বদরখালী কোস্টগার্ডের নির্মমতায় মারাত্বক আহত স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা শেখ সালাহ উদ্দিন , জনতার প্রতিবাদে মুক্ত

বদরখালী কোস্টগার্ডের নির্মমতায় মারাত্বক আহত স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা শেখ সালাহ উদ্দিন , জনতার প্রতিবাদে মুক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বদরখালী কোস্টগার্ডের নির্মমতায় মারাত্বক আহত স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা শেখ সালাহ উদ্দিন , জনতার প্রতিবাদে মুক্ত

জেলার চকরিয়ার উপকূলীয় অঞ্চল বদরখালীর কোস্টগার্ড ক্যাম্পের অফিসার মোঃ আশরাফ ২৯ সেপ্টেম্বর বিকাল ৪টার দিকে ফোন করে শেখ সালাহ উদ্দিন কে তার অফিসে ডেকে নিয়ে কোস্টগার্ড অফিসার সহ ৭/৮ জন মিলে দুই হাতে হ্যান্ডক্যাপ পড়িয়ে, পায়ের তালু থেকে মাথা পর্যন্ত নির্মম ভাবে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করেছে বদরখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি পদপ্রার্থী শেখ সালাহ উদ্দিন কে। শেখ সালাহ উদ্দিন বদরখালীর স্বনামধন্য প্রধান শিক্ষক ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক আহ্বায়ক আলহাজ্ব মাষ্টার আবুল কাসেম (অবঃ) সাহেবের ২য় পুত্র এবং কোনা খালী ইউনিয়ন পরিষদের বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান দিদারুল হক শিকদারের পিতা মরহুম আলহাজ্ব শাহাদাত আলী শিকদারের নাতি। সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান শেখ সালাহ উদ্দিন কে কোস্টগার্ড কতৃক মার-ধরের খবর এলাকায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে. হাজার হাজার জনতা কোস্ট গার্ডের অফিসের সামনে জড়ো হতে থাকে। এমন অবস্থায় কোস্টগার্ড সদস্যরা এলোপাতাড়ি গোলাগুলি শুরু করে। তাদের গোলাগুলিতে ৪/৫ জন সাধারণ জনগণ গুলিবিদ্ধ হয়। ঐ মুহূর্তে শেখ সালাহ উদ্দিন কে কোস্ট গার্ডের সদস্যরা গুলি করে মেরে ফেলেছে বলে চারিদিকে গুজব ছড়িয়ে পড়ে। তাতে জনগণ আরও বেশি উত্তেজিত হয়ে, কোস্টগার্ড ক্যাম্প ঘেরাও করে রাখে। জনগণের রোষানলে পড়ে, অবস্থা বেগতিক দেখে তারা সুর পাল্টিয়ে তার কাছে ইয়াবা পেয়েছে বলে প্রচার করে। কোস্ট গার্ডের এমন হাস্যকর অভিযোগ জনগণ প্রত্যাখান করে, উল্টো তাদের প্রতি প্রশ্ন ছোড়েন – কোন পাগলকেও যদি থানা বা ক্যাম্পের প্রধান ব্যাক্তি ফোন করে ওনার অফিসে ডেকে পাঠান, সেই সময় তার সাথে অবৈধ কোন বস্তু সঙ্গে নেবেন না। সেখানে শেখের মতো একজন নিরীহ লোক!!!
যে লোকটি সিগারেট তো দুরের কথা একটি পান ও খায়না সে আবার ইয়াবা!!!
ততক্ষণে কোনাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দিদারুল হক সিকদার ঘটনা স্থলে উপস্থিত হলে, লোকজন আরও বেশি চাঙা হয়ে উঠে। চেয়ারম্যান দিদারুল হক কোস্টগার্ড অফিসে ঢুকে জনগণকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। দিদার চেয়ারম্যান বলেন, “আমি ভিতরে ঢুকতেই দেখী কয়েক জন কোস্ট গার্ড সদস্য শেখ’কে এলোপাতাড়ি পেটাচ্ছে, আমি তাদের কে আমার ভাগিনা পরিচয় দেওয়ায়, ওরা আমার সাথে কথা বলতে আসে। কোস্ট গার্ডের অফিসার আশরাফ সাহেবের কাছ থেকে তার অপরাধ কি? ওকে এভাবে পেটাচ্ছেন কেন? জিজ্ঞেস করলে ওনি আমতা আমতা করতে থাকেন, পাশ থেকে অন্য একজন কোস্টগার্ডের সদস্য বলেন, তার কাছে ইয়াবা পাওয়া গেছে। আমি তখন বলি – হাস্যকর কথা বলিয়েন না। যে একটি পান ও খায়না সে আবার ইয়াবা উত্তেজিত জনতা একথা শুনলে, রেগেমেগে আগুন হয়ে যাবে। ওকে তাড়াতাড়ি ছেড়ে দিতে অনুরোধ করি।
দিদার চেয়ারম্যান আরও বলেন, আমার সামনে কয়েক জন কোস্ট গার্ডের সদস্য তাদের জানালার কাচ ভেঙে দিয়ে, অন্য নাটক সাজানোর পায়তারা করতে লিপ্ত।
ততক্ষণে, চকরিয়া-পেকুয়ার আপম জনতার নয়নের মণি আলহাজ্ব জাফর আলম এম পি মহোদয় বদরখালী উপস্থিত হলে, লক্ষ জনতার ঢল নামে।
এদিকে চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাবিবুর রহমান সহ চকরিয়া থানার একদল পুলিশ ঘটনা স্থলে চলে আসেন।
ইতোমধ্যে চকরিয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জেসমিন হক জেসি চৌধুরী, বদরখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খায়রুল বশর, সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী ও আলহাজ্ব নুরে হোসাইন আরিফ সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগন ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে, শেখ সালাহ উদ্দিন কে অত্যান্ত ভালো ও সৎ জীবন যাপনকারী হিসেবে আখ্যায়িত করে, কোস্টগার্ড কতৃক এমন একজন সৎ মানুষকে অমানবিক ও নিষ্ঠুর ভাবে নির্যাতন করার জন্যে বদরখালীর কোস্ট গার্ডের সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যাবস্থা নিতে এম পি মহোদয় কে অনুরোধ করেন।
কক্সবাজার -১ আসনের সাংসদ আলহাজ্ব জাফর আলম বলেন, শেখ সালাহ উদ্দিন কে আমি ব্যাক্তিগত ভাবে চিনি, সে খুব শান্ত, সদালাপী ও সৎ ভাবে জীবন যাপন করা একজন ব্যাক্তি। তার উপর এমন আচরণ সত্যি দুঃখ জনক। বিষয়টি তদন্ত পূর্বক ব্যাবস্থা নেওয়ার জন্য চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাবিবুর রহমান কে নির্দেশনা প্রদান করেন। এবং জনগণকে শান্ত থাকার জন্য পরামর্শ দেন।
অবশেষে জনগণের রোষানলে নিরীহ ও নির্দোশ ব্যাক্তি শেখ সালাহ উদ্দিন কে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় কোস্টগার্ড।
চকরিয়া থানার চৌকস অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাবিবুর রহমান স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সাংবাদিকের উপস্থিতিতে শেখ সালাহ উদ্দিন কে ব্যাপক জিজ্ঞেসাবাদ করেন, ওসি সাহেবের প্রশ্নের উত্তরে শেখ সালাহ উদ্দিন বলেন, আমাকে কোস্ট গার্ডের অফিসার পরিচয় দিয়ে আশরাফ নামে একজন ফোন করে কোস্ট গার্ডের অফিসে যেতে বলেন, আমি আমার ব্যাক্তিগত মোটরসাইকেল যোগে কোস্টগার্ড অফিসে যাওয়ার সময় বদরখালী বাজারের উত্তর মাথায় পৌঁছালে, ৫/৬ জন কোস্টগার্ডের সদস্য আমাকে গড়ি থামিয়ে, কিছু বুঝে উঠার আগেই মারধর শুরু করতে করতে ওদের অফিসে নিয়ে যায়। দুই হাতে হাতকড়া পরিয়ে অমানুষিক নির্যাতন করতে থাকে। বেশ কয়েক বার মেরে ফেলবে বলে বন্দুক থাক করে। এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এবং বলে “সালা তুর এত সাহস, তুই কোস্টগাার্দের দিকে আঙুল তুলিস, তোকে আজকে ক্রসফায়ার দেব, দেখি তোকে কোন সালা বাচাতে আসে”??? এমন সময় কোস্টগার্ড অফিসের বাইরে লোকজন জড়ো হলে, তাদের দিকে গুলি ছুড়ে মারে। জনগণ জমায়েত না হলে, আমাকে ওরা মেরে ফেলতো বলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে। ওদের সাথে আপনার কি সমস্যা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রায় সময় কোস্ট গার্ডের সদস্যরা বোট মালিক, মৎসজীবি ও জেলেদের কাছ থেকে মোটা অংকের চাঁদা নিতো, কেউ যদি দিতে গড়িমসি করতো, তাদের কে কোস্টগার্ড কতৃক নির্যাতনের শিকার হতে হতো। এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে অনেক বার জানানো হলেও কোন সুরাহা হয়নি। এরইমধ্যে গত কয়েক দিন পুর্বে কোস্ট গার্ডের সদস্যরা বোট মালিকদের কাছে চাঁদা দাবি করতে আসিলে, স্থানীয় লোকজন মিলে আমি (শেখ সালাহউদ্দিন) সহ তাদেরকে ধাওয়া করি, তারা পালিয়ে যায়। পরের দিন আমি ও ভুট্টো সিকদার সহ বোট মালিক সমিতির নেতারা মিলে মাননীয় সাংসদ আলহ

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazartvsite-01713478536