করোনাকালে শিশুর টিকা

করোনাকালে শিশুর টিকা

মিনা বুলবুল হোসাইন
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ,ও গবেষক প্যানেল মেম্বার (IDMVS)
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

করোনাভাইরাসের মহামারির সময় শিশুর টিকা নিয়ে অনেক মা-বাবা উদ্বিগ্ন। একদিকে সংক্রমণের আশঙ্কায় শিশুকে নিয়ে বাইরে যেতে পারছেন না তাঁরা, অন্যদিকে টিকার সময়ও পেরিয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে আমার সাথে মত প্রকাশ করেছেন দেশ বরেণ্য শিশু বিশেষজ্ঞ,চিকিৎসা বিজ্ঞানী ও গবেযক প্রফেসর এ কে আজাদ চৌধুরী।

আমাদের দেশে শিশুর দেড় মাস থেকে ১৫ মাস বয়স পর্যন্ত মোট পাঁচবার টিকা কেন্দ্রে যেতে হয়। একই ধরনের দুটি টিকার মধ্যে ন্যূনতম ১ মাস বা ৩০ দিন সময়ের ব্যবধান রেখে যত দ্রুত টিকা দেওয়া যায়, ততই মঙ্গল। তবে তার জন্য চাই আগাম সতর্কতা।

শিশুদের জন্য নিউমোনিয়া, পোলিও, যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, টিটেনাস, হাম, রুবেলার ঝুঁকি করোনার সংক্রমণের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়।

টিকা দিতে যাওয়ার আগে করণীয়ঃ

বাড়ির বড়দের কেউ একজন আগে থেকে গিয়ে টিকাদান কেন্দ্রটির সার্বিক অবস্থা দেখে আসবেন। যে টিকাদান কেন্দ্রে ভিড় কম, সেখানেই যাওয়া উচিত।

টিকা দেওয়ার দিনঃ

টিকা দিতে যাওয়ার দিন শিশুর সঙ্গে খুব বেশি মানুষ না যাওয়াই ভালো। বড়রা মুখে অবশ্যই মাস্ক পরবেন। খেয়াল রাখুন, যিনি টিকা দিচ্ছেন, তিনি মাস্ক পরেছেন কি না। শিশু মাস্ক না পরতে চাইলে ওড়না বা শাড়ির আঁচল দিয়ে তার নাক-মুখ আলতো করে ঢেকে রাখতে পারেন। টিকা কেন্দ্রে গিয়ে অযথা কারও সঙ্গে আলাপ বা গল্পগুজব করবেন না, কোনো কিছু তো স্পর্শ করবেনই না। ভিড় এড়িয়ে চলুন।

টিকা দেওয়া শেষে দেরি না করে বাড়ি চলে আসুন। তাৎক্ষণিক ভালোভাবে গোসল করে নিন। শিশুকেও গোসল করালে ভালো। শিশু ও আপনার কাপড় গরম পানিতে ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। টিকা দেওয়ার পর শিশুর জ্বর আসতে পারে। এ নিয়ে ঘাবড়াবেন না। প্যারাসিটামল জাতীয় সিরাপ খাওয়ালে এই জ্বর সেরে যায়। তবে মনে রাখবেন, টিকা দেওয়ার আগে থেকেই শিশুর জ্বর-কাশি থাকলে ভালো না হওয়া পর্যন্ত টিকা দিতে না যাওয়াই ভালো।
——————————————————————-
মিনা বুলবুল হোসাইন
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও গবেষক প্যানেল মেম্বার (IDMVS)
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

★Vaccination of the child during coronation★

——————————————————————–
Mina Bulbul Hossain
Public health specialist & Research Panel Member (IDMVS).
University of Dhaka.

Many parents are concerned about vaccinating their children during the coronavirus epidemic. On the one hand, they are not able to go out with the child for fear of infection, on the other hand, the time for vaccination is also passing.

In our country, a child from one and a half months to 15 months of age has to go to the vaccination center five times in total. The sooner a vaccine can be given, with a minimum interval of 1 month or 30 days between two similar vaccines, the better. But I want advance warning for him.

The risk for children of pneumonia, polio, tuberculosis, diphtheria, tetanus, measles, rubella is no less than that of coronary infections.

What to do before going to vaccinate:

One of the elders of the house will visit the vaccination center in advance. You should go to the immunization center that is less crowded.

Vaccination day:

It is better not to go with too many people on the day of vaccination. Adults must wear a face mask. Make sure the person who is vaccinating is wearing a mask. If the child does not want to wear a mask, you can gently cover his nose and face with the hem of a scarf or sari. Don’t go to the vaccination center and talk to anyone unnecessarily, don’t touch anything. Avoid crowds.

Come home without delay after vaccination. Take a good bath immediately. It is better to bathe the baby. Wash baby and your clothes with detergent in hot water. The child may have a fever after the vaccination. Don’t worry about it. This fever is cured by taking paracetamol syrup. But remember, if the child has a fever and cough before the vaccination, it is better not to vaccinate until it is better.
——————————————————————–
Mina Bulbul Hossain
Public health specialist & Research Panel Member (IDMVS).
University of Dhaka.

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

আকলিমা রশীদ ঢালী পিংকী কসবা প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়াঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবা উপজেলার মেহারী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. আলম মিয়ার বিরুদ্ধে ওঠেছে ব্যাপক অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ। করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত -হতদরিদ্রদের জন্য ঈদ উপহার হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রদত্ত আড়াই হাজার টাকার তালিকায় ইউপি চেয়ারম্যান আলম তার ছেলেসহ পরিবার এবং নিকটাত্মীয়দের নাম অন্তর্ভূক্ত করার অভিযোগ ওঠেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, করোনা ভাইরাসের প্রভাবে কর্মহীন হওয়া ক্ষতিগ্রস্ত এবং হতদরিদ্র পরিবারগুলোর জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে অন্তত ৫০ লাখ পরিবারকে ঈদ উপহার হিসেবে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আড়াই হাজার টাকা করে দিচ্ছেন।
আর এজন্য জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য, শিক্ষক এবং সমাজের গণমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করেছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নয়টি উপজেলার ৭৫ হাজার পরিবারকে দেয়া হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর এই ঈদ উপহার।
জেলার কসবা উপজেলার মেহারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলম মিয়ার বিরুদ্ধে তালিকা তৈরিতে ওঠে ব্যাপক অনিয়ম-স্বজনপ্রীতির অভিযোগ। মেহারী ইউনিয়নের ৫৮৮ জনের তালিকায় চেয়ারম্যান আলম মিয়া তার নিজের ছেলেসহ  নিকটাত্মীয়দের নাম অন্তর্ভূক্ত করার অভিযোগ ওঠে।
তালিকায় চেযারম্যানের পুত্র মো. আরাফাত আলমের  নাম অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে কসবা টেলিভিশন সাংবাদিকরা মেহারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলম মিয়ার নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তালিকায় ছেলের নাম সহ মোবাইল নম্বর আছে। তবে আমার  গ্রামের চাচাতভাই সহজ সরল গরীব মিন্টুকে টাকা তুলে দেওয়ার জন্য প্রদান করা হয়েছে।
 তালিকা নিয়ে অন্য সব অভিযোগ গুলো আনা হয়েছে তা সঠিক নয়।একটি পক্ষ আমার মানসম্মান নষ্ট করার জন্য ওঠে পড়ে আছেন বলে তিনি জানান।
কসবা উপজেলা প্রকল্পবাস্তবায়ন কর্মকর্তা তাপস চক্রবর্তী বলেন, তদন্ত চলছে তার রিপোর্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে সরেজমিনের প্রতিবেদন জমা প্রদান করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ উল আলম বলেন, তালিকায় কোনো ধরণের ভুল-ভ্রান্তি থাকলে তদন্ত শেষে সেগুলো মন্ত্রণালয়ে লিখে পাঠানো হবে। চেয়ারম্যান যদি ক্ষমতার অপব্যবহার করে থাকেন তাহলে তার বিরুদ্ধে বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবার মেহারী ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত হতদরিদ্রদের উপহার তালিকায় চেয়ারম্যান পরিবারের নাম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আকলিমা রশীদ ঢালীপিংকী , কসবা প্রতিনিধি,ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে ফেসবুকে লেখা আর রাস্তাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের পরিকল্পিত হামলায় জিলানীর বাড়িঘর দোকানপাট ভাংঙ্গচোর-আহত ৪,ধানায় মামলা গ্রেফতার-৪ সংবাদ পাওয়া যায়।
ঘটনা প্রকাশ,ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে দীর্ঘদিন থেকে দুই পক্ষের মাঝে বিরোধ চলমান রয়েছে বলে গ্রামবাসী জানান। এর জের ধরে একই গ্রামের মোবারক হোসেন মানিকের নেতৃতে সোলেমান মিয়ার পুত্র শাহীন আল মামুন লাঠিয়াল বাহিনীর গ্রামে চরম উওেজনা বিরাজ করছে বলে গ্রামের উওর পাড়ার লোকজন তাও জানান।
মোবারক হোসেন মানিকের জনবল,লাঠি বল,অর্থবলে গ্রামের সাধারণ মানুষকে মানুষ বলে মনে না করে যখন যা মনে চায় তাই করেন বলে ক্ষতিগ্রস্থরা তাও জানান। তাদের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না বলেও জানান। মোবারক হোসেন মানিক এর নেতৃত্বে একদল যুবক ফেসবুকে মিথ্যা কাল্পনিক কথা লিখে গ্রামে অপ প্রচারসহ জমি জমা দখল করার বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে।
গত ৮ জুলাই দিনের প্রায় সাড়ে তিনটায় ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোবারক হোসেন মানিকের হুকুমে শাহীন আলম মামুনসহ ৩০/৪০জন দাঙ্গাবাজ হাতে রাম দা,রড,হকস্টীক লাঠি সোটা নিয়ে একই গ্রামের উওর পাড়ার মৃত মিরণ মিয়ার পুত্র জিলানীর বাড়ি ঘর দোকান পাটে ফিম্মিটাইলে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতিসাধনসহ লুটপাট করার অভিযোগ উঠেছে।
তাদের ফিম্মিটাইলের হামলায় মো: চুনি মিয়া (৭৫),মোছাম্মদ সুলতানা বেগম(৩৫), জুলেখা বেগম(২৪), মো:বাবুল মিয়া(৩২)সহ ৪জন গুরুত্বর অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে মামলা বাদী মো: জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান। এর মধ্যে মো: চুনি মিয়া ও মোছাম্মদ সুলতানা বেগম কুমিল্লা মেডিক্যাল হাসপাতালে আস্কজনক অবস্থায় আছেন।
এই ঘটনায় শাহীন আলম মামুন (৩০), উজ্জল মিয়া (৪০),রমজান (২৫) ,রাসেল(২৫)সহ ১৫জনকে আসামী করে কসবা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। কসবা থানা মামলা নং-১৯। ঘটনার সংবাদ পেয়ে কসবা থানা পুলিশ ব্যাপক তৎপরতা অব্যাহত চালিয়ে ঐদিনই দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রসহ শাহীন আলম মামুন, উজ্জল মিয়া,রমজান ও রাসেলকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতদেরকে ৯ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন। মামলার তদন্ত র্কমর্কতা কসবা থানার এস আই মো:আনোয়ার হোসেন গ্রেফতারের সততা স্বীকার করেন এবং অন্য আসামীদেরকে গ্রেফতারের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন বলে সাংবাদিকদেরকে জানান। ক্ষতিগ্রস্থরা ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক ও হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিকের নির্দেশে লাঠিয়াল শাহীন আলম মামুন,উজ্জল,ফরহাদ,জামাল,সুমন,মশিউর রহমান রাঙ্গা,সমুন মিয়া গংদের কবল থেকে গ্রামের সাধারণ মানুষকে রক্ষা করতে আইনমন্ত্রীর কাছে ন্যায়বিচার দাবী করছেন।
অপর দিকে দায়েরকৃত মামলা তুলে না নিলে মামলার বাদী ও তার পরিবারের সদস্যসহ স্বাক্ষীদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিক সহ তার লোকজন বলে মামলার বাদী জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান।
দিন দুপুরে লাঠিয়ালবাহিনীর দল নেতা শাহীন আলম মামুনসহ তার সঙ্গবদ্ধ দল রাম দা,লৌহার রড,মহকস্টিক নিয়ে প্রকাশ্য হামলাসহ বাড়ি ঘর দোকানপাটে তাগুব চালানোর ঘটনাটি নিন্দাজ্ঞাপন করে গ্রামের সচেতনমহল ন্যায় বিচার দাবী করেছেন আইনমন্ত্রীর কাছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দোকানপাট ভাংঙ্গচোর আহত ৪ গ্রেফতার ৪

themesbazartvsite-01713478536