বাগদা ঘেরর লোনা জলের সাথে বাগদা চাষির চোখের লোনা জল মিশে একাকার, আম্পানে ভেসে গেছে ডুমুরিয়ার শহস্রাধিক বাগদা ঘের।

বাগদা ঘেরর লোনা জলের সাথে বাগদা চাষির চোখের লোনা জল মিশে একাকার, আম্পানে ভেসে গেছে ডুমুরিয়ার শহস্রাধিক বাগদা ঘের।

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া, খুলনা:ডুমুরিয়া উপজেলার বাগদা চাষিদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ডুমুরিয়া উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়নের মধ্যে মৎস্য সেক্টরে ক্ষতিগ্রস্থ ইউনিয়ন ৭টি। ক্ষতিগ্রস্থ ইউনিয়নগুলো হলো শোভনা, শরাফপুর, সাহস, মাগুরখালী, মাগুরাঘোনা,আটলিয়া ও খর্নিয়া। ডুমুরিয়া উপজেলায় সর্বমোট ঘের ভেসে গেছে ১৬৫০ টি যার আয়তন ৬৪৮ হেক্টর। পুকুর ভেসে গেছে ১২০ টি যার আয়তন ৪.৮৫ হেক্টর। ভেটকি, পারশিয়া ও রুই জাতীয় মাছ ভেসে গেছে ২৫০ মে. টন প্রায়। বাগদা চিংড়ি ভেসে গেছে ৩৪৫ মে.টন. প্রায়। এছাড়া ভেটকি, পারশিয়া ও রুই জাতীয় মাছের পোনা ভেসে গেছে ১৫ লক্ষ টি, বাগদা পিএল ভেসে গেছে ২৫ লক্ষ টি, অবকাঠামো গত ক্ষতি ৯৯৫ টি ঘেরের, সর্বমোট ক্ষতি আনুমানিক ২৬ কোটি ৬৫ লক্ষ টাকা প্রায়। শোভনা ইউনিয়নের বাগদা চাষি শংকর মিস্ত্রী জানান তিনি দীর্ঘদিন যাবত বাগদা চাষ করেন। ১.০ হেক্টর ঘেরের মধ্যে এবার তিনি প্রায় ০.৫ হেক্টর ঘের প্রস্তুত করে ২৫ হাজার বাগদা পিএল ও ৫ হাজার পারশিয়া পোনা ছাড়েন এবং বাকী ০.৫ হেক্টরে বাগদা চিংড়ি বিক্রির জন্য রেখে দেন কিন্তু করোনার কারনে দাম কম থাকায় বিক্রি করতে পারেননি। বংশীধর মন্ডল নামে শোভনার অন্য একজন বাগদা চাষি বলেন ৮৮, ৯১ এর সাইক্লোন দেখেছি কিন্তু এমন দেখিনি, নদীর সাথে একাকার হয়ে আমার সব শেষ হয়ে গেছে। আম্পানের জলোচ্ছ্বাসে তার সকল মাছ ভেসে গেছে। সিনিয়র  উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: আবুবকর সিদ্দিক বলেন
বেশির ভাগ ক্ষতি হয়েছে বাগদা ঘেরে জলোচ্ছ্বাস হয়ে। ক্ষতিগ্রস্থ চাষির রিপোর্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠানো হয়েছে।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazartvsite-01713478536