দেশের বিভিন্ন এলাকায় পালিত হচ্ছে ঈদুল আজহা

দেশের বিভিন্ন এলাকায় পালিত হচ্ছে ঈদুল আজহা

অনলাইন ডেস্ক:সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আজ রোববার সকালে শেরপুরের নকলা উপজেলার চরকৈয়া গ্রামের প্রায় ২০০ মুসল্লি ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেন। ছবি: দেবাশীষ সাহা রায়, প্রতিনিধি, শেরপুর।জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ১৩টি গ্রামে, সুনামগঞ্জের ধরমপাশা উপজেলায়, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আটটি গ্রামে, পটুয়াখালীর ২২টি গ্রামে, মৌলভীবাজারে ও শেরপুরের ছয়টি গ্রামে আজ রোববার পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্‌যাপিত হচ্ছে।

ধরমপাশা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ধরমপাশা উত্তরপাড়া গ্রামে আজ সকাল নয়টার দিকে ঈদুল আজহার প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

শরীয়তপুর জেলার সোরেশ্বর দরবার শরিফের ধরমপাশা উপজেলার ভক্তরা ধরমপাশা উত্তরপাড়া গ্রামে স্থানীয় খানকায় সমবেত হয়ে নামাজ আদায় করেন। উপজেলার সৈয়দপুর, আহম্মদপুর, মোদাহরপুর, দশধরী, রাজনগর, দাসপাড়া, রাধানগর, কান্দাপাড়া, ধরমপাশা উত্তরপাড়া গ্রামসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের অর্ধশতাধিক ভক্তরা নামাজে অংশ নেন। ঈদের নামাজ পড়ান স্থানীয় খানকার খতিব বাবুল মিয়া। সাত বছর ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে তাঁরা নামাজ আদায় করে আসছেন।

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার দক্ষিণ বলারদিয়ার আজিম উদ্দিন মাস্টারের বাড়ি জামে মসজিদ মাঠের ইমাম মাওলানা আজিম উদ্দিন বলেন, ‘আমার পেছনে ১৩টি গ্রামের পাঁচ শতাধিক মুসল্লি ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন।’

দক্ষিণ বলারদিয়ার আজিম উদ্দিন মাস্টারের বাড়ি জামে মসজিদ সূত্রে জানা যায়, পৌরসভার দক্ষিণ বলারদিয়ার আজিম উদ্দিন মাস্টারের বাড়ি জামে মসজিদ মাঠে প্রতিবছরের মতো এ বছরও মুলবাড়ি, বলারদিয়ার, সাতপোয়া, সাঞ্চারপাড়, পঞ্চপীর, পাখাডুবি, বালিয়া, বনগ্রাম, হোসনাবাদ ও বাউসী, পুঠিয়ারপাড়, বগারপাড়, পাটাবুগা ১৩টি গ্রামের পাঁচ শতাধিক মানুষ ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন। অন্যদিকে, মহাদান ইউনিয়নের বনগ্রাম ও উচ্চ গ্রামে ঈদুল আজহার আরও দুটি জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বলারদিয়ার গ্রামের শাহা আলী (৬১) বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে আমরা ১৫ বছর ধরে ঈদুল আজহার নামাজ পড়ে আসছি।’

মৌলভীবাজারে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল আজহার নামাজ পড়েছেন শতাধিক পরিবারের মুসল্লি। আজ রোববার সকাল সাড়ে সাতটায় মৌলভীবাজার শহরের সার্কিট হাউস এলাকার আহমেদ শাবিস্তা নামক বাসার ছাদে এই ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নামাজে ইমামতি করেন আলহাজ আব্দুল মাওফিক চৌধুরী।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কুশখালী ইউনিয়নের বাউখোলা দক্ষিণপাড়ায় ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রোববার সকাল সাড়ে সাতটায় অনুষ্ঠিত এ নামাজে মাওলানা মহব্বত আলী ইমামতি করেন। জামায়াতে বাউখোলা, সাতানি, ভাদড়া, নলতা, খুলনার ডুমুরিয়া, পাইকগাছাসহ পাঁচ গ্রামের শতাধিক মানুষ নামাজ আদায় করেন। মাওলানা মহব্বত আলী জানান, তারা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে যুগ যুগ ধরে ঈদের নামাজ আদায় করে আসছেন।

কুশখালী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম জানান, নামাজ শেষে স্থানীয় কয়েকটি পরিবার কোরবানিও দিয়েছেন।

পটুয়াখালীর ২২টি গ্রামের পাঁচ হাজারেরও বেশি পরিবার আজ রোববার ঈদুল আজহা উদ্‌যাপন করছে। প্রতিবছরের মতো এবারও সৌদি আরবের সঙ্গে সংহতি রেখে এ পরিবারগুলো ঈদুল আজহা উদ্‌যাপন করছেন।

পটুয়াখালীর সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের বদরপুর দরবার শরিফ জামে মসজিদে সকাল নয়টায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বদরপুর দরবার শরিফে প্রধান ঈদের জামাতের ইমামতি করেছেন দরবার শরিফের ইমাম মাওলানা শফিকুল ইসলাম গনি। নামাজ শেষে দেশ ও জাতি এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা করে মোনাজাত করা হয়। পরে পশু কোরবানি হতে দেখা গেছে। ১৯২৮ সাল থেকে প্রতিবছর তারা আগাম রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদ্‌যাপন করে আসছেন।

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আজ রোববার শেরপুরের ছয়টি গ্রামে ঈদুল আজহা উদ্‌যাপিত হচ্ছে। এসব গ্রাম হলো শেরপুর সদর উপজেলার চরখারচর পূর্বপাড়া ও পশ্চিমপাড়া, নকলা উপজেলার চরকৈয়া ও নারায়ণখোলা, ঝিনাইগাতী উপজেলার চতল এবং নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী মধ্যপাড়া। এ ছয়টি গ্রামের প্রায় দুই হাজার মানুষ আজ সকাল আটটা থেকে বেলা ১১টার মধ্যে ঈদের নামাজ আদায় করেন।

শেরপুর সদর উপজেলার বেতমারী-ঘুঘুরাকান্দি ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, চরখারচর পূর্ব ও পশ্চিমপাড়া ঈদগাহ মাঠে প্রায় এক হাজার মানুষ ঈদের নামাজ আদায় করেন। এসব গ্রামের মানুষ ৪৪ বছর ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদ্‌যাপন করে আসছেন। তাঁরা ফরিদপুরের সুরেশ্বর পিরের অনুসারী বলে তিনি জানান।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

আকলিমা রশীদ ঢালীপিংকী , কসবা প্রতিনিধি,ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে ফেসবুকে লেখা আর রাস্তাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের পরিকল্পিত হামলায় জিলানীর বাড়িঘর দোকানপাট ভাংঙ্গচোর-আহত ৪,ধানায় মামলা গ্রেফতার-৪ সংবাদ পাওয়া যায়।
ঘটনা প্রকাশ,ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে দীর্ঘদিন থেকে দুই পক্ষের মাঝে বিরোধ চলমান রয়েছে বলে গ্রামবাসী জানান। এর জের ধরে একই গ্রামের মোবারক হোসেন মানিকের নেতৃতে সোলেমান মিয়ার পুত্র শাহীন আল মামুন লাঠিয়াল বাহিনীর গ্রামে চরম উওেজনা বিরাজ করছে বলে গ্রামের উওর পাড়ার লোকজন তাও জানান।
মোবারক হোসেন মানিকের জনবল,লাঠি বল,অর্থবলে গ্রামের সাধারণ মানুষকে মানুষ বলে মনে না করে যখন যা মনে চায় তাই করেন বলে ক্ষতিগ্রস্থরা তাও জানান। তাদের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না বলেও জানান। মোবারক হোসেন মানিক এর নেতৃত্বে একদল যুবক ফেসবুকে মিথ্যা কাল্পনিক কথা লিখে গ্রামে অপ প্রচারসহ জমি জমা দখল করার বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে।
গত ৮ জুলাই দিনের প্রায় সাড়ে তিনটায় ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোবারক হোসেন মানিকের হুকুমে শাহীন আলম মামুনসহ ৩০/৪০জন দাঙ্গাবাজ হাতে রাম দা,রড,হকস্টীক লাঠি সোটা নিয়ে একই গ্রামের উওর পাড়ার মৃত মিরণ মিয়ার পুত্র জিলানীর বাড়ি ঘর দোকান পাটে ফিম্মিটাইলে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতিসাধনসহ লুটপাট করার অভিযোগ উঠেছে।
তাদের ফিম্মিটাইলের হামলায় মো: চুনি মিয়া (৭৫),মোছাম্মদ সুলতানা বেগম(৩৫), জুলেখা বেগম(২৪), মো:বাবুল মিয়া(৩২)সহ ৪জন গুরুত্বর অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে মামলা বাদী মো: জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান। এর মধ্যে মো: চুনি মিয়া ও মোছাম্মদ সুলতানা বেগম কুমিল্লা মেডিক্যাল হাসপাতালে আস্কজনক অবস্থায় আছেন।
এই ঘটনায় শাহীন আলম মামুন (৩০), উজ্জল মিয়া (৪০),রমজান (২৫) ,রাসেল(২৫)সহ ১৫জনকে আসামী করে কসবা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। কসবা থানা মামলা নং-১৯। ঘটনার সংবাদ পেয়ে কসবা থানা পুলিশ ব্যাপক তৎপরতা অব্যাহত চালিয়ে ঐদিনই দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রসহ শাহীন আলম মামুন, উজ্জল মিয়া,রমজান ও রাসেলকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতদেরকে ৯ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন। মামলার তদন্ত র্কমর্কতা কসবা থানার এস আই মো:আনোয়ার হোসেন গ্রেফতারের সততা স্বীকার করেন এবং অন্য আসামীদেরকে গ্রেফতারের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন বলে সাংবাদিকদেরকে জানান। ক্ষতিগ্রস্থরা ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক ও হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিকের নির্দেশে লাঠিয়াল শাহীন আলম মামুন,উজ্জল,ফরহাদ,জামাল,সুমন,মশিউর রহমান রাঙ্গা,সমুন মিয়া গংদের কবল থেকে গ্রামের সাধারণ মানুষকে রক্ষা করতে আইনমন্ত্রীর কাছে ন্যায়বিচার দাবী করছেন।
অপর দিকে দায়েরকৃত মামলা তুলে না নিলে মামলার বাদী ও তার পরিবারের সদস্যসহ স্বাক্ষীদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিক সহ তার লোকজন বলে মামলার বাদী জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান।
দিন দুপুরে লাঠিয়ালবাহিনীর দল নেতা শাহীন আলম মামুনসহ তার সঙ্গবদ্ধ দল রাম দা,লৌহার রড,মহকস্টিক নিয়ে প্রকাশ্য হামলাসহ বাড়ি ঘর দোকানপাটে তাগুব চালানোর ঘটনাটি নিন্দাজ্ঞাপন করে গ্রামের সচেতনমহল ন্যায় বিচার দাবী করেছেন আইনমন্ত্রীর কাছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দোকানপাট ভাংঙ্গচোর আহত ৪ গ্রেফতার ৪

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আকলিমা রশীদ ঢালীপিংকী , কসবা প্রতিনিধি,ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে ফেসবুকে লেখা আর রাস্তাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের পরিকল্পিত হামলায় জিলানীর বাড়িঘর দোকানপাট ভাংঙ্গচোর-আহত ৪,ধানায় মামলা গ্রেফতার-৪ সংবাদ পাওয়া যায়।
ঘটনা প্রকাশ,ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে দীর্ঘদিন থেকে দুই পক্ষের মাঝে বিরোধ চলমান রয়েছে বলে গ্রামবাসী জানান। এর জের ধরে একই গ্রামের মোবারক হোসেন মানিকের নেতৃতে সোলেমান মিয়ার পুত্র শাহীন আল মামুন লাঠিয়াল বাহিনীর গ্রামে চরম উওেজনা বিরাজ করছে বলে গ্রামের উওর পাড়ার লোকজন তাও জানান।
মোবারক হোসেন মানিকের জনবল,লাঠি বল,অর্থবলে গ্রামের সাধারণ মানুষকে মানুষ বলে মনে না করে যখন যা মনে চায় তাই করেন বলে ক্ষতিগ্রস্থরা তাও জানান। তাদের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না বলেও জানান। মোবারক হোসেন মানিক এর নেতৃত্বে একদল যুবক ফেসবুকে মিথ্যা কাল্পনিক কথা লিখে গ্রামে অপ প্রচারসহ জমি জমা দখল করার বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে।
গত ৮ জুলাই দিনের প্রায় সাড়ে তিনটায় ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোবারক হোসেন মানিকের হুকুমে শাহীন আলম মামুনসহ ৩০/৪০জন দাঙ্গাবাজ হাতে রাম দা,রড,হকস্টীক লাঠি সোটা নিয়ে একই গ্রামের উওর পাড়ার মৃত মিরণ মিয়ার পুত্র জিলানীর বাড়ি ঘর দোকান পাটে ফিম্মিটাইলে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতিসাধনসহ লুটপাট করার অভিযোগ উঠেছে।
তাদের ফিম্মিটাইলের হামলায় মো: চুনি মিয়া (৭৫),মোছাম্মদ সুলতানা বেগম(৩৫), জুলেখা বেগম(২৪), মো:বাবুল মিয়া(৩২)সহ ৪জন গুরুত্বর অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে মামলা বাদী মো: জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান। এর মধ্যে মো: চুনি মিয়া ও মোছাম্মদ সুলতানা বেগম কুমিল্লা মেডিক্যাল হাসপাতালে আস্কজনক অবস্থায় আছেন।
এই ঘটনায় শাহীন আলম মামুন (৩০), উজ্জল মিয়া (৪০),রমজান (২৫) ,রাসেল(২৫)সহ ১৫জনকে আসামী করে কসবা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। কসবা থানা মামলা নং-১৯। ঘটনার সংবাদ পেয়ে কসবা থানা পুলিশ ব্যাপক তৎপরতা অব্যাহত চালিয়ে ঐদিনই দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রসহ শাহীন আলম মামুন, উজ্জল মিয়া,রমজান ও রাসেলকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতদেরকে ৯ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন। মামলার তদন্ত র্কমর্কতা কসবা থানার এস আই মো:আনোয়ার হোসেন গ্রেফতারের সততা স্বীকার করেন এবং অন্য আসামীদেরকে গ্রেফতারের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন বলে সাংবাদিকদেরকে জানান। ক্ষতিগ্রস্থরা ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক ও হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিকের নির্দেশে লাঠিয়াল শাহীন আলম মামুন,উজ্জল,ফরহাদ,জামাল,সুমন,মশিউর রহমান রাঙ্গা,সমুন মিয়া গংদের কবল থেকে গ্রামের সাধারণ মানুষকে রক্ষা করতে আইনমন্ত্রীর কাছে ন্যায়বিচার দাবী করছেন।
অপর দিকে দায়েরকৃত মামলা তুলে না নিলে মামলার বাদী ও তার পরিবারের সদস্যসহ স্বাক্ষীদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিক সহ তার লোকজন বলে মামলার বাদী জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান।
দিন দুপুরে লাঠিয়ালবাহিনীর দল নেতা শাহীন আলম মামুনসহ তার সঙ্গবদ্ধ দল রাম দা,লৌহার রড,মহকস্টিক নিয়ে প্রকাশ্য হামলাসহ বাড়ি ঘর দোকানপাটে তাগুব চালানোর ঘটনাটি নিন্দাজ্ঞাপন করে গ্রামের সচেতনমহল ন্যায় বিচার দাবী করেছেন আইনমন্ত্রীর কাছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দোকানপাট ভাংঙ্গচোর আহত ৪ গ্রেফতার ৪

themesbazartvsite-01713478536