সিরিজ জিততে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে

খেলাধুলা
শেয়ার করুন

বিসিবি সভাপতি তরুণদের প্রশংসা করে বলেন, ‘অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জেতার পর আমার মনে হয় তরুণদের বিশ্বাসটা আরও বেড়ে গেছে। ওরা এখন মাঠে নামেই জেতার জন্য, যার সঙ্গে হোক ভয় পায় না।’

‘আমাদের সমস্যাটা হচ্ছে, বেশিরভাগ সময়ে আমাদের যারা অভিজ্ঞ খেলোয়াড় আছে, তারাই ভালো পারফর্ম করে এবং ম্যাচ জিতে গেলে ওরা বাদে আর কে কি করল সেটা নিয়ে আমরা মাথা ঘামাই না। কিন্তু যখন হেরে যায়, তখন ওরা পারফর্ম করে অন্যরা পারফর্ম করেনি, নতুন যারা তুলনামূলক তরুণ, তখন এদের নিয়ে আমরা হুলস্থূল করি। আরেকটা দিক লক্ষণীয়, বহু ম্যাচ জয়ের পেছনে তরুণরা অবদান রেখেছে। হতে পারে তারা ম্যান অব দ্য ম্যাচ হতে পারেনি, কিন্তু তাদের অবদান ছিল না এটা খুব কম সময়ই হয়েছে।’

‘গত ৮ বছরে যদি খেলাগুলো দেখেন, সৌম্যর জন্য আমরা সাউথ আফ্রিকার সঙ্গে ম্যাচ জিতিনি? তখন তো চিন্তাই করা যেত না যে আমরা তাদের বিপক্ষে ম্যাচ জিতব। মুস্তাফিজ তো আমাদের অনেক ম্যাচ জিতিয়েছে, সেটা নিয়ে তো সন্দেহ নেই। শরিফুল কি আমাদের গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেনি? তাসকিন যে ফেরত এসেছে সেটা কী আমাদের জন্য ভালো না!’

‘নাসুমের কথা যদি বলি, আমাদের তো অভিজ্ঞ তাইজুল আছে, প্রম্নভেন মিরাজ আছে, তাও আমরা নাসুমকে খেলাচ্ছি। আমরা শেখ মেহেদীকে খেলাচ্ছি, আফিফ ধারাবাহিকভাবে ভালো করে আসছে। শামীম জিম্বাবুয়েতে ভালো খেলেছে।’

‘নতুন কেউ এসেই টানা ভালো করবে এটা তো প্রত্যাশা করাই উচিত না। আমাদের কিছু অভিজ্ঞ ক্রিকেটার আছে, যারা ২০০এর মতো ম্যাচ খেলে ফেলেছে। আমাদের যে টিমটা খেলছে, যদি এক এক করে দেখেন- সৌম্য, নাঈম, সাকিবের পর রিয়াদ, এরপর সোহান আছে, আফিফ আছে, আফিফের পর শামীম আছে। এই শামীম, আফিফ, নাঈম, মেহেদী- এরা তো এসব বড় খেলোয়াড়দের সামনে খেলা দূরে থাক, দেখা হয়েছে কিনা সন্দেহ। মিচেল স্টার্ক, হ্যাজেলউড, জাম্পা, ওদের টপ ক্লাস বোলার। প্রথমে নেমে সাহস করে খেলছে এটাই তো অনেক ব্যাপার।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *