এই প্রতারক মাইক্যাশ ও ওমবাজার মাধ্যমে গ্রাহক থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

এই প্রতারক মাইক্যাশ ও ওমবাজার মাধ্যমে গ্রাহক থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

ক্রাইম প্রতিনিধি:

প্রতারক মাইক্যাশ ও ওমবাজার মাধ্যমে গ্রাহক থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

জানা যায় সারা দেশে এই প্রতারকের একটি চক্র মাইক্যাশ ও ওম বাজার এর ডিলার দিবে বলে গ্রাহকের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে জানা, যা গোয়েন্দা সংস্থার কাছে তথ্য অাসছে।

এই প্রতারকের একজন চট্টগ্রাম নগরী থেকে বিভিন্ন অসহায় লোকদের ঠকিয়ে প্রতারনার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছি,

চট্টগ্রাম পুলিশ প্রশাসন নজর দারিতে নেওয়ার দৃষ্টি গোচর।

অতিস্বত্তর এই প্রতারককে পুলিশকে ধরিয়ে দিন,সে অাগ্রাবাদ এলাকায় অাশপাশ দেখা যায় বলে জানা যায়।

এই ব্যক্তির নাম

মীর অাহমদ

মাইক্যাশ ও ওএমবাজার এমডি এ বিয়য়ে জানালে তিনি বলেন যে, মীর অাহমেদের বিরুদ্ধে মামলা করে দেন,এবং খবর সংগ্রহ পর্যন্ত প্রতারক মীর অাহমেদকে কে তারা বহিষ্কার বা তাদের কাজ থেকে অব্যহতি দেয়া হয়নি,এবিষয়টি যা ভাবিয়ে তুলে,এমডি এর সাথে জড়িত কিনা,এমডির ঘটনার স্বাক্ষী তাদের একাউন্টস পরিচয় দেয়া জাহিদ ও বেলাল ও অাহমুদু তাদের কথায় হুমকি অাসে।অতিসত্বর ভুত্তভোগীরা এসকল কাজ তদন্ত করে অপরাধীর বিচার দাবী করেন।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

ঢাকা থেকেঃ গাজীপুর কালিয়াকৈরে প্রশাসনের পরিচয় দিয়ে একটি চক্র জন সাধারণকে মিথ্যা হয়রানি———
আনিত অভিযোগের সাপেক্ষে সংবাদ মাধ্যম অনুসন্ধানে গেলে এমনি এক পরিবার ও ভুক্তভোগী মোঃ সানােয়ার হোসেন, পিতা । আফাজ উদ্দিন , সাং – ভান্নাড়া, থানা – কালিয়াকৈর , জেলা – গাজীপুর, অভিযোগ করেন যে , প্রায়, ১০ দিন পূর্বে আমার একজন আত্নীয়ের একটি অভিযােগের বিষয়ে স্থানীয় বিচার শালিস হয় । উক্ত বিচার । শালিসটি সুষ্ঠ না হওয়ায়, যদিও শালিসিটি এখনো মৌচাক ইউনিয়ন পরিষদে বিচারাধীন,এক পর্যায় বিবাদী পক্ষ শালিসি টি ইউনিয়ন পরিষদ প্যানেল কে অবমাননা করে উঠে আসে, এবং ঘটনাটির একাধিক মামলা গাজীপুর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তদন্ততদারক রয়েছে। বিবাদী পক্ষ স্থানীয় ও রার্জনৈতি ক্ষমতার ডাপটে বাদীপক্ষ দের দীর্ঘ দিন যাবৎ বিভিন্ন ভাবে মিথ্যাচরণ ও হুমকি প্রধান করে আসতেছে। এক পর্যায় বাদীপক্ষ কোন মিমাংসা না পেয়ে, কোন উপায় না পেয়ে গত ( ১০) দিন আগে আনুমানিক। ভুক্তভোগী মধ্যের এক জন মোঃ সানোয়ার হোসেন সহযোগীতার জন্য উপস্থিত হন স্থানীয় রার্জনৈতিবীদ,বিবাদী ১ । মােঃ আমির হােসেন ( ৪০ ) , পিতা – মৃত হকে , সাং – ভান্নারা,পােড়াচালা , থানা – কালিয়াকৈর , জেলা গাজীপুরের নিকট তিনি ঘটনাটি শুনে একটি আইনি পরামর্শ দেন প্রশাসনিক পরিচয়ে এ এস আই মনির পরিচয়ে কালিয়াকৈর থানাধীন কর্মরত ঐ ব্যক্তির মােবাইল নাম্বার দেয় ( ০১৮৭৭০৩৩৬১৪ ) এবং তিনি বলে দেয় যে , এটি কালিয়াকৈর থানার এসআই মনির সাহেবের ফোন নাম্বার । পরে আমি উক্ত নাম্বারে ফোন করিলে উক্ত নম্বরধারী ব্যক্তিও এসআই মনির পরিচয় দেয় এবং বেশ কিছুদিন পূর্বে উক্ত এসআই মনির পরিচয়ধারী ব্যক্তি আমার চাচা মোয়াজ্জেম মৃধাকে ফোন করিয়া বলে যে , আমাদের নামে । থানায় মামলা আছে এবং মামলাটি নিষ্পত্তির জন্য কিছু টাকা চায় । যদিও আমার চাচা একজন প্রবাসী তিনি ছুটি পেয়ে দেশে বেড়াতে আসেন ,তাকে বলেন তার নামে মামলা হলে আর বিদেশে গমন করিতে পারবেন না। চাচা ভয়ে আতংকিত হয়ে এ এস আই মনিরের কথা শোনেন এবং বিষয়টি ঘোপন রাখতে বললে তিনি গোপন রাখেন।বিষয় টি আমাকে ও জানান না । পরে আমার চাচা সরল বিশ্বাসে উক্ত ব্যক্তিকে তিনবার ২০ , ০০০ / – , ১০ , ০০০ / – এবং ৫ , ০০০ / – টাকা করিয়া উক্ত ব্যক্তির উল্লেখিত নম্বরে বিকাশ করিয়া দেয় । এক সময় ঐ এ এস আই মনির একটি চর্ক্র তৈরি করে মোবাইল ফোনের মার্ধ্যমে বড় অংকের টাকা চাইলে চাচা আমাকে জানান।আমি তখন ঐ এ এস আই মনির এর সাথে দেখা করতে চাই ,তিনি দেখা না করে, মামলা টি মিমাংসা করে দিবে বলে আরু কিছু টাকা চায় যদি না দেই আমাকে সহ ডিবি পুলিশ দিয়ে গ্রেপ্তার করবে বলে ভয় দেখান । আমি কোন উপায় না পেয়ে আমার বিকাশ থেকে আমিও সরল বিশ্বাসে গত ইং ২৭ / ০৯ / ২০১৮ তারিখ বিকাল ৫ . ১৯ ঘটিকার সময় আমার নিজের বিকাশ নম্বর ০১৯৫৭৩০৩৪৮০ হইতে উক্ত বিবাদীর বিকাশ নম্বর ০১৮৭৭০৩৩৬১৪ তে ৮ , ০০০ / – টাকা পাঠাইয়া দেই । আমি উক্ত ব্যক্তির সহিত দেখা করিতে চাহিলে সে বিভিন্ন তালবাহানা মূলক কথাবার্তা বলে । পরে আমার উক্ত ব্যক্তিকে সন্দেহ হইলে আমি আমার সু-পরিচিত মামা, সাংবাদিক ও ঢাকা জেলার জাতীয় শ্রমিকলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ( নৰ নির্বাচিত কমিটি ) এবং বিশ্ব সন্ত্রাস বিরােধী সংগঠন , (বাংলাদেশ অধ্যায়)এর সহ-সভাপতি শেখ তিতুমির কে বিষয়টি অব্যহিত করি তিনি পরে কালিয়াকৈর থানাধীন এ এস আই মনির কে চিনেন তিনি একজন ভাল মানুষ আমাকে অব্যহিত করেন, এবং তিনি আমার নিকট থেকে ঐ চক্রের ভূয়া পুলিশ এ এস আই মনির প্রতারুক এর নাম্বার চান এবং যোগাযোগ করিলে তাহাকে বাজে বাজে কথা বলে এবং হুমকি প্রধান করেন। এবং আমাকে ও নানান ভাবে ভয় দেখাতে থাকেন। আমি মোবাইল ফোনের হুমকি প্রধানের রেকুড়িন ও বিকাশে টাকা নিয়েছে এই ডকুমেন্ট নিয়ে আমার সু-পরিচিত মেম্বার জুয়েল সাহেবের নিকট ইউনিয়ন পরিষদে দেখা করে জানাই। তিনি আমাকে আইনগত ব্যবস্থা নিতে কালিয়াকৈর থানায় যোগাযোগ করতে বলে। আমি তখনি দূত কালিয়াকৈর থানা ওসি তদন্ত মোঃ কাসেম স্যারের নিকট ঘটনার প্রাথমিক বির্বরণ দিলে তিনি অভিযোগ দিতে বলে তার পর ব্যবস্থা নিবেন আমাকে জানান ,তখন আমি একটি অভিযোগ দিলে ওসি তদন্ত মোঃ কাশেম স্যার কালিয়াকৈর থানাধীন মৌচাক পুলিশ ফাঁড়ি এ এস আই জামাল সাহেব কে ঘটনাটি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নিতে বলেন। বর্তমানে বিষয় টি প্রকৃয়াধীন রয়েছে। এসময় মোঃ সানোয়ার হোসেন সংবাদ মাধ্যম কে আরু বলেন এবং মোবাইল ফোনের রেকুড়িন শোনান বিবাদী গণ আগের থেকে হুমকি প্রধান করিয়া আসতেছে এবং আমি থানায় অভিযোগ করিলে ভূয়া পুলিশ নামধারী এ এস আই মনির বিবাদী বিভিন্ন তালবাহানা মূলক কথাবার্তা বলে এবং আমাদেরকে খুন জখমের হুমকি প্রদান করে । বর্তমানেও উক্ত বিবাদী আমাদেরকে প্রকাশ্যে ও মােবাইল ফোনের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের খুন জখমের হুমকি প্রদান করিতেছে । উক্ত বিবাদী প্রতারণার আশ্রয় নিয়া আমাদেরকে উল্লেখিত এসআই মনির পরিচয়ধারী ব্যক্তির ফোন নম্বর দিয়া ও এৰং | উক্ত এসআই মনির পরিচয়ধারী ব্যক্তির সহায়তায় আমাদের নিকট হইতে মােট ৪৩ , ০০০ / – টাকা নিয়াছে এরা খুবই খারাপ প্রকৃতির লোক। সে পরবর্তীতে আমামাকে ও আমার পরিবার পরিজন কে আরাে বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে। এই ব্যাপারে প্রশাসন, সংবাদ মার্ধ্যমের নিকট মানবতার সার্থে বিচার চেয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

নিচে অভিযোগ কপি – এবং গাজীপুর পুলিশ সুপার রের কাছে শালিস টির সু -বিচার পাবার আশায় একটি অভিযোগ রাখেন সেই কপি – ও জুড়িশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভুক্ত ভোগীরা একটি মামলা করে ও নিস্তার পায় নাই। সেই কপি দেয়া হলো।

গাজীপুর কালিয়াকৈরে প্রশাসনের পরিচয় দিয়ে একটি চক্র জন সাধারণকে মিথ্যা হয়রানি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা:পাইকগাছার গদাইপুর সুপারির হাট জমে উঠেছে। উপজেলার স্থানীয় এ সব হাট-বাজারে প্রচুর পরিমাণে সুপারি বিক্রি হচ্ছে। এ বছর সুপারির ফলন খুব বেশি ভাল হয়নি। তবে দাম আশানারূপ। এখন সুপারির ভরা মৌসুম চলছে। ফলে বাগান মালিক খুচরা ও পাইকারী বিক্রেতারা সুপারি ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে ব্যস্ত রয়েছে।
সুপারি বাংলাদেশের একটি অর্থকারী ফসল। সুপারি স্থানীয় সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে দাড়িয়েছে। সুপারি কাঁচা, শুকনা, মজানো-ভিজা পান পাতা দিয়ে মুড়িয়ে খিলি বানিয়ে খাওয়া হয়। সুপারি ছাড়া পানের পূর্ণতার কথা ভাবা যায় না। বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সুপারি ব্যবহার হয়। অনেকের আবার শুধু সুপারি খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে। বিশ্বের মোট জনগোষ্ঠির এক দশমাংশ সুপারি খান। শিশু, নারী ও পুরুষ সুপারি ব্যবহার করেন। তবে পুরুষের মধ্যে সুপারির ব্যবহার বেশী। উল্লেখ্য সুপারির কারণে মুখে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভবনা থাকে বেশি।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানাগেছে, উপজেলায় ৪০ হেক্টর জমিতে সুপারি বাগান রয়েছে। গাছের সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার ৪শতটি। গাছ প্রতি গড়ে ৪শ ৪০টি সুপারির ফলন হয়েছে। প্রায় গাছে ৩ থেকে ৪ কাধি সুপারির ফলন ধরে। কোন কোন গাছে সর্বনি¤œ ৫০ থেকে ১৫০ আবার কোন কোন গাছে ৬ থেকে ৭শ সুপারি ফলন হয়। লবণাক্ত এ উপজেলার ভূমির অবস্থান উচু ও বিলান এবং নিচু ও বিলান জমির পরিমাণ বেশী।
উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার মধ্যে গদাইপুর, হরিঢালী, কপিলমুনি, রাড়–লী সুপারি গাছের পরিমাণ বেশী। চাঁদখালী ও পৌরসভার আংশিক এলাকায় সুপারি গাছ রয়েছে। বাকী ইউনিয়ন গুলোতে গাছ নেই বললেই চলে। সুপারির ভরা মৌসুমে হাট-বাজারে প্রচুর পরিমাণ সুপারি বিক্রি হচ্ছে।
বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা প্রতিদিনের হাটে প্রচুর পরিমাণ সুপারি সরবরাহ করছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বাজার থেকে পাইকারী সুপারি ক্রয় করে এলাকার বাইরে মোকাম গুলোতে বিক্রি করছে। তাছাড়া স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ীরা সুপারি ক্রয় করে গুদামজাত করছে। যা পরে শুকিয়ে বা পানিতে মজিয়ে পরবর্তীতে বিক্রি করা হবে।
গদাইপুর গ্রামের সুপারি বাগান মালিক শফিকুল ইসলাম জানান, এ বছর সুপারির ফলন খুব ভাল হয়েছে এবং বাজার মূল্য ভাল, এতে তিনি খুশি। নতুন করে আরেকটি সুপারি বাগান গড়ে তুলবেন বলে জানান।
স্থানীয় সুপারি ব্যবসায়ী মতিউর রহমান, মোবারক ঢালী, সিরাজুল ইসলাম সহ অন্যান্য ব্যবসায়ীরা জানান, অন্য বছরের তুলনায় এ বছর বাজারে প্রচুর পরিমাণ সুপারি উঠছে। শুরু থেকে সুপারির দাম বেশী থাকলেও এখন ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে কুড়ি বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা স্থানীয় হাট-বাজার থেকে পাইকারী সুপারি থেকে বড়দল, সোলাদানা, শান্তাসহ পাশ্ববর্তী হাট-বাজারের আড়ৎ গুলোতে সুপারি বিক্রয় করে। সুপারির হিসাব অঞ্চল হিসাবে ভিন্ন। এ এলাকায় এক কুড়ি (৫৫গোন্ডা) অর্থাৎ ২২০টি সুপারি। মৌসুমের শুরুতে সুপারির দাম বেশী থাকলে বর্তমানে দাম কমে যাওয়ায় স্থানীয় অনেকেই সুপারি ক্রয় করে মজুদ করতে শুরু করেছে। যা পরবর্তীতে উচ্চ মূল্যে বিক্রয় করবেন বলে মজুদকারীরা জানিয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এএইচএম জাহাঙ্গীর আলম জানান, সুপারি এ অঞ্চলের একটি অর্থকারী গুরুত্বপূর্ণ ফসল। তাছাড়া এ এলাকার সুপারির মানও ভালো। তবে লম্বা সুপারি গাছ গুলো মরে যাওয়ায় অথবা কেঁটে ফেলায় নতুন করে সুপারির বাগান তেমন একটা গড়ে উঠছে না। তাই কৃষি অফিস থেকে নতুন করে সুপারি বাগান তৈরীর জন্য বাগান মালিক ও কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

পাইকগাছার সুপারির হাট জমে উঠেছে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভীড়

“সকলের জন্য উন্নত স্যানিটেশন,নিশ্চিত হোক সুস্থ জীবন, সকলে হাত পরিচ্ছন্ন থাক” এই প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে পঞ্চগড়ে জাতীয় স্যানিটেশন মাস অক্টোবর ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) সকালে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে জেলা প্রশাসন ও জনসাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের আয়োজনে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের করা হয়। র‌্যালীটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পঞ্চগড় সরকারী অডিটোরিয়ামে গিয়ে শেষ হয়।
এতে জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদর্শন কুমার রায়, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়াম্যান আমিরুল ইসলাম, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী নাঈমুল এহশান, পঞ্চগড় পৌর সভার মেয়র মোঃ তৌহিদুল ইসলাম, স্থানীয় এনজিও পরস্পরের নির্বাহী পরিচালক আকতারুন নাহার সাকী,পঞ্চগড় আরডিআরএস প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর অরুন চন্দ্র কির্তনিয়া,আরডিআরএসের সুর্বনা শাহা সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধিরা অংশ নেয়। র‌্যালী শেষে পঞ্চগড় সরকারী অডিটোরিয়াম হলরুমে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

পঞ্চগড়ে জাতীয় স্যানিটেশন বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

themesbazartvsite-01713478536