নির্বাচন নিয়ে কী ভাবছেন বুদ্ধিজীবীরা

নির্বাচন নিয়ে কী ভাবছেন বুদ্ধিজীবীরা

অনলাইন ডেস্ক:নানা শঙ্কা ভোটের মাঠে। ভোটারদের শঙ্কা কেন্দ্রে যেতে পারবেন তো? বিরোধী প্রার্থীদের শঙ্কা-বাঁধাহীনভাবে প্রচারণা চালাতে পারবেন তো? নাকি গত জাতীয় নির্বাচনের মতো তারা পদে পদে বাধাগ্রস্ত হবেন। ভোটার, প্রার্থীর পাশাপাশি দেশের বিশিষ্টজনরা ভাবছেন বিষয়টি নিয়ে। তাদের কেউ বলেছেন, ভোটারদের মধ্যে এক ধরনের ভীতি, অনিচ্ছা তৈরি হয়েছে। কেউ আশা করছেন কেন্দ্রে ভোটাররা যাবেন। আবার কেউ বলেছেন, এই নির্বাচন কমিশন জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারেনি।

এবার ভোটাররা কেন্দ্রে যাবে: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ.আ.ম.স. আরেফিন সিদ্দিক বলেছেন, এবার আশা করি ভোটার’রা ভোট কেন্দ্র যাবে। এ দেশের মানুষ গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। তারা  তাদের অধিকার নিয়ে আগ্রহী। তবে আমি বিএনপির প্রতি আশা রাখবো, তারা যেনো শেষ পর্যন্ত ভোটে লড়াই করে। বিগত নির্বাচনগুলোতে দেখেছি  বিএনপি মাঝপথে এসে  নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়ে যায়। ফলে ভোটার’রা বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। প্রত্যাশা রাখি বিএনপি এই জায়গা থেকে সরে আসবে। এবারের সিটি নির্বাচনে আমার কাছে যা মনে হয়েছে, একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে আগাচ্ছে। ভোটারদের মধ্যে স্বতঃস্ফূর্ততা দেখা যাচ্ছে।

ভোটারদের মধ্যে অনিচ্ছা তৈরি হয়েছে: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, গত জাতীয় নির্বাচনের পরে ভোটারদের মধ্যে এক ধরনের ভীতি, হতাশা, অনিচ্ছা তৈরি হয়েছ। এর পরে আমরা দেখেছি কিছু স্থানীয় নির্বাচন হয়েছে সেখানে ভোটারদের একটা মারাত্বক অনুপস্থিতি দেখতে পেয়েছি। ভোটার’রা তখনই আশ্বাস পায়, যখন দেখে দুই পক্ষের সমান প্রচারনা, মিছিল , সমাবেশের সুযোগ পায়। তখন আমার মনে হয় আস্থা পুরুদ্ধার হতে পারে বা ফিরে আসতে পারে। এবার সিটি নির্বাচনের নতুন সংযোজন ইভিএম। গত নির্বাচনে আমি এমনো ভোটার পেয়েছি যাদের ভোট কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে বলা হয়েছে বিশেষ মার্কায় ভোট দেয়ার জন্য।

যতটুকু জানি, ভোটারদের আঙ্গুলের ছাপ না মিললে ইভিএমের ক্ষেত্রে  ২৫ পার্সেন্ট ভোট দিতে পারে প্রিজাইডিং অফিসার’রা। ইভিএম-এ কারচুপি মুক্ত হবে কিনা এই নিয়ে ভোটরাদের মধ্যে একটা বিরাট অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এসমস্ত অনিশ্চয়তা দূর করতে পারলে ভোটার’রা ভোট কেন্দ্রে যাবে। আমার একটা আশংকা আছে। বিগত পাঁচ বছরের নির্বাচনগুলোতে সরকার কারচুপি করে একটা মডেল তৈরি করেছে। সর্বশেষ ২০১৮ সালে তারা নৈশ নির্বাচন করেছে। আমার আরো একটা আশংকা কাজ করছে, আগামী সাধারন নির্বাচনের আগে সিটি নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করে কারচুপি করার একটা টেষ্ট কেস হিসেবে নেয় কিনা। এটা শুধু আমার আশংকা নয় ,এটা প্রায় অনেক মানুষেরই আশংকা। সরকারি দল থেকে সবসময়ই বলা হয় বিএনপির কোনো জনপ্রিয়তা নেই, জনগনের আস্থা নেই। তাহলে একটা স্বচ্ছ নির্বাচন দিয়ে দেখাক। তাহলে তো বোঝা যাবে।

জনগণের আস্থা ফিরানোর জন্য এটাই তাদের শেষ সুযোগ: লেখক ও গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেছেন, এই নির্বাচন কমিশনের আন্ডারে বেশ কয়েকটা নির্বাচন হয়েছে। কিন্তু কোনো নির্বাচনে জনগণ বা বিরোধী প্রার্থীদের তারা আস্থা অর্জন করতে পারেনি। বিশেষ করে প্রশাসনও তারা তাদের আস্থা অর্জন করতে পারেনি। যার কারনে জনগণ ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার ইচ্ছে হারিয়ে ফেলছে। সেই জায়গা থেকে সরে  আসতে চাইলে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিরপেক্ষ কাজ করতে হবে।আমি মনে করি, নির্বাচন কমিশন যদি তারা তাদের সংবিধানিক দায়িত্ব পালন করে তাহলে এধরনের কোনো পরিস্থিতি তৈরি হবে না। জনগণের আস্থা ফিরানোর জন্য এটাই তাদের শেষ সুযোগ।

প্রশ্ন কেনো উঠছে সেটিই আমার প্রশ্ন: অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন ৮১ সালে স্বদেশে ফিরলেন তখন তিনি বলেছিলেন, মানুষকে তিনি ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিবেন। এছাড়াও তিনি অনেক অঙ্গিকার করেছেন। সব অঙ্গিকারই তিনি রেখেছেন। কিন্তু ভোটের অধিকারটা তিনি ফিরিয়ে দিতে পারেননি। এটা খুব দুঃখজনক। গত জাতীয় নির্বাচন নিয়েও প্রশ্ন ওঠেছে। প্রশ্ন কেনো উঠলো সেটিই আমার প্রশ্ন। কারণ প্রধানমন্ত্রী সবসময়ই বলেছেন তিনি প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন চান না। কিন্তু গত কয়েকটি নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ ছিলো। যার ফলে ভোটাররা তাদের ভোট প্রয়োগ করার আগ্রহ হারিয়েছে। এখন নির্বাচন হলেও ভোট দিতে যেতে চায় না সাধারন ভোটার’রা। তাহলে কি দাঁড়ালো সঠিক গণতন্ত্র চর্চাটা কিন্তু হচ্ছে না। এর দায় কোনো ভাবে নির্বাচন কমিশন এড়াতে পারে না। একটি নির্বাচন কমিশন যদি তার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে তাহলে এমন কোনো প্রশ্ন ওঠতো না। কারন নির্বাচন কমিশন শতভাগ স্বাধীন। এখন নির্বাচন কমিশনই পারে ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে নিয়ে যেতে।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

আকলিমা রশীদ ঢালীপিংকী , কসবা প্রতিনিধি,ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে ফেসবুকে লেখা আর রাস্তাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের পরিকল্পিত হামলায় জিলানীর বাড়িঘর দোকানপাট ভাংঙ্গচোর-আহত ৪,ধানায় মামলা গ্রেফতার-৪ সংবাদ পাওয়া যায়।
ঘটনা প্রকাশ,ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে দীর্ঘদিন থেকে দুই পক্ষের মাঝে বিরোধ চলমান রয়েছে বলে গ্রামবাসী জানান। এর জের ধরে একই গ্রামের মোবারক হোসেন মানিকের নেতৃতে সোলেমান মিয়ার পুত্র শাহীন আল মামুন লাঠিয়াল বাহিনীর গ্রামে চরম উওেজনা বিরাজ করছে বলে গ্রামের উওর পাড়ার লোকজন তাও জানান।
মোবারক হোসেন মানিকের জনবল,লাঠি বল,অর্থবলে গ্রামের সাধারণ মানুষকে মানুষ বলে মনে না করে যখন যা মনে চায় তাই করেন বলে ক্ষতিগ্রস্থরা তাও জানান। তাদের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না বলেও জানান। মোবারক হোসেন মানিক এর নেতৃত্বে একদল যুবক ফেসবুকে মিথ্যা কাল্পনিক কথা লিখে গ্রামে অপ প্রচারসহ জমি জমা দখল করার বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে।
গত ৮ জুলাই দিনের প্রায় সাড়ে তিনটায় ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোবারক হোসেন মানিকের হুকুমে শাহীন আলম মামুনসহ ৩০/৪০জন দাঙ্গাবাজ হাতে রাম দা,রড,হকস্টীক লাঠি সোটা নিয়ে একই গ্রামের উওর পাড়ার মৃত মিরণ মিয়ার পুত্র জিলানীর বাড়ি ঘর দোকান পাটে ফিম্মিটাইলে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতিসাধনসহ লুটপাট করার অভিযোগ উঠেছে।
তাদের ফিম্মিটাইলের হামলায় মো: চুনি মিয়া (৭৫),মোছাম্মদ সুলতানা বেগম(৩৫), জুলেখা বেগম(২৪), মো:বাবুল মিয়া(৩২)সহ ৪জন গুরুত্বর অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে মামলা বাদী মো: জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান। এর মধ্যে মো: চুনি মিয়া ও মোছাম্মদ সুলতানা বেগম কুমিল্লা মেডিক্যাল হাসপাতালে আস্কজনক অবস্থায় আছেন।
এই ঘটনায় শাহীন আলম মামুন (৩০), উজ্জল মিয়া (৪০),রমজান (২৫) ,রাসেল(২৫)সহ ১৫জনকে আসামী করে কসবা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। কসবা থানা মামলা নং-১৯। ঘটনার সংবাদ পেয়ে কসবা থানা পুলিশ ব্যাপক তৎপরতা অব্যাহত চালিয়ে ঐদিনই দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রসহ শাহীন আলম মামুন, উজ্জল মিয়া,রমজান ও রাসেলকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতদেরকে ৯ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন। মামলার তদন্ত র্কমর্কতা কসবা থানার এস আই মো:আনোয়ার হোসেন গ্রেফতারের সততা স্বীকার করেন এবং অন্য আসামীদেরকে গ্রেফতারের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন বলে সাংবাদিকদেরকে জানান। ক্ষতিগ্রস্থরা ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক ও হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিকের নির্দেশে লাঠিয়াল শাহীন আলম মামুন,উজ্জল,ফরহাদ,জামাল,সুমন,মশিউর রহমান রাঙ্গা,সমুন মিয়া গংদের কবল থেকে গ্রামের সাধারণ মানুষকে রক্ষা করতে আইনমন্ত্রীর কাছে ন্যায়বিচার দাবী করছেন।
অপর দিকে দায়েরকৃত মামলা তুলে না নিলে মামলার বাদী ও তার পরিবারের সদস্যসহ স্বাক্ষীদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিক সহ তার লোকজন বলে মামলার বাদী জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান।
দিন দুপুরে লাঠিয়ালবাহিনীর দল নেতা শাহীন আলম মামুনসহ তার সঙ্গবদ্ধ দল রাম দা,লৌহার রড,মহকস্টিক নিয়ে প্রকাশ্য হামলাসহ বাড়ি ঘর দোকানপাটে তাগুব চালানোর ঘটনাটি নিন্দাজ্ঞাপন করে গ্রামের সচেতনমহল ন্যায় বিচার দাবী করেছেন আইনমন্ত্রীর কাছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দোকানপাট ভাংঙ্গচোর আহত ৪ গ্রেফতার ৪

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আকলিমা রশীদ ঢালীপিংকী , কসবা প্রতিনিধি,ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে ফেসবুকে লেখা আর রাস্তাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের পরিকল্পিত হামলায় জিলানীর বাড়িঘর দোকানপাট ভাংঙ্গচোর-আহত ৪,ধানায় মামলা গ্রেফতার-৪ সংবাদ পাওয়া যায়।
ঘটনা প্রকাশ,ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে দীর্ঘদিন থেকে দুই পক্ষের মাঝে বিরোধ চলমান রয়েছে বলে গ্রামবাসী জানান। এর জের ধরে একই গ্রামের মোবারক হোসেন মানিকের নেতৃতে সোলেমান মিয়ার পুত্র শাহীন আল মামুন লাঠিয়াল বাহিনীর গ্রামে চরম উওেজনা বিরাজ করছে বলে গ্রামের উওর পাড়ার লোকজন তাও জানান।
মোবারক হোসেন মানিকের জনবল,লাঠি বল,অর্থবলে গ্রামের সাধারণ মানুষকে মানুষ বলে মনে না করে যখন যা মনে চায় তাই করেন বলে ক্ষতিগ্রস্থরা তাও জানান। তাদের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না বলেও জানান। মোবারক হোসেন মানিক এর নেতৃত্বে একদল যুবক ফেসবুকে মিথ্যা কাল্পনিক কথা লিখে গ্রামে অপ প্রচারসহ জমি জমা দখল করার বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে।
গত ৮ জুলাই দিনের প্রায় সাড়ে তিনটায় ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোবারক হোসেন মানিকের হুকুমে শাহীন আলম মামুনসহ ৩০/৪০জন দাঙ্গাবাজ হাতে রাম দা,রড,হকস্টীক লাঠি সোটা নিয়ে একই গ্রামের উওর পাড়ার মৃত মিরণ মিয়ার পুত্র জিলানীর বাড়ি ঘর দোকান পাটে ফিম্মিটাইলে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতিসাধনসহ লুটপাট করার অভিযোগ উঠেছে।
তাদের ফিম্মিটাইলের হামলায় মো: চুনি মিয়া (৭৫),মোছাম্মদ সুলতানা বেগম(৩৫), জুলেখা বেগম(২৪), মো:বাবুল মিয়া(৩২)সহ ৪জন গুরুত্বর অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে মামলা বাদী মো: জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান। এর মধ্যে মো: চুনি মিয়া ও মোছাম্মদ সুলতানা বেগম কুমিল্লা মেডিক্যাল হাসপাতালে আস্কজনক অবস্থায় আছেন।
এই ঘটনায় শাহীন আলম মামুন (৩০), উজ্জল মিয়া (৪০),রমজান (২৫) ,রাসেল(২৫)সহ ১৫জনকে আসামী করে কসবা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। কসবা থানা মামলা নং-১৯। ঘটনার সংবাদ পেয়ে কসবা থানা পুলিশ ব্যাপক তৎপরতা অব্যাহত চালিয়ে ঐদিনই দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রসহ শাহীন আলম মামুন, উজ্জল মিয়া,রমজান ও রাসেলকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতদেরকে ৯ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন। মামলার তদন্ত র্কমর্কতা কসবা থানার এস আই মো:আনোয়ার হোসেন গ্রেফতারের সততা স্বীকার করেন এবং অন্য আসামীদেরকে গ্রেফতারের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন বলে সাংবাদিকদেরকে জানান। ক্ষতিগ্রস্থরা ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক ও হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিকের নির্দেশে লাঠিয়াল শাহীন আলম মামুন,উজ্জল,ফরহাদ,জামাল,সুমন,মশিউর রহমান রাঙ্গা,সমুন মিয়া গংদের কবল থেকে গ্রামের সাধারণ মানুষকে রক্ষা করতে আইনমন্ত্রীর কাছে ন্যায়বিচার দাবী করছেন।
অপর দিকে দায়েরকৃত মামলা তুলে না নিলে মামলার বাদী ও তার পরিবারের সদস্যসহ স্বাক্ষীদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিক সহ তার লোকজন বলে মামলার বাদী জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান।
দিন দুপুরে লাঠিয়ালবাহিনীর দল নেতা শাহীন আলম মামুনসহ তার সঙ্গবদ্ধ দল রাম দা,লৌহার রড,মহকস্টিক নিয়ে প্রকাশ্য হামলাসহ বাড়ি ঘর দোকানপাটে তাগুব চালানোর ঘটনাটি নিন্দাজ্ঞাপন করে গ্রামের সচেতনমহল ন্যায় বিচার দাবী করেছেন আইনমন্ত্রীর কাছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দোকানপাট ভাংঙ্গচোর আহত ৪ গ্রেফতার ৪

themesbazartvsite-01713478536