চীনে ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের ব্যবহার

Uncategorized
শেয়ার করুন

বিশ্বের শীর্ষ স্বর্ণ ব্যবহারকারী দেশ চীন। গত বছর করোনা মহামারীর প্রভাবে দেশটিতে স্বর্ণের ব্যবহার ২০ শতাংশেরও নিচে নেমে গিয়েছিল। তবে চলতি বছরের প্রথমার্ধে মূল্যবান ধাতুটির ঊর্ধ্বমুখী ব্যবহার লক্ষ করা গেছে।

 

চায়না গোল্ড অ্যাসোসিয়েশন (সিজিএ) এক প্রতিবেদনে জানায়, গত বছর চীনে ৮২০ দশমিক ৯৮ টন স্বর্ণ ব্যবহার হয়েছিল। ২০১৯ সালের তুলনায় ওই বছর ধাতুটির ব্যবহার ১৮ দশমিক ১৩ শতাংশ বা ১৮১ দশমিক ৮ টন কমে যায়। স্বর্ণ ব্যবহার সংকুচিত হওয়া সত্ত্বেও ২০২০ সালে টানা আট বছরের মতো শীর্ষ স্বর্ণ ব্যবহারকারীর তকমা ধরে রাখে চীন।

 

সিজিএর প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ২০২০ সালে স্বর্ণের পাশাপাশি চীনে সব ধরনের অলংকার ব্যবহারও কমে যায়। ওই বছর দেশটিতে অলংকার ব্যবহারের পরিমাণ কমে ৪৯০ দশমিক ৫৮ টনে নেমে আসে, যা এর আগের বছরের তুলনায় ২৭ দশমিক ৪৫ শতাংশ কম। শিল্প খাতে ধাতুটির ব্যবহার ১৬ দশমিক ৮১ শতাংশ কমে যায়। তবে স্বর্ণের বার ও মুদ্রা বিক্রিতে ৯ দশমিক ২১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দেখা গিয়েছিল।

 

মূলত উত্তোলন কমে যাওয়ায় দেশটিতে স্বর্ণ ব্যবহারে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। যদিও ২০০৭ সাল থেকে স্বর্ণ উত্তোলনে বিশ্বের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে চীন। জলবায়ু দূষণ রোধ এবং মহামারীর প্রভাবে গত বছর দেশটির স্বর্ণ উত্তোলন বাধার মুখে পড়ে। ২০২০ সালে চীন ৩৬৫ দশমিক ৩৫ টন স্বর্ণ উত্তোলন করে, যা ২০১৯ সালের তুলনায় ৩ দশমিক ৯১ শতাংশ কম।

 

এদিকে চলতি বছরের প্রথমার্ধে ঘুরে দাঁড়িয়েছে চীনের স্বর্ণ ব্যবহার। জানুয়ারি-জুন পর্যন্ত দেশটি ৫৪৭ দশমিক ৫ টন স্বর্ণ ব্যবহার করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ব্যবহার বেড়েছে ৬৯ দশমিক ২১ শতাংশ। ২০১৯ সালের তুলনায় ব্যবহার বেড়েছে ৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

 

সিজিএ জানায়, গত বছরের প্রথমার্ধে স্বর্ণ উত্তোলন ধারাবাহিকভাবে কমতে শুরু করে। এ সময় স্বর্ণ উত্তোলন ১০ দশমিক ১৮ শতাংশ কমে ১৫২ দশমিক ৭৫ টনে নেমে আসে।

 

এদিকে চীনে করোনাকালীন সংকট কাটিয়ে আবারো বাড়তে শুরু করেছে স্বর্ণের চাহিদা। বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূরাজনীতিতে নাটকীয় কোনো পরিবর্তন দেখা না দিলে প্রাক-মহামারী ধারায় ফিরে আসবে মূল্যবান এ ধাতুর খাত। ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল এ পূর্বাভাস দিয়েছে। দেশটিতে গত বছরের প্রথম প্রান্তিকের তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে স্বর্ণের চাহিদা বেড়ে ২৮৬ দশমিক ৪

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *