মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই

মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই

অনলাইন ডেস্ক:গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, ‘বাঙালি জাতির মৌলিক সত্তা হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সত্তা। আমাদের সকলের মধ্যে এই সত্তা জাগ্রত হওয়া প্রয়োজন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে শেখ হাসিনার কোন বিকল্প নেই।’

কথাসাহিত্যিক হাসনাত অবদুল হাইয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাবন্ধিক ও গবেষক ড. সরকার আব্দুল মান্নান এবং নাট্যজন মাসুম রেজা।

মন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নতুন প্রজন্মের কাছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরার প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে আমাদের বিভিন্ন দুর্বলতা রয়েছে। এক্ষেত্রে কিংবদন্তির ভাগীরথী উপন্যাস মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্রে একটি অসাধারণ প্রয়াস। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা যাদের মধ্যে ঘুমিয়ে গেছে, তাদের জাগ্রত করা আমাদের দায়িত্ব। সেটা হতে পারে শিল্প, সাহিত্য, সাংবাদিকতা কিংবা রাজনীতির মাধ্যমে।

আমরা যে যেখানে আছি সেখান থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা জাগ্রত করার জন্য ভূমিকা রাখতে হবে। কারণ আমাদের অস্তিত্বের উৎস মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ, স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। সেই চেতনার বাংলাদেশকে যদি আমরা রক্ষা করতে না পারি, তাহলে ত্রিশ লক্ষ শহীদ যারা জীবন দিয়েছেন, দুই লক্ষ মা-বোন যাদের সম্ভ্রম দিতে হয়েছে, সেই মানুষগুলো আমাদেরকে ক্ষমা করবে না। ইতিহাসের দায়মুক্তি হবেনা। ইতিহাসের স্বপ্নভঙ্গ যেন না হয়, সেজন্য আমাদের দায়িত্ববোধের জায়গায় সচেতন হতে হবে’।

তিনি আরো বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন প্রণয়ন করেছিলেন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যবস্থা করেছিলেন। সে সময় দালাল আইনে ৩৭ হাজার ব্যক্তি গ্রেফতার হয়েছিল। কারো বিচার হয়েছিল, কারো সাজা হয়েছিল, কারো কারো বিষয়ে তদন্ত চলছিল। ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর স্বাধীনতা বিরোধীরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করে দিয়েছিল। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার গঠনের পর যুদ্ধাপরাধের বিচার করে এবং রায় কার্যকর করেছেন বাঙালি জাতিকে ইতিহাসের দায় থেকে মুক্তি দিয়েছেন’।

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সতর্ক থাকতে হবে যেনো স্বাধীনতা বিরোধীরা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে’।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

আকলিমা রশীদ ঢালী পিংকী কসবা প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়াঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবা উপজেলার মেহারী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. আলম মিয়ার বিরুদ্ধে ওঠেছে ব্যাপক অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ। করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত -হতদরিদ্রদের জন্য ঈদ উপহার হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রদত্ত আড়াই হাজার টাকার তালিকায় ইউপি চেয়ারম্যান আলম তার ছেলেসহ পরিবার এবং নিকটাত্মীয়দের নাম অন্তর্ভূক্ত করার অভিযোগ ওঠেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, করোনা ভাইরাসের প্রভাবে কর্মহীন হওয়া ক্ষতিগ্রস্ত এবং হতদরিদ্র পরিবারগুলোর জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে অন্তত ৫০ লাখ পরিবারকে ঈদ উপহার হিসেবে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আড়াই হাজার টাকা করে দিচ্ছেন।
আর এজন্য জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য, শিক্ষক এবং সমাজের গণমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করেছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নয়টি উপজেলার ৭৫ হাজার পরিবারকে দেয়া হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর এই ঈদ উপহার।
জেলার কসবা উপজেলার মেহারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলম মিয়ার বিরুদ্ধে তালিকা তৈরিতে ওঠে ব্যাপক অনিয়ম-স্বজনপ্রীতির অভিযোগ। মেহারী ইউনিয়নের ৫৮৮ জনের তালিকায় চেয়ারম্যান আলম মিয়া তার নিজের ছেলেসহ  নিকটাত্মীয়দের নাম অন্তর্ভূক্ত করার অভিযোগ ওঠে।
তালিকায় চেযারম্যানের পুত্র মো. আরাফাত আলমের  নাম অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে কসবা টেলিভিশন সাংবাদিকরা মেহারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলম মিয়ার নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তালিকায় ছেলের নাম সহ মোবাইল নম্বর আছে। তবে আমার  গ্রামের চাচাতভাই সহজ সরল গরীব মিন্টুকে টাকা তুলে দেওয়ার জন্য প্রদান করা হয়েছে।
 তালিকা নিয়ে অন্য সব অভিযোগ গুলো আনা হয়েছে তা সঠিক নয়।একটি পক্ষ আমার মানসম্মান নষ্ট করার জন্য ওঠে পড়ে আছেন বলে তিনি জানান।
কসবা উপজেলা প্রকল্পবাস্তবায়ন কর্মকর্তা তাপস চক্রবর্তী বলেন, তদন্ত চলছে তার রিপোর্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে সরেজমিনের প্রতিবেদন জমা প্রদান করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ উল আলম বলেন, তালিকায় কোনো ধরণের ভুল-ভ্রান্তি থাকলে তদন্ত শেষে সেগুলো মন্ত্রণালয়ে লিখে পাঠানো হবে। চেয়ারম্যান যদি ক্ষমতার অপব্যবহার করে থাকেন তাহলে তার বিরুদ্ধে বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবার মেহারী ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত হতদরিদ্রদের উপহার তালিকায় চেয়ারম্যান পরিবারের নাম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আকলিমা রশীদ ঢালীপিংকী , কসবা প্রতিনিধি,ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে ফেসবুকে লেখা আর রাস্তাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের পরিকল্পিত হামলায় জিলানীর বাড়িঘর দোকানপাট ভাংঙ্গচোর-আহত ৪,ধানায় মামলা গ্রেফতার-৪ সংবাদ পাওয়া যায়।
ঘটনা প্রকাশ,ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে দীর্ঘদিন থেকে দুই পক্ষের মাঝে বিরোধ চলমান রয়েছে বলে গ্রামবাসী জানান। এর জের ধরে একই গ্রামের মোবারক হোসেন মানিকের নেতৃতে সোলেমান মিয়ার পুত্র শাহীন আল মামুন লাঠিয়াল বাহিনীর গ্রামে চরম উওেজনা বিরাজ করছে বলে গ্রামের উওর পাড়ার লোকজন তাও জানান।
মোবারক হোসেন মানিকের জনবল,লাঠি বল,অর্থবলে গ্রামের সাধারণ মানুষকে মানুষ বলে মনে না করে যখন যা মনে চায় তাই করেন বলে ক্ষতিগ্রস্থরা তাও জানান। তাদের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না বলেও জানান। মোবারক হোসেন মানিক এর নেতৃত্বে একদল যুবক ফেসবুকে মিথ্যা কাল্পনিক কথা লিখে গ্রামে অপ প্রচারসহ জমি জমা দখল করার বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে।
গত ৮ জুলাই দিনের প্রায় সাড়ে তিনটায় ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোবারক হোসেন মানিকের হুকুমে শাহীন আলম মামুনসহ ৩০/৪০জন দাঙ্গাবাজ হাতে রাম দা,রড,হকস্টীক লাঠি সোটা নিয়ে একই গ্রামের উওর পাড়ার মৃত মিরণ মিয়ার পুত্র জিলানীর বাড়ি ঘর দোকান পাটে ফিম্মিটাইলে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতিসাধনসহ লুটপাট করার অভিযোগ উঠেছে।
তাদের ফিম্মিটাইলের হামলায় মো: চুনি মিয়া (৭৫),মোছাম্মদ সুলতানা বেগম(৩৫), জুলেখা বেগম(২৪), মো:বাবুল মিয়া(৩২)সহ ৪জন গুরুত্বর অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে মামলা বাদী মো: জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান। এর মধ্যে মো: চুনি মিয়া ও মোছাম্মদ সুলতানা বেগম কুমিল্লা মেডিক্যাল হাসপাতালে আস্কজনক অবস্থায় আছেন।
এই ঘটনায় শাহীন আলম মামুন (৩০), উজ্জল মিয়া (৪০),রমজান (২৫) ,রাসেল(২৫)সহ ১৫জনকে আসামী করে কসবা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। কসবা থানা মামলা নং-১৯। ঘটনার সংবাদ পেয়ে কসবা থানা পুলিশ ব্যাপক তৎপরতা অব্যাহত চালিয়ে ঐদিনই দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রসহ শাহীন আলম মামুন, উজ্জল মিয়া,রমজান ও রাসেলকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতদেরকে ৯ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন। মামলার তদন্ত র্কমর্কতা কসবা থানার এস আই মো:আনোয়ার হোসেন গ্রেফতারের সততা স্বীকার করেন এবং অন্য আসামীদেরকে গ্রেফতারের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন বলে সাংবাদিকদেরকে জানান। ক্ষতিগ্রস্থরা ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক ও হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিকের নির্দেশে লাঠিয়াল শাহীন আলম মামুন,উজ্জল,ফরহাদ,জামাল,সুমন,মশিউর রহমান রাঙ্গা,সমুন মিয়া গংদের কবল থেকে গ্রামের সাধারণ মানুষকে রক্ষা করতে আইনমন্ত্রীর কাছে ন্যায়বিচার দাবী করছেন।
অপর দিকে দায়েরকৃত মামলা তুলে না নিলে মামলার বাদী ও তার পরিবারের সদস্যসহ স্বাক্ষীদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিক সহ তার লোকজন বলে মামলার বাদী জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান।
দিন দুপুরে লাঠিয়ালবাহিনীর দল নেতা শাহীন আলম মামুনসহ তার সঙ্গবদ্ধ দল রাম দা,লৌহার রড,মহকস্টিক নিয়ে প্রকাশ্য হামলাসহ বাড়ি ঘর দোকানপাটে তাগুব চালানোর ঘটনাটি নিন্দাজ্ঞাপন করে গ্রামের সচেতনমহল ন্যায় বিচার দাবী করেছেন আইনমন্ত্রীর কাছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দোকানপাট ভাংঙ্গচোর আহত ৪ গ্রেফতার ৪

themesbazartvsite-01713478536