আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেলওয়ে প্রকল্প কাজ মার্চের মধ্যে শেষ হবে ’রেলপথমন্ত্রী।

আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেলওয়ে প্রকল্প কাজ মার্চের মধ্যে শেষ হবে ’রেলপথমন্ত্রী।

মোঃ আল আমিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার গঙ্গাসাগর রেলওয়েস্টেশন আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেলওয়ে লিংক প্রকল্প কাজ পরিদর্শন করেন রেলপথমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন।এ সময় তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জানান, আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেলওয়েলিংকের (বাংলাদেশ অংশ) কাজ আগামী বছরের মার্চ মাসেই শেষ হবে।

ভারতের অর্থায়নে আখাউড়া-আগরতলারেলপথ হচ্ছে। এটার জন্য বাংলাদেশের কোনো টাকা লাগছে না। এর সাথে স্টেশন ভবন এবং কাস্টমস্ভবনসহ অন্যান্য যেসব স্থাপনা প্রয়োজন সেসব স্থাপনা করছে। মন্ত্রী আরও জানান, আগামীমার্চের মধ্যেই কাজ শেষ হয়ে যাবে।

এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েগেছে। ভারতীয়কোম্পানির সামর্থ্য অনেক বেশি। আমাদের দেশের কোম্পানিগুলোর সামর্থ্য কম।

এ সময় উপস্তিত ছিলেন  আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেলওয়ে লিংক (বাংলাদেশ অংশ) প্রকল্পের পরিচালক মো. সুবক্তগীন,প্রকল্প ব্যবস্থাপক ভাস্কর বকশি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)মোহাম্মদ শামছুজ্জামান, আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূরে আলম প্রমুখ।  উল্লেখ্য, ২৪০ কোটি ৯০ লাখ ৬৩ হাজার ৫০১ টাকা ব্যায়ে নির্মিত হচ্ছে আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেলওয়ে লিংক। বাংলাদেশ অংশ করছে ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টেক্সমেকো রেল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংলিমিটেড।

সাড়ে ১০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের আখাউড়া-আগরতলা রেলপথের সাড়ে ছয় কিলোমিটার পড়েছেবাংলাদেশ অংশে। বাকি চার কিলোমিটার পড়েছে ভারতে। চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারী প্রকল্পেরকাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বর্ষা মৌসুম ও করোনা ভাইরাসের কারণে নির্ধারিত সময়েকাজ সম্পন্ন করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেজন্য প্রথম দফায় চলতি বছরের ১৩ মেপর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়। করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি ও কাজের অগ্রগতি বিবেচনায় দ্বিতীয় দফায়আগামী বছরের জুন মাস পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বুলবুল আহমেদ নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের মালগুদাম এলাকা থেকে সিএনজি সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক জব্দ করেছেন আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার। সান্তাহার পৌর শহরের উম্মুক্ত জায়গায় ঝুকিঁপূর্ন ভাবে পাইপের মাধ্যমে গ্যাস কেনাবেচা হচ্ছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্লাহ বিন রশিদ সোমবার ভোরে সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় অবৈধ ভাবে গ্যাস বিক্রির সাথে জড়িত ব্যক্তিরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়।
অবৈধ ভাবে গ্যাস বিক্রি বন্ধের জন্য গত ৫ সেপ্টেম্বর আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সান্তাহার মালগুদাম এলাকার ব্যবসায়ি ও পরিবহন শ্রমিক সংগঠন। অভিযোগে জানা যায়, সান্তাহার পৌর এলাকার মিজানুর রহমান দীর্ঘ দিন ধরে গভীর রাতে ট্রাকে সিলিন্ডার রেখে বিভিন্ন যানবাহনে অবৈধ ভাবে গ্যাস বিক্রি করে আসছেন। বগুড়ার সিএনজি ষ্টেশন থেকে ট্রাকে করে গ্যাস সিলিন্ডার আনা হয়। একটি ট্রাকে বড় আকারের ২০ থেকে ৩০ টি সিলিন্ডার থাকে। শহর মানুষ শুন্য হলে গভীর রাতে ট্রাকের সিলিন্ডার থেকে পাইপের মাধ্যমে সিএনজি, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাসসহ অন্যান্য যানবাহনে গ্যাস বিক্রি হয়। দুরত্ব ও খরচ এড়াতে যানবাহনের মালিকরা ট্রাক থেকে গ্যাস সংগ্রহ করে থাকেন। সান্তাহার শহরের ব্যবসায়ি ও পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের অভিযোগের ভিত্তিতে আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্লাহ বিন রশিদ সোমবার ভোরে অভিযান পরিচালনা করে ১২টি গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার সহ একটি ট্রাক জব্দ করেন। এ ব্যাপারে আদমদীঘি ইউএনও আবদুল্লাহ বিন রশিদ জানান, ট্রাকসহ সিলিন্ডার থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি বগুড়া পরিবেশ অধিদপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে।

বগুড়ার সান্তাহারে গ্যাস সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক জব্দ করলেন ইউএনও

themesbazartvsite-01713478536