আখাউড়া পৌরশহরের স্কুলছাত্রী জুঁইকে বাঁচাতে সাহায্যের আবেদন।

Al amin Islam
প্রকাশিত নভেম্বর ৬, ২০২১
আখাউড়া পৌরশহরের স্কুলছাত্রী জুঁইকে বাঁচাতে সাহায্যের আবেদন।
Spread the love

মো. আল আমিন:
মাত্র ৯ বছর বয়সের ছোট শিশু তানাজ ইসরাত জুঁই। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া পৌরশহরের নাসরীন নবী সরকারি প্রাথমীক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেনীর শিক্ষার্থী। এই বয়সে যার স্কুলে যাবার কথা, সমবয়সী এবং বাড়ির সবার সাথে খেলাধুলা করার কথা এখন তার বেশিরভাগ সময় কাটছে বিছানায়। প্রাণচঞ্চল ফুটফুটে এই শিশু দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত তার হার্টে ছিদ্র রয়েছে। তাকে প্রতি মাসে নিয়মিত ঔষধপত্র দিতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে জুঁইয়ের চিকিৎসা খরচ চালাতে গিয়ে সর্বস্বান্ত দরিদ্র রিক্সা চালক বাবা জাহাঙ্গীর আলম ।

শিশুটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া পৌর শহরের মসজিদ পাড়া এলাকার সুবেদার আফছা উদ্দিনের বাড়ির ভাড়াটিয়া। অর্থের অভাবে দরিদ্র পরিবারের শিশু জুঁইয়ের চিকিৎসা এখন বন্ধের উপক্রম। তার বাবা জাহাঙ্গীর আলম রিক্সা চালিয়ে যা আয় করেন তা দিয়ে সংসার চালানো দায়। কিন্তু মেয়ের হার্টের চিকিৎসা চালানোর কোন কিছু নেই এই হতভাগ্য বাবার। জুঁইকে নিয়ে কাটছে নির্ঘুম রাত। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন শিশুটির চিকিৎসায় ব্যয় হবে ৩ লাখ টাকা। তাই দরিদ্র বাবার পক্ষে চিকিৎসার এত ব্যয়বহন করা একেবারেই অসম্ভব।

জানা গেছে, জুঁইয়ে জ্বর ও বুকে ব্যাথা অনুভব হলে বিভিন্ন গ্রাম্য চিকিৎসকের দেয়া ঔষধ খেতো শিশুটি। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে দেখায় শিশুটির মা। বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে শিশুটির হার্টের ছিদ্র ধরা পরে।

জুঁইয়ের বাবা জাহাঙ্গীর আলম কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমি রিক্সা চালিয়ে যা আয় করি তা দিয়ে কোনরকমে সংসার চালাই তার উপর আমার একটি হাত ভাঙ্গা তাই কোন ভারি কাজও করতে পারি না, আমার একমাত্র মেয়ে জুঁই, আপনার আমার জুঁইকে বাঁচান।

কান্না জড়িত কন্ঠে শিশুটির মা জানান, আমার অবুঝ শিশুটার জন্য একটু সাহায্য করুন সবাই । বাচ্চার কষ্ট আমার আর সহ্য হচ্ছে না। এরপর কান্নায় ভেঙে পড়েন মা। শিশুটির চিকিৎসার খরচ জোগাতে সমাজের হৃদয়বান ও বিত্তশালী মানুষের সহায়তা চেয়েছেন তিনি। শিশুটিকে সাহায্য পাঠানোর জন্য সরাসরি পরিবারের  সাথে যোগাযোগ- ০১৭০৩-৫৫২৬৩৬, সোনালী ব্যাংক আখাউড়া শাখার সঞ্চয়ী হিসাব নাম্বার চম্পা-১৪০১৯০১০২০৬২০

শিশু জুঁই কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমি বাঁচতে চাই, আমাকে আপনারা বাঁচান।