আসুন সবাই মিলে মাদককে না বলি আগামী প্রজন্মের জন্য মাদক মুক্ত সমাজ গড়ি

আসুন সবাই মিলে মাদককে না বলি আগামী প্রজন্মের জন্য মাদক মুক্ত সমাজ গড়ি

মোঃ শফিকুর রহমান, লোহাগাড়া উপজেলা প্রতিনিধি:
আমরা মাদক মুক্ত সমাজ গড়তে চাই আমরা সকলেই জানি সামাজিক এবং পারিবারিক সচেতনতাই পারে মাদক মুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে ” আমাদের আগামী প্রজন্মকে ইয়াবা মদ গাজা এক কথায় মাদকমুক্ত করতে হলে যার যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে । নিজের সমাজ কে নিজের গ্রামকে মাদকমুক্ত করতে হলে প্রশাসনের পাশাপাশি জন প্রতিনিধিদেরকে মাদক নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে সর্বাত্মক সহযােগিতা করতে হবে।আমরা সবাই দল-মত ধর্ম,বর্ণ নির্বিশেষে মাদকের বিরুদ্ধে প্রচার প্রচারণার শক্তির মাধ্যমে যুদ্ধ ঘােষণা করতে হবে।আসুন সবাই মিলে মাদকের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘােষণা করে,আগামী প্রজন্মের জন্য সুন্দর বাসযােগ্য সমাজ তৈরি করি।যেখানে থাকবেনা মাদক নামক ক্যান্সারের জীবাণু মাদক একটি সমাজ এর জন্য ক্যান্সারের মতাে ভাইরাস আসুন আমরা সকলে।মিলে এই ভাইরাস থেকে আমাদের আগামী প্রজন্মকে নিরাপদ রাখার চেষ্টা করি।আমাদের একটু সচেতনতাই পারে সমাজ থেকে মাদক নামক ক্যান্সার শব্দটি সরিয়ে দিতে সে জন্য অবশ্যই আমাদেরকে অঙ্গীকারবদ্ধ হতে হবে৷ মাদক নামক ক্যান্সারের জীবাণু টির যদি আমরা সমাজ থেকে ব্যক্তিগতভাবে বা সামাজিক ভাবে নির্মল করতে না পারি তাহলে আমরা জন প্রতিনিধির সহযােগিতা নিতে পারি এমনকি প্রশাসনকে ও আমরা মাদক নির্মূলের ক্ষেত্রে সহযােগিতা করতে পারি।সমাজের যে যুবকেরা আমাদের আগামী দিনের স্বপ্ন দ্রষ্টা তারাই না বুঝে না জেনে মাদক নামক মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেছে।তারা নিজেরাই নিজেদের সুন্দর ভবিষ্যৎ কে ধ্বংস করে দিচ্ছে।আমাদের যুব সমাজকে যদি আমরা মাদকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করতে নাপারি তাহলে পারিবারিকভাবে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হবাে সামাজিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবাে ক্ষতিগ্রস্ত হবে আমাদের রাষ্ট্র তাই মাদকের ডিলার ব্যবসায়ী মাদকসেবী তাদের সাথে কোন কম্প্রোমাইজ নয় বরং তাদের ব্যাপারে প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযােগিতা করা আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব।তাই আসুন মাদককে সবাই না বলি নিজের পরিবার নিজের সমাজকে মাদক মুক্ত রাখি এটাই হােক।আমাদের সকলের অঙ্গীকার এটাই হােক আমাদের সকলের দীপ্ত শপথ মােই কচ্ছ আমরা ইচ মােট কথা হচ্ছে আমরা ইচ্ছা করলেই সমাজকে বদলে দিতে পারি শুধু দরকার আমাদের সদিচ্ছা।

প্রচারেঃ আধুনগর সমাজ কল্যাণ পরিষদ
সহযোগিতায়ঃ মােঃ শফিকুর রহমান,
সাধারণ সম্পাদক
আধুনগর সমাজ কল্যাণ পরিষদ।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আকলিমা রশীদ ঢালীপিংকী , কসবা প্রতিনিধি,ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে ফেসবুকে লেখা আর রাস্তাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের পরিকল্পিত হামলায় জিলানীর বাড়িঘর দোকানপাট ভাংঙ্গচোর-আহত ৪,ধানায় মামলা গ্রেফতার-৪ সংবাদ পাওয়া যায়।
ঘটনা প্রকাশ,ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে দীর্ঘদিন থেকে দুই পক্ষের মাঝে বিরোধ চলমান রয়েছে বলে গ্রামবাসী জানান। এর জের ধরে একই গ্রামের মোবারক হোসেন মানিকের নেতৃতে সোলেমান মিয়ার পুত্র শাহীন আল মামুন লাঠিয়াল বাহিনীর গ্রামে চরম উওেজনা বিরাজ করছে বলে গ্রামের উওর পাড়ার লোকজন তাও জানান।
মোবারক হোসেন মানিকের জনবল,লাঠি বল,অর্থবলে গ্রামের সাধারণ মানুষকে মানুষ বলে মনে না করে যখন যা মনে চায় তাই করেন বলে ক্ষতিগ্রস্থরা তাও জানান। তাদের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না বলেও জানান। মোবারক হোসেন মানিক এর নেতৃত্বে একদল যুবক ফেসবুকে মিথ্যা কাল্পনিক কথা লিখে গ্রামে অপ প্রচারসহ জমি জমা দখল করার বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে।
গত ৮ জুলাই দিনের প্রায় সাড়ে তিনটায় ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোবারক হোসেন মানিকের হুকুমে শাহীন আলম মামুনসহ ৩০/৪০জন দাঙ্গাবাজ হাতে রাম দা,রড,হকস্টীক লাঠি সোটা নিয়ে একই গ্রামের উওর পাড়ার মৃত মিরণ মিয়ার পুত্র জিলানীর বাড়ি ঘর দোকান পাটে ফিম্মিটাইলে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতিসাধনসহ লুটপাট করার অভিযোগ উঠেছে।
তাদের ফিম্মিটাইলের হামলায় মো: চুনি মিয়া (৭৫),মোছাম্মদ সুলতানা বেগম(৩৫), জুলেখা বেগম(২৪), মো:বাবুল মিয়া(৩২)সহ ৪জন গুরুত্বর অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে মামলা বাদী মো: জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান। এর মধ্যে মো: চুনি মিয়া ও মোছাম্মদ সুলতানা বেগম কুমিল্লা মেডিক্যাল হাসপাতালে আস্কজনক অবস্থায় আছেন।
এই ঘটনায় শাহীন আলম মামুন (৩০), উজ্জল মিয়া (৪০),রমজান (২৫) ,রাসেল(২৫)সহ ১৫জনকে আসামী করে কসবা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। কসবা থানা মামলা নং-১৯। ঘটনার সংবাদ পেয়ে কসবা থানা পুলিশ ব্যাপক তৎপরতা অব্যাহত চালিয়ে ঐদিনই দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রসহ শাহীন আলম মামুন, উজ্জল মিয়া,রমজান ও রাসেলকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতদেরকে ৯ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন। মামলার তদন্ত র্কমর্কতা কসবা থানার এস আই মো:আনোয়ার হোসেন গ্রেফতারের সততা স্বীকার করেন এবং অন্য আসামীদেরকে গ্রেফতারের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন বলে সাংবাদিকদেরকে জানান। ক্ষতিগ্রস্থরা ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক ও হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিকের নির্দেশে লাঠিয়াল শাহীন আলম মামুন,উজ্জল,ফরহাদ,জামাল,সুমন,মশিউর রহমান রাঙ্গা,সমুন মিয়া গংদের কবল থেকে গ্রামের সাধারণ মানুষকে রক্ষা করতে আইনমন্ত্রীর কাছে ন্যায়বিচার দাবী করছেন।
অপর দিকে দায়েরকৃত মামলা তুলে না নিলে মামলার বাদী ও তার পরিবারের সদস্যসহ স্বাক্ষীদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিক সহ তার লোকজন বলে মামলার বাদী জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান।
দিন দুপুরে লাঠিয়ালবাহিনীর দল নেতা শাহীন আলম মামুনসহ তার সঙ্গবদ্ধ দল রাম দা,লৌহার রড,মহকস্টিক নিয়ে প্রকাশ্য হামলাসহ বাড়ি ঘর দোকানপাটে তাগুব চালানোর ঘটনাটি নিন্দাজ্ঞাপন করে গ্রামের সচেতনমহল ন্যায় বিচার দাবী করেছেন আইনমন্ত্রীর কাছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দোকানপাট ভাংঙ্গচোর আহত ৪ গ্রেফতার ৪

themesbazartvsite-01713478536