চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত

চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত

 

 চুয়াডাঙ্গা থেকে: চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনায় মাথাভাঙ্গা নদীতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টার সময় দর্শনা প্রত্যয় উন্মুক্ত পাঠাগারের আয়োজনে এবং ওয়েভ ফাউন্ডেশনের সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কর্মসূচির সহযোগিতায় এ নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রত্যয় উন্মুক্ত পাঠাগারের উপদেষ্টা আয়ুব আলী রাজুর
সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
 অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাজী আলী আজগার টগর এমপি। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম,দামুড়হুদা উপজেলা চেয়ারম্যান আলী মুনছুর বাবু,দর্শনা পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান।
চুয়াডাঙ্গায় সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি)  দামুড়হুদা সার্কেল আবু রাসেল, দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহি অফিসার মুনিম লিংকন, পারকৃষ্ণপুর মদনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম জাকারিয়া আলম, কুড়ালগাছী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহ এনামুল কবির ইনু, দামুড়হুদা মডেল থানার ওসি সুকুমার বিশ্বাস,দর্শনা তদন্ত কেন্দ্রের অফিসার ইনচার্জ শেখ মাহবুর রহমান, পারকৃষ্ণপুর মদনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বরকত আলী। এছাড়া, পারকুষ্ণপুর উন্মুক্ত পাঠাগারের সভাপতি কিতাব আলী ও সাধারণ সম্পাদক সাকিল হোসেন। এসময় এছাড়া মাথাভাঙ্গা নদীর দুপাড়ে নৌকা বাইচ দেখতে হাজার হাজার নারী-পুরুষের ঢল নামে।
প্রত্যয় উন্মুক্ত পাঠাগার নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় এবছর দর্শনা এলাকার আশে পাশের গ্ৰামের সর্বমোট ৮ টি দল এ নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়া দল গুলো হলো, পারকৃষ্ণপুর একাদশ,পারকৃষ্ণপুর আধুনিক স্পোটিং ক্লাব, কুড়ুলগাছি একাদশ, চন্ডিপুর একাদশ, লাল সবুজ  ক্রিড়া সংঘ, চন্ডিপুর দূর্গা মন্দির ,লাইফ লাইন, ওয়েভ ফাউন্ডেশন।
এই ৮টি দলের মধ্যে প্রথম পর্যায়ে তিনটি দল মূল প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়েছে। পরে বিকেল পাঁচটায় ৫ টি দলের মূল পর্ব শুরু হয়েছে।
পরে ,প্রথম স্থান অধিকারী বিজয়ী দল  লাল সবুজ  ক্রিড়া সংঘ কে ২০ হাজার টাকা, দ্বিতীয় স্থান অধিকারী বিজয়ী দল পারকৃষ্ণপুর আধুনিক স্পোটিং ক্লাব কে ১৫ হাজার টাকা ও
তৃতীয় স্থান অধিকারী দল যৌথ চ্যাম্পিয়ন চন্ডিপুর দূর্গা মন্দির ও কুড়ুলগাছি একাদশ কে ১০ হাজার টাকা ও ক্রেস্ট পুরুস্কার দেয়া হয় ।
নৌকা বাইচ অনুষ্ঠানের আগে থেকে দর্শনা
আনন্দ ধামের শিল্পীর গানে গানে মাথাভাঙ্গা নদীর ধারে অবস্থিত দর্শকদের মাতিয়ে তোলেন।
এদিকে, মাঝিদের হেঁইয়ো রে হেঁইয়ো শব্দের
ছন্দে ও গ্রাম বাংলার ঢাক, ঢোল, তবলা বাজিয়ে গোটা এলাকা নানা রঙ্গে রাঙ্গিয়ে রাখেন ।
এসময় প্রধান অতিথি, হাজী আলী আজগার টগর এমপি বলেন, ঐতিহ্যবাহী এই নৌকা বাইচ খেলা আবারো নতুন প্রজন্মের কাছে ফিরিয়ে আনতে সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হবে।
যারা এই নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছে দর্শনা প্রত্যয় উন্মুক্ত পাঠাগার ও ওয়েভ ফাউন্ডেশনের সকল কে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এই ধরনের আয়োজন যাতে প্রতি বছর হয় তার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা করা হবে। এই ধরনের আয়োজন যাতে প্রতি বছর হয় তার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা করা হবে।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazartvsite-01713478536