রামপালে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ ও চাঁদাবাজদের হাত থেকে পরিত্রান দাবীতে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ কর্মসূচী ও স্মারক

রামপালে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ ও চাঁদাবাজদের হাত থেকে পরিত্রান দাবীতে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ কর্মসূচী ও স্মারক

অনিক খান,রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি: রামপাল উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাংবাদিক হাফিজুর রহমান ও ছাত্রলীগকে জড়িয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের জের ধরে উপজেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ সমাবেশ ও স্বারকলিপি পেশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় রামপাল থানার মোড়ে উপজেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ সমাবেশ করে। ছাত্রলীগ কতৃক এ কর্মসূচী আয়োজন করা হলে এতে এলাকায় অত্যাচরের স্বীকার বিভিন্ন শ্রেনী ও পেশার মানুষ বিক্ষোভ কর্মসূচীতে অংশ নেয়ায় এটি সাধারন মানুষের কর্মসূচীতে পরিনত হয়। সমাবেশ শেষে বিক্ষুব্ধ ছাত্র জনতা এক সাথে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তুষার কুমার পাল ও উপজেলা চেয়ারম্যান বরাবরে স্মারক লিপি প্রদান করে।
বিক্ষোভ সমাবেশ ও স্মারক লিপি সূত্রে জানা গেছে যে, রামপালের কিছু লোক সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে এলাকার বিভিন্ন মানুষকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করে আসছে। এরা হল উপজেলার বড়দিয়া গ্রামের মৃত আঃ আজিজ’র পুত্র এম.এ.সবুর রানা ও তার ভাই মোঃ হাফিজুর রহমান, হুড়কা ইউনিয়ের হড়কা এলাকার গঙ্গাধর মজুমদারের পুত্র সুজন মজুমদার, রামপাল সদর ইউনিয়নের আঃ বারিক মল্লিক’র পুত্র মোতাহার মল্লিক, উজলকুড় ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের মারুফ হাওলাদার’র পুত্র পুত্র এইচ আমিনুল হক নান্টু, পেড়ীখালী ইউনিয়নের তরিকুল ও নাজমুল ইসলাম।

এদের মধ্যে সবুর রানা দৈনিক লোক সমাজ পত্রিকায়, সুজন মজুমদার দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায়, মোতাহার মল্লিক দৈনিক আজকের তথ্য পত্রিকায় ও আমার একুশ পত্রিকায় ,আমিনুল হক নান্টু দৈনিক প্রবাহ ও চ্যানেল একাত্তর , নাজমুল ইসলাম আনন্দ টিভি, অন্যানরা স্থানীয় পত্রিকার প্রতিনিধি পরিচয় দিয়ে থাকে। সুজন, নান্টু সহ অনেকের কোন শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই এবং তারা এলাকায় বখাটে বলে পরিচিত। এরা সংঘবদ্ধ ভাবে সাধারন লোকজনদের সংবাদ প্রকাশের ভয় দিয়ে টাকা দাবী করে । টাকা না দিলে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করে। স্মারক লিপি সুত্রে জানা গেছে যে, দৈনিক লোক সমাজ পত্রিকার প্রতিনিধি সবুর রানা সুন্দরবনের জলদস্যু ও অস্ত্র মামলায় ৯ বছরের সাজা প্রাপ্ত আসামী। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতে একটি চাঁদাবাজী মামলা চলমান রয়েছে যার নং এসসি ০৯/১১। মামলাটি করেন মল্লিকেরবেড় নিবাসী লাকি বেগম । নান্টু একজন চিহ্নিত মাদক সেবী ও মাদক ব্যবসায়ী। এছাড়া চাঁদা দাবী করায় সুজন মজুমদার, সবুর রানা, মোতাহার মল্লিক ও নান্টু সহ কয়েক জনের বিরুদ্ধে রামপাল সদর ইউনিয়নের শ্রীফলতলা এলাকার বিামন কুন্ডু নামে এক ব্যাক্তি ২৪ এপ্রিল ,২০১৮ ইং তারিখে র‌্যাব-৬ বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করে এবং এ সংক্রান্ত সংবাদ ২৮ এপ্রিল ,২০১৮ দৈনিক দেশ সংযোগ সহ কয়েকটি আঞ্চলিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এছাড়া তাদের বিরুদ্ধে ১০/১১/২০১৭ ইং তারিখে হুড়কা এলাকার সুনিল মন্ডলের কাছে চাঁদা চাওয়ায় সে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর আরো একটি অভিযোগ দায়ের করে এবং এ সংক্রান্ত সংবাদ খুলনা অঞ্চলের বহল প্রচারিত দৈনিক পূবাঞ্চল পত্রিকায় ২১মে, ২০১৮ ইং তারিখে প্রকাশিত হয়। এছাড়া তাদের বিরুদ্ধে চাঁদা চাওয়ার অভিযোগে ৩০/৪/২০১৮ ইং তারিখে আরো একটি অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে দায়ের করা হয়। এ চক্রের বিরুদ্ধে এলাকায় এ রকম অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। এরা এলাকার ব্যবসায়ী ও নিরীহ মানুষের কাছ থেকে মাসিক মাসোয়ারা আদায় করে থাকে। প্রতিবাদ করলে তার বিরুদ্ধে সাংবাদিক দিয়ে সংবাদ প্রকাশের ভয় দেখানো হয়। এ সকল অনৈতিক কাজের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় তারা মোঃ হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয় এবং সুযোগ খুজতে থাকে এবং তাকে জড়িয়ে হামলার নাটক সাজিয়ে ২২জুলাই লোকসমাজ ও দৈনিক যুগান্ত পত্রিকা সহ কয়েকটি অনলাইন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ছাত্র জনতা এক হয়ে এ বিক্ষোভ কর্মসূচীর আয়োজন করে। রামপাল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক সেখ সাদি’র সভাপেিত্ব আয়োজিত এ বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন থানা ছাত্রলীগের সহসভপতি কল্লোল বিশ্বাস , মোঃ গোলাম ইয়াছিন রাজু, ছাত্রলীগ নেতা মোঃ মানিক হাসান, মোঃ নেওয়াজ শরীফ, মোঃ হেলাল সেখ, আয়াজ শিকারী প্রমুখ।
বক্তব্যে তারা বলেন যে, সবুর, নান্টু, সুজন, মোতাহর, হাফিজ সহ কিছু চিহ্নিত চাঁদাবাজদের হাতে পত্রিকা কি ভাবে সাংবাদিকের কার্ড তুলে দেয় ? বক্তারা বলেন যে, যদি সংশ্লিষ্ট পত্রিকা গুলো রামপালে এসে সত্য ঘটনা তদন্ত করুক এবং সত্যতার আলোকে সিদ্ধান্ত নিক। তা না হলে সংশ্লিষ্ট পত্রিকা গুলো রামপালের জনগন বর্জন করবে বলে ও বক্তারা জানান। তারা আরো বলেন যে, চাঁদাবাজ নামধারী ঐ সমস্ত লোকেরা সাংবাদিকতা ও পত্রিকা গুলোকে কলংক করছে। বক্তারা আশা প্রকাশ করে বলেন যে, অতি সত্তর পত্রিকা কতৃপক্ষ তদন্ত করে চাঁদাবাজ নামধারী সাংবাদিকদের হাত থেকে মুক্ত করে রামপালের সাধারন মানুষদের পাশে দাড়াবে।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা:পাইকগাছার গদাইপুর সুপারির হাট জমে উঠেছে। উপজেলার স্থানীয় এ সব হাট-বাজারে প্রচুর পরিমাণে সুপারি বিক্রি হচ্ছে। এ বছর সুপারির ফলন খুব বেশি ভাল হয়নি। তবে দাম আশানারূপ। এখন সুপারির ভরা মৌসুম চলছে। ফলে বাগান মালিক খুচরা ও পাইকারী বিক্রেতারা সুপারি ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে ব্যস্ত রয়েছে।
সুপারি বাংলাদেশের একটি অর্থকারী ফসল। সুপারি স্থানীয় সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে দাড়িয়েছে। সুপারি কাঁচা, শুকনা, মজানো-ভিজা পান পাতা দিয়ে মুড়িয়ে খিলি বানিয়ে খাওয়া হয়। সুপারি ছাড়া পানের পূর্ণতার কথা ভাবা যায় না। বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সুপারি ব্যবহার হয়। অনেকের আবার শুধু সুপারি খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে। বিশ্বের মোট জনগোষ্ঠির এক দশমাংশ সুপারি খান। শিশু, নারী ও পুরুষ সুপারি ব্যবহার করেন। তবে পুরুষের মধ্যে সুপারির ব্যবহার বেশী। উল্লেখ্য সুপারির কারণে মুখে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভবনা থাকে বেশি।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানাগেছে, উপজেলায় ৪০ হেক্টর জমিতে সুপারি বাগান রয়েছে। গাছের সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার ৪শতটি। গাছ প্রতি গড়ে ৪শ ৪০টি সুপারির ফলন হয়েছে। প্রায় গাছে ৩ থেকে ৪ কাধি সুপারির ফলন ধরে। কোন কোন গাছে সর্বনি¤œ ৫০ থেকে ১৫০ আবার কোন কোন গাছে ৬ থেকে ৭শ সুপারি ফলন হয়। লবণাক্ত এ উপজেলার ভূমির অবস্থান উচু ও বিলান এবং নিচু ও বিলান জমির পরিমাণ বেশী।
উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার মধ্যে গদাইপুর, হরিঢালী, কপিলমুনি, রাড়–লী সুপারি গাছের পরিমাণ বেশী। চাঁদখালী ও পৌরসভার আংশিক এলাকায় সুপারি গাছ রয়েছে। বাকী ইউনিয়ন গুলোতে গাছ নেই বললেই চলে। সুপারির ভরা মৌসুমে হাট-বাজারে প্রচুর পরিমাণ সুপারি বিক্রি হচ্ছে।
বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা প্রতিদিনের হাটে প্রচুর পরিমাণ সুপারি সরবরাহ করছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বাজার থেকে পাইকারী সুপারি ক্রয় করে এলাকার বাইরে মোকাম গুলোতে বিক্রি করছে। তাছাড়া স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ীরা সুপারি ক্রয় করে গুদামজাত করছে। যা পরে শুকিয়ে বা পানিতে মজিয়ে পরবর্তীতে বিক্রি করা হবে।
গদাইপুর গ্রামের সুপারি বাগান মালিক শফিকুল ইসলাম জানান, এ বছর সুপারির ফলন খুব ভাল হয়েছে এবং বাজার মূল্য ভাল, এতে তিনি খুশি। নতুন করে আরেকটি সুপারি বাগান গড়ে তুলবেন বলে জানান।
স্থানীয় সুপারি ব্যবসায়ী মতিউর রহমান, মোবারক ঢালী, সিরাজুল ইসলাম সহ অন্যান্য ব্যবসায়ীরা জানান, অন্য বছরের তুলনায় এ বছর বাজারে প্রচুর পরিমাণ সুপারি উঠছে। শুরু থেকে সুপারির দাম বেশী থাকলেও এখন ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে কুড়ি বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা স্থানীয় হাট-বাজার থেকে পাইকারী সুপারি থেকে বড়দল, সোলাদানা, শান্তাসহ পাশ্ববর্তী হাট-বাজারের আড়ৎ গুলোতে সুপারি বিক্রয় করে। সুপারির হিসাব অঞ্চল হিসাবে ভিন্ন। এ এলাকায় এক কুড়ি (৫৫গোন্ডা) অর্থাৎ ২২০টি সুপারি। মৌসুমের শুরুতে সুপারির দাম বেশী থাকলে বর্তমানে দাম কমে যাওয়ায় স্থানীয় অনেকেই সুপারি ক্রয় করে মজুদ করতে শুরু করেছে। যা পরবর্তীতে উচ্চ মূল্যে বিক্রয় করবেন বলে মজুদকারীরা জানিয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এএইচএম জাহাঙ্গীর আলম জানান, সুপারি এ অঞ্চলের একটি অর্থকারী গুরুত্বপূর্ণ ফসল। তাছাড়া এ এলাকার সুপারির মানও ভালো। তবে লম্বা সুপারি গাছ গুলো মরে যাওয়ায় অথবা কেঁটে ফেলায় নতুন করে সুপারির বাগান তেমন একটা গড়ে উঠছে না। তাই কৃষি অফিস থেকে নতুন করে সুপারি বাগান তৈরীর জন্য বাগান মালিক ও কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

পাইকগাছার সুপারির হাট জমে উঠেছে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভীড়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা:পাইকগাছার গদাইপুর সুপারির হাট জমে উঠেছে। উপজেলার স্থানীয় এ সব হাট-বাজারে প্রচুর পরিমাণে সুপারি বিক্রি হচ্ছে। এ বছর সুপারির ফলন খুব বেশি ভাল হয়নি। তবে দাম আশানারূপ। এখন সুপারির ভরা মৌসুম চলছে। ফলে বাগান মালিক খুচরা ও পাইকারী বিক্রেতারা সুপারি ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে ব্যস্ত রয়েছে।
সুপারি বাংলাদেশের একটি অর্থকারী ফসল। সুপারি স্থানীয় সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে দাড়িয়েছে। সুপারি কাঁচা, শুকনা, মজানো-ভিজা পান পাতা দিয়ে মুড়িয়ে খিলি বানিয়ে খাওয়া হয়। সুপারি ছাড়া পানের পূর্ণতার কথা ভাবা যায় না। বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সুপারি ব্যবহার হয়। অনেকের আবার শুধু সুপারি খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে। বিশ্বের মোট জনগোষ্ঠির এক দশমাংশ সুপারি খান। শিশু, নারী ও পুরুষ সুপারি ব্যবহার করেন। তবে পুরুষের মধ্যে সুপারির ব্যবহার বেশী। উল্লেখ্য সুপারির কারণে মুখে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভবনা থাকে বেশি।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানাগেছে, উপজেলায় ৪০ হেক্টর জমিতে সুপারি বাগান রয়েছে। গাছের সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার ৪শতটি। গাছ প্রতি গড়ে ৪শ ৪০টি সুপারির ফলন হয়েছে। প্রায় গাছে ৩ থেকে ৪ কাধি সুপারির ফলন ধরে। কোন কোন গাছে সর্বনি¤œ ৫০ থেকে ১৫০ আবার কোন কোন গাছে ৬ থেকে ৭শ সুপারি ফলন হয়। লবণাক্ত এ উপজেলার ভূমির অবস্থান উচু ও বিলান এবং নিচু ও বিলান জমির পরিমাণ বেশী।
উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার মধ্যে গদাইপুর, হরিঢালী, কপিলমুনি, রাড়–লী সুপারি গাছের পরিমাণ বেশী। চাঁদখালী ও পৌরসভার আংশিক এলাকায় সুপারি গাছ রয়েছে। বাকী ইউনিয়ন গুলোতে গাছ নেই বললেই চলে। সুপারির ভরা মৌসুমে হাট-বাজারে প্রচুর পরিমাণ সুপারি বিক্রি হচ্ছে।
বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা প্রতিদিনের হাটে প্রচুর পরিমাণ সুপারি সরবরাহ করছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বাজার থেকে পাইকারী সুপারি ক্রয় করে এলাকার বাইরে মোকাম গুলোতে বিক্রি করছে। তাছাড়া স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ীরা সুপারি ক্রয় করে গুদামজাত করছে। যা পরে শুকিয়ে বা পানিতে মজিয়ে পরবর্তীতে বিক্রি করা হবে।
গদাইপুর গ্রামের সুপারি বাগান মালিক শফিকুল ইসলাম জানান, এ বছর সুপারির ফলন খুব ভাল হয়েছে এবং বাজার মূল্য ভাল, এতে তিনি খুশি। নতুন করে আরেকটি সুপারি বাগান গড়ে তুলবেন বলে জানান।
স্থানীয় সুপারি ব্যবসায়ী মতিউর রহমান, মোবারক ঢালী, সিরাজুল ইসলাম সহ অন্যান্য ব্যবসায়ীরা জানান, অন্য বছরের তুলনায় এ বছর বাজারে প্রচুর পরিমাণ সুপারি উঠছে। শুরু থেকে সুপারির দাম বেশী থাকলেও এখন ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে কুড়ি বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা স্থানীয় হাট-বাজার থেকে পাইকারী সুপারি থেকে বড়দল, সোলাদানা, শান্তাসহ পাশ্ববর্তী হাট-বাজারের আড়ৎ গুলোতে সুপারি বিক্রয় করে। সুপারির হিসাব অঞ্চল হিসাবে ভিন্ন। এ এলাকায় এক কুড়ি (৫৫গোন্ডা) অর্থাৎ ২২০টি সুপারি। মৌসুমের শুরুতে সুপারির দাম বেশী থাকলে বর্তমানে দাম কমে যাওয়ায় স্থানীয় অনেকেই সুপারি ক্রয় করে মজুদ করতে শুরু করেছে। যা পরবর্তীতে উচ্চ মূল্যে বিক্রয় করবেন বলে মজুদকারীরা জানিয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এএইচএম জাহাঙ্গীর আলম জানান, সুপারি এ অঞ্চলের একটি অর্থকারী গুরুত্বপূর্ণ ফসল। তাছাড়া এ এলাকার সুপারির মানও ভালো। তবে লম্বা সুপারি গাছ গুলো মরে যাওয়ায় অথবা কেঁটে ফেলায় নতুন করে সুপারির বাগান তেমন একটা গড়ে উঠছে না। তাই কৃষি অফিস থেকে নতুন করে সুপারি বাগান তৈরীর জন্য বাগান মালিক ও কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

পাইকগাছার সুপারির হাট জমে উঠেছে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভীড়

“সকলের জন্য উন্নত স্যানিটেশন,নিশ্চিত হোক সুস্থ জীবন, সকলে হাত পরিচ্ছন্ন থাক” এই প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে পঞ্চগড়ে জাতীয় স্যানিটেশন মাস অক্টোবর ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) সকালে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে জেলা প্রশাসন ও জনসাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের আয়োজনে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের করা হয়। র‌্যালীটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পঞ্চগড় সরকারী অডিটোরিয়ামে গিয়ে শেষ হয়।
এতে জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদর্শন কুমার রায়, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়াম্যান আমিরুল ইসলাম, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী নাঈমুল এহশান, পঞ্চগড় পৌর সভার মেয়র মোঃ তৌহিদুল ইসলাম, স্থানীয় এনজিও পরস্পরের নির্বাহী পরিচালক আকতারুন নাহার সাকী,পঞ্চগড় আরডিআরএস প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর অরুন চন্দ্র কির্তনিয়া,আরডিআরএসের সুর্বনা শাহা সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধিরা অংশ নেয়। র‌্যালী শেষে পঞ্চগড় সরকারী অডিটোরিয়াম হলরুমে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

পঞ্চগড়ে জাতীয় স্যানিটেশন বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

themesbazartvsite-01713478536