স্মার্টফোনের লোভে বন্ধুর হাতে খুন হল ফটিকছড়ির সে কিশোর ইকন !

স্মার্টফোনের লোভে বন্ধুর হাতে খুন হল ফটিকছড়ির সে কিশোর ইকন !

আলমগীর নিশান, ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম :

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে সাব্বির উদ্দীন ইকন (১৭) নামে খুন হওয়া সে কিশোর ঋণগ্রস্থ বন্ধুর হাতে একটি স্মার্টফোনের জন্য খুন হয়েছে বলে তথ্য উদঘাটন করেছে পুলিশ।

৩০ জুলাই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ তথ্য জানান আতিরিক্ত পুলিশ সুপার, হাটহাজারী সার্কেল আব্দুল্লাহ আল মাসুম।

তিনি বলেন, ভিকটিম সাব্বির উদ্দিন ইকনের লাশ উদ্ধারের পর তার বাবা সাহাবুদ্দীন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন, মামলা নং-২৩।
২৬ জুলাই মামলা, আলামত ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ঘটনার সাথে জড়িত তনয় বড়ুয়া তনা (২৩) নামে ২৭ জুলাই একজনকে গ্রেফতার করি। সে জুড়িসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এ ১৬৪ ধারায় জবান বন্দীতে ইকনকে হত্যা করার কথা স্বীকার করেন।
সে তার জবান বন্ধীতে বলেন,ইকনের সাথে তার বন্ধুত সম্পর্ক ছিল।

সে ঋণগ্রস্থ থাকায় ইকনের স্মাটফোনটির উপর চোখ পড়ে। স্মার্টফোনটি নেওয়ার লোভে ঘটানার দিন ইকনকে সাথে নিয়ে জন্মদিনের কেকে কাটবে বলে একটি ছুরি নেয়। সে ছুরি দিয়ে ইকনকে গলা কেটে হত্যা করে।

তনয় বড়ুয়া উপজেলার আদ্বুল্লাহপুর ইউনিয়নের মৃত বাবন বড়ুয়ার পুত্র।
বর্তমান পালক পিতা হচ্ছে সুন্দরপুর দক্ষিন ছিলোনিয়ার অশোক কুমার বড়ুয়া।
পুলিশ হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত একটি ছুরি,একটি টেলিভিশন,একটি উড়না উদ্ধার করে।

জানা যায়, ফটিকছড়ি বিবিরহাটস্থ চৌধুরী ভবনের বাসিন্দা মোঃ সাহাব উদ্দীনের পুত্র সাব্বির উদ্দীন ইকন(১৭) ২৫ শে জুলাই বৃহস্পতিবার আনুমানিক সন্ধ্যা ৬ টার সময় বিবিরহাট ২নং আলী আকবর রোডস্থ হাজারী সাউন্ড হতে টেলিভিশন মেরামত করতে গেলে নিখোঁজ হয়।
নিখোঁজের পর বন্ধু-বান্ধব, আত্বীয়-স্বজনের কাছে তার কোন খোঁজ না পাওয়ায় তার পিতা সাহাব উদ্দীন ফটিকছড়ি থানায় একটি নিখোঁজ ডায়রী করেন।

নিখোঁজের একদিন পর শুক্রবার দুপুর ২টায় চট্টগ্রাম খাগড়াছড়ি সড়কের পাইন্দং নতুন মসজিদ সংলগ্ন আকাশি বাগানে গলা কাটা অবস্থায় তার লাশ দেখতে পায় স্থানিয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করে।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আকলিমা রশীদ ঢালীপিংকী , কসবা প্রতিনিধি,ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে ফেসবুকে লেখা আর রাস্তাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের পরিকল্পিত হামলায় জিলানীর বাড়িঘর দোকানপাট ভাংঙ্গচোর-আহত ৪,ধানায় মামলা গ্রেফতার-৪ সংবাদ পাওয়া যায়।
ঘটনা প্রকাশ,ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে দীর্ঘদিন থেকে দুই পক্ষের মাঝে বিরোধ চলমান রয়েছে বলে গ্রামবাসী জানান। এর জের ধরে একই গ্রামের মোবারক হোসেন মানিকের নেতৃতে সোলেমান মিয়ার পুত্র শাহীন আল মামুন লাঠিয়াল বাহিনীর গ্রামে চরম উওেজনা বিরাজ করছে বলে গ্রামের উওর পাড়ার লোকজন তাও জানান।
মোবারক হোসেন মানিকের জনবল,লাঠি বল,অর্থবলে গ্রামের সাধারণ মানুষকে মানুষ বলে মনে না করে যখন যা মনে চায় তাই করেন বলে ক্ষতিগ্রস্থরা তাও জানান। তাদের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না বলেও জানান। মোবারক হোসেন মানিক এর নেতৃত্বে একদল যুবক ফেসবুকে মিথ্যা কাল্পনিক কথা লিখে গ্রামে অপ প্রচারসহ জমি জমা দখল করার বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে।
গত ৮ জুলাই দিনের প্রায় সাড়ে তিনটায় ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোবারক হোসেন মানিকের হুকুমে শাহীন আলম মামুনসহ ৩০/৪০জন দাঙ্গাবাজ হাতে রাম দা,রড,হকস্টীক লাঠি সোটা নিয়ে একই গ্রামের উওর পাড়ার মৃত মিরণ মিয়ার পুত্র জিলানীর বাড়ি ঘর দোকান পাটে ফিম্মিটাইলে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতিসাধনসহ লুটপাট করার অভিযোগ উঠেছে।
তাদের ফিম্মিটাইলের হামলায় মো: চুনি মিয়া (৭৫),মোছাম্মদ সুলতানা বেগম(৩৫), জুলেখা বেগম(২৪), মো:বাবুল মিয়া(৩২)সহ ৪জন গুরুত্বর অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে মামলা বাদী মো: জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান। এর মধ্যে মো: চুনি মিয়া ও মোছাম্মদ সুলতানা বেগম কুমিল্লা মেডিক্যাল হাসপাতালে আস্কজনক অবস্থায় আছেন।
এই ঘটনায় শাহীন আলম মামুন (৩০), উজ্জল মিয়া (৪০),রমজান (২৫) ,রাসেল(২৫)সহ ১৫জনকে আসামী করে কসবা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। কসবা থানা মামলা নং-১৯। ঘটনার সংবাদ পেয়ে কসবা থানা পুলিশ ব্যাপক তৎপরতা অব্যাহত চালিয়ে ঐদিনই দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রসহ শাহীন আলম মামুন, উজ্জল মিয়া,রমজান ও রাসেলকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতদেরকে ৯ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন। মামলার তদন্ত র্কমর্কতা কসবা থানার এস আই মো:আনোয়ার হোসেন গ্রেফতারের সততা স্বীকার করেন এবং অন্য আসামীদেরকে গ্রেফতারের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন বলে সাংবাদিকদেরকে জানান। ক্ষতিগ্রস্থরা ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক ও হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিকের নির্দেশে লাঠিয়াল শাহীন আলম মামুন,উজ্জল,ফরহাদ,জামাল,সুমন,মশিউর রহমান রাঙ্গা,সমুন মিয়া গংদের কবল থেকে গ্রামের সাধারণ মানুষকে রক্ষা করতে আইনমন্ত্রীর কাছে ন্যায়বিচার দাবী করছেন।
অপর দিকে দায়েরকৃত মামলা তুলে না নিলে মামলার বাদী ও তার পরিবারের সদস্যসহ স্বাক্ষীদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিক সহ তার লোকজন বলে মামলার বাদী জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান।
দিন দুপুরে লাঠিয়ালবাহিনীর দল নেতা শাহীন আলম মামুনসহ তার সঙ্গবদ্ধ দল রাম দা,লৌহার রড,মহকস্টিক নিয়ে প্রকাশ্য হামলাসহ বাড়ি ঘর দোকানপাটে তাগুব চালানোর ঘটনাটি নিন্দাজ্ঞাপন করে গ্রামের সচেতনমহল ন্যায় বিচার দাবী করেছেন আইনমন্ত্রীর কাছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দোকানপাট ভাংঙ্গচোর আহত ৪ গ্রেফতার ৪

themesbazartvsite-01713478536