ঢাকা দক্ষিণের এক মানবতার ফেরিওয়ালা আহাম্মদ উল্লাহ্ মধু

ঢাকা দক্ষিণের এক মানবতার ফেরিওয়ালা আহাম্মদ উল্লাহ্ মধু

রাজিবুল হক রনি:সময় এসেছে  আবার সময়ের সাহসী মানুষ হবার, নয়তো  দেশ ও সমাজটা যাবে রসাতলে।ধরে তুলতে হবে  কেউ এই বিজয়েের ঝান্ডাটা– সকল অন্যায়  অবিচারের প্রতিবাদের ধর হাল।এখনই সময়  জাতীয় ঐক্য গরে শপথ নেয়ার,হাতে হাত রেখে কাঁদ মিলিয়ে দাঁড়াবার।

ছোট বেলায় পড়েছি- ধান, নদী, খাল এই তিনে বরিশাল। আর এখন একটি বিশেষ দিক লক্ষ করছি তা হলো- শাসন, শোষণ আর ভাষণ। আমরা বেশ পাকা এই তিনটি বিষয়ে। মজার ব্যাপার হলো- ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক অ্যালিয়ট জাকারবার্গ। তার এই সোশ্যাল মিডিয়া চালু হওয়ার পর ব্যাস হয়ে গেল, খেলা চলছে দেদারছে, আমাদের আদেশ-উপদেশ আর নির্দেশ দেয়ার ওপর।

ভূরি ভূরি লেখক হয়েছে- পাঠক নেই। কথা আছে, কাজ নেই। তার পরও চুপ থাকা যাবে না ‘শো মাস্ট গো অন’। তাই আমি হাজির হয়েছি একজন নেতার সন্ধানে।

নেতা কি বা কেমন হওয়া উচিত! নেতার জন্ম হয় নেতৃত্বের মধ্য দিয়ে, আর নেতৃত্বের জন্ম হয় ঘটনার প্রেক্ষিতে। আর ঘটনার জন্ম হয় পরিবর্তনে। পরিবর্তন তা হলে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমাদের সবার জন্য। পরিবর্তন কি তা হলে সময়ের সঙ্গে আবির্ভাব হয়? নাকি চাহিদা নির্ধারণ করে?

পরিবর্তন হতে পারে অনেক প্রকার। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে নানা ধরনের সমস্যার সমাধান খুঁজতে গিয়ে বাধাবিঘ্নের সম্মুখীন হতে হয়, ঠিক তখন নেতৃত্বের আবির্ভাব থেকে নেতার হয় জন্ম। আমি মনে করি একজন ভালো নেতা হতে হলে প্রথমে তাকে একজন ভালো মানুষ হতে হবে। তার মধ্যে দায়িত্বশীলতা, দায়বদ্ধতা ও সততা থাকতে হবে।

তার প্রতিশ্রুতি, ইতিবাচক মনোভাব, অনুপ্রেরণা, সহানুভূতি ও সৃজনশীলতার গুণাগুণের সঙ্গে থাকতে হবে প্রতিনিধিত্ব এবং আস্থা। এসব গুণাবলি খুবই দরকার একজন ভালো নেতার জন্য। আজ কিছুসংখ্যক নেতার কথা তুলে ধরব, যারা নেতৃত্ব দিয়েছেন মানবজাতিকে বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্নভাবে আন্দোলিত করেছেন। যেমন-

মাও সেতুং: কেউ খাবে কেউ খাবে না, তা হবে না..

স্বামী বিবেকানন্দ: জেগে ওঠো, সচেতন হও এবং লক্ষ্যে না পৌঁছা পর্যন্ত থেমো না।

মহাত্মা গান্ধী: অসহযোগ আন্দোলন।

বঙ্গবন্ধু: এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম।

পাঠক, আমি আজ ওপরের নেতাদের নয়, তুলে ধরব এক ভিন্নধর্মী নেতাকে। এ ধরনের নেতারা মানবকল্যাণে এসেছেন যুগে যুগে বিভিন্নভাবে বিভিন্ন সময়ে। আমি এ যুগের তেমন একজন ভিন্নধর্মী নেতাকে তুলে ধরব, দেশের মানুষ তাকে মানবতার ফেরিওয়ালা বলে ডাকে সে হচ্ছে ঢাকা দক্ষিণের  আওয়ামী যুব লীগের সিনিয়র সহ– সভাপতি আহাম্মদ উল্লাহ্ মধু।

 

 

আহাম্মদ উল্লাহ্ মধু। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের শীর্ষ নেতাদের অন্যতম। সে দৈনিক এই আমার দেশ  কে বলেন আমি  আশির দশকে এরশাদ বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ৯০এর  সংসদীয় সরকার প্রতিষ্ঠা এবং নির্দলীয় তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে এবং বিংশশতাব্দীতে জামায়াত- বিএনপি জোট সরকার পরবর্তিতে জরুরী আইনে সেনা শাসকের বিরুদ্ধে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রতিটি আনন্দোলনেই আমি ছিলাম।আমি হামলা- মামলা আর জেল জুলুমের শিকার হয়েও গন মানুষের নেতা হিসেবেই সকল আনন্দোলনেই জয়ী হয়ে আজও কাজ করে যাচ্ছি আওয়ামী যুবলীগের বিজয় কেতন উড়িয়ে।

১৯৮৪ সালে ছাত্রলীগের রাজনীতি দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলাম আমি আহাম্মদ উল্লাহ্ মধু। এরশাদ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে রাজপথ থেকেই গড়ে উঠেছি।আমার পিতা একজন দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তিনি১৯৭১ সালে ততকালীন ইপিআরের কোয়াটার মাস্টার ছিলেন। ১৯৭১ইং সালের ২৫ মার্চ কালো রাতে পাকহানাদার বাহিনী তাদের বসবাসের গনক টুলির বাড়িটি আগুনে পুড়িয়ে দেয়।

 

 

১৯৮৪ সালে ছাত্রলীগের রাজনীতি দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলেন আহাম্মদ উল্লাহ্ মধু। এরশাদ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে রাজপথ থেকেই গড়ে উঠেছেন মধু। পিতা একজন দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তিনি১৯৭১ সালে ততকালীন ইপিআরের কোয়াটার মাস্টার ছিলেন। ৭১এর ২৫ মার্চ কালো রাতে পাকহানাদার বাহিনী তাদের বসবাসের গনকটুলির বাড়িটি আগুনে পুড়িয়ে দেয়। এরপর আমার পিতা সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করেন।স্বাধীনতার পর বিডিআর এ (বর্তমান বিজিবি) কর্মরত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতানায় বিশ্বাসী আমি।আমার পরিবারের সবাই আওয়ামীলীগের রাজনীতির সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন আছেন এবং পরবর্তীতে থাকবে।

 

 

আমি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সিনিয়র সহ- সভাপতি। যুবলীগের চেয়ারম্যান ড.ফজলে শামস পরশ এবং তারই অনুজ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস  ভাই। দেশে সাধারণ ছুটিকালিন করোনা মহামারি সময় ঢাকার কর্মহীন, অসহায় দরিদ্র ও বিপদগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে খাদ্য সহায়তার নির্দেশ দেন। এরপরই আমি ঢাকা দক্ষিণ  যুবলীগের  প্রতিটি থানা ও ওয়ার্ড এর নেতাদের নিয়ে ত্রাণ কমিটি গঠন করি নেমে পরি মানবতার সেবায়। গত ৪মাস ধরে ঢাকা দক্ষিণ  সিটি কর্পোরেশনের ২৪টি থানার ৭৫টি ওয়ার্ডের সবগুলো  স্পটে প্রায় ৫০–৬০ হাজার পরিবারের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছি। যার মধ্যে অসহায় বিপদগ্রস্ত কারো কাছে হাত পাততে আসবেন না, তাদের কে খোঁজ খবর নিয়ে এমন ৫ হাজার পরিবারকে গোপনে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছে।

 

 

তিনি আমাদেরকে আরও বলেন ত্রাণ বিতরণকালিন সময়ে ঢাকার শ্যামপুর,কামরাঙ্গীরচরসহ বিভিন্ন এলাকায় যখন যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ আওয়ামীলীগের নেতা- কর্মীরা করোনা আক্রান্ত হচ্ছিলেন এবং অনেকে জীবন উৎসর্গ করছিলেন তখনও থেমে যাননি আহাম্মদ উল্লাহ্ মধু। তিনি তার যুবলীগের বাহিনী নিয়ে অব্যাহত রেখেছেন ত্রাণ বিতরণ।

আহাম্মদ উল্লাহ্ মধু বলেন, ১৯৭১ইং সালে আমি ছোট শিশু ছিলাম। দেশের জন্য যুদ্ধ করতে পারিনি কিন্তু এখন করোনার বিরুদ্ধে জীবন বাঁচা- মরার যুদ্ধে আরেকটি মুক্তিযুদ্ধের মতোই মানবতার সেবায় গত ৪ মাস করোনা আক্রান্তের ঝুঁকি নিয়েই  ঢাকা দক্ষিণ সিটি  কর্পোরেশনের ২৪টি থানায় প্রায় ২৭হাজার ৪শ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছি।

 

এ ছাড়া ঈদের সময় দুঃস্থ অসহায় মানুষের মাঝে ৩ হাজার শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ত্রাণ বিতরণ ছিলো যেন ১৯৭১ইং সালের  মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের মতোই আনন্দ।

ছবিঃ

তিনি বলেন, খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ছাড়াও প্রথম থেকেই আমরা স্বাস্থ্য সচেতনায় যুবলীগের পক্ষ থেকে লিফলেট, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, হাত দোয়ার সাবান ও মাস্ক বিতরন করেছি।

ঢাকা দক্ষিণ  আওয়ামী যুব লীগের পক্ষ থেকে আরও ৫০ দিনের ত্রান সামগ্রী বিতারনের উদ্যোগ নিয়েছি।এর মধ্যে ১৩ দিন ত্রান সামগ্রী বিতারন করেছি বাকি আছে ৩৭ দিন ইনশাআল্লাহ এটিও সমাপ্ত কর।

আমি আমাদের দেশের বিত্তশালী দের উদ্দেশ্য  করে বলছি আপনারা আসুন এই অসহায় মানুষের পাশে।ইতি মধ্যে অনেকে এসেছে। আবার অনেকে আসেন নি দয়া করে আসুন।যারা এই অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন  তাদেরকে ঢাকা দক্ষিণ যুব লীগের পক্ষথেকে শুভ কামনা রইলো।

 

তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তরুণ প্রজন্মের রাজনীতির আইকন যুবলীগ চেয়ারম্যান ড.ফজলে শামস পরশ ও ঢাকা দক্ষিণ  সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপসের নেতৃত্বে সচল ঢাকা কর্মসূচি বাস্তবায়নে নির্বাচনের পূর্বে ঘোষিত ইশ্তেহার সকল কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছি।

তিনি আরো বলেন, আমাদের তরুণ সমাজ নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে ঢাকাবাসীর সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত হয়ে আছে।এবং তরুণ সমাজ মাদক কে না বলেছেন।

সবশেষে আমাদের কে জানান আমি যত দিন বেচে থাকব ততদিন ইনশাআল্লাহ ঢাকা দক্ষিণের মানুষের পাশে থাক।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

আকলিমা রশীদ ঢালীপিংকী , কসবা প্রতিনিধি,ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে ফেসবুকে লেখা আর রাস্তাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের পরিকল্পিত হামলায় জিলানীর বাড়িঘর দোকানপাট ভাংঙ্গচোর-আহত ৪,ধানায় মামলা গ্রেফতার-৪ সংবাদ পাওয়া যায়।
ঘটনা প্রকাশ,ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে দীর্ঘদিন থেকে দুই পক্ষের মাঝে বিরোধ চলমান রয়েছে বলে গ্রামবাসী জানান। এর জের ধরে একই গ্রামের মোবারক হোসেন মানিকের নেতৃতে সোলেমান মিয়ার পুত্র শাহীন আল মামুন লাঠিয়াল বাহিনীর গ্রামে চরম উওেজনা বিরাজ করছে বলে গ্রামের উওর পাড়ার লোকজন তাও জানান।
মোবারক হোসেন মানিকের জনবল,লাঠি বল,অর্থবলে গ্রামের সাধারণ মানুষকে মানুষ বলে মনে না করে যখন যা মনে চায় তাই করেন বলে ক্ষতিগ্রস্থরা তাও জানান। তাদের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না বলেও জানান। মোবারক হোসেন মানিক এর নেতৃত্বে একদল যুবক ফেসবুকে মিথ্যা কাল্পনিক কথা লিখে গ্রামে অপ প্রচারসহ জমি জমা দখল করার বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে।
গত ৮ জুলাই দিনের প্রায় সাড়ে তিনটায় ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোবারক হোসেন মানিকের হুকুমে শাহীন আলম মামুনসহ ৩০/৪০জন দাঙ্গাবাজ হাতে রাম দা,রড,হকস্টীক লাঠি সোটা নিয়ে একই গ্রামের উওর পাড়ার মৃত মিরণ মিয়ার পুত্র জিলানীর বাড়ি ঘর দোকান পাটে ফিম্মিটাইলে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতিসাধনসহ লুটপাট করার অভিযোগ উঠেছে।
তাদের ফিম্মিটাইলের হামলায় মো: চুনি মিয়া (৭৫),মোছাম্মদ সুলতানা বেগম(৩৫), জুলেখা বেগম(২৪), মো:বাবুল মিয়া(৩২)সহ ৪জন গুরুত্বর অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে মামলা বাদী মো: জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান। এর মধ্যে মো: চুনি মিয়া ও মোছাম্মদ সুলতানা বেগম কুমিল্লা মেডিক্যাল হাসপাতালে আস্কজনক অবস্থায় আছেন।
এই ঘটনায় শাহীন আলম মামুন (৩০), উজ্জল মিয়া (৪০),রমজান (২৫) ,রাসেল(২৫)সহ ১৫জনকে আসামী করে কসবা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। কসবা থানা মামলা নং-১৯। ঘটনার সংবাদ পেয়ে কসবা থানা পুলিশ ব্যাপক তৎপরতা অব্যাহত চালিয়ে ঐদিনই দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রসহ শাহীন আলম মামুন, উজ্জল মিয়া,রমজান ও রাসেলকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতদেরকে ৯ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন। মামলার তদন্ত র্কমর্কতা কসবা থানার এস আই মো:আনোয়ার হোসেন গ্রেফতারের সততা স্বীকার করেন এবং অন্য আসামীদেরকে গ্রেফতারের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন বলে সাংবাদিকদেরকে জানান। ক্ষতিগ্রস্থরা ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক ও হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিকের নির্দেশে লাঠিয়াল শাহীন আলম মামুন,উজ্জল,ফরহাদ,জামাল,সুমন,মশিউর রহমান রাঙ্গা,সমুন মিয়া গংদের কবল থেকে গ্রামের সাধারণ মানুষকে রক্ষা করতে আইনমন্ত্রীর কাছে ন্যায়বিচার দাবী করছেন।
অপর দিকে দায়েরকৃত মামলা তুলে না নিলে মামলার বাদী ও তার পরিবারের সদস্যসহ স্বাক্ষীদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিক সহ তার লোকজন বলে মামলার বাদী জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান।
দিন দুপুরে লাঠিয়ালবাহিনীর দল নেতা শাহীন আলম মামুনসহ তার সঙ্গবদ্ধ দল রাম দা,লৌহার রড,মহকস্টিক নিয়ে প্রকাশ্য হামলাসহ বাড়ি ঘর দোকানপাটে তাগুব চালানোর ঘটনাটি নিন্দাজ্ঞাপন করে গ্রামের সচেতনমহল ন্যায় বিচার দাবী করেছেন আইনমন্ত্রীর কাছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দোকানপাট ভাংঙ্গচোর আহত ৪ গ্রেফতার ৪

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আকলিমা রশীদ ঢালীপিংকী , কসবা প্রতিনিধি,ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে ফেসবুকে লেখা আর রাস্তাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের পরিকল্পিত হামলায় জিলানীর বাড়িঘর দোকানপাট ভাংঙ্গচোর-আহত ৪,ধানায় মামলা গ্রেফতার-৪ সংবাদ পাওয়া যায়।
ঘটনা প্রকাশ,ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে দীর্ঘদিন থেকে দুই পক্ষের মাঝে বিরোধ চলমান রয়েছে বলে গ্রামবাসী জানান। এর জের ধরে একই গ্রামের মোবারক হোসেন মানিকের নেতৃতে সোলেমান মিয়ার পুত্র শাহীন আল মামুন লাঠিয়াল বাহিনীর গ্রামে চরম উওেজনা বিরাজ করছে বলে গ্রামের উওর পাড়ার লোকজন তাও জানান।
মোবারক হোসেন মানিকের জনবল,লাঠি বল,অর্থবলে গ্রামের সাধারণ মানুষকে মানুষ বলে মনে না করে যখন যা মনে চায় তাই করেন বলে ক্ষতিগ্রস্থরা তাও জানান। তাদের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না বলেও জানান। মোবারক হোসেন মানিক এর নেতৃত্বে একদল যুবক ফেসবুকে মিথ্যা কাল্পনিক কথা লিখে গ্রামে অপ প্রচারসহ জমি জমা দখল করার বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে।
গত ৮ জুলাই দিনের প্রায় সাড়ে তিনটায় ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোবারক হোসেন মানিকের হুকুমে শাহীন আলম মামুনসহ ৩০/৪০জন দাঙ্গাবাজ হাতে রাম দা,রড,হকস্টীক লাঠি সোটা নিয়ে একই গ্রামের উওর পাড়ার মৃত মিরণ মিয়ার পুত্র জিলানীর বাড়ি ঘর দোকান পাটে ফিম্মিটাইলে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতিসাধনসহ লুটপাট করার অভিযোগ উঠেছে।
তাদের ফিম্মিটাইলের হামলায় মো: চুনি মিয়া (৭৫),মোছাম্মদ সুলতানা বেগম(৩৫), জুলেখা বেগম(২৪), মো:বাবুল মিয়া(৩২)সহ ৪জন গুরুত্বর অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে মামলা বাদী মো: জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান। এর মধ্যে মো: চুনি মিয়া ও মোছাম্মদ সুলতানা বেগম কুমিল্লা মেডিক্যাল হাসপাতালে আস্কজনক অবস্থায় আছেন।
এই ঘটনায় শাহীন আলম মামুন (৩০), উজ্জল মিয়া (৪০),রমজান (২৫) ,রাসেল(২৫)সহ ১৫জনকে আসামী করে কসবা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। কসবা থানা মামলা নং-১৯। ঘটনার সংবাদ পেয়ে কসবা থানা পুলিশ ব্যাপক তৎপরতা অব্যাহত চালিয়ে ঐদিনই দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রসহ শাহীন আলম মামুন, উজ্জল মিয়া,রমজান ও রাসেলকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতদেরকে ৯ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন। মামলার তদন্ত র্কমর্কতা কসবা থানার এস আই মো:আনোয়ার হোসেন গ্রেফতারের সততা স্বীকার করেন এবং অন্য আসামীদেরকে গ্রেফতারের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন বলে সাংবাদিকদেরকে জানান। ক্ষতিগ্রস্থরা ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক ও হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিকের নির্দেশে লাঠিয়াল শাহীন আলম মামুন,উজ্জল,ফরহাদ,জামাল,সুমন,মশিউর রহমান রাঙ্গা,সমুন মিয়া গংদের কবল থেকে গ্রামের সাধারণ মানুষকে রক্ষা করতে আইনমন্ত্রীর কাছে ন্যায়বিচার দাবী করছেন।
অপর দিকে দায়েরকৃত মামলা তুলে না নিলে মামলার বাদী ও তার পরিবারের সদস্যসহ স্বাক্ষীদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিক সহ তার লোকজন বলে মামলার বাদী জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান।
দিন দুপুরে লাঠিয়ালবাহিনীর দল নেতা শাহীন আলম মামুনসহ তার সঙ্গবদ্ধ দল রাম দা,লৌহার রড,মহকস্টিক নিয়ে প্রকাশ্য হামলাসহ বাড়ি ঘর দোকানপাটে তাগুব চালানোর ঘটনাটি নিন্দাজ্ঞাপন করে গ্রামের সচেতনমহল ন্যায় বিচার দাবী করেছেন আইনমন্ত্রীর কাছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দোকানপাট ভাংঙ্গচোর আহত ৪ গ্রেফতার ৪

themesbazartvsite-01713478536