জাতির জনকের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে শোক দিবসে কাউন্সিলর কুদ্দুস-এর আয়োজন।

জাতির জনকের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে শোক দিবসে কাউন্সিলর কুদ্দুস-এর আয়োজন।

বুলবুল আহমেদ নিজস্ব প্রতিনিধিঃ  হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এর মৃত্যুবার্ষিকী জাতীয় শোক দিবস ১৫ আগষ্ট উপলক্ষে বগুড়ার আদমদীঘি সান্তাহারে ‘‘জামিয়া আরবিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা’’- এ ব্যক্তিগত উদ্যোগে সান্তাহার পৌর আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি ও ০৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলহাজ¦ আব্দুাল কুদ্দুস তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে মাদ্রসাসার লিল্লাহ্ বোডিং-এ এতিমদের জন্য দুপুরের খাবার ও আসর এর নামাজ পর সান্তাহার ষ্টেসন জামে মসজিদ-এ দোয়া দোয়া মাহফিল এর আয়োজন করেন।
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শনিবার সারাদিন ব্যাপী সারাদেশে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কাউন্সিলর আব্দুল কুদ্দুস জাতির জনকের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থেকে বঙ্গবন্ধুর রুহের মাগফিরাত কামনা করে এতিমদের জন্য দুপুরের আহার ও দোয়-মাহফিল এর আয়োজন করেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এই আয়োজনে উক্ত সময় উপস্থিত ছিলেন পৌর ০৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জার্জিস আলম রতন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি(ভারপ্রাপ্ত) কুদরত-ই এলাহী কাজল, সান্তাহার মডেল প্রেসক্লাব সভাপতি বুলবুল আহমেদ, সান্তাহার মডেল প্রেসক্লাব সাধারন সম্পাদক গোলাম রব্বানী দুলাল সহ প্রমুখ। মিলাদ মাহফিল সম্পন্ন করেন মুফতি মো. ফিরোজ হোসেন।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

নিউজ ২৬, সৈয়দপুর, নীলফামারী ॥ সৈয়দপুরের মিস্ত্রিপাড়া নবীনগর এলাকায় খানকাহ আশরাফিয়া আলিয়া কাদেরীয়া সরকারে কালা মাদরাসার সামনের রাস্তার সিসিকরণ ঢালাই কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। ১৭ আগস্ট সোমবার সকালে পৌর মেয়র অধ্যক্ষ মো: আমজাদ হোসেন সরকার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এর উদ্বোধন করেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ১৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তারিক আজিজ, ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ মঞ্জর আলম, রেলওয়ে আর্মস গার্ড মসজিদের ইমাম ও খতিব হাজী আব্দুর রহমান, গাউসিয়া মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ রেজওয়ান আল কাদেরী, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কাজী মাসুদ সারওয়ার, জেলা ছাত্রদল সভাপতি রিজওয়ান আক্তার পাপ্পু, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শরিফুল ইসলাম টিটু, এস কে আলম প্রমুখ।

 


এসময় পৌর মেয়র অধ্যক্ষ মো: আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, আপনাদের ভোটে নির্বাচিত করে মেয়র বানিয়েছেন। আপনাদের সেবা করার দায়িত্ব দিয়েছেন। সে দায়িত্ব পালন করতেই উন্নয়নমূলক অনেক কাজ করছি। তারই অংশ হিসেবে আজ এ রাস্তার কাজ করা হচ্ছে। এ পরিষদের আমলে পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা ড্রেন সংস্কার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আগামীতে আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হলে বাকী কাজগুলোও সম্পাদন করা হবে।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ দিন থেকে রাস্তাটির সংস্কার না করায় সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে চলাচলে চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছিল এলাকাবাসী। তাদের অসুবিধার কথা চিন্তা করে পৌর মেয়র নিজ উদ্যোগে দ্রুত সংস্কারের পদক্ষেপ নেন। সে অনুযায়ী উদ্বোধনকৃত ১০৫ মিটার দৈঘ্যের এ রাস্তার কাজটি ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা সংস্কার ব্যায় ধরা হয়েছে।

সৈয়দপুরে রাস্তা সিসিকরণ কাজের উদ্বোধন করলেন পৌর মেয়র আমজাদ হোসেন সরকার

মোঃ জাকির হোসেন, সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতাঃ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে বৈশ্বিক মহামারী করোনাকালে সৃষ্ট সংকটে মানুষের পাশে থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করে জনসেবার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সৈয়দপুর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শিল্পপতি দিলনেওয়াজ খান। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা জননেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডাকে সাড়া দিয়ে করোনা মোকাবেলায় সর্বাত্মকভাবে নিজেকে নিয়োজিত করেন।
সরকারী অনুদান বা দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সহযোগিতার দিকে তাকিয়ে না থেকে তিনি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে সার্বিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন হাজার হাজার মানুষের দিকে। তার দেয়া ত্রাণ থেকে বাদ পড়েনি বাঙ্গালী উর্দুভাষী তথা কোন শ্রেণিপেশার মানুষ। দলীয় বাছ বিচার না করে তিনি সর্বস্তরের সৈয়দপুরবাসীর প্রতি মানবিক দৃষ্টি ভঙ্গিতে আত্মার টানে এগিয়ে গেছেন তাঁর চিরাচরিত অভ্যাসবশত। যে কারনে তাঁর সার্বিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে নিজস্ব বন্ধু বান্ধব ও সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে। যা সৈয়দপুরের প্রতিটি মানুষের মাঝে আন্তরিক নাড়া দিয়েছে। সহায়তাপ্রাপ্তরা ছাড়াও সব মানুষের মুখে মুখে তাই তার কর্মকাণ্ড উদাহরণ হিসেবে উঠে আসছে যে কোন আলোচনায়।
কোভিড-১৯ এর প্রভাবে চরম ক্রান্তিকালে অসহায় দরিদ্রদের দ্বারে দ্বারে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেয়ার পাশাপাশি পোশাক ও অন্যান্য সামগ্রী তুলে দিয়েছেন তাদের হাতে। কর্মহীন হয়ে পড়া স্বল্প আয়ের মানুষের সাথে সাথে মধ্যবিত্ত শ্রেণির যারা অসহায়ত্বের শিকার হয়েও মুখ ফুটে সহায়তা চাইতে পারছিলেন না তিনি খোঁজ নিয়ে তাদেরকে গোপনে সহযোগিতা করেছেন উদারভাবে।
বাংলাদেশে করোনার শুরু অর্থাৎ মার্চ মাসের শেষ দিক থেকেই নানা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামেন তিনি। করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য প্রচারণা চালানো, মহল্লায় মহল্লায় স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার বিষয়ে যুব ক্যাম্পিং, পাড়া মহল্লাসহ শহরের সড়কগুলোতে পথচারীসহ যান বাহনের চালক-যাত্রী ও দোকানদার ব্যবসায়ীদের মাঝে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক, সচেতনতা লিফলেট বিতরণ, সৈয়দপুর শহরের প্রবেশপথগুলোতে যান বাহনসমুহ জীবাণুমুক্ত করনে স্যানিটাইজার ক্যাম্প স্থাপন,  সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালসহ গুরুত্বপূর্ণ অফিসের প্রবেশ গেটে স্বয়ংক্রিয় জীবাণুনাশক স্প্রে টানেল স্থাপন, প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে জীবাণুনাশক পানি ছিটানোর কার্যক্রম পরিচালনা করেন সম্পূর্ণ নিজস্ব পরিকল্পনায় ও উদ্যোগে।
স্বাস্থ্য সুরক্ষামূলক এসব কার্যক্রমের পাশাপাশি চলতে থাকে তাঁর খাদ্য, বস্ত্র ও অর্থ সহায়তা কার্যক্রম। প্রায় প্রতিদিনই পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে রান্না করা খাবার, চাল-ডাল-লবন-চিনি-তেল-আটা-সাবান-আলু-পেয়াজ-মরিচসহ নানা নিত্যপন্যের প্যাকেজ ত্রান ও মুরগী বিতরন করা হয়েছে হাজার হাজার মানুষের মাঝে।
ঈদুল ফিতরে শিশুদের পোশাকসহ, শাড়ি-লুঙ্গি-পাঞ্জাবি-শার্ট এবং সেমাই-চিনি-দুধ-পোলওয়ের চালও দেয়া হয়েছে কয়েক হাজার মানুষকে।
এসব করেই খ্যান্ত হননি তিনি। এখন মানুষ কর্মে নিয়োজিত হয়েছে। দিন রাত বাহিরে বের হচ্ছে মানুষ। রাস্তায়, বাজারে, অফিসে জনসমাগম ঘটছে ব্যাপকহারে। কিন্তু এক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার বিষয়ে চরম উদাসীনতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। এমতাবস্থায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে ও মাস্ক ব্যবহার করতে জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য ‘যার মুখে মাস্ক নাই তার কাছে বিক্রি নাই, যার মুখে মাস্ক নাই এমন যাত্রীর প্রয়োজন নাই’ এমন স্লোগান সম্বলিত স্টিকার লাগানোর কার্যক্রম পরিচালনা করছেন প্রতিদিন।
এসব কার্যক্রম বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সহ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় দলীয় ওয়েব সাইটেও প্রকাশিত হয়েছে।
সৈয়দপুর উর্দুভাষীদের ক্যাম্প উন্নয়ন কমিটির আহ্বায়ক ও উর্দু কবি মাজিদ ইকবাল বলেন, ছাত্র জীবন থেকেই দিলনেওয়াজ খান চরম জনপ্রিয় একজন নেতা। উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন তিনি সৈয়দপুরের রাজনৈতিক মাঠে নৈতিকতা ও আদর্শের ভিত্তিতে দাপটের সাথে বাঙালি জাতীয়তাবাদ তথা আওয়ামী রাজনীতির নব উত্তরণ ঘটিয়েছেন। যুবলীগের আহ্বায়ক হয়ে এখন তিনি সেই ভিতকে আরও মজবুত করে চলেছেন। এর পাশাপাশি তিনি কারো মুখাপেক্ষী না হয়ে সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে জনসেবামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে চলেছেন রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হওয়ার আগে থেকেই। তারই ধারাবাহিকতায় চলমান করোনা পরিস্থিতিতে তিনি সৈয়দপুরের ইতিহাসে জনসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। দলীয় অন্যান্য নেতারা যেখানে সরকারি ত্রাণ নিয়ে নিজের নামে বিতরণ করেছেন। সেখানে দিলনেওয়াজ খান প্রথম থেকেই এখন পর্যন্ত সব ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন নিজের টাকায়। তাঁর ব্যাপক কার্যক্রমের ফলে শহরজুড়ে একটা আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এতে টনক নড়ে দলের নেতাদের। শেষের দিকে এসে কেউ কেউ নিজেদের ইমেজ সংকট কাটাতে ত্রাণ দেয়াা শুরু করে। তাও আবার বিভিন্ন কোটায় সরকারী বরাদ্দ নিয়ে। যা সচেতনমহল সহ সর্বসাধারণের দৃষ্টিগোচর হয়েছে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের প্রয়াস হিসেবে। দিলনেওয়াজ খান যেভাবে উদারতার সাথে নিঃস্বার্থ জনসেবা উপস্থাপন করেছেন তা প্রতিটি মানুষের হৃদয় জয় করেছে। তিনি যে পরিমান সহায়তা করেছেন তা যদি ব্যক্তি উদ্যোগে দেয়া ত্রাণ প্রদানের পরিসংখ্যান করা হয় তাহলে আমার মনে হয় দেশের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করবে।
জনমুখী এমন বিস্তারিত কর্মকাণ্ড অন্য কোন নেতা করতে পারেনি। দীর্ঘ মেয়াদী বিশাল ত্রাণ বিতরণ কর্মযজ্ঞ পরিচালনায় কোথাও কোন প্রকার বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়নি। অথচ সরকারী ত্রাণ বিতরণসহ অন্যদের বেলায় দেখা গেছে নানা অনিয়ম। এমনকি একজনতো সরকারি ত্রাণ নিয়ে দেয়ার জন্য দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে মোটর সাইকেলের তেল খরচ বাবদ ১০০ টাকা করে নিয়েছে। অনেকের কাছ থেকে ত্রাণ না পেয়ে ফিরে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এমনকি সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিলও হয়েছে। সেক্ষেত্রে শুধুমাত্র পরিচ্ছন্ন ও দৃঢ় নেতৃত্বের কারনে দিলনেওয়াজের বেলায় এমন কিছুই ঘটেনি।
সৈয়দপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সুমন আরিফুর আনোয়ার বলেন, যে কোন সংকট মূহুর্তে সৈয়দপুরের জনগনের পাশে থেকে নিবেদিত প্রান হিসেবে কাজ করেছে দিলনেওয়াজ খান। করোনা সংকটেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। এবার তার যে ভুমিকা তা সৈয়দপুরের ইতিহাসে বিরল। কোন নেতাই তার ধারে কাছেও যেতে পারেনি। এছাড়াও দলীয় কর্মকাণ্ডে তার অবদান অতুলনীয়। যা সৈয়দপুর আওয়ামীলীগসহ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের কেউই কোনদিন ভুলতে পারবেনা।
পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোজাম্মেল হক বলেন, দিলনেওয়াজ খানের করোনাকালীন ব্যাপক কার্যক্রম সৈয়দপুরবাসী দেখেছেন। তারাই তার মূল্যায়ন করবে।
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মোখছেদুল মোমিন বলেন, দিলনেওয়াজ খান ৯৬ এর গণ আন্দোলনের সময় থেকে প্রতিটি সময়েই বলিষ্ঠ ভুমিকা রেখে চলেছে। করোনার প্রেক্ষিতে সে যেভাবে মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছে তা অভূতপূর্ব। উপজেলা আওয়ামীলীগের কেউ এমন অবদান রাখতে পারেনি।
দিলনেওয়াজ খান সব সময়ই সমাজ সেবা মূলক কাজ করে চলেছে। দরিদ্র মানুষের মেয়ের বিয়ে, গরীব অসহায় মানুষের চিকিৎসা ও মেধাবী শিক্ষার্থীর ভর্তি-ফরম ফিলাপ, বই কিনে দেয়া ও পড়াশোনার খরচ বহন সহ যখন যেই তার শরণাপন্ন হয়েছে কেউই বিমুখ হয়নি। এভাবে সে দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর যাবত জনমানুষের সেবায় নিয়োজিত।
উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক দিলনেওয়াজ খান এ ব্যাপারে বলেন, আমরা হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক। তাঁর রাজনীতিই ছিল জনমানুষের জন্য। তাঁর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা জনসেবার উদ্দেশ্যেই রাজনীতি করি। করোনা প্রাদুর্ভাবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সার্বিকভাবে সচেষ্ট থেকেছি। তারই আলোকে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। মূলতঃ আমার বড় ভাই আমেরিকা প্রবাসী মরহুম পারভেজ খান সৈয়দপুরবাসীর জন্য যেভাবে নিবেদিতপ্রান ছিলো আপনারা সবাই জানেন। তাঁর সেই মানসেবার ধারা অব্যাহত রাখার চেষ্টা করছি মাত্র। আমরা শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী মানুষ।উত্তরাা ইপিজেড এ কেপি এন্টারন্যাশনাল নামে আমার ফ্যাক্টরী আছে। সেই সাথে রয়েছে  আমদানী-রফতানী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।        রাজনীতি করে অর্থ উপার্জনের কোন প্রয়োজন নেই। আমাদের রাজনীতির একমাত্র লক্ষই হচ্ছে মানুষের সেবা করা।
তিনি বলেন,  গত ফেব্রুয়ারিতে বাড়ি করার জন্য কিছু টাকা গচ্ছিত রেখেছিলাম। এমতাবস্থায় করোনা দেখা দেয়ায় সেই টাকাটাই ত্রাণ বিতরণের কাজে লাগিয়েছি। আজীবন এভাবেই জনগনের সেবা করে যেতে চাই। এজন্য মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের করুনা প্রার্থনা করি। সেই সাথে সৈয়দপুরবাসীর দোয়া চাই।

শুধু দলের নয় আপামর জনতার নেতায় পরিণত হয়েছেন যুবলীগের আহবায়ক দিলনেওয়াজ খান

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বুলবুল আহমেদ নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের মালগুদাম এলাকা থেকে সিএনজি সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক জব্দ করেছেন আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার। সান্তাহার পৌর শহরের উম্মুক্ত জায়গায় ঝুকিঁপূর্ন ভাবে পাইপের মাধ্যমে গ্যাস কেনাবেচা হচ্ছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্লাহ বিন রশিদ সোমবার ভোরে সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় অবৈধ ভাবে গ্যাস বিক্রির সাথে জড়িত ব্যক্তিরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়।
অবৈধ ভাবে গ্যাস বিক্রি বন্ধের জন্য গত ৫ সেপ্টেম্বর আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সান্তাহার মালগুদাম এলাকার ব্যবসায়ি ও পরিবহন শ্রমিক সংগঠন। অভিযোগে জানা যায়, সান্তাহার পৌর এলাকার মিজানুর রহমান দীর্ঘ দিন ধরে গভীর রাতে ট্রাকে সিলিন্ডার রেখে বিভিন্ন যানবাহনে অবৈধ ভাবে গ্যাস বিক্রি করে আসছেন। বগুড়ার সিএনজি ষ্টেশন থেকে ট্রাকে করে গ্যাস সিলিন্ডার আনা হয়। একটি ট্রাকে বড় আকারের ২০ থেকে ৩০ টি সিলিন্ডার থাকে। শহর মানুষ শুন্য হলে গভীর রাতে ট্রাকের সিলিন্ডার থেকে পাইপের মাধ্যমে সিএনজি, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাসসহ অন্যান্য যানবাহনে গ্যাস বিক্রি হয়। দুরত্ব ও খরচ এড়াতে যানবাহনের মালিকরা ট্রাক থেকে গ্যাস সংগ্রহ করে থাকেন। সান্তাহার শহরের ব্যবসায়ি ও পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের অভিযোগের ভিত্তিতে আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্লাহ বিন রশিদ সোমবার ভোরে অভিযান পরিচালনা করে ১২টি গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার সহ একটি ট্রাক জব্দ করেন। এ ব্যাপারে আদমদীঘি ইউএনও আবদুল্লাহ বিন রশিদ জানান, ট্রাকসহ সিলিন্ডার থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি বগুড়া পরিবেশ অধিদপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে।

বগুড়ার সান্তাহারে গ্যাস সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক জব্দ করলেন ইউএনও

themesbazartvsite-01713478536