরণ ঘটিয়েছেন। যুবলীগের আহ্বায়ক হয়ে এখন তিনি সেই ভিতকে আরও মজবুত করে চলেছেন। এর পাশাপাশি তিনি কারো মুখাপেক্ষী না হয়ে সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে জনসেবামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে চলেছেন রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হওয়ার আগে থেকেই। তারই ধারাবাহিকতায় চলমান করোনা পরিস্থিতিতে তিনি সৈয়দপুরের ইতিহাসে জনসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। দলীয় অন্যান্য নেতারা যেখানে সরকারি ত্রাণ নিয়ে নিজের নামে বিতরণ করেছেন। সেখানে দিলনেওয়াজ খান প্রথম থেকেই এখন পর্যন্ত সব ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন নিজের টাকায়। তাঁর ব্যাপক কার্যক্রমের ফলে শহরজুড়ে একটা আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এতে টনক নড়ে দলের নেতাদের। শেষের দিকে এসে কেউ কেউ নিজেদের ইমেজ সংকট কাটাতে ত্রাণ দেয়াা শুরু করে। তাও আবার বিভিন্ন কোটায় সরকারী বরাদ্দ নিয়ে। যা সচেতনমহল সহ সর্বসাধারণের দৃষ্টিগোচর হয়েছে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের প্রয়াস হিসেবে। দিলনেওয়াজ খান যেভাবে উদারতার সাথে নিঃস্বার্থ জনসেবা উপস্থাপন করেছেন তা প্রতিটি মানুষের হৃদয় জয় করেছে। তিনি যে পরিমান সহায়তা করেছেন তা যদি ব্যক্তি উদ্যোগে দেয়া ত্রাণ প্রদানের পরিসংখ্যান করা হয় তাহলে আমার মনে হয় দেশের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করবে।
জনমুখী এমন বিস্তারিত কর্মকাণ্ড অন্য কোন নেতা করতে পারেনি। দীর্ঘ মেয়াদী বিশাল ত্রাণ বিতরণ কর্মযজ্ঞ পরিচালনায় কোথাও কোন প্রকার বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়নি। অথচ সরকারী ত্রাণ বিতরণসহ অন্যদের বেলায় দেখা গেছে নানা অনিয়ম। এমনকি একজনতো সরকারি ত্রাণ নিয়ে দেয়ার জন্য দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে মোটর সাইকেলের তেল খরচ বাবদ ১০০ টাকা করে নিয়েছে। অনেকের কাছ থেকে ত্রাণ না পেয়ে ফিরে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এমনকি সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিলও হয়েছে। সেক্ষেত্রে শুধুমাত্র পরিচ্ছন্ন ও দৃঢ় নেতৃত্বের কারনে দিলনেওয়াজের বেলায় এমন কিছুই ঘটেনি।
সৈয়দপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সুমন আরিফুর আনোয়ার বলেন, যে কোন সংকট মূহুর্তে সৈয়দপুরের জনগনের পাশে থেকে নিবেদিত প্রান হিসেবে কাজ করেছে দিলনেওয়াজ খান। করোনা সংকটেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। এবার তার যে ভুমিকা তা সৈয়দপুরের ইতিহাসে বিরল। কোন নেতাই তার ধারে কাছেও যেতে পারেনি। এছাড়াও দলীয় কর্মকাণ্ডে তার অবদান অতুলনীয়। যা সৈয়দপুর আওয়ামীলীগসহ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের কেউই কোনদিন ভুলতে পারবেনা।
পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোজাম্মেল হক বলেন, দিলনেওয়াজ খানের করোনাকালীন ব্যাপক কার্যক্রম সৈয়দপুরবাসী দেখেছেন। তারাই তার মূল্যায়ন করবে।
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মোখছেদুল মোমিন বলেন, দিলনেওয়াজ খান ৯৬ এর গণ আন্দোলনের সময় থেকে প্রতিটি সময়েই বলিষ্ঠ ভুমিকা রেখে চলেছে। করোনার প্রেক্ষিতে সে যেভাবে মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছে তা অভূতপূর্ব। উপজেলা আওয়ামীলীগের কেউ এমন অবদান রাখতে পারেনি।
দিলনেওয়াজ খান সব সময়ই সমাজ সেবা মূলক কাজ করে চলেছে। দরিদ্র মানুষের মেয়ের বিয়ে, গরীব অসহায় মানুষের চিকিৎসা ও মেধাবী শিক্ষার্থীর ভর্তি-ফরম ফিলাপ, বই কিনে দেয়া ও পড়াশোনার খরচ বহন সহ যখন যেই তার শরণাপন্ন হয়েছে কেউই বিমুখ হয়নি। এভাবে সে দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর যাবত জনমানুষের সেবায় নিয়োজিত।
উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক দিলনেওয়াজ খান এ ব্যাপারে বলেন, আমরা হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক। তাঁর রাজনীতিই ছিল জনমানুষের জন্য। তাঁর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা জনসেবার উদ্দেশ্যেই রাজনীতি করি। করোনা প্রাদুর্ভাবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সার্বিকভাবে সচেষ্ট থেকেছি। তারই আলোকে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। মূলতঃ আমার বড় ভাই আমেরিকা প্রবাসী মরহুম পারভেজ খান সৈয়দপুরবাসীর জন্য যেভাবে নিবেদিতপ্রান ছিলো আপনারা সবাই জানেন। তাঁর সেই মানসেবার ধারা অব্যাহত রাখার চেষ্টা করছি মাত্র। আমরা শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী মানুষ।উত্তরাা ইপিজেড এ কেপি এন্টারন্যাশনাল নামে আমার ফ্যাক্টরী আছে। সেই সাথে রয়েছে  আমদানী-রফতানী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।        রাজনীতি করে অর্থ উপার্জনের কোন প্রয়োজন নেই। আমাদের রাজনীতির একমাত্র লক্ষই হচ্ছে মানুষের সেবা করা।
তিনি বলেন,  গত ফেব্রুয়ারিতে বাড়ি করার জন্য কিছু টাকা গচ্ছিত রেখেছিলাম। এমতাবস্থায় করোনা দেখা দেয়ায় সেই টাকাটাই ত্রাণ বিতরণের কাজে লাগিয়েছি। আজীবন এভাবেই জনগনের সেবা করে যেতে চাই। এজন্য মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের করুনা প্রার্থনা করি। সেই সাথে সৈয়দপুরবাসীর দোয়া চাই।

শুধু দলের নয় আপামর জনতার নেতায় পরিণত হয়েছেন যুবলীগের আহবায়ক দিলনেওয়াজ খান

মোঃ জাকির হোসেন, সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতাঃ নীলফামারীর সৈয়দপুরে বৈশ্বিক মহামারী করোনাকালে সৃষ্ট সংকটে মানুষের পাশে থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করে জনসেবার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সৈয়দপুর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক বিস্তারিত

নীলফামারীর সৈয়দপুরে ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেয়া ভিজিএফ’র চাল আত্মসাত ও স্লিপ পুড়িয়ে ফেলার ঘটনা ধামাচাপা দিতে গোপনে সংবাদ সম্মেলন করেছে ইউপি চেয়ারম্যান। ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটির প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের কাছে পৌঁছার আগেই তদন্তের ফলাফল নিয়ে মন্তব্য করে অভিযোগ মিথ্যে বলে বক্তব্য দিয়ে বিষয়টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহের অপচেষ্টা করা হয়েছে। এমন অভিযোগ উঠেছে চেয়ারম্যান ও  তদন্ত কমিটিসহ প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এটাকে তুষ দিয়ে আগুন ঢাকার অপচেষ্টা বলে গুন্জন উঠেছে সচেতন মহলে। সে সাথে যথাসময়ে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে গড়িমসির অভিযোগও তুলেছে কেউ কেউ। কারন তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য সম্পর্কে তদন্ত কমিটির প্রধান ও সদস্যরাসহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সংবাদকর্মীসহ কোন পক্ষের কাছেই মুখ খুলতে অস্বীকৃতি জানালেও চেয়ারম্যান কিভাবে সে সম্পর্কে আগাম মতামত ব্যক্ত করেছেন সংবাদ সম্মেলনে। তাই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে উপজেলা জুড়ে।
জানা যায়, গত ২৯ জুলাই বুধবার সকালে উপজেলার কাশিরাম বেলপুকুর ইউনিয়নে ভিজিএফ’র চাল তুলতে গিয়ে চাল না পেয়ে বিক্ষোভ করে প্রায় সহস্রাধিক স্লিপধারী হতদরিদ্র মানুষ। এসময় তাদের চাল নেই বলে চলে যেতে বলে চেয়ারম্যান মোঃ এনামুল হক চৌধুরী ও ইউপি সচিব মোঃ রহিদুল ইসলাম । তাদের মধ্যে অনেকের স্লিপ তুলে নিয়ে পরে চাল বা টাকা দেয়া হবে বলে পুড়িয়ে ফেলা হয় স্লিপ।  এতে উপস্থিত জনগন উত্তেজিত হয়ে উঠলে পরিস্থিতি সামাল দিতে খবর পেয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা উপস্থিত হন। এসময় চাল না পেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষারত মানুষেরা অভিযোগ করেন যে চেয়ারম্যান ও সচিব চাল বিতরণে নিয়োজিত ট্যাগ অফিসার উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোহাম্মদ মশিউর রহমানের সমঝোতায় চাল বিক্রি করে দিয়েছেন। তাই স্লিপ প্রাপ্তদের চাল দিতে পারছেন না। তাই তারা গরীব মানুষগুলোর কাছ থেকে স্লিপ নিয়ে পুড়িয়ে ফেলেছেন।
এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আবু হাসনাত সরকারের মধ্যস্থতায় চেয়ারম্যান ২৫০ জন স্লিপধারী চাল পায়নি স্বীকার করে পরের দিন চাল দেয়ার আস্বাস দেন। সে অনুযায়ী পরেরদিন ২৫০ জন কে বাজার থেকে ক্রয় করা চাল দেয়া হয়। তারপরও প্রায় শতাধিক স্লিপধারী আজও চাল পায়নি।
এঘটনার প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার চাল আত্মসাৎ ও স্লিপ পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগ তদন্তের জন্য ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেন। এতে প্রধান করা হয় উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ রাসেদুল হক। সদস্য ছিলেন উপজেলা বিআরডিবি অফিসার আল মিজানুর রহমান ও উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান। তিন কর্ম দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয় কমিটিকে।
এ তদন্ত কমিটির প্রধান ডাঃ রাসেদুল হক জানান, গত ৫ আগস্ট তারা তদন্ত প্রতিবেদন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে হস্তান্তর করেছেন। তদন্ত সম্পর্কে কোন তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা যথাযথভাবে তদন্ত করেছি এবং প্রতিবেদনে তা উল্লেখ করেছি। এ ব্যাপারে কোন কিছুই বলার ইখতিয়ার আমাদের নাই। চেয়ারময়ান সংবাদ সম্মেলনে এ ব্যপারে কোন মন্তব্য করে থাকলে তা অনুমান নির্ভর। কেননা এ সম্পর্কে কেউই কিছু জানার কথা নয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নাসিম আহমেদ গত ১০ জুলাই জানান, বৃহস্পতিবারই (৬ জুলাই) সিলগালা প্যাকেট করে প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে। প্রতিবেদনের তথ্য বিষয়ে তিনিও কোন মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। কেউ তদন্ত রিপোর্ট সম্পর্কে আগাম মন্তব্য করে থাকলে তা তাদের ব্যাপার। তিনি বলেন প্রতিবেদন অনুযায়ী জেলা প্রশাসক পরবর্তী পদক্ষেপ নিবেন।
এদিকে জেলা প্রশাসক গত ১০ জুলাইও প্রতিবেদন পাননি বলে জানা যায়। কিন্তু তার আগেই গত ৯ জুলাই গোপনে গুটি কয়েকজন সংবাদকর্মী নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন অভিযুক্ত চেয়ারম্যান মোঃ এনামুল হক চৌধুরী। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ আখতার হোসেন বাদল। এতে চেয়ারম্যান তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সত্য নয় এবং তদন্ত কমিটিও কোন অনিয়ম বা দূর্নীতির তথ্য পায়নি বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন ইউনিয়নের ৭টি এতিমখানা ও মাদরাসায় চাল দেয়ার কারনে সংকট সৃষ্টি হয়। তাই মাত্র ২৫০ জন স্লিপধারী চাল পায়নি প্রথম দিন। পরের দিন চাল কিনে তাদেরকে দেয়া হয়েছে তদন্ত কমিটির উপস্থিতিতেই।প্রশ্ন উঠেছে চেয়ারম্যান কীভাবে নিশ্চিত হয়েছেন যে, তদন্ত কমিটি কোন অনিয়মের তথ্য পায়নি। তবে কি তদন্তের সাথে সম্পৃক্ত কেউ তাকে প্রতিবেদনের তথ্য সরবরাহ করেছে। তাই সে বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রবাহের জন্য চাপ সৃষ্টি করা বা প্রকৃত সত্যকে আড়াল করতে সংবাদ সম্মেলনের নামে ধামাচাপার চেষ্টা করেছেন।
উল্লেখ্য, কাশিরাম বেলপুকুর ইউনিয়নে মাত্র চারটি এতিমখানা ও মাদরাসা রয়েছে।  অথচ চেয়ারম্যান বলেছেন ৭টিতে তিনি চাল দিয়েছেন। ভিজিএফ’র চাল প্রতিষ্ঠান বা সংস্থায় দেয়ার কোন নিয়ম নাই। এ চাল শুধুমাত্র ব্যক্তি পর্যায়ে বিতরণ করার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। এখানেও অনিয়ম ও মিথ্যেচার করা হয়েছে।
তাছাড়া ট্যাগ অফিসার মোহাম্মদ মশিউর রহমান বলেছেন, ঘটনার দিন তিনি ইউনিয়ন পরিষদে যাওয়ার আগেই চেয়ারম্যান ও সচিবসহ লোকজন চাল দেয়া শুরু করেন। কিছু লোককে দেয়ার পর দেখা যায় লোকজনের উপস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পর্যাপ্ত চালের মজুদ ছিলনা। এতে স্লিপধারী প্রায় ৪শ’ মানুষ চাল না পেয়ে উত্তেজিত হয়ে উঠে। অথচ চাল দেয়া হয়েছে মাত্র ২৫০ জনকে। বাকিরা এখনও চাল পায়নি। এই চাল না পাওয়া ৮ জন ব্যাক্তি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাল আত্মসাতের লিখিত অভিযোগ করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে।

সৈয়দপুরে কাশিরাম ইউপি চেয়ারম্যানের ভিজিএফ’র চাল আত্মসাতের ঘটনা ধামাচাপা দিতে গোপনে সংবাদ সম্মেলন

  নীলফামারীর সৈয়দপুরে ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেয়া ভিজিএফ’র চাল আত্মসাত ও স্লিপ পুড়িয়ে ফেলার ঘটনা ধামাচাপা দিতে গোপনে সংবাদ সম্মেলন করেছে ইউপি চেয়ারম্যান। ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটির প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের বিস্তারিত

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় দুই হাজার গাছের চারা রোপন করেছে উপজেলা যুবলীগ।
শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কিশোরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে গাছের চারা রোপন করে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক আবুল কালাম বারী পাইলট।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোকসানা বেগম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদী হাসান, কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল আউয়াল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাকির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মশিয়ার রহমান প্রমুখ। এসময় উপজেলার নয়টি ইউনিয়নের ৮১টি ওয়ার্ডে একযোগে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপন করেন উপজেলা ও ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড যুবলীগের নেতাকর্মীরা।

কিশোরগঞ্জে যুবলীগের ২০০০ গাছের চারা রোপন

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় দুই হাজার গাছের চারা রোপন করেছে উপজেলা যুবলীগ। শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কিশোরগঞ্জ বিস্তারিত

নীলফামারীতে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্বীর পরিবেশে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে।
শনিবার সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনিমিত্তভাবে উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালনের কর্মসূচি শুরু হয়।
সকাল ৯টার দিকে বঙ্গবন্ধু চত্ত্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রের পক্ষে জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান (বিপিএম,পিপিএম)।
পরে জেলা আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা পরিষদ, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজাকি, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের মানুষ পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শেষে সেখানে এক মিনিট নিরবতা পালন এবং মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক মো. হাফিজুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রাবেয়া আলীম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মো. ফজলুল হক, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. আব্দুল মোতালেব সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) খন্দবার মো. নাহিদ হাসন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আজাহারুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি হাফিজুর রশীদ মঞ্জু, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিদ মাহমুদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এলিনা আকতার, জেলা স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুল হাসান চৌধুরী, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মনিরুল হাসান শাহ্ আপেল প্রমুখ। শেষে সেখানে জেলা প্রশাসনের পৃষ্ঠপোষকতায় ‘গল্পে কথায় বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
এদিকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেওয়ান কামাল আহমেদের সভাপতিত্বে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সহসভাপতি অক্ষয় কুমার রায়, সাধারণ সম্পাদক মমতাজুল হক, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুজার রহমান, সাধারণ সম্পাদক ওয়াদুদ রহমান, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মসফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন, জেলা যুবলীগের সভাপতি রমেন্দ্র নাথ বর্ধন বাপী প্রমুখ।
অপর দিকে সকার ১০টার দিকে জেলা জজ আদালত চত্ত্বরে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল আয়োজন করে জেলা জজশীপ। জেলা ও দায়রা জজ মো. রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. তারেক হাসান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো. মাহবুবুর রহমান, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
এছাড়াও জেলা শিশু একাডেমির আয়োজনে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ, শিশুদের রচনা লিখন ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। জেলা তথ্য দপ্তর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বঙ্গবন্ধুর প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনের আয়োজন করে।

নীলফামারীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালিত

নীলফামারীতে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্বীর পরিবেশে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে। শনিবার সূর্যোদয়ের সাথে সাথে বিস্তারিত

জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়র অধ্যক্ষ মো: আমজাদ হোসেন সরকারের উদ্যোগে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও বৃক্ষ রোপন কর্মসূচী পালন করা হয়েছে। ১৫ আগস্ট শনিবার সকালে পৌর মেয়র অধ্যক্ষ মো: আমজাদ হোসেন সরকারের নেতৃত্বে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন করে পৌর পরিষদ।

দুপুরে বাদ নামাজে জােহর পৌরসভার অধিবেশন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল। বঙ্গবন্ধুসহ ১৫ আগস্ট কালো দিবসে ঘাতকদের হাতে নিহত তাঁর পরিবারের সকলের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। এতে পৌরসভার কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ কাউন্সিলরবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 


বিকালে শহরের ৯ নং ওয়ার্ড কাজীপাড়া ঈদগাহ মাঠে বট গাছ রোপনের মাধ্যমে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচীর উদ্বোধন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাজী মনোয়ার হোসেন হায়দার,১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো: শাহিন হোসেন, ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আল মামুন সরকার, সাংবাদিক মো: জাকির হোসেন এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বৃক্ষ রোপন শেষে দোয়া মোনাজাত করা হয়।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে পৌর মেয়রের আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও বৃক্ষ রোপন

জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়র অধ্যক্ষ মো: আমজাদ হোসেন সরকারের উদ্যোগে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও বৃক্ষ রোপন বিস্তারিত

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রুমিন ফারহানা

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। আজ বুধবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে স্ট্যাটাস দিয়ে কোভিড-১৯ পজেটিভ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি। স্ট্যটাসে তিনি বলেন: বিস্তারিত

মানুষের উদাসীনতায় সামনে দেশের জন্য আরো কঠিন সময় আসছে : কাদের

অনলাইন ডেস্ক :ঈদের সময় গ্রাম-শহরের মানুষের অবাধ বিচরণ করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। মহামারি করোনাভাইরাস বিস্তারিত

করোনায় মৃত্যু নিয়ে গুজব চলছে, সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান কাদেরের

অনলাইন ডেস্ক :সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে একটি স্বার্থান্বেষী মহল সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য লুকোচুরির কাল্পনিক ও উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও বিস্তারিত

কর্মহীন ও অসহায়দের পাশে দাঁড়াতে মোংলা পৌর ও উপজেলা যুবলীগের কমিটি গঠন

আলী আজীম,মোংলাঃকরোনার কারণে কর্মহীন ও অসহায় হয়ে পড়া মানুষকে সহায়তা করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশে মোংলা উপজেলা যুবলীগ ও পৌর যুবলীগ শাখার কমিটি গঠন করা হয়েছে। মোংলা পৌর যুবলীগের সভাপতি বিস্তারিত

themesbazartvsite-01713478536