লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর  করাল গ্রাসে মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামের পর গ্রাম

Uncategorized
শেয়ার করুন
সুমন ইসলাম বাবু, লালমনিরহাট :লালমনিরহাটের তিস্তা নদীর একটি বৃহত প্রকল্প অনুমোদন হওয়ার আশংকা রয়েছে ।  একনেকের নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় মন্ত্রী পরিষদের।  এর মধ্যে লালমনিরহাটের মানুষের বহু প্রতিক্ষীত তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নে নেয়া একটি বৃহত্তর প্রকল্প উত্থাপন করা হলে সেটিও অনুমোদন দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টিতে রয়েছে লালমনিরহাটের তিস্তা নদীর ড্রেজিং করার  সম্ভাবনা রয়েছে।
গোপন সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের উদ্যোগে প্রস্তাবিত প্রকল্পটির ‘লালমনিরহাট জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা  নদীর ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন’ লালমনিরহাটের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রতিক্ষিত দাবী তিস্তা নদীর বৃহত প্রকল্প বাস্তবায়ন করার জন্য বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করে মন্ত্রণালয়ে চিঠি চালানো শুরু করে দিয়েছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা  উত্তরে জনপদ লালমনিরহাটের অবহেলিত হওয়ায় সরকারের সুদৃষ্টি রয়েছে তিস্তা নদী ড্রেজিং করার ব্যাপারে।
 তিস্তার  পানির ন্যায্য হিস্যার ব্যাপারে ভারতের সাথে দীর্ঘদিন থেকে আলোচনা করে আসছে বাংলাদেশ তিস্তা নদীর ড্রেজিং করার ব্যাপারে ও অনুমোদন করে দেওয়ার বিষয়ে সরকারের যথেষ্ট আন্তরিকতা রয়েছে।
দেশি ও বিদেশি অর্থায়নে তিস্তা নদীর প্রকল্পর অনুমোদন করে দিলে লালমনিরহাট জেলার মানুষ তিস্তা নদীর দু’ধারে হাজার হাজার হেক্টর ফসলি জমিতে ফসল ফেলে লালমনিরহাটের চাহিদা মিটিয়ে ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কৃষি ফসল চাহিদা মিটিয়ে থাকবে, গড়ে উঠবে দু’ধারে পর্যটন এলাকা।
প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে গ্রামের পর গ্রাম নদী গভে বিলিন হয়ে যায়, হারিয়ে যায় মানচিত্র থেকে একের পর এক গ্রাম হাজার হাজার হেক্টর জমি প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে বাঁধ ভেঙে নদীতে হারিয়ে যায়,  করাল গ্রাসী তিস্তা নদী শত শত হেক্টর জমির মালিকেরা একে বারে নিঃস্ব হয়ে অন্যের জমিতে বাড়ি করে আছে।
সরকারের কাছে লালমনিরহাটের মানুষের প্রাণের স্পন্দন দাবী উঠেছে তিস্তা নদীতে বাঁধ ও জি ব্যাগ না দিয়ে একে বারে সমাধানের ব্যবস্থা করে দেয়া হোক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী ও বিশ্বনেত্রী শেখ হাসিনা সরকার।
 তিস্তা নদীর দু’ধারে ড্রেজিং করে দেয়া।  তিস্তা নদীর দু’ধারে বসবাস কারী সকলেরই একই দাবী করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে এ জেলার অপামর জনসাধারণের একটি স্থায়ীভাবে সমাধান সেটি হচ্ছে তিস্তা নদীর দু’ধারে ড্রেজিং এর ব্যবস্থার দাবীতে জেলাবাসী অনড়।
লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম জানান, তিস্তা নদীর দু’ধারে ড্রেজিং এটি একটি বড় ধরনের প্রকল্প কাজ করবে বাহিরের দেশ শুধু পানি উন্নয়ন বোর্ড সহযোগিতা করে যাবে। সরকার যত দ্রুত সম্ভব তিস্তা নদীর দু’ধারে ড্রেজিং এর কাজ শুরু করবে হাতিবান্ধা থেকে রংপুর পার হয়ে কাজ হবে তিস্তা নদীর।
তিস্তা নদী লালমনিরহাট জেলার তিস্তার করাল গ্রাস থেকে হাজার হাজার হেক্টর জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যাচ্ছে প্রতি বছর , নদী ভাঙন দেখা লালমনিরহাটের মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা।   লালমনিরহাট জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের স্পন্দন দাবী  হাতীবান্ধা উপজেলা ও কালীগঞ্জের। তিস্তা নদীর ড্রেজিং করা হলে ৪ উপজেলার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। কয়েক লক্ষ হেক্টর ফসলি জমি বেড়ে যাবে এবং দিন দিন ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটবে ওই এলাকার মানুষের।
 বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোর মধ্যে হচ্ছে ভ্রমন পিপাসুদের জন্য গড়ে তোলা হবে পর্যটন কেন্দ্র।
 অন্তত লালমনিরহাট জেলার ৫ টি উপজেলার প্রায় লক্ষাধিক মানুষেররা নতুন  এক জীবন ফিরে পাবে ও আবাদি জমি নদী ভাঙন থেকে রক্ষা পাবে। এ ছাড়াও অনাবাদি কয়েক লক্ষ হেক্টর জমি আবাদি জমিতে পরিণত হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *