ঈশ্বরদী প্রেসকাবের অচলাবস্থা : সংকট নিরসনকল্পে প্রশাসনের হস্তপে কামনা সাংবাদিকদের

ঈশ্বরদী প্রেসকাবের অচলাবস্থা : সংকট নিরসনকল্পে প্রশাসনের হস্তপে কামনা সাংবাদিকদের

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি:প্রায় ৫ বছর পূর্বে অবৈধভাবে গঠিত ঈশ্বরদী প্রেসকাবের বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটি অবিলম্বে বাতিল ঘোষণা, সাংগঠনিক ধারায় সুষ্ঠ নির্বাচন ও কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছেন ঈশ্বরদী প্রেসকাবের সাধারণ সদস্যরা। একই সঙ্গে ঈশ্বরদীতে সাংবাদিকতা ও প্রেসকাবের সুষ্ঠ পরিবেশ তৈরি ও অগঠনতান্ত্রিকভাবে বহিস্কৃত কাব সদস্যদের পুনর্বহালেরও দাবিতে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শিহাব রায়হানের নিকট লিখিত ভাবে অভিযোগ দায়ের করা হয়। প্রেসকাবের বর্তমান ও সাবেক নের্তৃবৃন্দসহ কাবের স্থায়ী সদস্যবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
অভিযোগপত্রের অনুলিপি দেওয়া হয়েছে ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফিরোজ কবির ও ঈশ্বরদী থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেখ মোঃ নাসীর উদ্দীনসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে। লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০১৬ সালের ৫ ফেব্র“য়ারী ঈশ্বরদী প্রেসকাবে বহিরাগতদের হস্তেেপ জোরপূর্বকভাবে সাংবাদিকদের বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়। তাদের অনিয়মতান্ত্রিক কার্যকলাপ ও বিমাতাসুলভ আচরণের কারণে ঈশ্বরদীতে কর্মরত বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের প্রতিনিধি/নিজস্ব সংবাদদাতা ও স্থানীয় পত্রিকার সম্পাদকরা দীর্ঘ প্রায় ৫ বছর যাবত প্রেসকাব বিমুখ। এ কারণে ঈশ্বরদীর ঐতিহ্যবাহী প্রেসকাবের মান চরমভাবে ুন্ন হচ্ছে। প্রকৃত সাংবাদিকদের ঐক্য নষ্ট হওয়ায় ঈশ্বরদীতে সুষ্ঠ সাংবাদিকতার পরিবেশও এখন নেই। প্রেসকাব প্রকৃত সাংবাদিকদের জায়গা, সাংবাদিকরা সেটি নিয়মতান্ত্রিকভাবে ব্যবহার করবে এটিই নিয়ম। কিন্তু বর্তমানে কার্যনির্বাহী কমিটির স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়মতান্ত্রিক কার্যকলাপ, অনিয়ম ও সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত নয় এমন ব্যাক্তিদের অবাধ বিচরনের কারণে ঈশ্বরদী প্রেসকাব কার্যত: অগ্রহণযোগ্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। যার ফলশ্র“তিতে প্রেসকাবে অচলাবস্থা বিরাজ করছে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দুই বছরের জন্য গঠিত কমিটির মেয়াদ অতিক্রম করে ইতিমধ্যে চার বছর পার কয়েছে বর্তমান কমিটি। ফলে জোরপূর্বক, অগণতান্ত্রিক ও অগঠনতান্ত্রিকভাবে গঠিত কমিটির বর্তমানে কোনো বৈধতাও নেই। সেজন্য গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নতুন কমিটি গঠন না হওয়া পর্যন্ত ঈশ্বরদী প্রেসকাবের বর্তমান অবৈধ কমিটির কর্মকান্ডের সঙ্গে দাপ্তরিক সহযোগিতা না রাখতে লিখিত অভিযোগপত্রে সর্বসম্মতিক্রমে স্বার করেন ঈশ্বরদী প্রেসকাবের অধিকাংশ সদস্যবৃন্দ। অভিযোগপত্রে যারা স্বার করেন তারা হলেন আলাউদ্দিন আহমেদ (দৈনিক যুগান্তর ও সাপ্তাহিক জনদাবী), মোস্তাক আহমেদ কিরণ (ভোরের কাগজ), সেলিম সরদার (সমকাল), এসএম ফজলুর রহমান (করতোয়া), হাসানুজ্জামান (যায়যায়দিন), তৌহিদ আক্তার পান্না (জনকণ্ঠ), এম.এ.কাদের (সাপ্তাহিক সমস্বর), শেখ ওয়াহেদ আলী সিন্টু (আমাদের সময়), মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন (ডেইলি বাংলাদেশ পোষ্ট), সালাউদ্দিন আহমেদ (বিএনএস), মোঃ ওহিদুজ্জামান টিপু (দৈনিক আজকালের খবর), শহীদুল্লাহ খান (নয়াদিগন্ত), মহিদুল ইসলাম (দেশ রূপান্তর), কাজী রকিব উদ্দীন আহমেদ (দৈনিক রাজশাহীর সংবাদ), আব্দুল্লাহ আল ওমর খান সুমার (হ্যালো ঈশ্বরদী), মাহাবুবুল হক দুদু (সাঃ প্রথম আলো), মোঃ মহিদুল ইসলাম (চাঁদনি বাজার), আব্দুল মান্নান টিপু (সমকোন), রেজাউল করিম সেলিম (ফোকাস বাংলা নিউজ), টিপু সুলতান (বাংলানিউজ ২৪.কম), শেখ মেহেদী হাসান (কালের কণ্ঠ), নুর মোহাম্মদ আবু দাউদ (ঈশ্বরদীর আলো)।
লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে ইউএনও শিহাব রায়হান জানান ঈশ্বরদী প্রেসকাবের অচলাবস্থা নিরসনকল্পে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন ঈশ্বরদী প্রেসকাবের সাবেক সভাপতি মোস্তাক আহমেদ কিরণ, সিনিয়র সাংবাদিক ও প্রেসকাবের সদস্য মাহাবুবুল হক দুদু, সেলিম সরদার, কাজী রকিব উদ্দিন, আব্দুল মান্নান টিপু, ওয়াহেদ আলী সিন্টু, জাহাঙ্গীর হোসেন, মহিদুল ইসলাম, সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

নিউজ ২৬ ॥ নীলফামারীর সৈয়দপুরে উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করে অপপ্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ও সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি দিলনেওয়াজ খান। ১৬ আগস্ট রোববার সকাল ১১ টায় স্থানীয় রেলওয়ে মূর্তজা মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন যুবলীগ আহবায়ক। এসময় বক্তব্য রাখেন সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: মোখছেদুল মোমিন, পৌর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক, পৌর আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জোবায়দুর রহমান শাহীন।
অন্যান্যের মধ্যে পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক মোস্তফা ফিরোজ, যুগ্ম আহবায়ক আসাদুল ইসলাম আসাদ, পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ মোহন, বোতলাগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আল হেলাল চৌধুরী, বোতলাগাড়ী ইউনিয়ন আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাফিজ হাপ্পু, যুবলীগ নেতা গুলজার আহমেদ, সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহবায়ক ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সৈয়দপুর কলেজের ভিপি আব্দুস সবুর, সহ-সভাপতি সুমন মো: আরিফুর আনোয়ার, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রোবায়েত মিন্টু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী নজরুল ইসলাম রয়েল সহ যুবলীগ, ছাত্রলীগের বর্তমান ও সাবেক অন্যান্য নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

লিখিত বক্তব্যে দিলনেওয়াজ খান বলেন, আমি বিগত ২৪ বছর যাবত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (স্থানীয় ও কেন্দ্রীয়) কমিটি, যুবলীগের উপজেলা আহবায়ক সহ আওয়ামীলীগের সাথে সম্পৃক্ত থেকে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত প্রতিটি কর্মসূচীতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সফল করার লক্ষে অংশগ্রহণ করেছি। কিন্তু পরিতাপের বিষয় সৈয়দপুর আওয়ামী পরিবারের কয়েকজন স্বার্থান্বেষী নেতা-কর্মী প্রতিনিয়ত আমাকে “রাজাকারের সন্তান” আখ্যায়িত করাসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে আমার পিতাকে জড়িয়ে পার্বতীপুর ও সৈয়দপুরে শত শত হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগের মিথ্যে নোংরা অভিযোগ এনে আমার মরহুম পিতার সম্মান নষ্ট করার হীন খেলায় মেতেছে। এই নোংরা ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে গত ৮ জুন ২০২০ ইং তারিখে সৈয়দপুর উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মহসিনুল হক মহসিন দলীয় প্যাডে লিখিতভাবে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক বরবার অভিযোগ প্রেরণ করেছেন এবং গত ১১ আগস্ট ‘দৈনিক তৃতীয় মাত্রা’ পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে তার নিজস্ব ভিডিও সাক্ষাৎকার সহ সংবাদ প্রকাশ করে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করেছেন। যা সামাজিক ও পারিবারিক এবং রাজনৈতিকভাবে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে মনগড়াভাবে করা হয়েছে। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলতে চাই জাতীয় ও স্থানীয়ভাবে প্রকাশিত রাজাকারের তালিকায় কোথায়ও আমার বাবার নাম উল্লেখ নেই।

 

 

জাতীয়ভাবে প্রকাশিত রাজাকার তালিকার ( সৈয়দপুর অংশে ক্রমিক নং ২০ ও ৭০) এবং স্থানীয়ভাবে প্রকাশিত তালিকায় (ক্রমিক নং ১৯) এ নাইম উদ্দিন কাজী, পিতা- সালিম উদ্দিন এর নাম অন্তর্ভূক্ত। উক্ত রাজাকারের নামের সাথে আমার পিতা মো: নাইম খান এর নাম মিলিয়ে কলঙ্কিত করার অপচেষ্টা করছেন। যা ইতোপূর্বেও ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের মত ষড়যন্ত্র।
এ ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই সম্প্রতি নতুন করে ১৯৭১ সালে সৈয়দপুরে সংঘটিত ৪৫০ জন হিন্দু মারোয়ারী গণহত্যা (ট্রেন ট্রাজেডি) ঘটনার সাথে আমার পিতাকে জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি দায়িত্ব নিয়ে দৃঢ়তার সাথে বলতে পারি আমার বাবা কোন সময়ই কোন ভাবেই যুদ্ধাপরাধী কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলেন না। তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা তা মিথ্যা, বানোয়াট, কাল্পনিক, ষড়যন্ত্রমূলক ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত।

 

 

মহসিনুল হক মহসিন অভিযোগ তুলেছেন যে, দলীয় প্রভাব খাটিয়ে আমি প্রশাসনকে ম্যানেজ করে রেলওয়ে কোয়াটার দখল, চাঁদাবাজী, টেন্ডারবাজী, মাদক ব্যবসা সহ মাদক কারবারীদের গডফাদার হিসেবে অনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। এমনকি পার্বতীপুরে মাদকসহ মোটর সাইকেল ধরা পড়া ও এ ঘটনায় মামলা হওয়ার মত কল্পকাহিনীও উপস্থাপন করেছেন। তিনি অসুস্থ মস্তিস্কে এমন মন্তব্য করেছেন বলেই আমি মনে করি। তা না হলে তিনি কিভাবে তার হাত ধরে যুবলীগে আসা আবু বিন শাওন এর ব্যাপারে আমাকে জড়ান। বরং আমরা সবসময় মাদকসহ সকল প্রকার অপকর্মের বিপক্ষে। তাই কেন্দ্রের নির্দেশে শাওন কে বহিস্কার করেছি।

 

মারোয়ারী ব্যবসায়ী অমিত কুমার আগারওয়ালার সাথে সুজিত রায়ের জমি জমা সংক্রান্ত মামলার বিষয়েও মিথ্যেচার করে তিনি (মহসিনুল হক মহসিন) অমিত কুমারের বাড়ি দখলের অভিযোগ তুলেছেন। অথচ করোনাকালে ওই অমিত কুমারের সাথে ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা ত্রাণ বিতরণ করাসহ বিভিন্ন কাজ করেছি। যদি উপরোক্ত অভিযোগ সত্য হতো তাহলে কী অমিত কুমার আমার সাথে একত্রে কোন কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করতো?
তিনি অভিযোগ করেছেন যে, যুবলীগের সাবেক চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীকে মোটা অংকের টাকা প্রদান করে সৈয়দপুরের যুবলীগের আহ্বায়ক পদ আমি দখল করেছি। তিনি ইতোপূর্বে ছাত্রলীগের সভাপতি পদের ব্যাপারেও এমন অভিযোগ এনেছেন। মূলত: এগুলো তার যুবলীগের পদ হারানোর পর হতে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপপ্রচারের অংশমাত্র। যা সম্পূর্ণরুপে কাল্পনিক। বরং আমি আমার দক্ষতা, নিষ্ঠা, এবং আদর্শের কারনে ছাত্রলীগের সভাপতি ও যুবলীগের আহবায়ক হতে পেরেছি।
তিনিই মূলত একই সাথে জেলা তাঁতীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ ধরে আছেন। অথচ তিনি জাতীয় পার্টির রাজনীতি করতেন। ১৯৯৮ সালে পৌর নির্বাচনে আ’লীগের মেয়র প্রার্থী মোজাম্মেল হককে পরাজিত করতে বিএনপি প্রার্থীর সাথে আতাত করেছিলেন। তিনি জেলা যুবলীগের সভাপতি থাকাকালীন শহরের নতুন বাবুপাড়ায় লিচু বাগান এলাকায় সাবেক সেনা সদস্যের নামে বরাদ্দকৃত জমি জোড় দখল পূর্বক সেখানে বাড়ি নির্মাণ করে বাড়ায় দিয়েছেন। যার একটিতে তার দ্বিতীয় স্ত্রী যিনি ইতোপূর্বে একজন রিক্সা চালকের স্ত্রী ছিলেন। যাকে তিনি বিচার শালিস করতে গিয়ে নিজেই বিয়ে করেছন। সেই স্ত্রী পূর্বের স্বামীর সন্তানসহ বাস করেছেন। তাছাড়া তিনি রোটারী স্কুল ও চক্ষু হাসপাতালের ৮/৯ শতক (খাস জমি) জায়গা দখল করে বিক্রি করেছেন। এসময় বাধা দেয়ায় ম্যানেজিং কমিটিকে লাঞ্চিত করেছেন। এসবই তিনি করেছেন দলীয় প্রভাব খাটিয়ে এবং শহীদ পরিবারের সন্তান নাম ভাঙ্গিয়ে।
মূলত; আমি উর্দূভাষী বলেই কী এভাবে বার বার মিথ্যেচারের মাধ্যমে হেয় করা হচ্ছে। আমার সাথে রাজনৈতিক ও আদর্শিকভাবে পেরে না উঠে বরাবরই তারা অনৈতিকভাবে নোংরামোর আশ্রয় নিচ্ছে। এতে করে দীর্ঘ প্রচেষ্টায় আমার মাধ্যমে উর্দূভাষী জনগোষ্ঠীর যে বৃহদাংশ আ’লীগের পক্ষে ভোট প্রদানে সক্রীয় হয়েছিল তাদেরকে অন্যত্র ভোট প্রদানে কনভার্ট করার ষড়যন্ত্রই করা হচ্ছে।
দীর্ঘ ২৪ বছর আমি ও আমার পরিবার আ’লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। শুধুমাত্র দেশ, মাটি ও আ’লীগ তথা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি ভালোবাসাই কী আমার অপরাধ। যদি এটা অপরাধ হয়ে থাকে তাহলে আমি আজীবন এ অপরাধ করে যেতে চাই অর্থাৎ আ’লীগের রাজনীতি করে যাবো।
উল্লেখ্য. দিলনেওয়াজ খান তার লিখিত বক্তব্যের সাথে সৈয়দপুর উপজেলা আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক মহসিনুল হক মহিসন কর্তৃক যুবলীগের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর প্রেরিত অভিযোগ, দৈনিক তৃতীয় মাত্রার অনলাইন ভার্সনে প্রকাশিত সংবাদ (যা ফেসবুকে প্রচারিত), দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার রাজাকারের তালিকা, জাতীয়ভাবে প্রকাশিত রাজাকারের তালিকা, তাঁর বাবা নাইম খানের পার্সপোর্ট, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি থাকাকালীন ৫১ সদস্য বিশিষ্ট সৈয়দপুর উপজেলা ছাত্রলীগের পূর্নাঙ্গ কমিটির তালিকা, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ কর্তৃক প্রদেয় সদস্য পদ লাভের প্রত্যয়নের অনুলিপি সংযুক্ত করেন।

সৈয়দপুরে আ’লীগ সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগে যুবলীগ আহবায়কের সংবাদ সম্মেলন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বুলবুল আহমেদ নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের মালগুদাম এলাকা থেকে সিএনজি সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক জব্দ করেছেন আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার। সান্তাহার পৌর শহরের উম্মুক্ত জায়গায় ঝুকিঁপূর্ন ভাবে পাইপের মাধ্যমে গ্যাস কেনাবেচা হচ্ছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্লাহ বিন রশিদ সোমবার ভোরে সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় অবৈধ ভাবে গ্যাস বিক্রির সাথে জড়িত ব্যক্তিরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়।
অবৈধ ভাবে গ্যাস বিক্রি বন্ধের জন্য গত ৫ সেপ্টেম্বর আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সান্তাহার মালগুদাম এলাকার ব্যবসায়ি ও পরিবহন শ্রমিক সংগঠন। অভিযোগে জানা যায়, সান্তাহার পৌর এলাকার মিজানুর রহমান দীর্ঘ দিন ধরে গভীর রাতে ট্রাকে সিলিন্ডার রেখে বিভিন্ন যানবাহনে অবৈধ ভাবে গ্যাস বিক্রি করে আসছেন। বগুড়ার সিএনজি ষ্টেশন থেকে ট্রাকে করে গ্যাস সিলিন্ডার আনা হয়। একটি ট্রাকে বড় আকারের ২০ থেকে ৩০ টি সিলিন্ডার থাকে। শহর মানুষ শুন্য হলে গভীর রাতে ট্রাকের সিলিন্ডার থেকে পাইপের মাধ্যমে সিএনজি, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাসসহ অন্যান্য যানবাহনে গ্যাস বিক্রি হয়। দুরত্ব ও খরচ এড়াতে যানবাহনের মালিকরা ট্রাক থেকে গ্যাস সংগ্রহ করে থাকেন। সান্তাহার শহরের ব্যবসায়ি ও পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের অভিযোগের ভিত্তিতে আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্লাহ বিন রশিদ সোমবার ভোরে অভিযান পরিচালনা করে ১২টি গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার সহ একটি ট্রাক জব্দ করেন। এ ব্যাপারে আদমদীঘি ইউএনও আবদুল্লাহ বিন রশিদ জানান, ট্রাকসহ সিলিন্ডার থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি বগুড়া পরিবেশ অধিদপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে।

বগুড়ার সান্তাহারে গ্যাস সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক জব্দ করলেন ইউএনও

themesbazartvsite-01713478536