জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বিশ্ব সবুজ আন্দোলন ফাউন্ডেশনের দোয়া মাহফিল ও বিনামূল্যে মাস্ক ও ঔষধ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বিশ্ব সবুজ আন্দোলন ফাউন্ডেশনের দোয়া মাহফিল ও বিনামূল্যে মাস্ক ও ঔষধ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

নেহাল আহম্মেদ : শনিবার ১৫ আগষ্ট ২০২০ শনিবার সকাল ১১টায় সংগঠনের পক্ষ থেকে মালিবাগ মোড়ে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ পরিবারের সদস্যদের জন্য দোয়া মাহফিল ও জনগণের মাঝে বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ ও ঔষধ বিতরণ কর্মসূচি পালন করে পরিবেশবাদী সামাজিক সংগঠন বিশ্ব সবুজ আন্দোলন ফাউন্ডেশন। এ সময় সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বাপ্পি সরদার বলেন, “১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের এই দিনে বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ পরিবারের সকল শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। জাতির জনক একজন সৎ ও যোগ্য নেতা ছিলেন। আমরা তাঁর আদর্শ বুকে ধারণ করে দুর্নীতিমুক্ত ও জলবায়ু ঝুঁকিমুক্ত উন্নত রাষ্ট্র গড়তে কাজ করবো।” তিনি করোনা ভাইরাস ও বন্যায় বাস্তুহারাদের জন্য সমাজের সকল বিত্তবান ও সামাজিক সংগঠনকে মানুষের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান। বিশ্ব সবুজ আন্দোলন ফাউন্ডেশন আগষ্ট মাস জুড়ে সারাদেশে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি ও বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ কর্মসূচি চালিয়ে যাবে।

 

কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন বিশ্ব সবুজ আন্দোলন ফাউন্ডেশনের মহাসচিব মহসিন সিকদার পাভেল, অর্থ পরিচালক ওমর ফারুক চৌধুরী, পরিচালক নাসিরুল ইসলাম নাসির, সবুজ আন্দোলন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত) সাধারণ সম্পাদক উদয় খান, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিন চৌধুরী, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক, ডা: এর আগে মো: মাহাতাব হোসাইন মাজেদ,সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার সাদাত সবুজ, নারী ও শিশু সম্পাদক ইয়াসমিন আনোয়ারসহ কেন্দ্রীয়, মহানগর ও ছাত্র ফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

লিয়াকত হোসেন রাজশাহী :পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে আগামী সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে গত ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ আছে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দেশব্যাপী লকডাউনে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বাসায় অবস্থান করছে। তাদের অভিভাবকদের আয় উপার্জনও বন্ধ। অভাবের তাড়নায় পবিত্র রমজানে দু’বেলা ভাল খাবার জোগাতেই হিমসিম খাচ্ছে।এরমধ্যে সন্তানের প্রাতিষ্ঠানিক খরচের দিকে নজর– দরিদ্র বাবার আত্মহত্যা ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না।
ইতোমধ্যে কপালে ভাজ ফেলা তথ্য দিয়েছে জাতিসংঘের খাদ্য সহায়তা দানকারী শাখা ডব্লিউএফপি। করোনা ভাইরাস মহামারীতে খাদ্যের অভাবেই বিশ্বের প্রায় ৩ কোটি মানুষ প্রাণ হারাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। অর্থনীতি সচল রেখে ভারসাম্যপূর্ণভাবে কোভিড-১৯ মোকাবিলার আহবান জানিয়েছেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ডেভিজ বিজলে। তিনি বলেন, ‘বিশ্বনেতাদের অর্থনীতি সচল রেখে একটি ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থায় কোভিড-১৯ মোকাবিলা করতে হবে। অন্যথায়  কোভিড-১৯ এর চেয়ে বেশি সংখ্যক লোক মারা যাবে অর্থনৈতিক অবনতি ও অনাহারে।’
বাংলাদেশের অবস্থা খুব ভাল বলার অবকাশ রাখে না। ইতোমধ্যে দেশের কৃষিতে প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। আবাদি ফসল ঘরে তুলতেই পারছেন না কৃষকরা। উত্তরবঙ্গের অন্যতম জীবিকা নির্বাহী ফসল পান রপ্তানি করতে না পারায় পথে বসতে যাচ্ছেন অর্ধ লাখ পানচাষী। উত্তরের জেলা রাজশাহীর মোহনপুরেই পানচাষী ১৩ সহস্রাধিক। এখানকার ১৫ হাজারের ওপরে পানবরজের পান রপ্তানি সম্পূর্ণ বন্ধ। যেসব পান ভারত, পাকিস্তান, লিবিয়া, সৌদিআরব, বাহরাইন, যুক্তরাজ্য, ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানিসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হয়। যা সম্পূর্ণ বন্ধ হওয়ায় পান নির্ভর পরিবারগুলোতে ঘোর অমানিশা নামতে যাচ্ছে।
দেশে রমজান কিংবা দুর্যোগে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি নতুন কিছু নয়। সিন্ডিকেটের কালোবাজারির থাবায় ইফতার সামগ্রী কিনতে গিয়েও কয়েকবার ভাবতে হয় পরবর্তী রাতে সেহরির খাবার আছে কিনা। কৃষকের নুন আনতে পান্তা ফুরাচ্ছে। শ্রমিক-দিনমজুররা তো আরও মহাসংকটে। গার্মেন্টস কারখানার মালিকদের নাটকীয় সিদ্ধান্তে উভয়সংকটে শ্রমিকরা। খুলে দেয়ার সিদ্ধান্তে চাকরী বাঁচানোর তাগিদে কধর্মক্ষেত্র ‘বেগার’ খাটতে যেতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। মাস শেষে পারিশ্রমিক পেলেও স্বস্তির ঢেকুর ফেলতে পারতেন। তাও নেই। আর কারখানা বন্ধ থাকলে তো পাবেনই না।
দীর্ঘসময় গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকায় পরিবহণ শ্রমিকরাও কোণঠাসা হয়ে পরেছে।
এসব প্রতিবন্ধকতার মধ্যে সন্তানের প্রাতিষ্ঠানিক খরচ যোগাবেন কিভাবে? আর সন্তানের ফি পরিশোধ করলে সাংসারিক ব্যয়ভার বহন করবে কে? নিশ্চয় চেয়ারম্যান-মেম্বার নয়। স্থানীয় সাংসদের দর্শনও পাবেন না। তাকেই সব সামলাতে হবে। এরপর পরিবার নিয়ে বেঁচেও থাকতে হবে?
দেশের মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্তরা নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন টাকার চিন্তায়। বুক ফাটলেও মুখ ফুটে বলতে পারছেন না। এই কঠিন পরিস্থিতির ধাক্কা সামলাতে অনতিবিলম্বে সরকারকেই কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে। জাতিসংঘের ভয়ঙ্কর আশঙ্কার প্রভাব থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত রাখতে সরকারের শক্ত অবস্থানের বিকল্প নেই। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জনগণকে ঘরে রাখতে সরকার কার্যকরী ভূমিকা পালন করেছে। এবার খাদ্যাভাবে প্রাণহানি রোধে সরকারকে আন্তরিক হতে হবে।
তা হলো- দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ছাত্রাবাসের সব ধরনের ফি মওকুফ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা প্রদান করা। গত এপ্রিল থেকে আগামী সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফি মওকুফের ঘোষণা এবং এমন নির্দেশনা কার্যকর নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জনবান্ধব সিদ্ধান্ত হবে। মুজিববর্ষে সরকারের এমন যুগান্তকারী পদক্ষেপে দেশের ছাত্রসমাজ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে পিছপা হবে না। সময়োপযোগী নির্দেশনায় স্বস্তির শ্বাস ফেলে সাধারণ জনতাও সরকারকে সাধুবাদ জানাবে। তাই সরকারীভাবে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফি মওকুফের নির্দেশনা প্রদান করা হোক।

সাংসদ আক্রান্ত,নওগাঁয় ২ এমপি, ডিসি, এসপিসহ ৬ জন কোয়ারেন্টাইনে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বুলবুল আহমেদ নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের মালগুদাম এলাকা থেকে সিএনজি সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক জব্দ করেছেন আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার। সান্তাহার পৌর শহরের উম্মুক্ত জায়গায় ঝুকিঁপূর্ন ভাবে পাইপের মাধ্যমে গ্যাস কেনাবেচা হচ্ছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্লাহ বিন রশিদ সোমবার ভোরে সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় অবৈধ ভাবে গ্যাস বিক্রির সাথে জড়িত ব্যক্তিরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়।
অবৈধ ভাবে গ্যাস বিক্রি বন্ধের জন্য গত ৫ সেপ্টেম্বর আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সান্তাহার মালগুদাম এলাকার ব্যবসায়ি ও পরিবহন শ্রমিক সংগঠন। অভিযোগে জানা যায়, সান্তাহার পৌর এলাকার মিজানুর রহমান দীর্ঘ দিন ধরে গভীর রাতে ট্রাকে সিলিন্ডার রেখে বিভিন্ন যানবাহনে অবৈধ ভাবে গ্যাস বিক্রি করে আসছেন। বগুড়ার সিএনজি ষ্টেশন থেকে ট্রাকে করে গ্যাস সিলিন্ডার আনা হয়। একটি ট্রাকে বড় আকারের ২০ থেকে ৩০ টি সিলিন্ডার থাকে। শহর মানুষ শুন্য হলে গভীর রাতে ট্রাকের সিলিন্ডার থেকে পাইপের মাধ্যমে সিএনজি, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাসসহ অন্যান্য যানবাহনে গ্যাস বিক্রি হয়। দুরত্ব ও খরচ এড়াতে যানবাহনের মালিকরা ট্রাক থেকে গ্যাস সংগ্রহ করে থাকেন। সান্তাহার শহরের ব্যবসায়ি ও পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের অভিযোগের ভিত্তিতে আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্লাহ বিন রশিদ সোমবার ভোরে অভিযান পরিচালনা করে ১২টি গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার সহ একটি ট্রাক জব্দ করেন। এ ব্যাপারে আদমদীঘি ইউএনও আবদুল্লাহ বিন রশিদ জানান, ট্রাকসহ সিলিন্ডার থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি বগুড়া পরিবেশ অধিদপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে।

বগুড়ার সান্তাহারে গ্যাস সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক জব্দ করলেন ইউএনও

themesbazartvsite-01713478536