বাংলাদেশি দুই সিন্ডিকেট গ্রেফতার ! করোনা জাল সনদ বিক্রয় – মালয়েশিয়া

বাংলাদেশি দুই সিন্ডিকেট গ্রেফতার ! করোনা জাল সনদ বিক্রয় – মালয়েশিয়া

এম এ  আবির , মালয়েশিয়া প্রতিনিধিঃ বিদেশি নাগরিকদের সবচেয়ে বেশি বসবাস করছে কুয়ালালামপুর। আর সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি ব্যবসায়ী হচ্ছে  বুকিং বিনতাং। সেই বিদেশি নাগরিকদের পুজি করে  করোনার জাল নেগেটিভ  সার্টিফিকেট  বিক্রির দায়ে মালয়েশিয়ায় দুই বাংলাদেশি কে  গ্রেফতার করেছে দেশটির পুলিশ। শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজধানী কুয়ালালামপুর,  বুকিত বিনতাং,   জালান আলোর দুটি বাংলাদেশি  দোকানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংক্রামক ব্যাধি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ ১৯৮৮ এর ২২ (ডি), দণ্ডবিধির ৪৬৮ ও ৪৭১ এবং ইমিগ্রেশন আইনের ৬ (১) (সি) এর অধীনে তদন্ত চলছে।

কুয়ালালামপুরের পুলিশ প্রধান দাতুক মাজলান লাজিম সাংবাদিকদের জানান, গত দুই সপ্তাহ ধরে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিদেশি অভিবাসীদের কাছে ৫০ রিঙ্গিতে যা বাংলাদেশে সমপরিমাণ ১ হাজার টাকার  বিনিময়ে করোনাভাইরাসের নেগেটিভ রিপোর্ট (জাল সনদ) বিক্রি করে আসছে এই সিন্ডিকেট গ্রুপ।

তিনি বলেন, এ গ্রুপের সদস্যরা ১২ হাজার টাকায় দোকান ভাড়া নিয়ে ও স্থানীয় দুইজন লোকাল  নাগরিককে চাকরি দিয়ে কাউন্টারে রেখে প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এই অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। এবং করোনা পজেটিভ রোগী  কোয়ারেন্টাইন না থেকে জাল নেগেটিভ সার্টিফিকেট নিয়ে ঘুড়ে বেড়াচ্ছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে কাজ করছে  সবখানে। যা থেকে দূত আক্রান্ত হচ্ছে  সংস্পর্শে আসা মানুষ গুলো।
অভিযানে পরিচালনা করে   একটি জাল কোভিড -১৯ স্ক্রিনিং পরীক্ষার রিপোর্ট, লেটারহেড এবং এক হাজার ৩৩১ মালয় রিঙ্গিত (২৬ হাজার ৫০০ টাকা) উদ্ধার করে পুলিশ। এছাড়া দুটি ল্যাপটপ, তিনটি প্রিন্টার, দুটি ল্যামিনেটর মেশিন এবং কোভিড -১৯ স্ক্রিনিং পরীক্ষার ফলাফলের দুটি শিট উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ প্রধান বলেন, কোভিড-১৯ স্ক্রিনিং পরীক্ষার ফলাফলের রিপোর্ট নকল করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।এবং সিন্ডিকেটের বাকী সদস্যদের আটক করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আকলিমা রশীদ ঢালীপিংকী , কসবা প্রতিনিধি,ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে ফেসবুকে লেখা আর রাস্তাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের পরিকল্পিত হামলায় জিলানীর বাড়িঘর দোকানপাট ভাংঙ্গচোর-আহত ৪,ধানায় মামলা গ্রেফতার-৪ সংবাদ পাওয়া যায়।
ঘটনা প্রকাশ,ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে দীর্ঘদিন থেকে দুই পক্ষের মাঝে বিরোধ চলমান রয়েছে বলে গ্রামবাসী জানান। এর জের ধরে একই গ্রামের মোবারক হোসেন মানিকের নেতৃতে সোলেমান মিয়ার পুত্র শাহীন আল মামুন লাঠিয়াল বাহিনীর গ্রামে চরম উওেজনা বিরাজ করছে বলে গ্রামের উওর পাড়ার লোকজন তাও জানান।
মোবারক হোসেন মানিকের জনবল,লাঠি বল,অর্থবলে গ্রামের সাধারণ মানুষকে মানুষ বলে মনে না করে যখন যা মনে চায় তাই করেন বলে ক্ষতিগ্রস্থরা তাও জানান। তাদের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না বলেও জানান। মোবারক হোসেন মানিক এর নেতৃত্বে একদল যুবক ফেসবুকে মিথ্যা কাল্পনিক কথা লিখে গ্রামে অপ প্রচারসহ জমি জমা দখল করার বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে।
গত ৮ জুলাই দিনের প্রায় সাড়ে তিনটায় ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোবারক হোসেন মানিকের হুকুমে শাহীন আলম মামুনসহ ৩০/৪০জন দাঙ্গাবাজ হাতে রাম দা,রড,হকস্টীক লাঠি সোটা নিয়ে একই গ্রামের উওর পাড়ার মৃত মিরণ মিয়ার পুত্র জিলানীর বাড়ি ঘর দোকান পাটে ফিম্মিটাইলে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতিসাধনসহ লুটপাট করার অভিযোগ উঠেছে।
তাদের ফিম্মিটাইলের হামলায় মো: চুনি মিয়া (৭৫),মোছাম্মদ সুলতানা বেগম(৩৫), জুলেখা বেগম(২৪), মো:বাবুল মিয়া(৩২)সহ ৪জন গুরুত্বর অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে মামলা বাদী মো: জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান। এর মধ্যে মো: চুনি মিয়া ও মোছাম্মদ সুলতানা বেগম কুমিল্লা মেডিক্যাল হাসপাতালে আস্কজনক অবস্থায় আছেন।
এই ঘটনায় শাহীন আলম মামুন (৩০), উজ্জল মিয়া (৪০),রমজান (২৫) ,রাসেল(২৫)সহ ১৫জনকে আসামী করে কসবা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। কসবা থানা মামলা নং-১৯। ঘটনার সংবাদ পেয়ে কসবা থানা পুলিশ ব্যাপক তৎপরতা অব্যাহত চালিয়ে ঐদিনই দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রসহ শাহীন আলম মামুন, উজ্জল মিয়া,রমজান ও রাসেলকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতদেরকে ৯ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন। মামলার তদন্ত র্কমর্কতা কসবা থানার এস আই মো:আনোয়ার হোসেন গ্রেফতারের সততা স্বীকার করেন এবং অন্য আসামীদেরকে গ্রেফতারের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন বলে সাংবাদিকদেরকে জানান। ক্ষতিগ্রস্থরা ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক ও হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিকের নির্দেশে লাঠিয়াল শাহীন আলম মামুন,উজ্জল,ফরহাদ,জামাল,সুমন,মশিউর রহমান রাঙ্গা,সমুন মিয়া গংদের কবল থেকে গ্রামের সাধারণ মানুষকে রক্ষা করতে আইনমন্ত্রীর কাছে ন্যায়বিচার দাবী করছেন।
অপর দিকে দায়েরকৃত মামলা তুলে না নিলে মামলার বাদী ও তার পরিবারের সদস্যসহ স্বাক্ষীদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিক সহ তার লোকজন বলে মামলার বাদী জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান।
দিন দুপুরে লাঠিয়ালবাহিনীর দল নেতা শাহীন আলম মামুনসহ তার সঙ্গবদ্ধ দল রাম দা,লৌহার রড,মহকস্টিক নিয়ে প্রকাশ্য হামলাসহ বাড়ি ঘর দোকানপাটে তাগুব চালানোর ঘটনাটি নিন্দাজ্ঞাপন করে গ্রামের সচেতনমহল ন্যায় বিচার দাবী করেছেন আইনমন্ত্রীর কাছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দোকানপাট ভাংঙ্গচোর আহত ৪ গ্রেফতার ৪

themesbazartvsite-01713478536