ভিপি নুর ও তারেক স্ক্রিনশট ভাইরাল!

ভিপি নুর ও তারেক স্ক্রিনশট ভাইরাল!

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমান , নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আসিফ নজরুল নামে আইডি থেকে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ চ্যাটের কিছু স্ক্রিনশট ভাইরাল হয়েছে।

বলা হচ্ছে, এই কথোপকথন ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুরের সঙ্গে হয়েছে। তবে এটি আসলেই তাদের কথোপকথন কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এই স্ক্রিনশট নিয়ে খবর প্রকাশ হয়েছে। এমন অবস্থায় অনেকে প্রশ্ন করেছে এটি কি ঐ চারজনের কথোপকথন?

হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট গ্রুপটির নাম ইংরেজিতে লিখা হয়েছে ‘team4’। নামের নিচে আসিফ, মান্না ও তারেক দেখা যাচ্ছে।

স্ক্রিনশটে দেখা যায়- তারেক নামের আইডি থেকে লেখা হয়েছে, ‘নুর আন্দোলন তো জমলো না।’

উত্তরে নুর নামের আইডি থেকে লেখা হয়েছে, ‘স্যার সব চেষ্টা তো হলো।’

এরপর তারেক নামের আইডি থেকে লেখা হয়, ‘আরও প্ল্যান করে করা উচিত সব। আমি আগেও বলেছি, লাশের বিকল্প নাই। যেকোনো উপায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে উত্তপ্ত করতে হবে। সকল নির্দেশনাই দেয়া হয়েছিল।’

এরপর আসিফ নামের আইডি থেকে লেখা হয়, ‘কামাল স্যারের সাথে তো বসা যায়।’

উত্তরে তারেক নামের আইডি থেকে লেখা হয়, ‘নো, ভ্যালুলেস।’

এরপর মান্না নামের আইডি থেকে লেখা হয়, বাম ছাত্রসংগঠনগুলোর কী অবস্থা নুর? নুর নামের আইডি থেকে লেখা হয়, আমাদের সাথে আছে স্যার।

মান্না নামের আইডি থেকে নির্দেশনা আসে, ‘কাজে লাগাও।’ নুর নামের আইডি থেকে তখন ছুরি হাতে শিবির নেতা বলে পরিচিত যুবক সালেহ উদ্দিন সিফাতের ছবি দেয়া হয়।’

ছবি দেখে মান্না নামের আইডি থেকে লেখা হয়, ‘ওদের কাজই এগুলো করা। এখন সত্য কিছু দিলেও পাবলিক আর বিশ্বাস করে না ওদের।’

এরপর নুর নামের আইডি থেকে লেখা হয়, ‘মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের মামুনদের ধরা না হলে আন্দোলন জমতো। আর ফারাবিও সুস্থ হয়ে গেল।’

তখন তারেক নামের আইডি থেকে লেখা হয়, ‘টক টু নিউ জেসিডি কমিটি, ডু সামথিং ইন প্রোপার ওয়ে।’

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

 সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আতাউর রহমানের নামে থাকা বয়স্ক ভাতার কার্ডটি বাতিল করেছে উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর। ওই কার্ডটি একজন প্রকৃত দুস্থের নামে করে দেওয়ার পাশাপাশি গত এক বছরে ওই কার্ডের বিপরীতে তোলা ভাতার টাকাও ইউপি সদস্যের থেকে ফেরত নিয়ে দুস্থকে প্রদান করা হয়েছে।
ইউপি সদস্য মোঃ আতাউর রহমান অনিয়ম করে নিজের নামে ২০১৯-২০২০ ইং অর্থবছরের বয়স্ক ভাতা কার্ড ইস্যু করে এক বছর ধরে ভাতা উত্তোলন করে আসছিলেন। এ নিয়ে সাংবাদিক শাহজাহান আলী মনন ও জাকির হোসেন বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টাল সহ দৈনিক পত্রিকায় “সৈয়দপুরে রানিং ইউপি মেম্বার পাচ্ছেন বয়স্কভাতা” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে। এর প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সত্যতা পেয়ে সৈয়দপুর উপজেলা সমাজসেবা অফিসের দূর্নীতিবাজ ইউনিয়ন সমাজকর্মী মোঃ শাহজাহান কে কারন দর্শানোর নোটিশ প্রদান করে। পরে
গত ১৬ আগষ্ট বোববার বিকেলে উপজেলা পরিষদে কামারপুকুর ইউপির বাসিন্দা দিনমজুর মোঃ আবদুর রহমানের হাতে ওই বয়স্ক ভাতার কার্ড তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ নাসিম আহমেদ। এ সময় উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা হাওয়া খাতুন উপস্থিত ছিলেন।
সমাজসেবা কর্মকর্তা হাওয়া খাতুন বলেন, তদন্ত করে ওই ইউপি সদস্যের নামে বরাদ্দ করা বয়স্ক ভাতার কার্ড ইস্যু ও টাকা উত্তোলনের সত্যতা মিলেছে। তারপর পরই সেই কার্ড বাতিল করে উত্তোলিত টাকাসহ একজন প্রকৃত দুস্থের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন সমাজকর্মী ও সেই ইউপি সদস্যের কাছে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ নাসিম আহমেদ বলেন, বয়স্ক ভাতার কার্ড দুস্থ বয়স্করা পাবেন এটা স্বাভাবিক। কিন্তু ইউনিয়ন মেম্বার পাচ্ছেন তা জানার পর পরই সাথে সাথে তা বাতিল করে দুস্থদের দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, ইতোপূর্বে সৈয়দপুর উপজেলা সমাজসেবা অফিসের অপর কর্মচারী পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত মোঃ টুটুলের সাথে যোগ সাজশে পৌর মহিলা কাউন্সিলর কনিকা রানী কর্তৃক মৃত ব্যাক্তিকে জীবিত দেখিয়ে ভাতা উত্তোলনের সংবাদ প্রকাশ করে উক্ত দুই সাংবাদিক। এ ঘটনায় পৌর পরিষদের এক জরুরি সভায় তদন্ত কমিটি গঠন করেন পৌর মেয়র অধ্যক্ষ মোঃ আমজাদ হোসেন সরকার। কিন্তু আজও সে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ বা অনিয়মের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

ফলোআপঃ সৈয়দপুরের সেই ইউপি সদস্যের নামে বয়স্ক ভাতার কার্ড বাতিল করে দুস্থকে প্রদান

j

সৈয়দপুর :নীলফামারীর সৈয়দপুরে থানা বিএনপির সদস্য ত্যাগী ও নিবেদিত প্রান নেতা মরহুম আব্দুল রহিম সরকারের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৬ আগস্ট রোববার সন্ধ্যায় বাদ মাগরিব শহরের শহীদ ডাঃ জিকরুল হক রোডস্থ জেলা বিএনপি অফিসে এর আয়োজন করা হয়।

 

সৈয়দপুর থানা বিএনপির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করনে থানা বিএনপির আহবায়ক ও কামারপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ রেজাউল করিম লোকমান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও মরহুম আব্দুল রহিম সরকারের ভাই অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুল গফুর সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভা মেয়র ও সাবেক এমপি এবং জেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মোঃ আমজাদ হোসেন সরকার, পৌর প্যানেল মেয়র-১ ও বিএনপি নেতা জিয়াউল হক, ৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শাহিন আখতার৷

দোয়া মাহফিলে সৈয়দপুর থানা, পৌর ও জেলা বিএনপির নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সৈয়দপুরে বিএনপি নেতা আব্দুল রহিম সরকারের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

নিউজ ২৬ ॥ নীলফামারীর সৈয়দপুরে উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করে অপপ্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ও সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি দিলনেওয়াজ খান। ১৬ আগস্ট রোববার সকাল ১১ টায় স্থানীয় রেলওয়ে মূর্তজা মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন যুবলীগ আহবায়ক। এসময় বক্তব্য রাখেন সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: মোখছেদুল মোমিন, পৌর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক, পৌর আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জোবায়দুর রহমান শাহীন।
অন্যান্যের মধ্যে পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক মোস্তফা ফিরোজ, যুগ্ম আহবায়ক আসাদুল ইসলাম আসাদ, পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ মোহন, বোতলাগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আল হেলাল চৌধুরী, বোতলাগাড়ী ইউনিয়ন আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাফিজ হাপ্পু, যুবলীগ নেতা গুলজার আহমেদ, সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহবায়ক ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সৈয়দপুর কলেজের ভিপি আব্দুস সবুর, সহ-সভাপতি সুমন মো: আরিফুর আনোয়ার, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রোবায়েত মিন্টু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী নজরুল ইসলাম রয়েল সহ যুবলীগ, ছাত্রলীগের বর্তমান ও সাবেক অন্যান্য নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

লিখিত বক্তব্যে দিলনেওয়াজ খান বলেন, আমি বিগত ২৪ বছর যাবত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (স্থানীয় ও কেন্দ্রীয়) কমিটি, যুবলীগের উপজেলা আহবায়ক সহ আওয়ামীলীগের সাথে সম্পৃক্ত থেকে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত প্রতিটি কর্মসূচীতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সফল করার লক্ষে অংশগ্রহণ করেছি। কিন্তু পরিতাপের বিষয় সৈয়দপুর আওয়ামী পরিবারের কয়েকজন স্বার্থান্বেষী নেতা-কর্মী প্রতিনিয়ত আমাকে “রাজাকারের সন্তান” আখ্যায়িত করাসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে আমার পিতাকে জড়িয়ে পার্বতীপুর ও সৈয়দপুরে শত শত হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগের মিথ্যে নোংরা অভিযোগ এনে আমার মরহুম পিতার সম্মান নষ্ট করার হীন খেলায় মেতেছে। এই নোংরা ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে গত ৮ জুন ২০২০ ইং তারিখে সৈয়দপুর উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মহসিনুল হক মহসিন দলীয় প্যাডে লিখিতভাবে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক বরবার অভিযোগ প্রেরণ করেছেন এবং গত ১১ আগস্ট ‘দৈনিক তৃতীয় মাত্রা’ পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে তার নিজস্ব ভিডিও সাক্ষাৎকার সহ সংবাদ প্রকাশ করে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করেছেন। যা সামাজিক ও পারিবারিক এবং রাজনৈতিকভাবে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে মনগড়াভাবে করা হয়েছে। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলতে চাই জাতীয় ও স্থানীয়ভাবে প্রকাশিত রাজাকারের তালিকায় কোথায়ও আমার বাবার নাম উল্লেখ নেই।

 

 

জাতীয়ভাবে প্রকাশিত রাজাকার তালিকার ( সৈয়দপুর অংশে ক্রমিক নং ২০ ও ৭০) এবং স্থানীয়ভাবে প্রকাশিত তালিকায় (ক্রমিক নং ১৯) এ নাইম উদ্দিন কাজী, পিতা- সালিম উদ্দিন এর নাম অন্তর্ভূক্ত। উক্ত রাজাকারের নামের সাথে আমার পিতা মো: নাইম খান এর নাম মিলিয়ে কলঙ্কিত করার অপচেষ্টা করছেন। যা ইতোপূর্বেও ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের মত ষড়যন্ত্র।
এ ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই সম্প্রতি নতুন করে ১৯৭১ সালে সৈয়দপুরে সংঘটিত ৪৫০ জন হিন্দু মারোয়ারী গণহত্যা (ট্রেন ট্রাজেডি) ঘটনার সাথে আমার পিতাকে জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি দায়িত্ব নিয়ে দৃঢ়তার সাথে বলতে পারি আমার বাবা কোন সময়ই কোন ভাবেই যুদ্ধাপরাধী কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলেন না। তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা তা মিথ্যা, বানোয়াট, কাল্পনিক, ষড়যন্ত্রমূলক ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত।

 

 

মহসিনুল হক মহসিন অভিযোগ তুলেছেন যে, দলীয় প্রভাব খাটিয়ে আমি প্রশাসনকে ম্যানেজ করে রেলওয়ে কোয়াটার দখল, চাঁদাবাজী, টেন্ডারবাজী, মাদক ব্যবসা সহ মাদক কারবারীদের গডফাদার হিসেবে অনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। এমনকি পার্বতীপুরে মাদকসহ মোটর সাইকেল ধরা পড়া ও এ ঘটনায় মামলা হওয়ার মত কল্পকাহিনীও উপস্থাপন করেছেন। তিনি অসুস্থ মস্তিস্কে এমন মন্তব্য করেছেন বলেই আমি মনে করি। তা না হলে তিনি কিভাবে তার হাত ধরে যুবলীগে আসা আবু বিন শাওন এর ব্যাপারে আমাকে জড়ান। বরং আমরা সবসময় মাদকসহ সকল প্রকার অপকর্মের বিপক্ষে। তাই কেন্দ্রের নির্দেশে শাওন কে বহিস্কার করেছি।

 

মারোয়ারী ব্যবসায়ী অমিত কুমার আগারওয়ালার সাথে সুজিত রায়ের জমি জমা সংক্রান্ত মামলার বিষয়েও মিথ্যেচার করে তিনি (মহসিনুল হক মহসিন) অমিত কুমারের বাড়ি দখলের অভিযোগ তুলেছেন। অথচ করোনাকালে ওই অমিত কুমারের সাথে ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা ত্রাণ বিতরণ করাসহ বিভিন্ন কাজ করেছি। যদি উপরোক্ত অভিযোগ সত্য হতো তাহলে কী অমিত কুমার আমার সাথে একত্রে কোন কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করতো?
তিনি অভিযোগ করেছেন যে, যুবলীগের সাবেক চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীকে মোটা অংকের টাকা প্রদান করে সৈয়দপুরের যুবলীগের আহ্বায়ক পদ আমি দখল করেছি। তিনি ইতোপূর্বে ছাত্রলীগের সভাপতি পদের ব্যাপারেও এমন অভিযোগ এনেছেন। মূলত: এগুলো তার যুবলীগের পদ হারানোর পর হতে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপপ্রচারের অংশমাত্র। যা সম্পূর্ণরুপে কাল্পনিক। বরং আমি আমার দক্ষতা, নিষ্ঠা, এবং আদর্শের কারনে ছাত্রলীগের সভাপতি ও যুবলীগের আহবায়ক হতে পেরেছি।
তিনিই মূলত একই সাথে জেলা তাঁতীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ ধরে আছেন। অথচ তিনি জাতীয় পার্টির রাজনীতি করতেন। ১৯৯৮ সালে পৌর নির্বাচনে আ’লীগের মেয়র প্রার্থী মোজাম্মেল হককে পরাজিত করতে বিএনপি প্রার্থীর সাথে আতাত করেছিলেন। তিনি জেলা যুবলীগের সভাপতি থাকাকালীন শহরের নতুন বাবুপাড়ায় লিচু বাগান এলাকায় সাবেক সেনা সদস্যের নামে বরাদ্দকৃত জমি জোড় দখল পূর্বক সেখানে বাড়ি নির্মাণ করে বাড়ায় দিয়েছেন। যার একটিতে তার দ্বিতীয় স্ত্রী যিনি ইতোপূর্বে একজন রিক্সা চালকের স্ত্রী ছিলেন। যাকে তিনি বিচার শালিস করতে গিয়ে নিজেই বিয়ে করেছন। সেই স্ত্রী পূর্বের স্বামীর সন্তানসহ বাস করেছেন। তাছাড়া তিনি রোটারী স্কুল ও চক্ষু হাসপাতালের ৮/৯ শতক (খাস জমি) জায়গা দখল করে বিক্রি করেছেন। এসময় বাধা দেয়ায় ম্যানেজিং কমিটিকে লাঞ্চিত করেছেন। এসবই তিনি করেছেন দলীয় প্রভাব খাটিয়ে এবং শহীদ পরিবারের সন্তান নাম ভাঙ্গিয়ে।
মূলত; আমি উর্দূভাষী বলেই কী এভাবে বার বার মিথ্যেচারের মাধ্যমে হেয় করা হচ্ছে। আমার সাথে রাজনৈতিক ও আদর্শিকভাবে পেরে না উঠে বরাবরই তারা অনৈতিকভাবে নোংরামোর আশ্রয় নিচ্ছে। এতে করে দীর্ঘ প্রচেষ্টায় আমার মাধ্যমে উর্দূভাষী জনগোষ্ঠীর যে বৃহদাংশ আ’লীগের পক্ষে ভোট প্রদানে সক্রীয় হয়েছিল তাদেরকে অন্যত্র ভোট প্রদানে কনভার্ট করার ষড়যন্ত্রই করা হচ্ছে।
দীর্ঘ ২৪ বছর আমি ও আমার পরিবার আ’লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। শুধুমাত্র দেশ, মাটি ও আ’লীগ তথা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি ভালোবাসাই কী আমার অপরাধ। যদি এটা অপরাধ হয়ে থাকে তাহলে আমি আজীবন এ অপরাধ করে যেতে চাই অর্থাৎ আ’লীগের রাজনীতি করে যাবো।
উল্লেখ্য. দিলনেওয়াজ খান তার লিখিত বক্তব্যের সাথে সৈয়দপুর উপজেলা আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক মহসিনুল হক মহিসন কর্তৃক যুবলীগের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর প্রেরিত অভিযোগ, দৈনিক তৃতীয় মাত্রার অনলাইন ভার্সনে প্রকাশিত সংবাদ (যা ফেসবুকে প্রচারিত), দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার রাজাকারের তালিকা, জাতীয়ভাবে প্রকাশিত রাজাকারের তালিকা, তাঁর বাবা নাইম খানের পার্সপোর্ট, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি থাকাকালীন ৫১ সদস্য বিশিষ্ট সৈয়দপুর উপজেলা ছাত্রলীগের পূর্নাঙ্গ কমিটির তালিকা, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ কর্তৃক প্রদেয় সদস্য পদ লাভের প্রত্যয়নের অনুলিপি সংযুক্ত করেন।

সৈয়দপুরে আ’লীগ সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগে যুবলীগ আহবায়কের সংবাদ সম্মেলন

 

নীলফামারী সৈয়দপুরে রেলওয়ে শ্রমিক লীগ কারখানা শাখার উদ্যোগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫ শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে কোরআন খানী, আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রেলওয়ে শ্রমিকলীগ কারখানার শাখা কার্যালয়ে আয়োজিত এ কর্মসূচীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ও রেলওয়ে শ্রমিকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা মো: মোখছেদুল মোমিন। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি নুরুল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত সহ সাধারণ সম্পাদক সালেহ উদ্দিনসহ রেলওয়ে শ্রমিক লীগের কারখানা শাখা ও ওপেন লাইন শাখার নেতাকর্মীবৃন্দ।

সৈয়দপুরে রেলওয়ে শ্রমিক লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন

 

নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচী পালিত হয়েছে। সকাল ৯ টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে নির্মিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: নাসিম আহমেদ।

প্রধান অতিথি ছিলেন নীলফামারী জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য রাবেয়া আলীম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো: মোখছেদুল মোমিন, ভাইস চেয়ারম্যান আজমল হোসেন সরকার, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সানজিদা বেগম লাকী, উপেজলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আখতার হোসেন বাদল, সাধারণ সম্পাদক মহসিনুল হক মহসিন, সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আবুল হাসনাত খান, পৌর আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুল ইসলাম বাবু, সাধারন সম্পাদক মোজাম্মেল হক, বণিক সমিতির সভাপতি ইদ্রিস আলী প্রমুখ।

সৈয়দপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বুলবুল আহমেদ নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের মালগুদাম এলাকা থেকে সিএনজি সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক জব্দ করেছেন আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার। সান্তাহার পৌর শহরের উম্মুক্ত জায়গায় ঝুকিঁপূর্ন ভাবে পাইপের মাধ্যমে গ্যাস কেনাবেচা হচ্ছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্লাহ বিন রশিদ সোমবার ভোরে সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় অবৈধ ভাবে গ্যাস বিক্রির সাথে জড়িত ব্যক্তিরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়।
অবৈধ ভাবে গ্যাস বিক্রি বন্ধের জন্য গত ৫ সেপ্টেম্বর আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সান্তাহার মালগুদাম এলাকার ব্যবসায়ি ও পরিবহন শ্রমিক সংগঠন। অভিযোগে জানা যায়, সান্তাহার পৌর এলাকার মিজানুর রহমান দীর্ঘ দিন ধরে গভীর রাতে ট্রাকে সিলিন্ডার রেখে বিভিন্ন যানবাহনে অবৈধ ভাবে গ্যাস বিক্রি করে আসছেন। বগুড়ার সিএনজি ষ্টেশন থেকে ট্রাকে করে গ্যাস সিলিন্ডার আনা হয়। একটি ট্রাকে বড় আকারের ২০ থেকে ৩০ টি সিলিন্ডার থাকে। শহর মানুষ শুন্য হলে গভীর রাতে ট্রাকের সিলিন্ডার থেকে পাইপের মাধ্যমে সিএনজি, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাসসহ অন্যান্য যানবাহনে গ্যাস বিক্রি হয়। দুরত্ব ও খরচ এড়াতে যানবাহনের মালিকরা ট্রাক থেকে গ্যাস সংগ্রহ করে থাকেন। সান্তাহার শহরের ব্যবসায়ি ও পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের অভিযোগের ভিত্তিতে আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্লাহ বিন রশিদ সোমবার ভোরে অভিযান পরিচালনা করে ১২টি গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার সহ একটি ট্রাক জব্দ করেন। এ ব্যাপারে আদমদীঘি ইউএনও আবদুল্লাহ বিন রশিদ জানান, ট্রাকসহ সিলিন্ডার থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি বগুড়া পরিবেশ অধিদপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে।

বগুড়ার সান্তাহারে গ্যাস সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক জব্দ করলেন ইউএনও

themesbazartvsite-01713478536