নবাবগঞ্জে মানব সেবার দৃষ্টান্ত, উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুন নাহার

নবাবগঞ্জে মানব সেবার দৃষ্টান্ত, উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুন নাহার

নবাবগঞ্জ(দিনাজপুর)থেকে এম এ সাজেদুল ইসলাম(সাগর) :মানুষ মানুষের জন্য এটা শুধু প্রবাদ বাক্যই নয় এর বাস্তব দৃষ্টান্ত হলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ নাজমুন নাহার। তিনি এ উপজেলায় যোগদান করার পর থেকেই মানব সেবায় বিভিন্ন ভাবে অবদান রেখেই চলেছেন।
কর্মজীবনে শত ব্যস্থতা থাকার পরও সরকারের এই কর্মকর্তা সমাজের ভাল কাজ গুলো করতেও ভুলে যাননি । দেশের অন্যান্য উপজেলার ন্যায় নবাবগঞ্জ উপজেলায় করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হয় । পুলিশ প্রশাসন ,স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ,জনপ্রতিনিধি গন কে সঙ্গে নিয়ে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে দিনে রাতে অবিরামভাবে শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন। যার ফলশ্রæতিতে উপজেলার করোনা ভাইরাস আক্রান্ত ০৩ (তিন)যুবক সম্পুর্ণ সুস্থ্য হয়ে ডাক্তারি সনদ নিয়ে বাসায় ফিরে গেছেন। আক্রান্ত এলাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রম সদা সর্বদা জোরদার রেখেছিলেন।
এ সময় তিনি সংবাদ কর্মীদের জানান নিজের জীবনের বিনিময়ে হলেও অর্পিত দায়িত্ব ও জনসাধারনের কোনোভাবেই ক্ষতি হতে দিবনা। জনসাধারনের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করতে বিভিন্ন কর্মসূচী ,কর্মপরিকল্পনা সুচারুভাবে পরিচালনা করে যাচ্ছেন। কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী তিনি।
এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলার ৮নং মাহমুদপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুর রহিম বাদশা জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুন্দরভাবে প্রতিটি কাজ পরিচালনা করে যাচ্ছেন।
সম্প্রতি ঈদুল ফিতরের আগে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবিক খাদ্য সহায়তার উপহার প্রতিটি ইউনিয়নে পৌঁচ্ছে দিতে এলাকার সংসদ সদস্য মোঃ শিবলী সাদিক , উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আতাউর রহমান ও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা সহ ৯টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ,ইউপি সদস্য ,গণমাধ্যম কর্মী দের নিয়ে ত্রান বিতরণ সুষ্ঠভাবে পরিচালনা করেছিলেন। গোলাপগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ত্রান মন্ত্রনালয়ের বরাদ্দে ওই ইউনিয়নে ৯০০জন হত দরিদ্র মানুষের মাঝে ঈদ উৎসবের জন্য প্রধান মন্ত্রীর উপহার তুলে দেওয়ার জন্য রঘুনাথপুর উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে সামাজিক দুরুত্ব বজায় রেখে উপহার সামগ্রী তুলে দেন নির্বাহী অফিসার মোছাঃ নাজমুন নাহার।
এ সময় ছোট মহেশপুর গ্রামের দুপায়ে রোগাক্রান্ত একরামুল হক লাইনে ছিলেন বসে তার পা দিয়ে একটু একটু করে রক্ত ঝরছিল। এমন দৃশ্য দেখে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ নাজমুন নাহার তার অধিনন্থ কাউকে নির্দেশ না করে নিজেই গাড়ী থেকে জীবানু নাশক বোতল থেকে তা বের করে নিজ হস্তেই ওই অসহায় বৃদ্ধের পায়ে ছড়িয়ে দিলেন। এতে করে ওই বৃদ্ধ ব্যাথার যন্ত্রনা থেকে আরোগ্য হলেন।
এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসারে এমন মানবিক কাজ দেখে অনেকেই নিজেকে অন্যের জন্য সেবা দিতে গ্রহন করলেন দিপ্ত শপথ। এ সময় উপজেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি ও রঘুনাথপুর মহাবিদ্যালয়ের সভাপতি ডাঃ মোশারফ হোসেন, ট্যাগ অফিসার হালিমুর রশিদ ,উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ পারুল বেগম ,ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদুল কবির রাজু সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপজেলা নিবার্হী অফিসারের এমন কাজের প্রশংসা করেছেন।
এদিকে উপজেলার ভাদুরিয়া ইউনিয়নের লাঠিদাম গ্রামের ধান ক্ষেতে এক নব জাতক শিশুকে ফেলে দিয়ে চলে যায় পাষাণ হৃদয়ের মা। শিশুটির উদ্ধারের সংবাদ পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুন নাহার চলে যান উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স । সেখানে গিয়ে শিশুটিকে টেনে নেন কোলে ও মাতৃসেবার দায়িত্ব নিয়ে নেন।
এ সংবাদটি প্রিন্ট ,ইলেকট্রিক ,মিডিয়া সহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘটা করে মানবিক সংবাদ পরিবেশিত হয়েছিল। কাজেই উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মানব সেবার কাজ যেন আরো বৃদ্ধি পায় এবং সততা ও নিষ্ঠার সাথে অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করতে পারেন এমন দোয়া করেছেন এলাকাবাসী। মানুষ মানুষের জন্য এমন হতে হয় যেন সকলকে।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

আকলিমা রশীদ ঢালীপিংকী , কসবা প্রতিনিধি,ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে ফেসবুকে লেখা আর রাস্তাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের পরিকল্পিত হামলায় জিলানীর বাড়িঘর দোকানপাট ভাংঙ্গচোর-আহত ৪,ধানায় মামলা গ্রেফতার-৪ সংবাদ পাওয়া যায়।
ঘটনা প্রকাশ,ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে দীর্ঘদিন থেকে দুই পক্ষের মাঝে বিরোধ চলমান রয়েছে বলে গ্রামবাসী জানান। এর জের ধরে একই গ্রামের মোবারক হোসেন মানিকের নেতৃতে সোলেমান মিয়ার পুত্র শাহীন আল মামুন লাঠিয়াল বাহিনীর গ্রামে চরম উওেজনা বিরাজ করছে বলে গ্রামের উওর পাড়ার লোকজন তাও জানান।
মোবারক হোসেন মানিকের জনবল,লাঠি বল,অর্থবলে গ্রামের সাধারণ মানুষকে মানুষ বলে মনে না করে যখন যা মনে চায় তাই করেন বলে ক্ষতিগ্রস্থরা তাও জানান। তাদের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না বলেও জানান। মোবারক হোসেন মানিক এর নেতৃত্বে একদল যুবক ফেসবুকে মিথ্যা কাল্পনিক কথা লিখে গ্রামে অপ প্রচারসহ জমি জমা দখল করার বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে।
গত ৮ জুলাই দিনের প্রায় সাড়ে তিনটায় ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোবারক হোসেন মানিকের হুকুমে শাহীন আলম মামুনসহ ৩০/৪০জন দাঙ্গাবাজ হাতে রাম দা,রড,হকস্টীক লাঠি সোটা নিয়ে একই গ্রামের উওর পাড়ার মৃত মিরণ মিয়ার পুত্র জিলানীর বাড়ি ঘর দোকান পাটে ফিম্মিটাইলে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতিসাধনসহ লুটপাট করার অভিযোগ উঠেছে।
তাদের ফিম্মিটাইলের হামলায় মো: চুনি মিয়া (৭৫),মোছাম্মদ সুলতানা বেগম(৩৫), জুলেখা বেগম(২৪), মো:বাবুল মিয়া(৩২)সহ ৪জন গুরুত্বর অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে মামলা বাদী মো: জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান। এর মধ্যে মো: চুনি মিয়া ও মোছাম্মদ সুলতানা বেগম কুমিল্লা মেডিক্যাল হাসপাতালে আস্কজনক অবস্থায় আছেন।
এই ঘটনায় শাহীন আলম মামুন (৩০), উজ্জল মিয়া (৪০),রমজান (২৫) ,রাসেল(২৫)সহ ১৫জনকে আসামী করে কসবা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। কসবা থানা মামলা নং-১৯। ঘটনার সংবাদ পেয়ে কসবা থানা পুলিশ ব্যাপক তৎপরতা অব্যাহত চালিয়ে ঐদিনই দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রসহ শাহীন আলম মামুন, উজ্জল মিয়া,রমজান ও রাসেলকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতদেরকে ৯ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন। মামলার তদন্ত র্কমর্কতা কসবা থানার এস আই মো:আনোয়ার হোসেন গ্রেফতারের সততা স্বীকার করেন এবং অন্য আসামীদেরকে গ্রেফতারের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন বলে সাংবাদিকদেরকে জানান। ক্ষতিগ্রস্থরা ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক ও হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিকের নির্দেশে লাঠিয়াল শাহীন আলম মামুন,উজ্জল,ফরহাদ,জামাল,সুমন,মশিউর রহমান রাঙ্গা,সমুন মিয়া গংদের কবল থেকে গ্রামের সাধারণ মানুষকে রক্ষা করতে আইনমন্ত্রীর কাছে ন্যায়বিচার দাবী করছেন।
অপর দিকে দায়েরকৃত মামলা তুলে না নিলে মামলার বাদী ও তার পরিবারের সদস্যসহ স্বাক্ষীদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিক সহ তার লোকজন বলে মামলার বাদী জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান।
দিন দুপুরে লাঠিয়ালবাহিনীর দল নেতা শাহীন আলম মামুনসহ তার সঙ্গবদ্ধ দল রাম দা,লৌহার রড,মহকস্টিক নিয়ে প্রকাশ্য হামলাসহ বাড়ি ঘর দোকানপাটে তাগুব চালানোর ঘটনাটি নিন্দাজ্ঞাপন করে গ্রামের সচেতনমহল ন্যায় বিচার দাবী করেছেন আইনমন্ত্রীর কাছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দোকানপাট ভাংঙ্গচোর আহত ৪ গ্রেফতার ৪

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আকলিমা রশীদ ঢালীপিংকী , কসবা প্রতিনিধি,ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে ফেসবুকে লেখা আর রাস্তাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের পরিকল্পিত হামলায় জিলানীর বাড়িঘর দোকানপাট ভাংঙ্গচোর-আহত ৪,ধানায় মামলা গ্রেফতার-৪ সংবাদ পাওয়া যায়।
ঘটনা প্রকাশ,ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে দীর্ঘদিন থেকে দুই পক্ষের মাঝে বিরোধ চলমান রয়েছে বলে গ্রামবাসী জানান। এর জের ধরে একই গ্রামের মোবারক হোসেন মানিকের নেতৃতে সোলেমান মিয়ার পুত্র শাহীন আল মামুন লাঠিয়াল বাহিনীর গ্রামে চরম উওেজনা বিরাজ করছে বলে গ্রামের উওর পাড়ার লোকজন তাও জানান।
মোবারক হোসেন মানিকের জনবল,লাঠি বল,অর্থবলে গ্রামের সাধারণ মানুষকে মানুষ বলে মনে না করে যখন যা মনে চায় তাই করেন বলে ক্ষতিগ্রস্থরা তাও জানান। তাদের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না বলেও জানান। মোবারক হোসেন মানিক এর নেতৃত্বে একদল যুবক ফেসবুকে মিথ্যা কাল্পনিক কথা লিখে গ্রামে অপ প্রচারসহ জমি জমা দখল করার বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে।
গত ৮ জুলাই দিনের প্রায় সাড়ে তিনটায় ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোবারক হোসেন মানিকের হুকুমে শাহীন আলম মামুনসহ ৩০/৪০জন দাঙ্গাবাজ হাতে রাম দা,রড,হকস্টীক লাঠি সোটা নিয়ে একই গ্রামের উওর পাড়ার মৃত মিরণ মিয়ার পুত্র জিলানীর বাড়ি ঘর দোকান পাটে ফিম্মিটাইলে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতিসাধনসহ লুটপাট করার অভিযোগ উঠেছে।
তাদের ফিম্মিটাইলের হামলায় মো: চুনি মিয়া (৭৫),মোছাম্মদ সুলতানা বেগম(৩৫), জুলেখা বেগম(২৪), মো:বাবুল মিয়া(৩২)সহ ৪জন গুরুত্বর অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে মামলা বাদী মো: জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান। এর মধ্যে মো: চুনি মিয়া ও মোছাম্মদ সুলতানা বেগম কুমিল্লা মেডিক্যাল হাসপাতালে আস্কজনক অবস্থায় আছেন।
এই ঘটনায় শাহীন আলম মামুন (৩০), উজ্জল মিয়া (৪০),রমজান (২৫) ,রাসেল(২৫)সহ ১৫জনকে আসামী করে কসবা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। কসবা থানা মামলা নং-১৯। ঘটনার সংবাদ পেয়ে কসবা থানা পুলিশ ব্যাপক তৎপরতা অব্যাহত চালিয়ে ঐদিনই দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রসহ শাহীন আলম মামুন, উজ্জল মিয়া,রমজান ও রাসেলকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতদেরকে ৯ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন। মামলার তদন্ত র্কমর্কতা কসবা থানার এস আই মো:আনোয়ার হোসেন গ্রেফতারের সততা স্বীকার করেন এবং অন্য আসামীদেরকে গ্রেফতারের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন বলে সাংবাদিকদেরকে জানান। ক্ষতিগ্রস্থরা ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক ও হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিকের নির্দেশে লাঠিয়াল শাহীন আলম মামুন,উজ্জল,ফরহাদ,জামাল,সুমন,মশিউর রহমান রাঙ্গা,সমুন মিয়া গংদের কবল থেকে গ্রামের সাধারণ মানুষকে রক্ষা করতে আইনমন্ত্রীর কাছে ন্যায়বিচার দাবী করছেন।
অপর দিকে দায়েরকৃত মামলা তুলে না নিলে মামলার বাদী ও তার পরিবারের সদস্যসহ স্বাক্ষীদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিক সহ তার লোকজন বলে মামলার বাদী জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান।
দিন দুপুরে লাঠিয়ালবাহিনীর দল নেতা শাহীন আলম মামুনসহ তার সঙ্গবদ্ধ দল রাম দা,লৌহার রড,মহকস্টিক নিয়ে প্রকাশ্য হামলাসহ বাড়ি ঘর দোকানপাটে তাগুব চালানোর ঘটনাটি নিন্দাজ্ঞাপন করে গ্রামের সচেতনমহল ন্যায় বিচার দাবী করেছেন আইনমন্ত্রীর কাছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দোকানপাট ভাংঙ্গচোর আহত ৪ গ্রেফতার ৪

themesbazartvsite-01713478536