বাংলাদেশী শ্রমিকদের জন্য মালদ্বীপের ভিসা বন্ধ

বাংলাদেশী শ্রমিকদের জন্য মালদ্বীপের ভিসা বন্ধ

মালদ্বীপ থেকে মো: এমরান হোসেন তালুকদার:

মালদ্বীপ সরকার অননুমোদিত প্রবাসী শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের সমস্যা মোকাবেলার জন্য অদক্ষ বাংলাদেশী শ্রমিকদের এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে। দেশটিতে বৈদেশিক শ্রম নীতি জোরদার করতে এবং কোটা ও কাজের অনুমোদনের বিষয়ে বিধিমালা সংশোধন করার জন্য গঠিত ‘অভিবাসী শ্রমিকদের সম্পর্কিত ইস্যুতে জাতীয় টাস্কফোর্স’ এর চেয়ারম্যান নিযুক্ত হওয়ার একদিন পর বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে অর্থনৈতিক উন্নয়নমন্ত্রী ফায়াজ ইসমাইল এই ঘোষণা দেন।

 

ফায়াজ ইসমাইল বলেন,  সরকার প্রতিটি দেশ থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শ্রমিকের সংখ্যা এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজারে ক্যাপচার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, প্রকাশিত শ্রমিক গণনা করা হলে বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য এই সীমা পৌঁছে গেছে। “যদি অর্থনীতিতে পরিবর্তন ও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়, আমাদের টাস্কফোর্স ছয় মাসের মধ্যে সিদ্ধান্তটি পর্যালোচনা করবে এবং পরিবর্তনগুলি প্রয়োজন কি না তা পরীক্ষা করে দেখবে।  ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হবে।

ফায়াজ মালদ্বীপের ভূমিকার কথা স্বীকার করেছেন যারা বাংলাদেশি শ্রমিকদের পাচার বা অবৈধভাবে নিয়োগের মাধ্যমে “লাভ অব্যাহত রাখে”, যাদের বেশিরভাগই চাকরি সুরক্ষার জন্য মোটা অঙ্কের অর্থ প্রদান করে কিন্তু মালদ্বীপে আসার পরে তাদের পরিত্যক্ত করা হয়। তিনি আরও বলেন, কোটা দেওয়ার বিনিময়ে মন্ত্রী ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের নামে ঘুষ নেওয়ার লোকও ছিল। সম্প্রতি অভিবাসন বিভাগ যখন মানব পাচার ও অর্থ পাচারের অভিযোগে দুজন বাংলাদেশিকে ডিপোর্ট  করছেন।

তিনি বলেন, নতুন টাস্কফোর্স কর্তৃপক্ষকে “নির্বিঘ্নে একসাথে কাজ সমন্বয় করতে সহায়তা করবে”। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বিদেশমন্ত্রী, অ্যাটর্নি জেনারেল, পুলিশ কমিশনার, ইমিগ্রেশন কন্ট্রোলার এবং শ্রম সম্পর্ক কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি এবং রিসর্টের মালিকের লবি মালদ্বীপ অ্যাসোসিয়েশন অফ ট্যুরিজম মন্ত্রকের সমন্বয়ে গঠিত।

3 Attachments

 

 

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আকলিমা রশীদ ঢালীপিংকী , কসবা প্রতিনিধি,ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে ফেসবুকে লেখা আর রাস্তাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের পরিকল্পিত হামলায় জিলানীর বাড়িঘর দোকানপাট ভাংঙ্গচোর-আহত ৪,ধানায় মামলা গ্রেফতার-৪ সংবাদ পাওয়া যায়।
ঘটনা প্রকাশ,ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে দীর্ঘদিন থেকে দুই পক্ষের মাঝে বিরোধ চলমান রয়েছে বলে গ্রামবাসী জানান। এর জের ধরে একই গ্রামের মোবারক হোসেন মানিকের নেতৃতে সোলেমান মিয়ার পুত্র শাহীন আল মামুন লাঠিয়াল বাহিনীর গ্রামে চরম উওেজনা বিরাজ করছে বলে গ্রামের উওর পাড়ার লোকজন তাও জানান।
মোবারক হোসেন মানিকের জনবল,লাঠি বল,অর্থবলে গ্রামের সাধারণ মানুষকে মানুষ বলে মনে না করে যখন যা মনে চায় তাই করেন বলে ক্ষতিগ্রস্থরা তাও জানান। তাদের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না বলেও জানান। মোবারক হোসেন মানিক এর নেতৃত্বে একদল যুবক ফেসবুকে মিথ্যা কাল্পনিক কথা লিখে গ্রামে অপ প্রচারসহ জমি জমা দখল করার বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে।
গত ৮ জুলাই দিনের প্রায় সাড়ে তিনটায় ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোবারক হোসেন মানিকের হুকুমে শাহীন আলম মামুনসহ ৩০/৪০জন দাঙ্গাবাজ হাতে রাম দা,রড,হকস্টীক লাঠি সোটা নিয়ে একই গ্রামের উওর পাড়ার মৃত মিরণ মিয়ার পুত্র জিলানীর বাড়ি ঘর দোকান পাটে ফিম্মিটাইলে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতিসাধনসহ লুটপাট করার অভিযোগ উঠেছে।
তাদের ফিম্মিটাইলের হামলায় মো: চুনি মিয়া (৭৫),মোছাম্মদ সুলতানা বেগম(৩৫), জুলেখা বেগম(২৪), মো:বাবুল মিয়া(৩২)সহ ৪জন গুরুত্বর অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে মামলা বাদী মো: জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান। এর মধ্যে মো: চুনি মিয়া ও মোছাম্মদ সুলতানা বেগম কুমিল্লা মেডিক্যাল হাসপাতালে আস্কজনক অবস্থায় আছেন।
এই ঘটনায় শাহীন আলম মামুন (৩০), উজ্জল মিয়া (৪০),রমজান (২৫) ,রাসেল(২৫)সহ ১৫জনকে আসামী করে কসবা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। কসবা থানা মামলা নং-১৯। ঘটনার সংবাদ পেয়ে কসবা থানা পুলিশ ব্যাপক তৎপরতা অব্যাহত চালিয়ে ঐদিনই দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রসহ শাহীন আলম মামুন, উজ্জল মিয়া,রমজান ও রাসেলকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতদেরকে ৯ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন। মামলার তদন্ত র্কমর্কতা কসবা থানার এস আই মো:আনোয়ার হোসেন গ্রেফতারের সততা স্বীকার করেন এবং অন্য আসামীদেরকে গ্রেফতারের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন বলে সাংবাদিকদেরকে জানান। ক্ষতিগ্রস্থরা ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক ও হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিকের নির্দেশে লাঠিয়াল শাহীন আলম মামুন,উজ্জল,ফরহাদ,জামাল,সুমন,মশিউর রহমান রাঙ্গা,সমুন মিয়া গংদের কবল থেকে গ্রামের সাধারণ মানুষকে রক্ষা করতে আইনমন্ত্রীর কাছে ন্যায়বিচার দাবী করছেন।
অপর দিকে দায়েরকৃত মামলা তুলে না নিলে মামলার বাদী ও তার পরিবারের সদস্যসহ স্বাক্ষীদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিক সহ তার লোকজন বলে মামলার বাদী জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান।
দিন দুপুরে লাঠিয়ালবাহিনীর দল নেতা শাহীন আলম মামুনসহ তার সঙ্গবদ্ধ দল রাম দা,লৌহার রড,মহকস্টিক নিয়ে প্রকাশ্য হামলাসহ বাড়ি ঘর দোকানপাটে তাগুব চালানোর ঘটনাটি নিন্দাজ্ঞাপন করে গ্রামের সচেতনমহল ন্যায় বিচার দাবী করেছেন আইনমন্ত্রীর কাছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দোকানপাট ভাংঙ্গচোর আহত ৪ গ্রেফতার ৪

themesbazartvsite-01713478536