সান্তাহারে সাংবাদিক নেহাল আহমেদ প্রান্তের দাদীর ইন্তেকাল

সান্তাহারে সাংবাদিক নেহাল আহমেদ প্রান্তের দাদীর ইন্তেকাল

বুলবুল আহম্মেদ, স্টাফ রিপোর্টারঃ
বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌর এলাকার ২নং ওয়ার্ডের সান্তাহার নামা পৌঁওতা গ্রামের মৃত জরিফ উদ্দিন প্রামানিক এর স্ত্রী মোমেনা বেগম (৯০) রবিবার সকাল ৭:২০ মিনিটে ইন্তেকাল করিয়াছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন) । মৃত্যুকালে তিনি ৬ ছেলে, ৪ মেয়ে, নাতি নাতনি সহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন, গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। রবিবার বাদ জোহর পৌঁওতা ঈদগাহ মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজা শেষে তার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। সবুজ আন্দোলন ছাত্রফ্রন্টের রাজশাহী বিভাগের সমন্বয়কারী ও যমুনা নিউজ এর স্টাফ রিপোর্টার নেহাল আহমেদ প্রান্তের দাদির মৃত্যুতে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন, সবুজ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বাপ্পি সরদার। এছাড়াও তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন, সান্তাহার পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মমতাজউদ্দীন, সান্তাহার মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি বুলবুল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী দুলাল,ও সদস্য বৃন্দ।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

লিয়াকত হোসেন রাজশাহী :পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে আগামী সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে গত ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ আছে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দেশব্যাপী লকডাউনে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বাসায় অবস্থান করছে। তাদের অভিভাবকদের আয় উপার্জনও বন্ধ। অভাবের তাড়নায় পবিত্র রমজানে দু’বেলা ভাল খাবার জোগাতেই হিমসিম খাচ্ছে।এরমধ্যে সন্তানের প্রাতিষ্ঠানিক খরচের দিকে নজর– দরিদ্র বাবার আত্মহত্যা ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না।
ইতোমধ্যে কপালে ভাজ ফেলা তথ্য দিয়েছে জাতিসংঘের খাদ্য সহায়তা দানকারী শাখা ডব্লিউএফপি। করোনা ভাইরাস মহামারীতে খাদ্যের অভাবেই বিশ্বের প্রায় ৩ কোটি মানুষ প্রাণ হারাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। অর্থনীতি সচল রেখে ভারসাম্যপূর্ণভাবে কোভিড-১৯ মোকাবিলার আহবান জানিয়েছেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ডেভিজ বিজলে। তিনি বলেন, ‘বিশ্বনেতাদের অর্থনীতি সচল রেখে একটি ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থায় কোভিড-১৯ মোকাবিলা করতে হবে। অন্যথায়  কোভিড-১৯ এর চেয়ে বেশি সংখ্যক লোক মারা যাবে অর্থনৈতিক অবনতি ও অনাহারে।’
বাংলাদেশের অবস্থা খুব ভাল বলার অবকাশ রাখে না। ইতোমধ্যে দেশের কৃষিতে প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। আবাদি ফসল ঘরে তুলতেই পারছেন না কৃষকরা। উত্তরবঙ্গের অন্যতম জীবিকা নির্বাহী ফসল পান রপ্তানি করতে না পারায় পথে বসতে যাচ্ছেন অর্ধ লাখ পানচাষী। উত্তরের জেলা রাজশাহীর মোহনপুরেই পানচাষী ১৩ সহস্রাধিক। এখানকার ১৫ হাজারের ওপরে পানবরজের পান রপ্তানি সম্পূর্ণ বন্ধ। যেসব পান ভারত, পাকিস্তান, লিবিয়া, সৌদিআরব, বাহরাইন, যুক্তরাজ্য, ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানিসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হয়। যা সম্পূর্ণ বন্ধ হওয়ায় পান নির্ভর পরিবারগুলোতে ঘোর অমানিশা নামতে যাচ্ছে।
দেশে রমজান কিংবা দুর্যোগে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি নতুন কিছু নয়। সিন্ডিকেটের কালোবাজারির থাবায় ইফতার সামগ্রী কিনতে গিয়েও কয়েকবার ভাবতে হয় পরবর্তী রাতে সেহরির খাবার আছে কিনা। কৃষকের নুন আনতে পান্তা ফুরাচ্ছে। শ্রমিক-দিনমজুররা তো আরও মহাসংকটে। গার্মেন্টস কারখানার মালিকদের নাটকীয় সিদ্ধান্তে উভয়সংকটে শ্রমিকরা। খুলে দেয়ার সিদ্ধান্তে চাকরী বাঁচানোর তাগিদে কধর্মক্ষেত্র ‘বেগার’ খাটতে যেতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। মাস শেষে পারিশ্রমিক পেলেও স্বস্তির ঢেকুর ফেলতে পারতেন। তাও নেই। আর কারখানা বন্ধ থাকলে তো পাবেনই না।
দীর্ঘসময় গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকায় পরিবহণ শ্রমিকরাও কোণঠাসা হয়ে পরেছে।
এসব প্রতিবন্ধকতার মধ্যে সন্তানের প্রাতিষ্ঠানিক খরচ যোগাবেন কিভাবে? আর সন্তানের ফি পরিশোধ করলে সাংসারিক ব্যয়ভার বহন করবে কে? নিশ্চয় চেয়ারম্যান-মেম্বার নয়। স্থানীয় সাংসদের দর্শনও পাবেন না। তাকেই সব সামলাতে হবে। এরপর পরিবার নিয়ে বেঁচেও থাকতে হবে?
দেশের মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্তরা নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন টাকার চিন্তায়। বুক ফাটলেও মুখ ফুটে বলতে পারছেন না। এই কঠিন পরিস্থিতির ধাক্কা সামলাতে অনতিবিলম্বে সরকারকেই কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে। জাতিসংঘের ভয়ঙ্কর আশঙ্কার প্রভাব থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত রাখতে সরকারের শক্ত অবস্থানের বিকল্প নেই। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জনগণকে ঘরে রাখতে সরকার কার্যকরী ভূমিকা পালন করেছে। এবার খাদ্যাভাবে প্রাণহানি রোধে সরকারকে আন্তরিক হতে হবে।
তা হলো- দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ছাত্রাবাসের সব ধরনের ফি মওকুফ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা প্রদান করা। গত এপ্রিল থেকে আগামী সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফি মওকুফের ঘোষণা এবং এমন নির্দেশনা কার্যকর নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জনবান্ধব সিদ্ধান্ত হবে। মুজিববর্ষে সরকারের এমন যুগান্তকারী পদক্ষেপে দেশের ছাত্রসমাজ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে পিছপা হবে না। সময়োপযোগী নির্দেশনায় স্বস্তির শ্বাস ফেলে সাধারণ জনতাও সরকারকে সাধুবাদ জানাবে। তাই সরকারীভাবে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফি মওকুফের নির্দেশনা প্রদান করা হোক।

সাংসদ আক্রান্ত,নওগাঁয় ২ এমপি, ডিসি, এসপিসহ ৬ জন কোয়ারেন্টাইনে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazartvsite-01713478536