ধামরাইয়ে ইউ পি সচিবকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবী এলাকাবাসীর

ধামরাইয়ে ইউ পি সচিবকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবী এলাকাবাসীর

মোঃ আমিনুর রহমান ধামরাই থেকে : ঢাকার ধামরাই উপজেলার বাইশাকান্দা ইউনিয়নের সচিব মোঃ কামরুল হাসানকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা এর কোন সত্যতা নেই বলে দাবী করেছেন বাইশাকান্দা ইউনিয়নের সাধারণ জনগন ও বর্তমান ইউ পি সদস্যরা সহ সচেতন বেক্তিবর্গ। তারা আরও বলেন কামরুল আমাদের এলাকার ছেলে সে কঠোর পরিশ্রম করেছে ,কেউ উদ্দেশ্য প্রনিত ভাবে আজ তার ক্ষতি করার চেষ্টো করছে।
জানা যায় গত ১৯/০৮/২০১৯ তারিখে দৈনিক আমার সংবাদ প্রত্রিকায় উপজেলার বাইশাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোঃ কামরুল হাসান ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন কার্যকলাপ সম্পাদনে অনৈতিক ভাবে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ এনে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ নামক সংবাদ প্রকাশিত হয়। এ সংবাদ প্রকাশের পর কামরুল হাসান তার বিরোদ্ধে সকল কথা মিথ্যা দাবী করে ধামরাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন যার নং ৭২৯/২১-০৮-২০১৯ এবং প্রকাশিত সংবাদ মিথ্যা দাবী করে দৈনিক নবচেতনা প্রত্রিকায় প্রতিবাদ প্রকাশ করেন।
প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখ করা হয় ইউপি সচিব কামরুল হাসান, বিধবা ভাতা,বৃদ্ধ ভাতা, মাসিক চাউলের কার্ড,জন্ম নিবন্ধনের ছারপত্র,ট্রেড লাইসেন্স প্রদানে বিপুল পরিমান অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন এবং যা দিয়ে সে বিলাশ বহুল জীবন যাপন করছেন।
এবিষয়ে সচিব কামরুল হাসান বলেন- আমি ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মাত্র, আমার আর কি করার আছে আমি শুধু কাগজ পত্র সই করি আর রেজুলেষন তৈরি করি। বাকি যত কাজ আছে সব কিছু করে থাকেন চেয়ারম্যান ও মেম্বার গণ। আমার বিরোদ্ধে যে অভিযোগ সবই মিথ্যা কারন এ সকল কাজ করে থাকেন ইউ পি চেয়াম্যান ও সদস্যরা । আমাকে জরিয়ে যে মিথ্যা কথা রটানো হয়েছে আমি এর সুস্থ তদন্তে বিচার প্রার্থনা করছি।
এ বিষয়ে বাইশাকান্দা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক মোঃ মতিয়ার রহমান বলেন- কামরুল হাসান এর কোন রকম দূরনিতি আমাদের চোখে কখনো পরেনি,এ ছারা কামরুল ছাত্র জীবন থেকেই কঠোর পরিশ্রমী সে একটি স্কুলে শিক্ষকতা করত এবং প্রাই ৮০-৯০জন ছাত্র প্রাভেট পড়াইত । কামরুল ২০১১ সালে ইউ পি সচিব হিসেবে বাইশাকান্দা ইউনিয়নে যোগদেয়। কিন্তু আমরা জানতে পেরেছি একটি সংবাদ পত্রে তার বিলাশবহুল জীবনযাপন ও বাড়ির কথা উল্লেখ করে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। কিšুÍ আমার জানা মতে এই বাড়ি সে নির্মান করেছে ২০০৯ সালে এবং বাড়ি তৈরির সময় সে বেশ কিছু জমিও বিক্রি করে।
এ বিষয়ে উপস্থিত মেম্বারগণের সাথে কথা হলে তারা জানান- ইউপি সচিব কামরুল হাসান আমাদের সকল কাজে সহযোগতা করেন তার বিরুদ্ধে সংবাদপত্রে যে সব কথা লেখা হয়েছে তা আসলে কোনটি সত্য নয়। সবচেয়ে হাস্যকর বিষয় হল ঐ সংবাদে উল্লেখ করেছেন সচিব বিজিএফের চাউল চুরি করেছে। কিন্তু চাউল বিতরণে সব সময় চেয়াম্যান ও আমরা ইউপি সদস্য বৃন্দ সকল কার্যক্রম সম্পাদন করে থাকি এবং চাউল বিতরণে আমরা সকল সদস্যরা উপস্থিত থাকি যে কারণে চাউল এদিক সেদিক হওয়ার কোন সুযোগ নেই। এছাড়া এ বিষয়ে আরও কথা বলেন এলাকার গণ্য মান্য ব্যক্তি বর্গ সহ সাধারণ জনগণ এবং বিধবা ভাতা প্রাপ্ত কয়েক জন তারা জানান- তাদের এই ভাতার কার্ড হওয়ার সময় কাউকে কোন টাকা দিতে হয় নি।
অপর দিকে ঐ প্রতিবেদনে উল্লেখিত বাইশাকান্দা ইউনিয়নের ভুরাইল গ্রামের বিধবা হাসনা বেগমের কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা নিয়েছেন। কিন্তু এ বিষয়ে হাসনা বেগমের সাথে কথা হলে সে অন্য কারো কথা বলে , কামরুল টাকা নিয়েছে কিনা জানতে চাইলে হাসনা বেগম নিরব থাকেন।এছারা এলাকার নাজিমুদ্দিনের স্ত্রী এছাতন বেগমের কথা উল্লেখ করেছেন, নিউজের ভিত্তিতে তার সাথে কথা হলে সে ও বিষয় টি না করেন আর বলেন আমি সাংবাদিকের কাছে কামরুলের কথা বলিনি। সংবাদে উল্লেখিত মোঃ রেজাউল করিম বলেন সে কোন সাংবাদিকের সাথে কথা বলেননি এবং কোন বক্তব্য দেননি

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazartvsite-01713478536