চন্দনাইশে “পশ্চিম এলাহাবাদ মাদক নিয়ন্ত্রণ কমিটি’র” উদ্যোগে মাদক বিরোধী সমাবেশ ও ঈদ পুনর্মিলনী ।

চন্দনাইশে “পশ্চিম এলাহাবাদ মাদক নিয়ন্ত্রণ কমিটি’র” উদ্যোগে মাদক বিরোধী সমাবেশ ও ঈদ পুনর্মিলনী ।

সাইদুর রহমান চৌধুরী, চট্রগ্রামঃ
চন্দনাইশে  মাদক বিরোধী  সংগঠন “পশ্চিম  এলাহাবাদ মাদক নিয়ন্ত্রণ কমিটি’র” উদ্যোগে মাদকের বিস্তার ও মাদক নির্মুৃলের লক্ষে মাদক বিরোধী সমাবেশ ও ঈদ পুনর্মিলনী সমাবেশ  অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৩ই আগস্ট সোমবার বিকাল ৪টায় পশ্চিম এলাহাবাদ আহমদিয়া সুন্নিয়া ফাযিল মাদ্রাসা ময়দানে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
যুবলীগ নেতা সাইফুদ্দিন খালেদ ও নুর শাহেদের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন
মাদক নিয়ন্ত্রণ কমিটির আহবায়ক কাজী মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-১৪ আসনের(চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) সংসদ সদস্য, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি  এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রনালয়  সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম চৌধুরী এমপি। 

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  সাঙ্গু গ্রুপ অব কোম্পানির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এম.এ তাহের।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম চৌধুরী এমপি বলেন, পশ্চিম এলাহাবাদ মাদক নিয়ন্ত্রণ কমিটি একটি যুগোপযোগী প্রদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আমি তাদের এই উদ্যোগ প্রশংসার দাবীদার  তাই আমি তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই। সেইসাথে সত্যতা যাচাই করে যারা মাদক গ্রহণ করে ও যারা মাদক ব্যবসায়ী তাদের নামের তালিকা প্রশাসনকে দিবেন, প্রশাসন এ ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে আলহাজ্ব এম. এ তাহের বলেন, মাদক বিস্তার প্রতিরোধ ও মাদক নির্মূলে এই সংগঠনের কার্যক্রম গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, আমি তাদের উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করছি।

সভাপতির বক্তব্যে মাদক নিয়ন্ত্রণ কমিটির আহবায়ক কাজী  মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, মাদক যুবসমাজ ও দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছে । তাই  যুবসমাজ ও দেশেকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য আমাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।  

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি নেতা এডভোকেট রফিক আহমদ, চন্দনাইশ উপজেলা আওয়ামীলীগের  সসহ-সভাপতি আব্দুল মালেক রানা, কাঞ্চনাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান, চন্দনাইশ উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক এডভোকেট আবু ছালেহ এবং  স্থানীয় রাজনৈতিক, সংগঠক   গণ্যমান্য ব্যক্তিরা

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আকলিমা রশীদ ঢালীপিংকী , কসবা প্রতিনিধি,ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে ফেসবুকে লেখা আর রাস্তাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের পরিকল্পিত হামলায় জিলানীর বাড়িঘর দোকানপাট ভাংঙ্গচোর-আহত ৪,ধানায় মামলা গ্রেফতার-৪ সংবাদ পাওয়া যায়।
ঘটনা প্রকাশ,ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে দীর্ঘদিন থেকে দুই পক্ষের মাঝে বিরোধ চলমান রয়েছে বলে গ্রামবাসী জানান। এর জের ধরে একই গ্রামের মোবারক হোসেন মানিকের নেতৃতে সোলেমান মিয়ার পুত্র শাহীন আল মামুন লাঠিয়াল বাহিনীর গ্রামে চরম উওেজনা বিরাজ করছে বলে গ্রামের উওর পাড়ার লোকজন তাও জানান।
মোবারক হোসেন মানিকের জনবল,লাঠি বল,অর্থবলে গ্রামের সাধারণ মানুষকে মানুষ বলে মনে না করে যখন যা মনে চায় তাই করেন বলে ক্ষতিগ্রস্থরা তাও জানান। তাদের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না বলেও জানান। মোবারক হোসেন মানিক এর নেতৃত্বে একদল যুবক ফেসবুকে মিথ্যা কাল্পনিক কথা লিখে গ্রামে অপ প্রচারসহ জমি জমা দখল করার বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে।
গত ৮ জুলাই দিনের প্রায় সাড়ে তিনটায় ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোবারক হোসেন মানিকের হুকুমে শাহীন আলম মামুনসহ ৩০/৪০জন দাঙ্গাবাজ হাতে রাম দা,রড,হকস্টীক লাঠি সোটা নিয়ে একই গ্রামের উওর পাড়ার মৃত মিরণ মিয়ার পুত্র জিলানীর বাড়ি ঘর দোকান পাটে ফিম্মিটাইলে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতিসাধনসহ লুটপাট করার অভিযোগ উঠেছে।
তাদের ফিম্মিটাইলের হামলায় মো: চুনি মিয়া (৭৫),মোছাম্মদ সুলতানা বেগম(৩৫), জুলেখা বেগম(২৪), মো:বাবুল মিয়া(৩২)সহ ৪জন গুরুত্বর অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে মামলা বাদী মো: জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান। এর মধ্যে মো: চুনি মিয়া ও মোছাম্মদ সুলতানা বেগম কুমিল্লা মেডিক্যাল হাসপাতালে আস্কজনক অবস্থায় আছেন।
এই ঘটনায় শাহীন আলম মামুন (৩০), উজ্জল মিয়া (৪০),রমজান (২৫) ,রাসেল(২৫)সহ ১৫জনকে আসামী করে কসবা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। কসবা থানা মামলা নং-১৯। ঘটনার সংবাদ পেয়ে কসবা থানা পুলিশ ব্যাপক তৎপরতা অব্যাহত চালিয়ে ঐদিনই দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রসহ শাহীন আলম মামুন, উজ্জল মিয়া,রমজান ও রাসেলকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতদেরকে ৯ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন। মামলার তদন্ত র্কমর্কতা কসবা থানার এস আই মো:আনোয়ার হোসেন গ্রেফতারের সততা স্বীকার করেন এবং অন্য আসামীদেরকে গ্রেফতারের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন বলে সাংবাদিকদেরকে জানান। ক্ষতিগ্রস্থরা ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক ও হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিকের নির্দেশে লাঠিয়াল শাহীন আলম মামুন,উজ্জল,ফরহাদ,জামাল,সুমন,মশিউর রহমান রাঙ্গা,সমুন মিয়া গংদের কবল থেকে গ্রামের সাধারণ মানুষকে রক্ষা করতে আইনমন্ত্রীর কাছে ন্যায়বিচার দাবী করছেন।
অপর দিকে দায়েরকৃত মামলা তুলে না নিলে মামলার বাদী ও তার পরিবারের সদস্যসহ স্বাক্ষীদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিক সহ তার লোকজন বলে মামলার বাদী জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান।
দিন দুপুরে লাঠিয়ালবাহিনীর দল নেতা শাহীন আলম মামুনসহ তার সঙ্গবদ্ধ দল রাম দা,লৌহার রড,মহকস্টিক নিয়ে প্রকাশ্য হামলাসহ বাড়ি ঘর দোকানপাটে তাগুব চালানোর ঘটনাটি নিন্দাজ্ঞাপন করে গ্রামের সচেতনমহল ন্যায় বিচার দাবী করেছেন আইনমন্ত্রীর কাছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দোকানপাট ভাংঙ্গচোর আহত ৪ গ্রেফতার ৪

themesbazartvsite-01713478536