শৈলকূপায় যৌতুক লোভী স্বামীর নির্যাতনে গৃহবধূ হাসপাতালে

শৈলকূপায় যৌতুক লোভী স্বামীর নির্যাতনে গৃহবধূ হাসপাতালে

সাহিদুল এনাম পল্লব, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহ জেলায় শৈলকূপা উপজেলার ফাজেলপুর গ্রামে এক মাদকাসক্ত যৌতুক লোভী স্বামী নির্যাতনের শিকার হয়ে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে সাদিয়া ইসলাম সাথী (২০) নামের এক নারী। ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে সাথী আন্দোলনের  জানায় যে তার স্বামী বসির আহামেদ নাহারের সাথে দেড় বছর আগে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়। বিবাহের পর তাকে একটি মোটর সাইকেল ও এক লক্ষ টাকা দেয়। কিন্ত টাকা দেওয়ার পরও আরো টাকার কথা বলে আমাকে প্রায় মারধর করে। গতকাল মঙ্গল বার আমাকে মারধর করার পর আমার ভাই রাজু কে এসে নিয়ে যেতে বলি। আমার ভাই রাজু আসলে আমার স্বামী এবং আমার শাশুড়ি আমাকে ভীষণ মারপিট শুরু করে এবং বলে যে কে তোকে নিয়ে যায় তাকে দেখব বলে আমার ভাইকে মারা শুরু করে। এই সময়ে আমার ভাই দৌড়ে শৈলকূপা থানায় গেলে থানা থেকে পুলিশ এসে আমাকে উদ্ধার করে। সে আরো জানায় যে এই সময়ে নাহার ও তার মা মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করে এবং তার যৌনাঙ্গ ক্ষত বিক্ষত করে। নাহার প্রায় বিভিন্ন প্রকার মাদক সেবন করে।

সরেজমিনে খবর সংগ্রহ কলে সাথের শরীরের বিভিন্ন স্থানে নির্যাতনের দাগ দেখা যায়।এই সময়ে যন্ত্রনায় সে কান্না কাটি করছিল। তার পাঁশে বসে আছে নির্বাক স্বজনেরা।

সাথীর ভাই রাজু জানায়, সে তার বোনের উপর নির্যাতন হচ্ছে খবর পেয়ে তাকে নিয়ে আসতে গেলে আমার ছোট্ট বোনের স্বামী ও শাশুড়ি আমার উপর চড়াও হয়ে হামলা করে। তখন আমি সেখান থেকে জান নিয়ে দৌড়ে পালায়ে থানায় যাই। থানায় যেতে ওসি কে ঘটনা বললে ওসি পুলিশ পাঠায়ে আমার বোন কে উদ্ধার করে।

শৈলকূপা থানার অফিসার ইনচার্জ বজলুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলে যে ঘটনার আসামীদের গ্রেফতার করে আদালতে পাঠান হয়েছে।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আকলিমা রশীদ ঢালীপিংকী , কসবা প্রতিনিধি,ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে ফেসবুকে লেখা আর রাস্তাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের পরিকল্পিত হামলায় জিলানীর বাড়িঘর দোকানপাট ভাংঙ্গচোর-আহত ৪,ধানায় মামলা গ্রেফতার-৪ সংবাদ পাওয়া যায়।
ঘটনা প্রকাশ,ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে দীর্ঘদিন থেকে দুই পক্ষের মাঝে বিরোধ চলমান রয়েছে বলে গ্রামবাসী জানান। এর জের ধরে একই গ্রামের মোবারক হোসেন মানিকের নেতৃতে সোলেমান মিয়ার পুত্র শাহীন আল মামুন লাঠিয়াল বাহিনীর গ্রামে চরম উওেজনা বিরাজ করছে বলে গ্রামের উওর পাড়ার লোকজন তাও জানান।
মোবারক হোসেন মানিকের জনবল,লাঠি বল,অর্থবলে গ্রামের সাধারণ মানুষকে মানুষ বলে মনে না করে যখন যা মনে চায় তাই করেন বলে ক্ষতিগ্রস্থরা তাও জানান। তাদের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না বলেও জানান। মোবারক হোসেন মানিক এর নেতৃত্বে একদল যুবক ফেসবুকে মিথ্যা কাল্পনিক কথা লিখে গ্রামে অপ প্রচারসহ জমি জমা দখল করার বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে।
গত ৮ জুলাই দিনের প্রায় সাড়ে তিনটায় ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোবারক হোসেন মানিকের হুকুমে শাহীন আলম মামুনসহ ৩০/৪০জন দাঙ্গাবাজ হাতে রাম দা,রড,হকস্টীক লাঠি সোটা নিয়ে একই গ্রামের উওর পাড়ার মৃত মিরণ মিয়ার পুত্র জিলানীর বাড়ি ঘর দোকান পাটে ফিম্মিটাইলে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতিসাধনসহ লুটপাট করার অভিযোগ উঠেছে।
তাদের ফিম্মিটাইলের হামলায় মো: চুনি মিয়া (৭৫),মোছাম্মদ সুলতানা বেগম(৩৫), জুলেখা বেগম(২৪), মো:বাবুল মিয়া(৩২)সহ ৪জন গুরুত্বর অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে মামলা বাদী মো: জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান। এর মধ্যে মো: চুনি মিয়া ও মোছাম্মদ সুলতানা বেগম কুমিল্লা মেডিক্যাল হাসপাতালে আস্কজনক অবস্থায় আছেন।
এই ঘটনায় শাহীন আলম মামুন (৩০), উজ্জল মিয়া (৪০),রমজান (২৫) ,রাসেল(২৫)সহ ১৫জনকে আসামী করে কসবা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। কসবা থানা মামলা নং-১৯। ঘটনার সংবাদ পেয়ে কসবা থানা পুলিশ ব্যাপক তৎপরতা অব্যাহত চালিয়ে ঐদিনই দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রসহ শাহীন আলম মামুন, উজ্জল মিয়া,রমজান ও রাসেলকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতদেরকে ৯ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন। মামলার তদন্ত র্কমর্কতা কসবা থানার এস আই মো:আনোয়ার হোসেন গ্রেফতারের সততা স্বীকার করেন এবং অন্য আসামীদেরকে গ্রেফতারের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন বলে সাংবাদিকদেরকে জানান। ক্ষতিগ্রস্থরা ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক ও হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিকের নির্দেশে লাঠিয়াল শাহীন আলম মামুন,উজ্জল,ফরহাদ,জামাল,সুমন,মশিউর রহমান রাঙ্গা,সমুন মিয়া গংদের কবল থেকে গ্রামের সাধারণ মানুষকে রক্ষা করতে আইনমন্ত্রীর কাছে ন্যায়বিচার দাবী করছেন।
অপর দিকে দায়েরকৃত মামলা তুলে না নিলে মামলার বাদী ও তার পরিবারের সদস্যসহ স্বাক্ষীদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিক সহ তার লোকজন বলে মামলার বাদী জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান।
দিন দুপুরে লাঠিয়ালবাহিনীর দল নেতা শাহীন আলম মামুনসহ তার সঙ্গবদ্ধ দল রাম দা,লৌহার রড,মহকস্টিক নিয়ে প্রকাশ্য হামলাসহ বাড়ি ঘর দোকানপাটে তাগুব চালানোর ঘটনাটি নিন্দাজ্ঞাপন করে গ্রামের সচেতনমহল ন্যায় বিচার দাবী করেছেন আইনমন্ত্রীর কাছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দোকানপাট ভাংঙ্গচোর আহত ৪ গ্রেফতার ৪

themesbazartvsite-01713478536