গোপালগঞ্জের কাশিয়ানিতে ২শ’ বিঘা জমির ফসল রক্ষা করলেন ইউএনও

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানিতে ২শ’ বিঘা জমির ফসল রক্ষা করলেন ইউএনও

দুলাল বিশ্বাস, গোপালগঞ্জ :বাঁধ কেটে জলাবদ্ধতা থেকে ২শ’ বিঘা জমির ফসলকে রক্ষা করলেন কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাব্বির আহমেদ। এতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ওই এলাকার কয়েক শ’ কৃষক ও স্থানীয়রা।
জানা গেছে, কাশিয়ানী-রাহুথড় সড়কের পোনা এলাকায় ব্রিজ নির্মাণ কাজের জন্য বিকল্প রাস্তা হিসেবে ঠিকাদারের লোকেরা একটি বাঁধ নির্মাণ এবং স্থানীয় কিছু লোকেরা ওই এলাকার পানি নিষ্কাশনের সরকারি খালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করে। এতে মুন্সীডাঙ্গার বিল থেকে বৃষ্টির পানি বের হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে গত কয়েকদিনের ভারি বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধ হয়ে ওই এলাকার প্রায় ২শ বিঘা জমির ধান, পাট ও তিল পানিতে ডুবে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হচ্ছিল।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাব্বির আহমেদের নেতৃত্বে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আতিকুল ইসলাম, উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী বাদল চন্দ্র কীর্ত্তনীয়া, বিএডিসি (সেচ) উপ-প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম, ওড়াকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান বদরুল আলম বিটুল, ইউপি সদস্য পিমুলসহ গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে ঠিকাদারের দেয়া বাঁধ কেটে পাইপ বসিয়ে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করেন স্থানীয়রা। এ সময় ওই এলাকার বেশ কয়েকটি অবৈধ বাঁধও কেটে দেয়া হয়। এতে ওই বিলের প্রায় ২শ’ বিঘা জমির ফসল রক্ষা পায়।
কৃষক নবীর শেখ ও শাহজাহান মুন্সী বলেন, ‘পানি চলাচলের পথে বাঁধ নির্মাণ করায় আমাদের কয়েক’ শ বিঘা ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যায়। আমরা কোন উপায় না পেয়ে ইউএনও স্যারের কাছে ছুটে যাই। তিনি কয়েক ঘন্টার মধ্যে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দাঁড়িয়ে থেকে বাঁধ কেটে দিয়ে আমাদের ফসলি জমিকে রক্ষা করেন। এ জন্য আমরা ইউএনও স্যারকে কৃতজ্ঞতা জানাই।’
কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাব্বির আহমেদ বলেন, ‘পোনার মুন্সীডাঙ্গা এলাকার কয়েক শ’ বিঘা ফসলি জমি পানিতে ডুবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে যাচ্ছিল। স্থানীয় কৃষকদের মৌখিক আবেদনের প্রেক্ষিতে সেখানে গিয়ে ব্রিজ নির্মাণ কাজে বিকল্প রাস্তা হিসেবে তৈরী করা বাঁধ কেটে পানি বের করার ব্যবস্থা করি। এ সময় বেশ কয়েকটি অবৈধ বাঁধ ২৪ ঘন্টার মধ্যে অপসারণ করে পানি চলাচল স্বাভাবিক করে দিতে দখলদারদের বলা হয়েছে।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আকলিমা রশীদ ঢালীপিংকী , কসবা প্রতিনিধি,ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে ফেসবুকে লেখা আর রাস্তাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের পরিকল্পিত হামলায় জিলানীর বাড়িঘর দোকানপাট ভাংঙ্গচোর-আহত ৪,ধানায় মামলা গ্রেফতার-৪ সংবাদ পাওয়া যায়।
ঘটনা প্রকাশ,ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে দীর্ঘদিন থেকে দুই পক্ষের মাঝে বিরোধ চলমান রয়েছে বলে গ্রামবাসী জানান। এর জের ধরে একই গ্রামের মোবারক হোসেন মানিকের নেতৃতে সোলেমান মিয়ার পুত্র শাহীন আল মামুন লাঠিয়াল বাহিনীর গ্রামে চরম উওেজনা বিরাজ করছে বলে গ্রামের উওর পাড়ার লোকজন তাও জানান।
মোবারক হোসেন মানিকের জনবল,লাঠি বল,অর্থবলে গ্রামের সাধারণ মানুষকে মানুষ বলে মনে না করে যখন যা মনে চায় তাই করেন বলে ক্ষতিগ্রস্থরা তাও জানান। তাদের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না বলেও জানান। মোবারক হোসেন মানিক এর নেতৃত্বে একদল যুবক ফেসবুকে মিথ্যা কাল্পনিক কথা লিখে গ্রামে অপ প্রচারসহ জমি জমা দখল করার বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে।
গত ৮ জুলাই দিনের প্রায় সাড়ে তিনটায় ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোবারক হোসেন মানিকের হুকুমে শাহীন আলম মামুনসহ ৩০/৪০জন দাঙ্গাবাজ হাতে রাম দা,রড,হকস্টীক লাঠি সোটা নিয়ে একই গ্রামের উওর পাড়ার মৃত মিরণ মিয়ার পুত্র জিলানীর বাড়ি ঘর দোকান পাটে ফিম্মিটাইলে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতিসাধনসহ লুটপাট করার অভিযোগ উঠেছে।
তাদের ফিম্মিটাইলের হামলায় মো: চুনি মিয়া (৭৫),মোছাম্মদ সুলতানা বেগম(৩৫), জুলেখা বেগম(২৪), মো:বাবুল মিয়া(৩২)সহ ৪জন গুরুত্বর অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে মামলা বাদী মো: জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান। এর মধ্যে মো: চুনি মিয়া ও মোছাম্মদ সুলতানা বেগম কুমিল্লা মেডিক্যাল হাসপাতালে আস্কজনক অবস্থায় আছেন।
এই ঘটনায় শাহীন আলম মামুন (৩০), উজ্জল মিয়া (৪০),রমজান (২৫) ,রাসেল(২৫)সহ ১৫জনকে আসামী করে কসবা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। কসবা থানা মামলা নং-১৯। ঘটনার সংবাদ পেয়ে কসবা থানা পুলিশ ব্যাপক তৎপরতা অব্যাহত চালিয়ে ঐদিনই দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রসহ শাহীন আলম মামুন, উজ্জল মিয়া,রমজান ও রাসেলকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতদেরকে ৯ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন। মামলার তদন্ত র্কমর্কতা কসবা থানার এস আই মো:আনোয়ার হোসেন গ্রেফতারের সততা স্বীকার করেন এবং অন্য আসামীদেরকে গ্রেফতারের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন বলে সাংবাদিকদেরকে জানান। ক্ষতিগ্রস্থরা ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক ও হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিকের নির্দেশে লাঠিয়াল শাহীন আলম মামুন,উজ্জল,ফরহাদ,জামাল,সুমন,মশিউর রহমান রাঙ্গা,সমুন মিয়া গংদের কবল থেকে গ্রামের সাধারণ মানুষকে রক্ষা করতে আইনমন্ত্রীর কাছে ন্যায়বিচার দাবী করছেন।
অপর দিকে দায়েরকৃত মামলা তুলে না নিলে মামলার বাদী ও তার পরিবারের সদস্যসহ স্বাক্ষীদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিক সহ তার লোকজন বলে মামলার বাদী জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান।
দিন দুপুরে লাঠিয়ালবাহিনীর দল নেতা শাহীন আলম মামুনসহ তার সঙ্গবদ্ধ দল রাম দা,লৌহার রড,মহকস্টিক নিয়ে প্রকাশ্য হামলাসহ বাড়ি ঘর দোকানপাটে তাগুব চালানোর ঘটনাটি নিন্দাজ্ঞাপন করে গ্রামের সচেতনমহল ন্যায় বিচার দাবী করেছেন আইনমন্ত্রীর কাছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দোকানপাট ভাংঙ্গচোর আহত ৪ গ্রেফতার ৪

themesbazartvsite-01713478536