আদমদীঘিতে ছুরিকাঘাতে কিশোর খুন

আদমদীঘিতে ছুরিকাঘাতে কিশোর খুন

বুলবুল আহমেদ:নামের মিলে বগুড়ার আদমদীঘিতে সিহাব হোসেন (১৬) নামে এক কিশোরকে গলায় ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। রোববার (০২ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার কদমা বেইলি ব্রিজ এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত সিহাব দমদমা গ্রামের হারুন অর রশিদের ছেলে। এ ঘটনায় আরো দুই কিশোর আহত হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জনান, করজবাড়ী গ্রামের এখলাছের ছোট ছেলের সঙ্গে ঈদের দিন বিকেলে রক্তদহ বিলের স্টিল ব্রিজ এলাকায় দমদমা উত্তর পাড়ার সোহাগের ছেলে সিহাবসহ বেশ কয়েকজনের কথাকাটির এক পর্যায়ে উভয়ের মধ্যে মারপিটের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার জেরে পরের দিন রোববার (০২ আগস্ট) সন্ধায়ই ব্রিজ এলাকায় এখলাছের বড় ছেলে শিপলুসহ কয়েকজন ওই সিহাব ও তার সহপাঠীদের খুঁজতে থাকে।

একপর্যায়ে সন্ধ্যায় ওই গ্রামেরই পূর্ব পাড়ার সবজি বিক্রেতা হরুন অর রশিদের ছেলে সিহাব ওই ব্রিজ অতিক্রম করার সময় শিপলু তাকে ডেকে তার নাম ‘সিহাব’ শোনা মাত্র গলায় ছুরিকাঘাত করে।

এসময় পাশে থাকা ওই গ্রামের টুটুলের ছেলে প্রহর ও শহীদুলের ছেলে জাকিরকেও ছুরিকাঘাতে আহত করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় সিহাব, প্রহর ও জাকিরকে উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতা‌লে নেওয়া হ‌লে রা‌তে সিহাবের মৃত‌্যু হয় ।

পুলিশ সিহাবের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছেন বলে জানান সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক আব্দুল ওযাদুদ।

ঘটনাস্থলে যাওয়া বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুর রশিদ বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।’

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

বুলবুল আহমেদ নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের মালগুদাম এলাকা থেকে সিএনজি সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক জব্দ করেছেন আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার। সান্তাহার পৌর শহরের উম্মুক্ত জায়গায় ঝুকিঁপূর্ন ভাবে পাইপের মাধ্যমে গ্যাস কেনাবেচা হচ্ছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্লাহ বিন রশিদ সোমবার ভোরে সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় অবৈধ ভাবে গ্যাস বিক্রির সাথে জড়িত ব্যক্তিরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়।
অবৈধ ভাবে গ্যাস বিক্রি বন্ধের জন্য গত ৫ সেপ্টেম্বর আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সান্তাহার মালগুদাম এলাকার ব্যবসায়ি ও পরিবহন শ্রমিক সংগঠন। অভিযোগে জানা যায়, সান্তাহার পৌর এলাকার মিজানুর রহমান দীর্ঘ দিন ধরে গভীর রাতে ট্রাকে সিলিন্ডার রেখে বিভিন্ন যানবাহনে অবৈধ ভাবে গ্যাস বিক্রি করে আসছেন। বগুড়ার সিএনজি ষ্টেশন থেকে ট্রাকে করে গ্যাস সিলিন্ডার আনা হয়। একটি ট্রাকে বড় আকারের ২০ থেকে ৩০ টি সিলিন্ডার থাকে। শহর মানুষ শুন্য হলে গভীর রাতে ট্রাকের সিলিন্ডার থেকে পাইপের মাধ্যমে সিএনজি, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাসসহ অন্যান্য যানবাহনে গ্যাস বিক্রি হয়। দুরত্ব ও খরচ এড়াতে যানবাহনের মালিকরা ট্রাক থেকে গ্যাস সংগ্রহ করে থাকেন। সান্তাহার শহরের ব্যবসায়ি ও পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের অভিযোগের ভিত্তিতে আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্লাহ বিন রশিদ সোমবার ভোরে অভিযান পরিচালনা করে ১২টি গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার সহ একটি ট্রাক জব্দ করেন। এ ব্যাপারে আদমদীঘি ইউএনও আবদুল্লাহ বিন রশিদ জানান, ট্রাকসহ সিলিন্ডার থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি বগুড়া পরিবেশ অধিদপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে।

বগুড়ার সান্তাহারে গ্যাস সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক জব্দ করলেন ইউএনও

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর সৈয়দপুরে ট্রলির সাথে মোটর সাইকেলের মুখোমুখী সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে মোটর সাইকেলের চালক নিহত হয়েছে।  তার নাম সুমন মোহাম্মদ তুষার (৩৫)। তিনি দিনাজপুরের পার্বতীপুরের গুলপাড়ার জুলফিকার আলীর পুত্র। পার্বতীপুর স্টেশনে বাংলাদেশ রেলওয়ের সহকারী লোকোমাস্টার (সহকারী ট্রেন চালক) হিসেবে কর্মরত।
পুলিশ জানায়, ১৬ আগস্ট  রোববার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে মোটর সাইকেল যোগে সৈয়দপুর থেকে পার্বতীপুরে যাওয়ার সময় সৈয়দপুর উপজেলার সীমানা এলাকার চৌমুহনী বাজারে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রলির সাথে মুখোমুখী সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে মারা যায় সুমন।
এ সময় মোটরসাইকেলে থাকা বোন ও ভাগিনী গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা আহতদের সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করায়।৷

সৈয়দপুরে ট্রলি-মোটরসাইকেল মুখোমুখী সংঘর্ষে সহকারী লোকো মাস্টার সুমন নিহত

 সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আতাউর রহমানের নামে থাকা বয়স্ক ভাতার কার্ডটি বাতিল করেছে উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর। ওই কার্ডটি একজন প্রকৃত দুস্থের নামে করে দেওয়ার পাশাপাশি গত এক বছরে ওই কার্ডের বিপরীতে তোলা ভাতার টাকাও ইউপি সদস্যের থেকে ফেরত নিয়ে দুস্থকে প্রদান করা হয়েছে।
ইউপি সদস্য মোঃ আতাউর রহমান অনিয়ম করে নিজের নামে ২০১৯-২০২০ ইং অর্থবছরের বয়স্ক ভাতা কার্ড ইস্যু করে এক বছর ধরে ভাতা উত্তোলন করে আসছিলেন। এ নিয়ে সাংবাদিক শাহজাহান আলী মনন ও জাকির হোসেন বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টাল সহ দৈনিক পত্রিকায় “সৈয়দপুরে রানিং ইউপি মেম্বার পাচ্ছেন বয়স্কভাতা” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে। এর প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সত্যতা পেয়ে সৈয়দপুর উপজেলা সমাজসেবা অফিসের দূর্নীতিবাজ ইউনিয়ন সমাজকর্মী মোঃ শাহজাহান কে কারন দর্শানোর নোটিশ প্রদান করে। পরে
গত ১৬ আগষ্ট বোববার বিকেলে উপজেলা পরিষদে কামারপুকুর ইউপির বাসিন্দা দিনমজুর মোঃ আবদুর রহমানের হাতে ওই বয়স্ক ভাতার কার্ড তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ নাসিম আহমেদ। এ সময় উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা হাওয়া খাতুন উপস্থিত ছিলেন।
সমাজসেবা কর্মকর্তা হাওয়া খাতুন বলেন, তদন্ত করে ওই ইউপি সদস্যের নামে বরাদ্দ করা বয়স্ক ভাতার কার্ড ইস্যু ও টাকা উত্তোলনের সত্যতা মিলেছে। তারপর পরই সেই কার্ড বাতিল করে উত্তোলিত টাকাসহ একজন প্রকৃত দুস্থের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন সমাজকর্মী ও সেই ইউপি সদস্যের কাছে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ নাসিম আহমেদ বলেন, বয়স্ক ভাতার কার্ড দুস্থ বয়স্করা পাবেন এটা স্বাভাবিক। কিন্তু ইউনিয়ন মেম্বার পাচ্ছেন তা জানার পর পরই সাথে সাথে তা বাতিল করে দুস্থদের দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, ইতোপূর্বে সৈয়দপুর উপজেলা সমাজসেবা অফিসের অপর কর্মচারী পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত মোঃ টুটুলের সাথে যোগ সাজশে পৌর মহিলা কাউন্সিলর কনিকা রানী কর্তৃক মৃত ব্যাক্তিকে জীবিত দেখিয়ে ভাতা উত্তোলনের সংবাদ প্রকাশ করে উক্ত দুই সাংবাদিক। এ ঘটনায় পৌর পরিষদের এক জরুরি সভায় তদন্ত কমিটি গঠন করেন পৌর মেয়র অধ্যক্ষ মোঃ আমজাদ হোসেন সরকার। কিন্তু আজও সে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ বা অনিয়মের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

ফলোআপঃ সৈয়দপুরের সেই ইউপি সদস্যের নামে বয়স্ক ভাতার কার্ড বাতিল করে দুস্থকে প্রদান

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বুলবুল আহমেদ নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের মালগুদাম এলাকা থেকে সিএনজি সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক জব্দ করেছেন আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার। সান্তাহার পৌর শহরের উম্মুক্ত জায়গায় ঝুকিঁপূর্ন ভাবে পাইপের মাধ্যমে গ্যাস কেনাবেচা হচ্ছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্লাহ বিন রশিদ সোমবার ভোরে সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় অবৈধ ভাবে গ্যাস বিক্রির সাথে জড়িত ব্যক্তিরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়।
অবৈধ ভাবে গ্যাস বিক্রি বন্ধের জন্য গত ৫ সেপ্টেম্বর আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সান্তাহার মালগুদাম এলাকার ব্যবসায়ি ও পরিবহন শ্রমিক সংগঠন। অভিযোগে জানা যায়, সান্তাহার পৌর এলাকার মিজানুর রহমান দীর্ঘ দিন ধরে গভীর রাতে ট্রাকে সিলিন্ডার রেখে বিভিন্ন যানবাহনে অবৈধ ভাবে গ্যাস বিক্রি করে আসছেন। বগুড়ার সিএনজি ষ্টেশন থেকে ট্রাকে করে গ্যাস সিলিন্ডার আনা হয়। একটি ট্রাকে বড় আকারের ২০ থেকে ৩০ টি সিলিন্ডার থাকে। শহর মানুষ শুন্য হলে গভীর রাতে ট্রাকের সিলিন্ডার থেকে পাইপের মাধ্যমে সিএনজি, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাসসহ অন্যান্য যানবাহনে গ্যাস বিক্রি হয়। দুরত্ব ও খরচ এড়াতে যানবাহনের মালিকরা ট্রাক থেকে গ্যাস সংগ্রহ করে থাকেন। সান্তাহার শহরের ব্যবসায়ি ও পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের অভিযোগের ভিত্তিতে আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্লাহ বিন রশিদ সোমবার ভোরে অভিযান পরিচালনা করে ১২টি গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার সহ একটি ট্রাক জব্দ করেন। এ ব্যাপারে আদমদীঘি ইউএনও আবদুল্লাহ বিন রশিদ জানান, ট্রাকসহ সিলিন্ডার থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি বগুড়া পরিবেশ অধিদপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে।

বগুড়ার সান্তাহারে গ্যাস সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক জব্দ করলেন ইউএনও

themesbazartvsite-01713478536