আশা-নিরাশার দোলাচলে বিদায়ী বছরের অর্থনীতি

আশা-নিরাশার দোলাচলে বিদায়ী বছরের অর্থনীতি

২০১৯ সালটি শেষ হচ্ছে দুটো ভালো খবর দিয়ে। প্রথমটি হচ্ছে ‘জিডিপি’ সম্পর্কিত। বাংলাদেশ ব্যুরো অব স্ট্যাটিস্টিকসের (বিবিএস) মতে, শেষ পর্যন্ত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ‘জিডিপি’ বেড়েছে ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ হারে। এর আগের হিসাবে এই হার ছিল দশমিক দুই শতাংশ কম। দ্বিতীয় ভালো খবরটি হচ্ছে ‘মানব উন্নয়ন সূচক’ (এইচডিআই) সম্পর্কিত।

২০১৯ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক প্রকাশিত ‘মানব উন্নয়ন সূচকে’ বাংলাদেশের স্থান ১৩৫তম। গেল বছর ছিল ১৩৬তম। ১৮৯টি দেশের মধ্যে আমাদের স্থান ১৩৫তম। এ দুই ভালো খবরের পর আমরা যখন ২০১৯ সালের অর্থনীতির দিকে আসি, তখন বেশ কিছুটা হোঁচট খাই।

মানুষের দুঃখ-কষ্টের সঙ্গে সম্পর্কিত মূল্যস্ফীতি ২০১৯ সালের শেষের দিকে এসে বেড়েছে। ভরা শীতকালেও তরিতরকারি, শাক-সবজি, মাছ-মাংস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম ঊর্ধ্বমুখী। পেঁয়াজের কথা বাদ দিলাম।

দীর্ঘদিন ৬ শতাংশের নিচে থেকে নভেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতির হার ওঠে ৬ দশমিক ০৫ শতাংশে। প্রতি সপ্তাহে খবর পাই কোনো না কোনো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়েছে। এ নিরিখে সাধারণ মানুষ, নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তের কষ্ট যে ২০১৯ সালে বেড়েছে, তাতে সন্দেহ নেই।

কিছু লোকের কারণে স্বস্তি যে, তারা বিদেশ থেকে ‘রেমিটেন্স’ পাঠাচ্ছে। কত লোক এখানে? কোটিখানেক তো হবেই। তাদের প্রেরিত অর্থের পরিমাণ অল্প অল্প বেড়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বরে রেমিটেন্সের পরিমাণ ছিল ৬ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলার।

সেই স্থলে চলতি অর্থবছরের (২০১৯-২০) একই সময়ে রেমিটেন্সের পরিমাণ ছিল ৭ দশমিক ৭১ বিলিয়ন (বিলিয়ন সমান শত কোটি) ডলার। দুই শতাংশ নগদ ‘প্রিমিয়াম’ দেয়ার কারণেই হয়তো রেমিটেন্স বেড়েছে। এতে বাংলাদেশের ‘রেমিটেন্স এলাকাগুলোতে’ ক্যাশ বেড়েছে। অন্তত জনগণের একাংশ খরচ পুষিয়ে নিয়েছে। মনে হচ্ছে ‘রেমিটেন্সের’ পরিমাণ মোটামুটি সন্তোষজনকই থাকবে।

কিন্তু খারাপ খবর রফতানি খাতে। ২০১৯-২০ অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবরে রফতানি হ্রাস পেয়েছে ৬ শতাংশের উপরে। নভেম্বরে রফতানি হ্রাস পেয়েছে আরও বেশি হারে (১০ দশমিক ২০ শতাংশ)। এটা হয়েছে পোশাক রফতানি হ্রাস পাওয়ার ফলে। জুলাই থেকে নভেম্বরের মধ্যে এ খাতে রফতানি হ্রাস পেয়েছে ৭ দশমিক ৭৪ শতাংশ হারে।

এ হার অব্যাহত থাকলে ২০১৯-২০ অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব নয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে বিজিএমইএ’র সভাপতি বলেছেন, বর্তমান অবস্থা অব্যাহত থাকলে ২০২১ সালের মধ্যে ৫০ বিলিয়ন ডলার পোশাক রফতানি সম্ভব নয়। এদিকে আমদানিতেও টান পড়েছে।

জুলাই-অক্টোবর, ২০১৯-২০ অর্থবছরে আমদানির পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে ৩ দশমিক ১৭ শতাংশ হারে। রফতানির পরিমাণ হ্রাস এবং আমদানির পরিমাণ হ্রাসের ফলে ‘ব্যালেন্স অব পেমেন্টে’ একটু স্বস্তি ফিরেছে ঠিকই; কিন্তু মূলধনী-যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের ঘটনা ভালো লক্ষণ নয়।

কারণ মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি দেশের শিল্পায়নের সঙ্গে সম্পর্কিত। মূলধনী যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল এবং মধ্যবর্তী পণ্য আমদানি বৃদ্ধি অর্থনীতির জন্য ভালো খবর। অথচ এখানেই দেখা যাচ্ছে শ্লথগতি। অর্থাৎ দেশে শিল্প-উদ্যোগ কমেছে। এর একটা প্রমাণ হচ্ছে বেসরকারি খাতে ঋণ। দেখা যাচ্ছে, বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে।

২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে এ খাতে ঋণপ্রবাহ বেড়েছিল ১২ দশমিক ৫৪ শতাংশ। বছরের শেষে এ হার ১০ শতাংশের দিকে নেমে আসে। অক্টোবর ২০১৯-এ বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল মাত্র ১০ দশমিক ০৪ শতাংশ। গত ছয়-সাত বছরের মধ্যে এটা সর্বনিম্ন। বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ হ্রাসের ঘটনা খুবই খারাপ খবর।

এটা কি ব্যাংকের অনীহা, উদ্যোক্তাদের অনীহার কারণে, না অর্থনীতি একটা মন্দার শিকার হতে যাচ্ছে, তা তলিয়ে দেখা দরকার। এখানে তিনটি ঘটনা একযোগে কাজ করছে। রফতানি হ্রাস, আমদানি হ্রাস এবং বেসরকারি খাতে ঋণ হ্রাস। একটি আরেকটির সঙ্গে সম্পর্কিত।

এই তিনের ফল হচ্ছে আরেকটি। আমদানি-রফতানি হ্রাসসহ ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে শ্লথগতি সরকারের রাজস্বে প্রভাব ফেলেছে। যে হারে ২০১৯-২০ অর্থবছরে রাজস্ব বাড়ার কথা ছিল, সেই হারে তা বাড়ছে না। জুলাই-অক্টোবর ২০১৯ সালে রাজস্ব বৃদ্ধি পেয়েছে মাত্র ৪ দশমিক ৩৩ শতাংশ হারে।

অথচ গত বছরের একই সময়ে তা বেড়েছিল ৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ হারে। এতে লক্ষ্যমাত্রা মাফিক রাজস্ব আদায় হচ্ছে না। অতএব, সরকার বাধ্য হচ্ছে ঋণ করতে, বেশি বেশি ঋণ করতে। আগে ঋণ হতো ‘সঞ্চয়পত্র’ বিক্রির মাধ্যমে। অহেতুক সমালোচনার মুখে সঞ্চয়পত্র বিক্রি নিরুৎসাহিত করে সরকার এখন ঋণ নিচ্ছে ব্যাংক থেকে।

ব্যাংক মানে সরকারি ব্যাংক। বেসরকারি ব্যাংক কম সুদে সরকারকে ঋণ দেয় না। দেখা যাচ্ছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে সরকারের ব্যাংক ঋণ নেয়ার কথা যেখানে ৪৭ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা, সেখানে ৬ মাস অর্থাৎ ডিসেম্বরের মধ্যেই এ টাকা ঋণ সরকার নিয়ে ফেলেছে। এখন সংকট বেসরকারি ঋণে।

ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করছেন, তারা ঋণ পাচ্ছেন না। ব্যাংকাররা বলছেন, সরকার ঋণ নিলে ‘মন্দঋণ’ সৃষ্টি হয় না, এতে ব্যাংকাররা লাভবান হন। আরও বড় কথা, ব্যাংকারদের অনিয়মের জন্য শাস্তি পোহাতে হয় না। তবে একথাও ঠিক, ব্যাংকের তারল্য সংকট এখনও আছে। আমানত বৃদ্ধির তুলনায় অতীতে ঋণ বৃদ্ধি বেশি হয়েছে।

এখন বাজারে ‘আমানত’ নেই। লোকের সঞ্চয় কম, রোজগার কম। ‘উবার’, সিএনজি, মোটরসাইকেল- কাজ ভাগাভাগি করছে, রোজগার ভাগাভাগি করছে। নতুন কর্মসংস্থান হচ্ছে না। লোকের চাকরি যাচ্ছে। কেবল পোশাক শিল্পেই গত ছয় মাসে ২০-২৫ হাজার লোকের চাকরি গেছে। বিদেশি অনেক কোম্পানি ব্যবসা বন্ধ করেছে।

ফলে লোকের সঞ্চয় কম। ব্যাংকে সুদের হার মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম। অতএব, লোকেরা ব্যয়মুখী হচ্ছেন না। তাই আমানতের সংকট। যেখানে আমানত বাড়ত ১৫-১৬ শতাংশ, সেখানে গত অক্টোবর মাসে ব্যাংকিং খাতে আমানত বেড়েছে মাত্র ১২ শতাংশ হারে। এ অবস্থায় ঋণপ্রবাহ বাড়বে কীভাবে?

লোকের ব্যাংকিং কার্যক্রমও কম। ২০১৯-এর মে মাসের তুলনায় জুন মাসে ‘চেক ক্লিয়ারিং’ এবং ‘ফান্ড ট্রান্সফারের’ পরিমাণ যথেষ্ট কম ছিল। এটা বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য থেকে পাওয়া যায়।

বাজারে বেচাকেনাও কম। ২০১৯ সালে ‘ট্রাক’ বিক্রি ২৬ শতাংশ কম বলে কাগজে দেখেছি। এদিকে বিদ্যুৎ খাতে অতিরিক্ত ক্ষমতা সৃষ্টির ফলে অনেক বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট অব্যবহৃত থাকছে। সরকার ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ‘অব্যবহৃত ক্ষমতার’ বিপরীতে ৮ হাজার কোটি টাকা ‘নজরানা’ দিয়েছে।

এসবই একটা মন্দাভাবের খবর দিচ্ছে। এর প্রভাব ব্যাংকিং খাতে পড়ছে। এই খাত থেকেও লোক ছাঁটাই হচ্ছে বলে খবর আছে। এর মধ্যে একটা ভালো খবর আছে। আর সেটা হচ্ছে, সরাসরি বিনিয়োগের (এফডিআই) ওপর। বাংলাদেশে ‘নিট এফডিআই’ বেশ বেড়েছে। গত পাঁচ বছরের মধ্যে ২০১৯ সালেই ‘সরাসরি বিনিয়োগ’ ছিল সর্বোচ্চ।

এ সালে এফডিআই’র পরিমাণ ছিল ৩ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলার। অথচ ২০১৮ সালে এর পরিমাণ ছিল মাত্র ২ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার। এর অর্থ কী? দেশীয় বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ স্থবির। এ খাতে ঋণ বৃদ্ধির কোনো লক্ষণ নেই। অথচ বিদেশি ঋণ বেড়েছে। অনুমান করা হয় ‘আইটি’ ইত্যাদিতে বিনিয়োগ বেড়েছে।

আর এদিকে আমাদের সরকারি বিনিয়োগে বৃদ্ধি ঘটছে। বেসরকারি খাতে দেশে কোনো পরিবর্তন ঘটলে তার একটা প্রতিফলন পাওয়া যেত ‘স্টক মার্কেটে’। কিন্তু এ বাজারের অবস্থা কোনো ভালো খবর দিচ্ছে না।

‘ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে’ ‘সূচক’ কমছে তো কমছেই। ২০১৯ সালটি শুরু হয়েছিল ৫,৪৬৫ সূচক দিয়ে। আর ডিসেম্বরের সূচকের পরিমাণ হচ্ছে ৪,৫৩৩। এ বাজারে বেচাকেনা হ্রাস পেয়েছে প্রচুর।

জানুয়ারি ২০১৯-এ টার্নওভারের পরিমাণ ছিল ৫ দশমিক ৩০ বিলিয়ন টাকা, যা ডিসেম্বরে এসে ২ দশমিক ৭৫ বিলিয়নে ঠেকেছে। এ স্টক এক্সচেঞ্জের খারাপ খবর আরও একটি। নতুন কোম্পানি স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হচ্ছে না। ২০১৮ সালে ১৩টি কোম্পানির ‘প্রাথমিক শেয়ার’ বিক্রি হয় সর্বমোট ৬৪৬ কোটি টাকার।

অথচ ২০১৯ সালে ‘প্রাথমিক শেয়ার’ বিক্রি হয় মাত্র ৫৬২ কোটি টাকার। আর কোম্পানির সংখ্যা ছিল ৮। এক্ষেত্রে আমরা জানি, সরকার দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করছে বড় বড় বেসরকারি কোম্পানিকে শেয়ারবাজারে আনার জন্য। অনেক সরকারি কোম্পানিও শেয়ারবাজারে আসার কথা ছিল। কিন্তু তা হয়নি ২০১৯ সালেও।

ফলে ব্যবসায়ী-শিল্পপতিরা যথারীতি ব্যাংক-ঋণের ওপর নির্ভরশীল থেকেছেন। দীর্ঘমেয়াদি মূলধনের জন্য দরকার ‘ইক্যুইটি’। অর্থাৎ কোম্পানির শেয়ার মূলধন। আর স্বল্পমেয়াদি পুঁজির জন্য দরকার শক্তিশালী ‘বন্ড মার্কেট’। ২০১৯ সাল পর্যন্ত এ দুটো খাতেই আমাদের ঘাটতি অব্যাহত রয়েছে।

এ কারণেও যে আমাদের ব্যাংকিং খাতে শ্রেণি বিন্যাসিত ঋণ (ক্লাসিফাইড) বেড়ে যাচ্ছে, তাতে কি সন্দেহ আছে? শিল্প ঋণ একটি বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। এ ঋণ দিয়ে দুটো সরকারি ব্যাংক ডুবেছে। এ দুটো ব্যাংক হচ্ছে- ‘বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক’ (বিএসবি) ও ‘বাংলাদেশ শিল্পঋণ সংস্থা’ (বিএসআরএস), যা বর্তমানে বিডিবিএল। এই প্রেক্ষাপটেও এ খাতে ২০১৯ সালে কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।

২০১৯ সালের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হচ্ছে ‘নয়-ছয়’ ব্যর্থতা। কথা ছিল ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ব্যাংক সুদের হারে ‘নয়-ছয়’ নীতি কার্যকর হবে। অর্থাৎ ছয় শতাংশে ব্যাংক আমানত নেবে এবং নয় শতাংশে ঋণ দেবে যাতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও শিল্প প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে ব্যবসা করতে পারে। সরকারের শত প্রচেষ্টা সত্ত্বেও এ নীতি কার্যকর হয়নি।

অথচ বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলো সরকারের কাছ থেকে কমপক্ষে ৯টি সুবিধা আদায় করে নিয়েছে। এর মধ্যে কমপক্ষে দুটো সুষম অর্থনীতি গঠন ও সম্পদ মালিকানায় একচেটিয়াবাদ পরিহারে বড় বাধা হিসেবে বিবেচিত। আর পুরোটাই বাজার অর্থনীতির পরিপন্থী পদক্ষেপ।

এত ‘খাতির’ করার পরও বেসরকারি ব্যাংকিং খাত ২০১৯ সাল শেষেও নয়-ছয় নীতি কার্যকর করেনি। এদিকে সরকার কর্তৃক বড় বড় এবং বেশ ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ নেয়া সত্ত্বেও ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ হ্রাস পায়নি, বরং বেড়েছে। পুরো ২০১৯ সাল ছিল খেলাপি ঋণের সমালোচনায় ভরপুর।

উপরে আলোচিত খেলাপি ঋণের ক্রমাবনতি, স্টক এক্সচেঞ্জের স্থবির অবস্থা, নতুন কোম্পানির শেয়ার না আসা, মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি, বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহে স্থবিরতা, ব্যাংকে আমানত বৃদ্ধির ক্ষেত্রে স্থবিরতা, ব্যাংকিং লেনদেনে ক্রমাবনতি, নতুন কর্মসংস্থানহীনতা, চাকরিচ্যুতি, আমদানি-রফতানি হ্রাস, রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থতা, বাজারে বেচাকেনা হ্রাস ইত্যাদি ঘটনা কি আমাদের অর্থনীতিতে মন্দার কোনো আভাস দিচ্ছে?

হয়তো এ মুহূর্তে সেভাবে দিচ্ছে না; কিন্তু মন্দার আঘাত লাগতে পারে। সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ভারতীয় অর্থনীতির মন্দার কথা উল্লেখ করে এক্ষেত্রে আমাদের সাবধান করে দিয়েছেন। তাদের মন্দা (২ ডিসেম্বর) আমাদের আঘাত করতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

ড. আর এম দেবনাথ : অর্থনীতি বিশ্লেষক; সাবেক শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazartvsite-01713478536