শিরোনাম
রাজধানীতে ঢুকছে বন্যার পানি সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহার বুকে–পিঠে ছিল জখমের দাগ আদমদীঘিতে ছুরিকাঘাতে কিশোর খুন সবুজ আন্দোলন ছাত্রফ্রন্টের রাজশাহী বিভাগের সমন্বয়কারী নির্বাচিত নেহাল আহমেদ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দোকানপাট ভাংঙ্গচোর আহত ৪ গ্রেফতার ৪ সান্তাহারে দৈনিক জনকন্ঠের সাংবাদিক হারেজের মাতার ইন্তেকাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর সুলতানপুরে মালবাহী ট্রাক ও সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে সিএনজি চালক নিহত। সাংবাদিক নেহাল আহম্মেদ জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য পদ লাভ করায় চ্যানেল২৬ এর চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামের শুভেচ্ছা করোনায় দেড় হাজার সাংবাদিককে দেয়া হচ্ছে অনুদান: তথ্যমন্ত্রী জাহাজের ধাক্কায় বুড়িগঙ্গা সেতুতে ফাটল, যান চলাচল সীমিত

আকলিমা রশীদ ঢালীপিংকী , কসবা প্রতিনিধি,ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে ফেসবুকে লেখা আর রাস্তাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের পরিকল্পিত হামলায় জিলানীর বাড়িঘর দোকানপাট ভাংঙ্গচোর-আহত ৪,ধানায় মামলা গ্রেফতার-৪ সংবাদ পাওয়া যায়।
ঘটনা প্রকাশ,ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের দুরুইল গ্রামে দীর্ঘদিন থেকে দুই পক্ষের মাঝে বিরোধ চলমান রয়েছে বলে গ্রামবাসী জানান। এর জের ধরে একই গ্রামের মোবারক হোসেন মানিকের নেতৃতে সোলেমান মিয়ার পুত্র শাহীন আল মামুন লাঠিয়াল বাহিনীর গ্রামে চরম উওেজনা বিরাজ করছে বলে গ্রামের উওর পাড়ার লোকজন তাও জানান।
মোবারক হোসেন মানিকের জনবল,লাঠি বল,অর্থবলে গ্রামের সাধারণ মানুষকে মানুষ বলে মনে না করে যখন যা মনে চায় তাই করেন বলে ক্ষতিগ্রস্থরা তাও জানান। তাদের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না বলেও জানান। মোবারক হোসেন মানিক এর নেতৃত্বে একদল যুবক ফেসবুকে মিথ্যা কাল্পনিক কথা লিখে গ্রামে অপ প্রচারসহ জমি জমা দখল করার বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে।
গত ৮ জুলাই দিনের প্রায় সাড়ে তিনটায় ফেসবুকে লেখা আর রাস্তার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোবারক হোসেন মানিকের হুকুমে শাহীন আলম মামুনসহ ৩০/৪০জন দাঙ্গাবাজ হাতে রাম দা,রড,হকস্টীক লাঠি সোটা নিয়ে একই গ্রামের উওর পাড়ার মৃত মিরণ মিয়ার পুত্র জিলানীর বাড়ি ঘর দোকান পাটে ফিম্মিটাইলে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতিসাধনসহ লুটপাট করার অভিযোগ উঠেছে।
তাদের ফিম্মিটাইলের হামলায় মো: চুনি মিয়া (৭৫),মোছাম্মদ সুলতানা বেগম(৩৫), জুলেখা বেগম(২৪), মো:বাবুল মিয়া(৩২)সহ ৪জন গুরুত্বর অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে মামলা বাদী মো: জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান। এর মধ্যে মো: চুনি মিয়া ও মোছাম্মদ সুলতানা বেগম কুমিল্লা মেডিক্যাল হাসপাতালে আস্কজনক অবস্থায় আছেন।
এই ঘটনায় শাহীন আলম মামুন (৩০), উজ্জল মিয়া (৪০),রমজান (২৫) ,রাসেল(২৫)সহ ১৫জনকে আসামী করে কসবা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। কসবা থানা মামলা নং-১৯। ঘটনার সংবাদ পেয়ে কসবা থানা পুলিশ ব্যাপক তৎপরতা অব্যাহত চালিয়ে ঐদিনই দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রসহ শাহীন আলম মামুন, উজ্জল মিয়া,রমজান ও রাসেলকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতদেরকে ৯ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন। মামলার তদন্ত র্কমর্কতা কসবা থানার এস আই মো:আনোয়ার হোসেন গ্রেফতারের সততা স্বীকার করেন এবং অন্য আসামীদেরকে গ্রেফতারের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন বলে সাংবাদিকদেরকে জানান। ক্ষতিগ্রস্থরা ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক ও হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিকের নির্দেশে লাঠিয়াল শাহীন আলম মামুন,উজ্জল,ফরহাদ,জামাল,সুমন,মশিউর রহমান রাঙ্গা,সমুন মিয়া গংদের কবল থেকে গ্রামের সাধারণ মানুষকে রক্ষা করতে আইনমন্ত্রীর কাছে ন্যায়বিচার দাবী করছেন।
অপর দিকে দায়েরকৃত মামলা তুলে না নিলে মামলার বাদী ও তার পরিবারের সদস্যসহ স্বাক্ষীদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে ঘটনার অন্তরালে মূল নায়ক হুকুমদাতা মোবারক হোসেন মানিক সহ তার লোকজন বলে মামলার বাদী জিলানী সাংবাদিকদেরকে জানান।
দিন দুপুরে লাঠিয়ালবাহিনীর দল নেতা শাহীন আলম মামুনসহ তার সঙ্গবদ্ধ দল রাম দা,লৌহার রড,মহকস্টিক নিয়ে প্রকাশ্য হামলাসহ বাড়ি ঘর দোকানপাটে তাগুব চালানোর ঘটনাটি নিন্দাজ্ঞাপন করে গ্রামের সচেতনমহল ন্যায় বিচার দাবী করেছেন আইনমন্ত্রীর কাছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দোকানপাট ভাংঙ্গচোর আহত ৪ গ্রেফতার ৪

Calendar

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

Our Visitor

0009713
Visit Today : 14
Visit Yesterday : 25
Total Visit : 9713
Total Hits : 11909

সম্পাদকীয়

লিয়াকত হোসেন রাজশাহী :পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে আগামী সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে গত ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ আছে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দেশব্যাপী লকডাউনে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বাসায় অবস্থান করছে। তাদের অভিভাবকদের আয় উপার্জনও বন্ধ। অভাবের তাড়নায় পবিত্র রমজানে দু’বেলা ভাল খাবার জোগাতেই হিমসিম খাচ্ছে।এরমধ্যে সন্তানের প্রাতিষ্ঠানিক খরচের দিকে নজর– দরিদ্র বাবার আত্মহত্যা ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না।
ইতোমধ্যে কপালে ভাজ ফেলা তথ্য দিয়েছে জাতিসংঘের খাদ্য সহায়তা দানকারী শাখা ডব্লিউএফপি। করোনা ভাইরাস মহামারীতে খাদ্যের অভাবেই বিশ্বের প্রায় ৩ কোটি মানুষ প্রাণ হারাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। অর্থনীতি সচল রেখে ভারসাম্যপূর্ণভাবে কোভিড-১৯ মোকাবিলার আহবান জানিয়েছেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ডেভিজ বিজলে। তিনি বলেন, ‘বিশ্বনেতাদের অর্থনীতি সচল রেখে একটি ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থায় কোভিড-১৯ মোকাবিলা করতে হবে। অন্যথায়  কোভিড-১৯ এর চেয়ে বেশি সংখ্যক লোক মারা যাবে অর্থনৈতিক অবনতি ও অনাহারে।’
বাংলাদেশের অবস্থা খুব ভাল বলার অবকাশ রাখে না। ইতোমধ্যে দেশের কৃষিতে প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। আবাদি ফসল ঘরে তুলতেই পারছেন না কৃষকরা। উত্তরবঙ্গের অন্যতম জীবিকা নির্বাহী ফসল পান রপ্তানি করতে না পারায় পথে বসতে যাচ্ছেন অর্ধ লাখ পানচাষী। উত্তরের জেলা রাজশাহীর মোহনপুরেই পানচাষী ১৩ সহস্রাধিক। এখানকার ১৫ হাজারের ওপরে পানবরজের পান রপ্তানি সম্পূর্ণ বন্ধ। যেসব পান ভারত, পাকিস্তান, লিবিয়া, সৌদিআরব, বাহরাইন, যুক্তরাজ্য, ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানিসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হয়। যা সম্পূর্ণ বন্ধ হওয়ায় পান নির্ভর পরিবারগুলোতে ঘোর অমানিশা নামতে যাচ্ছে।
দেশে রমজান কিংবা দুর্যোগে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি নতুন কিছু নয়। সিন্ডিকেটের কালোবাজারির থাবায় ইফতার সামগ্রী কিনতে গিয়েও কয়েকবার ভাবতে হয় পরবর্তী রাতে সেহরির খাবার আছে কিনা। কৃষকের নুন আনতে পান্তা ফুরাচ্ছে। শ্রমিক-দিনমজুররা তো আরও মহাসংকটে। গার্মেন্টস কারখানার মালিকদের নাটকীয় সিদ্ধান্তে উভয়সংকটে শ্রমিকরা। খুলে দেয়ার সিদ্ধান্তে চাকরী বাঁচানোর তাগিদে কধর্মক্ষেত্র ‘বেগার’ খাটতে যেতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। মাস শেষে পারিশ্রমিক পেলেও স্বস্তির ঢেকুর ফেলতে পারতেন। তাও নেই। আর কারখানা বন্ধ থাকলে তো পাবেনই না।
দীর্ঘসময় গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকায় পরিবহণ শ্রমিকরাও কোণঠাসা হয়ে পরেছে।
এসব প্রতিবন্ধকতার মধ্যে সন্তানের প্রাতিষ্ঠানিক খরচ যোগাবেন কিভাবে? আর সন্তানের ফি পরিশোধ করলে সাংসারিক ব্যয়ভার বহন করবে কে? নিশ্চয় চেয়ারম্যান-মেম্বার নয়। স্থানীয় সাংসদের দর্শনও পাবেন না। তাকেই সব সামলাতে হবে। এরপর পরিবার নিয়ে বেঁচেও থাকতে হবে?
দেশের মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্তরা নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন টাকার চিন্তায়। বুক ফাটলেও মুখ ফুটে বলতে পারছেন না। এই কঠিন পরিস্থিতির ধাক্কা সামলাতে অনতিবিলম্বে সরকারকেই কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে। জাতিসংঘের ভয়ঙ্কর আশঙ্কার প্রভাব থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত রাখতে সরকারের শক্ত অবস্থানের বিকল্প নেই। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জনগণকে ঘরে রাখতে সরকার কার্যকরী ভূমিকা পালন করেছে। এবার খাদ্যাভাবে প্রাণহানি রোধে সরকারকে আন্তরিক হতে হবে।
তা হলো- দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ছাত্রাবাসের সব ধরনের ফি মওকুফ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা প্রদান করা। গত এপ্রিল থেকে আগামী সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফি মওকুফের ঘোষণা এবং এমন নির্দেশনা কার্যকর নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জনবান্ধব সিদ্ধান্ত হবে। মুজিববর্ষে সরকারের এমন যুগান্তকারী পদক্ষেপে দেশের ছাত্রসমাজ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে পিছপা হবে না। সময়োপযোগী নির্দেশনায় স্বস্তির শ্বাস ফেলে সাধারণ জনতাও সরকারকে সাধুবাদ জানাবে। তাই সরকারীভাবে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফি মওকুফের নির্দেশনা প্রদান করা হোক।

সাংসদ আক্রান্ত,নওগাঁয় ২ এমপি, ডিসি, এসপিসহ ৬ জন কোয়ারেন্টাইনে

আরো সংবাদ.

themesbazartvsite-01713478536
Top