বিশেষজ্ঞের মতে ডেঙ্গুজ্বর_প্রতিরোধের_উপায়

বিশেষজ্ঞের মতে ডেঙ্গুজ্বর_প্রতিরোধের_উপায়

স্টাফ রির্পোটার:
ডেঙ্গুর কোনো ভ্যাক্সিন নেই। যেহেতু ডেঙ্গু ভাইরাস চার টাইপের, তাই এই চারটি ভাইরাসের প্রতিরোধে কাজ করে, এমন ভ্যাক্সিন আবিষ্কৃত হয়নি। তাই ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধের মূলমন্ত্রই হলো এডিস মশার বিস্তার রোধ এবং এই মশা যেন কামড়াতে না পারে, তার ব্যবস্থা করা। মনে রাখতে হবে, এডিস একটি ভদ্র মশা, অভিজাত এলাকায় বড় বড় সুন্দর সুন্দর দালান কোঠায় এরা বাস করে।

স্বচ্ছ পরিষ্কার পানিতে এই মশা ডিম পাড়ে। ময়লা দুর্গন্ধযুক্ত ড্রেনের পানি এদের পছন্দসই নয়। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার ডিম পাড়ার উপযোগী স্থানগুলোকে পরিষ্কার রাখতে হবে এবং একই সাথে মশক নিধনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এই রোগ থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হলো ব্যক্তিগত সতর্কতা এবং এডিস মশা প্রতিরোধ।

🔸#ব্যক্তিগত_সতর্কতা: ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সতর্কতার গুরুত্ব অপরিসীম। মনে রাখতে হবে এডিস মশা মূলত দিনের বেলা, সকাল ও সন্ধ্যায় কামড়ায়, তবে রাত্রে উজ্জ্বল আলোতেও কামড়াতে পারে। তাই –
➡️দিনের বেলা যথাসম্ভব শরীর ভালোভাবে কাপড়ে ঢেকে রাখতে হবে, পায়ে মোজ ব্যবহার করা যেতে পারে।
➡️বাচ্চাদের হাফপ্যান্টের বদলে ফুলপ্যান্ট বা পায়জামা পড়াতে হবে।
➡️ মশার কামড় থেকে বাঁচার জন্য দিনে ও রাতে মশারী ব্যবহার করতে হবে। দরজা-জানালায় নেট লাগাতে হবে।
➡️প্রয়োজনে মসকুইটো রিপেলেন্ট, স্প্রে, লোশন বা ক্রিম, কয়েল, ম্যাট ব্যবহার করা যেতে পারে।

🔸#বসতবাড়ির_মশা_নিধন: যেহেতু এডিস মশা মূলত এমন বস্তুর মধ্যে ডিম পাড়ে যেখানে স্বচ্ছ পানি জমে থাকে, তাই-
➡️ ফুলদানি, অব্যবহৃত কৌটা, বাড়িঘরে এবং আশপাশে যেকোনো পাত্র বা জায়গায় জমে থাকা পানি ৩ থেকে ৫ দিন পরপর ফেলে দিলে এডিস মশার লার্ভা মারা যাবে।
➡️ পাত্রের গায়ে লেগে থাকা মশার ডিম অপসারণে পাত্রটি ঘষে পরিষ্কার করলে ভালো ।
➡️ ঘরের বাথরুমে কোথাও জমানো পানি ৫ দিনের বেশি যেন না থাকে।
➡️ একুরিয়াম, ফ্রিজ বা এয়ার কন্ডিশনারের নিচে এবং মুখ খোলা পানির ট্যাংকে যেন পানি জমে না থাকে সে ব্যবস্থা করতে হবে।
➡️ বাড়ির ছাদে অনেককে বাগান করতে দেখা যায়, সেখানে টবে বা পাত্রে যেনো জমা পানি ৫ দিনের বেশি না থাকে, সেদিকেও যত্নবান হতে হবে।
➡️ বাড়ির আশপাশের ঝোপঝাড়, জঙ্গল, জলাশয় ইত্যাদি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

🔸#বসতবাড়ির_বাইরে_মশার_বংশ_বিস্তার_রোধ: এই কাজগুলোর দ্বায়িত্ব বর্তায় প্রশাসনে নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গের।
➡️ ঘরের বাইরে মাঝে মাঝে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হওয়ার ফলে পানি জমতে পারে। যেমন: ফুলের টব, প্লাস্টিকের পাত্র, পরিত্যক্ত টায়ার, প্লাস্টিকের ড্রাম, মাটির পাত্র, টিনের কৌটা, ডাবের খোসা, কন্টেইনার, মটকা, ব্যাটারির শেল, পলিথিন/চিপসের প্যাকেটে জমে থাকা পানি পরিষ্কার করতে হবে।
➡️ মশা নিধনের জন্য স্প্রে বা ফগিং করতে হবে।
➡️ বিভিন্ন রাস্তার আইল্যান্ডে সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য ফুলের টব, গাছপালা, জলাধার ইত্যাদি দেখা যায়। এখানে বৃষ্টির পানি জমে থাকতে পারে। সেগুলোতেও যেনো পানি জমে না থাকে, সে ব্যপারে যত্নবান হতে হবে।

পরিশেষে বলা যায়, ডেঙ্গুজ্বর হয়তোবা নির্মূল করা যাবেনা, এর কোনো ভ্যাক্সিন কিংবা কার্যকরী ঔষধও আবিষ্কৃত হয়নি। ডেঙ্গুজ্বরের মশাটি আমাদের দেশে আগেও ছিল, এখনও আছে, মশা প্রজননের এবং বংশবৃদ্ধির পরিবেশও আছে। তাই ডেঙ্গুজ্বর ভবিষ্যতেও থাকবে। একমাত্র সচেতনতা ও প্রতিরোধের মাধ্যমেই এর হাত থেকে মুক্তি সম্ভব।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

স্টাফ রিপোর্টার: হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ বড়ই আচার খেয়ে রোজিনা আক্তার (১০) নামে এক স্কুল ছাত্রী নিহত হয়েছে সোমবার বিকালে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাদীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। জানা যায়, সোমবার সকালে রোজিনা আক্তার তার বাড়ির পাশ্ববর্তী একটি দোকান থেকে ৫ টাকা দিয়ে আচার ক্রয় করে প্রাণ করার সাথে সাথে তার বমি হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করলে চিকিৎসাদীন অবস্থায় বিকালে তার মৃত্যু হয় নিহত রোজিনা উপজেলার নিজগাঁও গ্রামে ভাঙ্গারি ব্যবসায়ি দেলোয়ার হুসেনের কন্যা ও স্থানিয় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী

হবিগঞ্জ বড়ই আচার খেয়ে এক স্কুল ছাত্রী নিহত

অনলাইন ডেস্ক:পুলিশকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অপরাধ নির্মূল ও সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পুলিশকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, অপরাধের ধরণ প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে।

গতানুগতিক অপরাধের পাশাপাশি সাইবার ক্রাইম, মানিলন্ডারিং, মানবপাচার ইত্যাদি বৈশ্বিক অপরাধ সংগঠিত হচ্ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদকের মতো অশুভ সামাজিক ব্যাধি। জঙ্গিবাদ দমনে বাংলাদেশ পুলিশের অব্যাহত সাফল্য শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

রোববার দুপুরে রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ৩৬তম বিসিএস ব্যাচের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এ নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জনগণের মনে পুলিশ সম্পর্কে যেন অমূলক ভীতি না থাকে সেজন্য জনগণের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। সমাজের নারী, শিশু ও প্রবীণদের প্রতি সংবেদনশীল আচরণ করতে হবে। সমাজ থেকে অপরাধ নির্মূলে জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে জনবান্ধব পুলিশ গঠনে আপনাদের অগ্রপথিকের ভূমিকা পালন করতে হবে। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় জনগণের মৌলিক অধিকার, মানবাধিকার ও আইনের শাসনকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে পুলিশ সদস্যদের প্রতি আহবান জানান তিনি।

সকাল সাড়ে ১০টায় বিশেষ হেলিকপ্টারযোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে পৌঁছান। এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী তাকে স্বাগত জানান। এরপর প্রধানমন্ত্রী মঞ্চে গিয়ে নবীন পুলিশদের সশস্ত্র সালাম গ্রহণ করেন ও খোলা জিপে চড়ে নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের সমাপনী কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন। এরপর প্রশিক্ষণের সময় বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী সহকারী পুলিশ সুপারদের মধ্যে ট্রফি বিতরণ করেন তিনি।

পুলিশকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

এম এইচ মুন্না নিজস্ব প্রতিবেদক :খানসামা উপজেলায় এসিল্যান্ড (সহকারী কমিশনার ভুমি পদটি প্রায় এক বছরের বেশি সময় ধরে শূন্য রয়েছে। এতে উপজেলার ভুমি মালিকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। জানা গেছে খানসামা উপজেলা এসিল্যান্ত সহকারী কমিশনার ভুমি মোঃ সোলায়মান আলী প্রায় এক বছর পুর্বে উপজেলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পদে পদোন্নতি পেয়ে অন্যত্র বদলি হয়ে চলে যান। এর পর থেকে পদটি শূন্য। এ ক্ষেত্রে ভুমি অফিসের খাজনা খারিজ মিসকেস এগুলো পরিচালনায় বিঘ্ন ঘটছে। গুরুত্বপূর্ণ এ পদটি শূন্য থাকায় সাধারণ মনুষকে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহমেদ মাহবুবুল ইসলাম এসিল্যান্ড পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন।গুরুত্বপূর্ণ দূটি পদে দায়িত্ব পালন করতে তাঁকে বেশ হিমসিম খেতে হয়। খানসামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার  আহমেদ মাহবুবুল ইসলাম এর মাঝেও শততা ও নিষ্ঠার সাথে গুরুত্বপূর্ণ দূটি পদেই দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করে যাচ্ছেন।

খানসামায় এসিল্যান্ড নেই এক বছর,ভোগান্তিতে ভুমি মালিকরা

সাতক্ষীরা থেকে :  সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালে ক্যাসিয়ার পদে চাকরি করেন মোস্তাজুল ইসলাম ৤ তার বাসা কলারোয়া উপজেলায় ৤ এই বছর সরকারি ঔষধ ও অনান্য জিনিসপএ যা আনুমানিক প্রায় কোটি টাকার সম্পদ নয়ছয় করার কারনে তিনি চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত হন ৤ কিন্তু তার কর্মকান্ড থেমে থাকে নি ৤ যথারীতি তিনি তার নির্দিষ্ট স্হানে বসে সকল কার্যক্রম সচল রেখেছেন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ৤ যার বাস্তব প্রমান এই সদ্যতোলা ছবিতে কর্মরত অবস্হায় মোস্তাজুল ৤ এই বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন তিনি প্রতিদিন অফিসে হাজিরা দিতে আসেন কিন্তু তার জায়গায় বসে কর্মকান্ড পরিচালনা করেন না বলে এড়িয়ে যান ৤ নাম প্রকাশ না করার শর্তে অফিসের অনেক স্টাপ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন ৤ ওখানকার এক নার্স প্রশ্ন তোলেন সরকারের আদেশ অমান্য করে রেজুলেশন ছাড়া কিভাবে তিনি কার্যক্রম পরিচালনা করেন এটা তার জানা নাই ৤ এই বিষয়ে স্বাস্হ মন্ত্রির দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য বিশেষভাবে অনুৃরোধ করছি ৤

বরখাস্ত হওয়া মোস্তাজুল এখনও কর্মকান্ডে

themesbazartvsite-01713478536