দূর্ভোগের আরেক নাম আবাদপুকুর-আদমদীঘি সড়ক : মেরামতের দেড় বছরেই সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্তের

দূর্ভোগের আরেক নাম আবাদপুকুর-আদমদীঘি সড়ক : মেরামতের দেড় বছরেই সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্তের

নেহাল আহম্মেদ প্রান্ত, স্টাফ রিপোটার: নওগাঁর জনদূর্ভোগের অপর আরেক নাম আবাদপুকুর-আদমদীঘি সড়ক। রাণীনগর ও আদমদীঘি এই দুই উপজেলার মধ্যে অবস্থিত হওয়ায় এই জনগুরুত্বপূর্ন সড়কের অবস্থা খুবই বেহাল। এলজিইডির আওতায় মোট ১৩কিমি রাস্তার মধ্যে বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার অধিকাংশ অংশই খুবই বেহাল। আদমদীঘি সদর থেকে রাণীনগর অংশের মধ্যে পারইল ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। যেন সড়ক নয় বড় বড় পুকুর।
রাণীনগর উপজেলার বাণিজ্যিক রাজধানী আবাদপুকুর থেকে এই সড়ক দিয়ে নওগাঁ সদর ও আদমদীঘি উপজেলা খুব কাছে হওয়ায় এই অঞ্চলের প্রায় শতাধিক গ্রামের মানুষরা এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করাসহ ধানসহ পন্য আনা-নেওয়ার কাজ করে থাকেন। যার কারণে এই অঞ্চলের অধিকাংশ মানুষকেই প্রতিনিয়ত চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। অপরদিকে আদমদীঘি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বছরখানেক আগে তাদের অংশের খারাপ রাস্তাটি নামে মাত্র সংস্কার করা হয়। সংস্কারের বছরখানেক পরই আবার আদমদীঘি রেলস্টেশন, চৌমুহনী বাজারসহ অধিকাংশ স্থানেই পাকা উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় খানা-খন্দকে। স্থানীয়দের অভিযোগ সড়ক সংস্কার কাজে নি¤œ মানের উপকরন ব্যবহার করে তাড়াহুড়ো করে পাঁকা করার কারণে আবার সড়কে বড় বড় খন্দকের সৃষ্টি হয়েছে।
পারইল গ্রামের বাসিন্দা জিল্লুর রহমান, খাস-পারইল গ্রামের আনছার আলীসহ অনেকেই বলেন দীর্ঘ দুর্ভোগের পর প্রায় এক বছর আগে এই সড়কের সংস্কার কাজ করা হয়। কিন্তু সংস্কার কাজে চরম অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে আবার সড়কের অধিকাংশ স্থানেই নতুন করে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় খানা-খন্দকের। প্রতিদিনই এইসব গর্তে যানবাহন পড়ে ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনার। আর পথচারীদের ভোগ করতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ ও কষ্ট।
রাণীনগর উপজেলা প্রকৌশলী শাইদুর রহমান মিঞা বলেন এই সড়কের প্রায় সাড়ে ৮কিমি রাস্তার খানা-খন্দক ও দুই পাশে প্রসস্ত করার জন্য আগামী বছরের বাজেটে চাহিদা প্রদান করা হয়েছে। আশা রাখি বরাদ্দ পেলেই এই জনগুরুত্বপূর্ন রাস্তাটির সংস্কার ও প্রসস্তকরনের কাজ শুরু করা হবে।
আদমদীঘি উপজেলা প্রকৌশলী সাজেদুর রহমান বলেন পূর্বে এই রাস্তাটি শুধু কার্পেটিং করা হয়েছিলো যার কারণে ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে আবার তা বেহাল হয়ে পড়েছে। তবে আগামী অর্থবছরে এই রাস্তাটির নকশা পরির্বতন করে দীর্ঘস্থায়ী করার লক্ষ্যে নতুন করে চাহিদাপত্র দেওয়া হয়েছে। অর্থবরাদ্দ পেলেই নতুন করে এই রাস্তাটির সংস্কার কাজ শুরু করা হবে।
নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের সংসদ সদস্য ইসরাফিল আলম বলেন এই রাস্তাটি খুবই গুরুত্বপূর্ন। অতি দ্রত রাস্তাটি দীর্ঘস্থায়ী ভাবে সংস্কার করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা প্রদান করেছি। আশা রাখি আগামী অর্থবছরে এই সমস্যাটি সমাধান হয়ে যাবে।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আকলিমা রশীদ ঢালীপিংকী , কসবা প্রতিনিধি,ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে ফেসবুকে লেখা আর রাস্তাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের পরিকল্পিত হামলায় জিলানীর বাড়িঘর দোকানপাট ভাংঙ্গচোর-আহত ৪,ধানায় মামলা গ্রেফতার-৪ সংবাদ পাওয়া যায়।
ঘটনা প্রকাশ,ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে দীর্ঘদিন থেকে দুই পক্ষের মাঝে বিরোধ চলমান রয়েছে বলে গ্রামবাসী জানান। এর জের ধরে একই গ্রামের মোবারক হোসেন মানিকের নেতৃতে সোলেমান মিয়ার পুত্র শাহীন আল মামুন লাঠিয়াল বাহিনীর গ্রামে চরম উওেজনা বিরাজ করছে বলে গ্রামের উওর পাড়ার লোকজন তাও জানান।
মোবারক হোসেন মানিকের জনবল,লাঠি বল,অর্থবলে গ্রামের সাধারণ মানুষকে মানুষ বলে মনে না করে যখন যা মনে চায় তাই করেন বলে ক্ষতিগ্রস্থরা তাও জানান। তাদের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না বলেও জানান। মোবারক হোসেন মানিক এর নেতৃত্বে একদল যুবক ফেসবুকে মিথ্যা কাল্পনিক কথা লিখে গ্রামে অপ প্রচারসহ জমি জমা দখল করার বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে।
গত ৮ জুলাই দিনের প্রায় সাড়ে তিনটায় ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোবারক হোসেন মানিকের হুকুমে শাহীন আলম মামুনসহ ৩০/৪০জন দাঙ্গাবাজ হাতে রাম দা,রড,হকস্টীক লাঠি সোটা নিয়ে একই গ্রামের উওর পাড়ার মৃত মিরণ মিয়ার পুত্র জিলানীর বাড়ি ঘর দোকান পাটে ফিম্মিটাইলে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতিসাধনসহ লুটপাট করার অভিযোগ উঠেছে।
তাদের ফিম্মিটাইলের হামলায় মো: চুনি মিয়া (৭৫),মোছাম্মদ সুলতানা বেগম(৩৫), জুলেখা বেগম(২৪), মো:বাবুল মিয়া(৩২)সহ ৪জন গুরুত্বর অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে মামলা বাদী মো: জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান। এর মধ্যে মো: চুনি মিয়া ও মোছাম্মদ সুলতানা বেগম কুমিল্লা মেডিক্যাল হাসপাতালে আস্কজনক অবস্থায় আছেন।
এই ঘটনায় শাহীন আলম মামুন (৩০), উজ্জল মিয়া (৪০),রমজান (২৫) ,রাসেল(২৫)সহ ১৫জনকে আসামী করে কসবা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। কসবা থানা মামলা নং-১৯। ঘটনার সংবাদ পেয়ে কসবা থানা পুলিশ ব্যাপক তৎপরতা অব্যাহত চালিয়ে ঐদিনই দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রসহ শাহীন আলম মামুন, উজ্জল মিয়া,রমজান ও রাসেলকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতদেরকে ৯ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন। মামলার তদন্ত র্কমর্কতা কসবা থানার এস আই মো:আনোয়ার হোসেন গ্রেফতারের সততা স্বীকার করেন এবং অন্য আসামীদেরকে গ্রেফতারের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন বলে সাংবাদিকদেরকে জানান। ক্ষতিগ্রস্থরা ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক ও হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিকের নির্দেশে লাঠিয়াল শাহীন আলম মামুন,উজ্জল,ফরহাদ,জামাল,সুমন,মশিউর রহমান রাঙ্গা,সমুন মিয়া গংদের কবল থেকে গ্রামের সাধারণ মানুষকে রক্ষা করতে আইনমন্ত্রীর কাছে ন্যায়বিচার দাবী করছেন।
অপর দিকে দায়েরকৃত মামলা তুলে না নিলে মামলার বাদী ও তার পরিবারের সদস্যসহ স্বাক্ষীদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিক সহ তার লোকজন বলে মামলার বাদী জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান।
দিন দুপুরে লাঠিয়ালবাহিনীর দল নেতা শাহীন আলম মামুনসহ তার সঙ্গবদ্ধ দল রাম দা,লৌহার রড,মহকস্টিক নিয়ে প্রকাশ্য হামলাসহ বাড়ি ঘর দোকানপাটে তাগুব চালানোর ঘটনাটি নিন্দাজ্ঞাপন করে গ্রামের সচেতনমহল ন্যায় বিচার দাবী করেছেন আইনমন্ত্রীর কাছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দোকানপাট ভাংঙ্গচোর আহত ৪ গ্রেফতার ৪

themesbazartvsite-01713478536