শিরোনাম
যুবলীগের নেতা পরিচয়ে মাদক ব্যাবসা পুলিশের হাতে ইয়াবা সহ আটক ২, পালাতক ১ বিপিয়ানদের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপন কর্মসুচি উৎযাপন। ওজোন স্তর সুরক্ষার মন্ট্রিয়াল চুক্তি মানছে না প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলো : বাপ্পি সরদার আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেলওয়ে প্রকল্প কাজ মার্চের মধ্যে শেষ হবে ’রেলপথমন্ত্রী। কবি নজরুল কলেজ ছাত্রদল সভাপতি রিন্টু গ্রেফতার বগুড়ার সান্তাহারে গ্যাস সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক জব্দ করলেন ইউএনও করোনায় চলাচলে নতুন করে ৪ নির্দেশনা প্রণব মুখার্জির মৃত্যুতে বাংলাদেশে বুধবার রাষ্ট্রীয় শোক সিনহা হত্যা: স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির পর কারাগারে এসআই নন্দ দুলাল মঙ্গলবার থেকে মাস্ক পরাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি না মানলে কঠোর ব্যবস্থা

বুলবুল আহমেদ নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের মালগুদাম এলাকা থেকে সিএনজি সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক জব্দ করেছেন আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার। সান্তাহার পৌর শহরের উম্মুক্ত জায়গায় ঝুকিঁপূর্ন ভাবে পাইপের মাধ্যমে গ্যাস কেনাবেচা হচ্ছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্লাহ বিন রশিদ সোমবার ভোরে সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় অবৈধ ভাবে গ্যাস বিক্রির সাথে জড়িত ব্যক্তিরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়।
অবৈধ ভাবে গ্যাস বিক্রি বন্ধের জন্য গত ৫ সেপ্টেম্বর আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সান্তাহার মালগুদাম এলাকার ব্যবসায়ি ও পরিবহন শ্রমিক সংগঠন। অভিযোগে জানা যায়, সান্তাহার পৌর এলাকার মিজানুর রহমান দীর্ঘ দিন ধরে গভীর রাতে ট্রাকে সিলিন্ডার রেখে বিভিন্ন যানবাহনে অবৈধ ভাবে গ্যাস বিক্রি করে আসছেন। বগুড়ার সিএনজি ষ্টেশন থেকে ট্রাকে করে গ্যাস সিলিন্ডার আনা হয়। একটি ট্রাকে বড় আকারের ২০ থেকে ৩০ টি সিলিন্ডার থাকে। শহর মানুষ শুন্য হলে গভীর রাতে ট্রাকের সিলিন্ডার থেকে পাইপের মাধ্যমে সিএনজি, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাসসহ অন্যান্য যানবাহনে গ্যাস বিক্রি হয়। দুরত্ব ও খরচ এড়াতে যানবাহনের মালিকরা ট্রাক থেকে গ্যাস সংগ্রহ করে থাকেন। সান্তাহার শহরের ব্যবসায়ি ও পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের অভিযোগের ভিত্তিতে আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্লাহ বিন রশিদ সোমবার ভোরে অভিযান পরিচালনা করে ১২টি গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার সহ একটি ট্রাক জব্দ করেন। এ ব্যাপারে আদমদীঘি ইউএনও আবদুল্লাহ বিন রশিদ জানান, ট্রাকসহ সিলিন্ডার থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি বগুড়া পরিবেশ অধিদপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে।

বগুড়ার সান্তাহারে গ্যাস সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক জব্দ করলেন ইউএনও

অপরাধ দুর্ণীতি

বুলবুল আহমেদ নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের মালগুদাম এলাকা থেকে সিএনজি সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক জব্দ করেছেন আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার। সান্তাহার পৌর শহরের উম্মুক্ত জায়গায় ঝুকিঁপূর্ন ভাবে পাইপের মাধ্যমে গ্যাস কেনাবেচা হচ্ছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্লাহ বিন রশিদ সোমবার ভোরে সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় অবৈধ ভাবে গ্যাস বিক্রির সাথে জড়িত ব্যক্তিরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়।
অবৈধ ভাবে গ্যাস বিক্রি বন্ধের জন্য গত ৫ সেপ্টেম্বর আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সান্তাহার মালগুদাম এলাকার ব্যবসায়ি ও পরিবহন শ্রমিক সংগঠন। অভিযোগে জানা যায়, সান্তাহার পৌর এলাকার মিজানুর রহমান দীর্ঘ দিন ধরে গভীর রাতে ট্রাকে সিলিন্ডার রেখে বিভিন্ন যানবাহনে অবৈধ ভাবে গ্যাস বিক্রি করে আসছেন। বগুড়ার সিএনজি ষ্টেশন থেকে ট্রাকে করে গ্যাস সিলিন্ডার আনা হয়। একটি ট্রাকে বড় আকারের ২০ থেকে ৩০ টি সিলিন্ডার থাকে। শহর মানুষ শুন্য হলে গভীর রাতে ট্রাকের সিলিন্ডার থেকে পাইপের মাধ্যমে সিএনজি, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাসসহ অন্যান্য যানবাহনে গ্যাস বিক্রি হয়। দুরত্ব ও খরচ এড়াতে যানবাহনের মালিকরা ট্রাক থেকে গ্যাস সংগ্রহ করে থাকেন। সান্তাহার শহরের ব্যবসায়ি ও পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের অভিযোগের ভিত্তিতে আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্লাহ বিন রশিদ সোমবার ভোরে অভিযান পরিচালনা করে ১২টি গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার সহ একটি ট্রাক জব্দ করেন। এ ব্যাপারে আদমদীঘি ইউএনও আবদুল্লাহ বিন রশিদ জানান, ট্রাকসহ সিলিন্ডার থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি বগুড়া পরিবেশ অধিদপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে।

বগুড়ার সান্তাহারে গ্যাস সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক জব্দ করলেন ইউএনও

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর সৈয়দপুরে ট্রলির সাথে মোটর সাইকেলের মুখোমুখী সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে মোটর সাইকেলের চালক নিহত হয়েছে।  তার নাম সুমন মোহাম্মদ তুষার (৩৫)। তিনি দিনাজপুরের পার্বতীপুরের গুলপাড়ার জুলফিকার আলীর পুত্র। পার্বতীপুর স্টেশনে বাংলাদেশ রেলওয়ের সহকারী লোকোমাস্টার (সহকারী ট্রেন চালক) হিসেবে কর্মরত।
পুলিশ জানায়, ১৬ আগস্ট  রোববার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে মোটর সাইকেল যোগে সৈয়দপুর থেকে পার্বতীপুরে যাওয়ার সময় সৈয়দপুর উপজেলার সীমানা এলাকার চৌমুহনী বাজারে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রলির সাথে মুখোমুখী সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে মারা যায় সুমন।
এ সময় মোটরসাইকেলে থাকা বোন ও ভাগিনী গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা আহতদের সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করায়।৷

সৈয়দপুরে ট্রলি-মোটরসাইকেল মুখোমুখী সংঘর্ষে সহকারী লোকো মাস্টার সুমন নিহত

 সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আতাউর রহমানের নামে থাকা বয়স্ক ভাতার কার্ডটি বাতিল করেছে উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর। ওই কার্ডটি একজন প্রকৃত দুস্থের নামে করে দেওয়ার পাশাপাশি গত এক বছরে ওই কার্ডের বিপরীতে তোলা ভাতার টাকাও ইউপি সদস্যের থেকে ফেরত নিয়ে দুস্থকে প্রদান করা হয়েছে।
ইউপি সদস্য মোঃ আতাউর রহমান অনিয়ম করে নিজের নামে ২০১৯-২০২০ ইং অর্থবছরের বয়স্ক ভাতা কার্ড ইস্যু করে এক বছর ধরে ভাতা উত্তোলন করে আসছিলেন। এ নিয়ে সাংবাদিক শাহজাহান আলী মনন ও জাকির হোসেন বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টাল সহ দৈনিক পত্রিকায় “সৈয়দপুরে রানিং ইউপি মেম্বার পাচ্ছেন বয়স্কভাতা” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে। এর প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সত্যতা পেয়ে সৈয়দপুর উপজেলা সমাজসেবা অফিসের দূর্নীতিবাজ ইউনিয়ন সমাজকর্মী মোঃ শাহজাহান কে কারন দর্শানোর নোটিশ প্রদান করে। পরে
গত ১৬ আগষ্ট বোববার বিকেলে উপজেলা পরিষদে কামারপুকুর ইউপির বাসিন্দা দিনমজুর মোঃ আবদুর রহমানের হাতে ওই বয়স্ক ভাতার কার্ড তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ নাসিম আহমেদ। এ সময় উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা হাওয়া খাতুন উপস্থিত ছিলেন।
সমাজসেবা কর্মকর্তা হাওয়া খাতুন বলেন, তদন্ত করে ওই ইউপি সদস্যের নামে বরাদ্দ করা বয়স্ক ভাতার কার্ড ইস্যু ও টাকা উত্তোলনের সত্যতা মিলেছে। তারপর পরই সেই কার্ড বাতিল করে উত্তোলিত টাকাসহ একজন প্রকৃত দুস্থের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন সমাজকর্মী ও সেই ইউপি সদস্যের কাছে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ নাসিম আহমেদ বলেন, বয়স্ক ভাতার কার্ড দুস্থ বয়স্করা পাবেন এটা স্বাভাবিক। কিন্তু ইউনিয়ন মেম্বার পাচ্ছেন তা জানার পর পরই সাথে সাথে তা বাতিল করে দুস্থদের দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, ইতোপূর্বে সৈয়দপুর উপজেলা সমাজসেবা অফিসের অপর কর্মচারী পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত মোঃ টুটুলের সাথে যোগ সাজশে পৌর মহিলা কাউন্সিলর কনিকা রানী কর্তৃক মৃত ব্যাক্তিকে জীবিত দেখিয়ে ভাতা উত্তোলনের সংবাদ প্রকাশ করে উক্ত দুই সাংবাদিক। এ ঘটনায় পৌর পরিষদের এক জরুরি সভায় তদন্ত কমিটি গঠন করেন পৌর মেয়র অধ্যক্ষ মোঃ আমজাদ হোসেন সরকার। কিন্তু আজও সে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ বা অনিয়মের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

ফলোআপঃ সৈয়দপুরের সেই ইউপি সদস্যের নামে বয়স্ক ভাতার কার্ড বাতিল করে দুস্থকে প্রদান

নীলফামারীর সৈয়দপুরে ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেয়া ভিজিএফ’র চাল আত্মসাত ও স্লিপ পুড়িয়ে ফেলার ঘটনা ধামাচাপা দিতে গোপনে সংবাদ সম্মেলন করেছে ইউপি চেয়ারম্যান। ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটির প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের কাছে পৌঁছার আগেই তদন্তের ফলাফল নিয়ে মন্তব্য করে অভিযোগ মিথ্যে বলে বক্তব্য দিয়ে বিষয়টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহের অপচেষ্টা করা হয়েছে। এমন অভিযোগ উঠেছে চেয়ারম্যান ও  তদন্ত কমিটিসহ প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এটাকে তুষ দিয়ে আগুন ঢাকার অপচেষ্টা বলে গুন্জন উঠেছে সচেতন মহলে। সে সাথে যথাসময়ে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে গড়িমসির অভিযোগও তুলেছে কেউ কেউ। কারন তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য সম্পর্কে তদন্ত কমিটির প্রধান ও সদস্যরাসহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সংবাদকর্মীসহ কোন পক্ষের কাছেই মুখ খুলতে অস্বীকৃতি জানালেও চেয়ারম্যান কিভাবে সে সম্পর্কে আগাম মতামত ব্যক্ত করেছেন সংবাদ সম্মেলনে। তাই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে উপজেলা জুড়ে।
জানা যায়, গত ২৯ জুলাই বুধবার সকালে উপজেলার কাশিরাম বেলপুকুর ইউনিয়নে ভিজিএফ’র চাল তুলতে গিয়ে চাল না পেয়ে বিক্ষোভ করে প্রায় সহস্রাধিক স্লিপধারী হতদরিদ্র মানুষ। এসময় তাদের চাল নেই বলে চলে যেতে বলে চেয়ারম্যান মোঃ এনামুল হক চৌধুরী ও ইউপি সচিব মোঃ রহিদুল ইসলাম । তাদের মধ্যে অনেকের স্লিপ তুলে নিয়ে পরে চাল বা টাকা দেয়া হবে বলে পুড়িয়ে ফেলা হয় স্লিপ।  এতে উপস্থিত জনগন উত্তেজিত হয়ে উঠলে পরিস্থিতি সামাল দিতে খবর পেয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা উপস্থিত হন। এসময় চাল না পেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষারত মানুষেরা অভিযোগ করেন যে চেয়ারম্যান ও সচিব চাল বিতরণে নিয়োজিত ট্যাগ অফিসার উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোহাম্মদ মশিউর রহমানের সমঝোতায় চাল বিক্রি করে দিয়েছেন। তাই স্লিপ প্রাপ্তদের চাল দিতে পারছেন না। তাই তারা গরীব মানুষগুলোর কাছ থেকে স্লিপ নিয়ে পুড়িয়ে ফেলেছেন।
এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আবু হাসনাত সরকারের মধ্যস্থতায় চেয়ারম্যান ২৫০ জন স্লিপধারী চাল পায়নি স্বীকার করে পরের দিন চাল দেয়ার আস্বাস দেন। সে অনুযায়ী পরেরদিন ২৫০ জন কে বাজার থেকে ক্রয় করা চাল দেয়া হয়। তারপরও প্রায় শতাধিক স্লিপধারী আজও চাল পায়নি।
এঘটনার প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার চাল আত্মসাৎ ও স্লিপ পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগ তদন্তের জন্য ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেন। এতে প্রধান করা হয় উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ রাসেদুল হক। সদস্য ছিলেন উপজেলা বিআরডিবি অফিসার আল মিজানুর রহমান ও উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান। তিন কর্ম দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয় কমিটিকে।
এ তদন্ত কমিটির প্রধান ডাঃ রাসেদুল হক জানান, গত ৫ আগস্ট তারা তদন্ত প্রতিবেদন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে হস্তান্তর করেছেন। তদন্ত সম্পর্কে কোন তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা যথাযথভাবে তদন্ত করেছি এবং প্রতিবেদনে তা উল্লেখ করেছি। এ ব্যাপারে কোন কিছুই বলার ইখতিয়ার আমাদের নাই। চেয়ারময়ান সংবাদ সম্মেলনে এ ব্যপারে কোন মন্তব্য করে থাকলে তা অনুমান নির্ভর। কেননা এ সম্পর্কে কেউই কিছু জানার কথা নয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নাসিম আহমেদ গত ১০ জুলাই জানান, বৃহস্পতিবারই (৬ জুলাই) সিলগালা প্যাকেট করে প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে। প্রতিবেদনের তথ্য বিষয়ে তিনিও কোন মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। কেউ তদন্ত রিপোর্ট সম্পর্কে আগাম মন্তব্য করে থাকলে তা তাদের ব্যাপার। তিনি বলেন প্রতিবেদন অনুযায়ী জেলা প্রশাসক পরবর্তী পদক্ষেপ নিবেন।
এদিকে জেলা প্রশাসক গত ১০ জুলাইও প্রতিবেদন পাননি বলে জানা যায়। কিন্তু তার আগেই গত ৯ জুলাই গোপনে গুটি কয়েকজন সংবাদকর্মী নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন অভিযুক্ত চেয়ারম্যান মোঃ এনামুল হক চৌধুরী। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ আখতার হোসেন বাদল। এতে চেয়ারম্যান তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সত্য নয় এবং তদন্ত কমিটিও কোন অনিয়ম বা দূর্নীতির তথ্য পায়নি বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন ইউনিয়নের ৭টি এতিমখানা ও মাদরাসায় চাল দেয়ার কারনে সংকট সৃষ্টি হয়। তাই মাত্র ২৫০ জন স্লিপধারী চাল পায়নি প্রথম দিন। পরের দিন চাল কিনে তাদেরকে দেয়া হয়েছে তদন্ত কমিটির উপস্থিতিতেই।প্রশ্ন উঠেছে চেয়ারম্যান কীভাবে নিশ্চিত হয়েছেন যে, তদন্ত কমিটি কোন অনিয়মের তথ্য পায়নি। তবে কি তদন্তের সাথে সম্পৃক্ত কেউ তাকে প্রতিবেদনের তথ্য সরবরাহ করেছে। তাই সে বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রবাহের জন্য চাপ সৃষ্টি করা বা প্রকৃত সত্যকে আড়াল করতে সংবাদ সম্মেলনের নামে ধামাচাপার চেষ্টা করেছেন।
উল্লেখ্য, কাশিরাম বেলপুকুর ইউনিয়নে মাত্র চারটি এতিমখানা ও মাদরাসা রয়েছে।  অথচ চেয়ারম্যান বলেছেন ৭টিতে তিনি চাল দিয়েছেন। ভিজিএফ’র চাল প্রতিষ্ঠান বা সংস্থায় দেয়ার কোন নিয়ম নাই। এ চাল শুধুমাত্র ব্যক্তি পর্যায়ে বিতরণ করার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। এখানেও অনিয়ম ও মিথ্যেচার করা হয়েছে।
তাছাড়া ট্যাগ অফিসার মোহাম্মদ মশিউর রহমান বলেছেন, ঘটনার দিন তিনি ইউনিয়ন পরিষদে যাওয়ার আগেই চেয়ারম্যান ও সচিবসহ লোকজন চাল দেয়া শুরু করেন। কিছু লোককে দেয়ার পর দেখা যায় লোকজনের উপস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পর্যাপ্ত চালের মজুদ ছিলনা। এতে স্লিপধারী প্রায় ৪শ’ মানুষ চাল না পেয়ে উত্তেজিত হয়ে উঠে। অথচ চাল দেয়া হয়েছে মাত্র ২৫০ জনকে। বাকিরা এখনও চাল পায়নি। এই চাল না পাওয়া ৮ জন ব্যাক্তি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাল আত্মসাতের লিখিত অভিযোগ করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে।

সৈয়দপুরে কাশিরাম ইউপি চেয়ারম্যানের ভিজিএফ’র চাল আত্মসাতের ঘটনা ধামাচাপা দিতে গোপনে সংবাদ সম্মেলন

নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায় রানিং ইউপি মেম্বার পাচ্ছেন বয়স্কভাতা। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নে। উপজেলা সমাজসেবা অফিসকে ম্যানেজ করে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে বয়স্কভাতা কার্ড করেছেন ওই ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড মেম্বার। যার প্রথম কিস্তির টাকা গত ঈদুল আজহার সময় উত্তোলন করেছেন তিনি। একজন সরকারী সুবিধাভোগী ব্যক্তি হয়েও আবারও সরকারী ভাতা আত্মসাৎ করতে এমনটা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে ইউনিয়নসহ পুরো উপজেলায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং সমাজ সেবা অফিসের নানা অনিয়ম নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা চলছে।
জানা যায়, কামারপুকুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ আতাউর রহমান। নিজবাড়ী গ্রামের মৃত জবান উদ্দিনের ছেলে। তিনি চলতি বছরের প্রথম দিকে ইউনিয়ন পর্যায়ে বয়স্কভাতা প্রদানের জন্য উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক চলমান জরিপের সময় তার নাম অন্তর্ভূক্ত করেন তালিকায়। যা ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ কেউই সে সময় জানতে পারেননি। সে অনুযায়ী পরবর্তিতে তার নামে কার্ড ইস্যু করে সমাজসেবা অফিস। এক্ষেত্রে বয়স্কভাতা প্রাপ্তির নিয়মাবলী অনুযায়ী তিনি রানিং মেম্বার হিসেবে সরকারী ভাতা তথা সম্মানী প্রাপ্তির সাথে সাথে অন্য কোন সরকারী সুবিধা ভোগী হতে পারবেন না এ বিষয়টিকে তোয়াক্কা করেনি সংশ্লিষ্ট দপ্তর। বরং এ বিষয়টিকে পুঁজি করে উপজেলা সমাজ সেবা অফিসের কামারপুকুর ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউনিয়ন সমাজকর্মী মোঃ শাহজাহান আলী ওই মেম্বার কে কার্ড করে দেয়ার বিনিময়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। শাহজাহান আলীর সহযোগিতায় বিষয়টি ধামাচাপা দেয়া হয়।
পরবর্তীতে ভাতার টাকা উত্তোলনের সময় ইউনিয়নের অন্যান্য বয়স্কভাতাভোগীরা বিষয়টি আঁচ করতে পারে এবং সেসময় তা জনসম্মুখে আসে। এক পর্যায়ে তা চাউর হয়ে যায়। সর্বত্র আলোচনা শুরু হয় যে মেম্বার ভাতা প্রাপ্তির যোগ্যতা যাচাই বাছাই করবেন তিনিই কি না সম্পূর্ণ অবৈধভাবে নিজের নামে বয়স্ক ভাতার কার্ড করেছেন। তাও আবার টাকার বিনিময়ে সমাজ সেবা অফিসকে ম্যানেজ করে। যা একজন দরিদ্র বয়স্ক মানুষ যদি এই কার্ডটা পেতো তাহলে তিনি উপকৃত হতেন। যা বিভিন্ন ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রে সরকারের উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। কিন্তু তিনি তা না করে উল্টো নিজেই জনগণের হক মেরে খেয়েছেন।
সৈয়দপুর উপজেলা সমাজ সেবা অফিসে এভাবে বিভিন্ন ভাতার কার্ড করে দেয়ার নামে চলছে টাকার খেলা। টাকা দিতে পারলে যোগ্য না হয়েও পাচ্ছেন ভাতা কার্ড। আর টাকা দিতে না পারলে উপযুক্ত হয়েও বঞ্চিত হচ্ছেন প্রকৃত দরিদ্র ও বয়স্করা। যার সুবিধা নিচ্ছেন দালাল শ্রেনির কতিপয় বহিরাগতসহ ওই অফিসের কয়েকজন কর্মচারী। যারা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তৈরী তালিকা অনুযায়ী আগামীতে ভাতা প্রাপ্তির জন্য নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন এমন ব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগ করে অর্থের বিনিময়ে নয়ছয় করে চলেছেন। যা তদন্ত করলে আরও অনেক তথ্য বেড়িয়ে আসবে বলে মনে করেন সচেতন মহল।
এ ব্যাপারে কথা হয় ৯ নং ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ আতাউর রহমানের সাথে। তিনি বলেন, বয়সের দিক থেকে ভাতা প্রাপ্তির যোগ্য হওয়ায় আমার ভাতা কার্ড হয়েছে। যার বই নং ১৪১৪, হিসাব নং ১১৬৮। যাতে জন্ম তারিখ দেখানো হয়েছে ১২ জুন ১৯৫২ খ্রীষ্টাব্দ। রানিং মেম্বার থাকা অবস্থায় আপনি কি অন্য কোন সরকারী সুবিধা বা ভাতা নিতে পারেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মেম্বারী আর কয় দিন আছে। আগামী নির্বাচনে আমি মেম্বার হতে পারবো এমন গ্যারান্টিও নাই। তাই কার্ডটা করে নিয়েছি।
কামারপুকুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ রেজাউল করিম লোকমান বলেন, মেম্বারের বয়স্কভাতা কার্ড করার বিষয়টি আমি জানতাম না। তিনি কিভাবে এমন কাজ করলেন তা আমার চিন্তায় আসছেনা। তিনি বলেন, আমার জানা মতে একজন রানিং মেম্বার কোনভাবেই সরকারী অন্যকোন সুবিধা নিতে পারেন না। তবে এ বিষয়টি দেখার দায়িত্ব উপজেলা সমাজ সেবা অফিসের। কেননা এখন সরাসরি ওই অফিস কর্তৃক অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তালিকা তৈরী করা হয় জরিপের মাধ্যমে। এটা সার্বিকভাবে তদারকি করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারীরা। কিন্তু সম্ভবত তারা বিষয়টি যাচাই বাছাই করেন নি বা করে থাকলেও অনৈতিক সুবিধা নিয়ে তারা এ কার্ড করে দিয়েছেন। কেননা একজন ওয়ার্ড মেম্বার কে তারা চিনেন না এমনটা কোনভাবেই হতে পারেনা।
উপজেলা সমাজ সেবা অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কামারপুকুর ইউনিয়ন সমাজকর্মী মোঃ শাহজাহান আলীর সাথে কথা হলে তিনি জানান, ইউপি মেম্বার মোঃ আতাউর রহমানকে আমি চিনি। তিনি মূলতঃ বয়সের ভিত্তিতে ভাতাভোগী হয়েছেন। রানিং মেম্বার কি অন্যকোন সরকারী ভাতা পেতে পারেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, না পারেন না। কিন্তু কিভাবে যে আতাউর মেম্বারের নামে কার্ডটি হয়েছে তা আমি বুঝতে পারছিনা। কেননা ওইসময় আমরা খুবই ব্যস্ত ছিলাম। তাই হয়তো দৃষ্টি এড়িয়ে গেছে। টাকার বিনিময়ে কার্ড করে দিয়েছেন এমন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তিনি কোন সুদত্তর দিতে পারেননি।
উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার মোছাঃ হাওয়া খাতুন বলেন, এধরণের ব্যক্তির নামে কার্ড হতে পারেনা। এটা দেখার বিষয় আমার অফিসের স্ট্যাফদের। হয়তো ভুলবশত এমনটা হয়েছে। তবে যেহেতু আমি বিষয়টি জানতে পেরেছি। এখন আমরা কার্ডটি বাতিল করবো।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নাসিম আহমেদ বলেন, এমন ঘটনা ঘটে থাকলে অবশ্যই তালিকা থেকে ওই মেম্বারের নাম বাতিল করা হবে। কিভাবে তালিকায় তার নাম উঠলো তা তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সৈয়দপুরে ইউপি মেম্বারকে অর্থের বিনিময়ে বয়স্কভাতা কার্ড করে দিয়েছে সমাজসেবা অফিস

জেলার খবর

বুলবুল আহমেদ নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের মালগুদাম এলাকা থেকে সিএনজি সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক জব্দ করেছেন আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার। সান্তাহার পৌর শহরের উম্মুক্ত জায়গায় ঝুকিঁপূর্ন ভাবে পাইপের মাধ্যমে গ্যাস কেনাবেচা হচ্ছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্লাহ বিন রশিদ সোমবার ভোরে সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় অবৈধ ভাবে গ্যাস বিক্রির সাথে জড়িত ব্যক্তিরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়।
অবৈধ ভাবে গ্যাস বিক্রি বন্ধের জন্য গত ৫ সেপ্টেম্বর আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সান্তাহার মালগুদাম এলাকার ব্যবসায়ি ও পরিবহন শ্রমিক সংগঠন। অভিযোগে জানা যায়, সান্তাহার পৌর এলাকার মিজানুর রহমান দীর্ঘ দিন ধরে গভীর রাতে ট্রাকে সিলিন্ডার রেখে বিভিন্ন যানবাহনে অবৈধ ভাবে গ্যাস বিক্রি করে আসছেন। বগুড়ার সিএনজি ষ্টেশন থেকে ট্রাকে করে গ্যাস সিলিন্ডার আনা হয়। একটি ট্রাকে বড় আকারের ২০ থেকে ৩০ টি সিলিন্ডার থাকে। শহর মানুষ শুন্য হলে গভীর রাতে ট্রাকের সিলিন্ডার থেকে পাইপের মাধ্যমে সিএনজি, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাসসহ অন্যান্য যানবাহনে গ্যাস বিক্রি হয়। দুরত্ব ও খরচ এড়াতে যানবাহনের মালিকরা ট্রাক থেকে গ্যাস সংগ্রহ করে থাকেন। সান্তাহার শহরের ব্যবসায়ি ও পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের অভিযোগের ভিত্তিতে আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্লাহ বিন রশিদ সোমবার ভোরে অভিযান পরিচালনা করে ১২টি গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার সহ একটি ট্রাক জব্দ করেন। এ ব্যাপারে আদমদীঘি ইউএনও আবদুল্লাহ বিন রশিদ জানান, ট্রাকসহ সিলিন্ডার থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি বগুড়া পরিবেশ অধিদপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে।

বগুড়ার সান্তাহারে গ্যাস সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক জব্দ করলেন ইউএনও

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর সৈয়দপুরে ট্রলির সাথে মোটর সাইকেলের মুখোমুখী সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে মোটর সাইকেলের চালক নিহত হয়েছে।  তার নাম সুমন মোহাম্মদ তুষার (৩৫)। তিনি দিনাজপুরের পার্বতীপুরের গুলপাড়ার জুলফিকার আলীর পুত্র। পার্বতীপুর স্টেশনে বাংলাদেশ রেলওয়ের সহকারী লোকোমাস্টার (সহকারী ট্রেন চালক) হিসেবে কর্মরত।
পুলিশ জানায়, ১৬ আগস্ট  রোববার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে মোটর সাইকেল যোগে সৈয়দপুর থেকে পার্বতীপুরে যাওয়ার সময় সৈয়দপুর উপজেলার সীমানা এলাকার চৌমুহনী বাজারে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রলির সাথে মুখোমুখী সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে মারা যায় সুমন।
এ সময় মোটরসাইকেলে থাকা বোন ও ভাগিনী গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা আহতদের সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করায়।৷

সৈয়দপুরে ট্রলি-মোটরসাইকেল মুখোমুখী সংঘর্ষে সহকারী লোকো মাস্টার সুমন নিহত

 সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আতাউর রহমানের নামে থাকা বয়স্ক ভাতার কার্ডটি বাতিল করেছে উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর। ওই কার্ডটি একজন প্রকৃত দুস্থের নামে করে দেওয়ার পাশাপাশি গত এক বছরে ওই কার্ডের বিপরীতে তোলা ভাতার টাকাও ইউপি সদস্যের থেকে ফেরত নিয়ে দুস্থকে প্রদান করা হয়েছে।
ইউপি সদস্য মোঃ আতাউর রহমান অনিয়ম করে নিজের নামে ২০১৯-২০২০ ইং অর্থবছরের বয়স্ক ভাতা কার্ড ইস্যু করে এক বছর ধরে ভাতা উত্তোলন করে আসছিলেন। এ নিয়ে সাংবাদিক শাহজাহান আলী মনন ও জাকির হোসেন বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টাল সহ দৈনিক পত্রিকায় “সৈয়দপুরে রানিং ইউপি মেম্বার পাচ্ছেন বয়স্কভাতা” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে। এর প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সত্যতা পেয়ে সৈয়দপুর উপজেলা সমাজসেবা অফিসের দূর্নীতিবাজ ইউনিয়ন সমাজকর্মী মোঃ শাহজাহান কে কারন দর্শানোর নোটিশ প্রদান করে। পরে
গত ১৬ আগষ্ট বোববার বিকেলে উপজেলা পরিষদে কামারপুকুর ইউপির বাসিন্দা দিনমজুর মোঃ আবদুর রহমানের হাতে ওই বয়স্ক ভাতার কার্ড তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ নাসিম আহমেদ। এ সময় উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা হাওয়া খাতুন উপস্থিত ছিলেন।
সমাজসেবা কর্মকর্তা হাওয়া খাতুন বলেন, তদন্ত করে ওই ইউপি সদস্যের নামে বরাদ্দ করা বয়স্ক ভাতার কার্ড ইস্যু ও টাকা উত্তোলনের সত্যতা মিলেছে। তারপর পরই সেই কার্ড বাতিল করে উত্তোলিত টাকাসহ একজন প্রকৃত দুস্থের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন সমাজকর্মী ও সেই ইউপি সদস্যের কাছে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ নাসিম আহমেদ বলেন, বয়স্ক ভাতার কার্ড দুস্থ বয়স্করা পাবেন এটা স্বাভাবিক। কিন্তু ইউনিয়ন মেম্বার পাচ্ছেন তা জানার পর পরই সাথে সাথে তা বাতিল করে দুস্থদের দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, ইতোপূর্বে সৈয়দপুর উপজেলা সমাজসেবা অফিসের অপর কর্মচারী পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত মোঃ টুটুলের সাথে যোগ সাজশে পৌর মহিলা কাউন্সিলর কনিকা রানী কর্তৃক মৃত ব্যাক্তিকে জীবিত দেখিয়ে ভাতা উত্তোলনের সংবাদ প্রকাশ করে উক্ত দুই সাংবাদিক। এ ঘটনায় পৌর পরিষদের এক জরুরি সভায় তদন্ত কমিটি গঠন করেন পৌর মেয়র অধ্যক্ষ মোঃ আমজাদ হোসেন সরকার। কিন্তু আজও সে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ বা অনিয়মের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

ফলোআপঃ সৈয়দপুরের সেই ইউপি সদস্যের নামে বয়স্ক ভাতার কার্ড বাতিল করে দুস্থকে প্রদান

আরো সংবাদ.

বিচিত্র সংবাদ

মোঃ জাকির হোসেন, সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতাঃ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে বৈশ্বিক মহামারী করোনাকালে সৃষ্ট সংকটে মানুষের পাশে থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করে জনসেবার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সৈয়দপুর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শিল্পপতি দিলনেওয়াজ খান। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা জননেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডাকে সাড়া দিয়ে করোনা মোকাবেলায় সর্বাত্মকভাবে নিজেকে নিয়োজিত করেন।
সরকারী অনুদান বা দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সহযোগিতার দিকে তাকিয়ে না থেকে তিনি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে সার্বিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন হাজার হাজার মানুষের দিকে। তার দেয়া ত্রাণ থেকে বাদ পড়েনি বাঙ্গালী উর্দুভাষী তথা কোন শ্রেণিপেশার মানুষ। দলীয় বাছ বিচার না করে তিনি সর্বস্তরের সৈয়দপুরবাসীর প্রতি মানবিক দৃষ্টি ভঙ্গিতে আত্মার টানে এগিয়ে গেছেন তাঁর চিরাচরিত অভ্যাসবশত। যে কারনে তাঁর সার্বিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে নিজস্ব বন্ধু বান্ধব ও সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে। যা সৈয়দপুরের প্রতিটি মানুষের মাঝে আন্তরিক নাড়া দিয়েছে। সহায়তাপ্রাপ্তরা ছাড়াও সব মানুষের মুখে মুখে তাই তার কর্মকাণ্ড উদাহরণ হিসেবে উঠে আসছে যে কোন আলোচনায়।
কোভিড-১৯ এর প্রভাবে চরম ক্রান্তিকালে অসহায় দরিদ্রদের দ্বারে দ্বারে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেয়ার পাশাপাশি পোশাক ও অন্যান্য সামগ্রী তুলে দিয়েছেন তাদের হাতে। কর্মহীন হয়ে পড়া স্বল্প আয়ের মানুষের সাথে সাথে মধ্যবিত্ত শ্রেণির যারা অসহায়ত্বের শিকার হয়েও মুখ ফুটে সহায়তা চাইতে পারছিলেন না তিনি খোঁজ নিয়ে তাদেরকে গোপনে সহযোগিতা করেছেন উদারভাবে।
বাংলাদেশে করোনার শুরু অর্থাৎ মার্চ মাসের শেষ দিক থেকেই নানা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামেন তিনি। করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য প্রচারণা চালানো, মহল্লায় মহল্লায় স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার বিষয়ে যুব ক্যাম্পিং, পাড়া মহল্লাসহ শহরের সড়কগুলোতে পথচারীসহ যান বাহনের চালক-যাত্রী ও দোকানদার ব্যবসায়ীদের মাঝে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক, সচেতনতা লিফলেট বিতরণ, সৈয়দপুর শহরের প্রবেশপথগুলোতে যান বাহনসমুহ জীবাণুমুক্ত করনে স্যানিটাইজার ক্যাম্প স্থাপন,  সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালসহ গুরুত্বপূর্ণ অফিসের প্রবেশ গেটে স্বয়ংক্রিয় জীবাণুনাশক স্প্রে টানেল স্থাপন, প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে জীবাণুনাশক পানি ছিটানোর কার্যক্রম পরিচালনা করেন সম্পূর্ণ নিজস্ব পরিকল্পনায় ও উদ্যোগে।
স্বাস্থ্য সুরক্ষামূলক এসব কার্যক্রমের পাশাপাশি চলতে থাকে তাঁর খাদ্য, বস্ত্র ও অর্থ সহায়তা কার্যক্রম। প্রায় প্রতিদিনই পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে রান্না করা খাবার, চাল-ডাল-লবন-চিনি-তেল-আটা-সাবান-আলু-পেয়াজ-মরিচসহ নানা নিত্যপন্যের প্যাকেজ ত্রান ও মুরগী বিতরন করা হয়েছে হাজার হাজার মানুষের মাঝে।
ঈদুল ফিতরে শিশুদের পোশাকসহ, শাড়ি-লুঙ্গি-পাঞ্জাবি-শার্ট এবং সেমাই-চিনি-দুধ-পোলওয়ের চালও দেয়া হয়েছে কয়েক হাজার মানুষকে।
এসব করেই খ্যান্ত হননি তিনি। এখন মানুষ কর্মে নিয়োজিত হয়েছে। দিন রাত বাহিরে বের হচ্ছে মানুষ। রাস্তায়, বাজারে, অফিসে জনসমাগম ঘটছে ব্যাপকহারে। কিন্তু এক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার বিষয়ে চরম উদাসীনতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। এমতাবস্থায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে ও মাস্ক ব্যবহার করতে জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য ‘যার মুখে মাস্ক নাই তার কাছে বিক্রি নাই, যার মুখে মাস্ক নাই এমন যাত্রীর প্রয়োজন নাই’ এমন স্লোগান সম্বলিত স্টিকার লাগানোর কার্যক্রম পরিচালনা করছেন প্রতিদিন।
এসব কার্যক্রম বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সহ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় দলীয় ওয়েব সাইটেও প্রকাশিত হয়েছে।
সৈয়দপুর উর্দুভাষীদের ক্যাম্প উন্নয়ন কমিটির আহ্বায়ক ও উর্দু কবি মাজিদ ইকবাল বলেন, ছাত্র জীবন থেকেই দিলনেওয়াজ খান চরম জনপ্রিয় একজন নেতা। উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন তিনি সৈয়দপুরের রাজনৈতিক মাঠে নৈতিকতা ও আদর্শের ভিত্তিতে দাপটের সাথে বাঙালি জাতীয়তাবাদ তথা আওয়ামী রাজনীতির নব উত্তরণ ঘটিয়েছেন। যুবলীগের আহ্বায়ক হয়ে এখন তিনি সেই ভিতকে আরও মজবুত করে চলেছেন। এর পাশাপাশি তিনি কারো মুখাপেক্ষী না হয়ে সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে জনসেবামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে চলেছেন রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হওয়ার আগে থেকেই। তারই ধারাবাহিকতায় চলমান করোনা পরিস্থিতিতে তিনি সৈয়দপুরের ইতিহাসে জনসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। দলীয় অন্যান্য নেতারা যেখানে সরকারি ত্রাণ নিয়ে নিজের নামে বিতরণ করেছেন। সেখানে দিলনেওয়াজ খান প্রথম থেকেই এখন পর্যন্ত সব ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন নিজের টাকায়। তাঁর ব্যাপক কার্যক্রমের ফলে শহরজুড়ে একটা আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এতে টনক নড়ে দলের নেতাদের। শেষের দিকে এসে কেউ কেউ নিজেদের ইমেজ সংকট কাটাতে ত্রাণ দেয়াা শুরু করে। তাও আবার বিভিন্ন কোটায় সরকারী বরাদ্দ নিয়ে। যা সচেতনমহল সহ সর্বসাধারণের দৃষ্টিগোচর হয়েছে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের প্রয়াস হিসেবে। দিলনেওয়াজ খান যেভাবে উদারতার সাথে নিঃস্বার্থ জনসেবা উপস্থাপন করেছেন তা প্রতিটি মানুষের হৃদয় জয় করেছে। তিনি যে পরিমান সহায়তা করেছেন তা যদি ব্যক্তি উদ্যোগে দেয়া ত্রাণ প্রদানের পরিসংখ্যান করা হয় তাহলে আমার মনে হয় দেশের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করবে।
জনমুখী এমন বিস্তারিত কর্মকাণ্ড অন্য কোন নেতা করতে পারেনি। দীর্ঘ মেয়াদী বিশাল ত্রাণ বিতরণ কর্মযজ্ঞ পরিচালনায় কোথাও কোন প্রকার বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়নি। অথচ সরকারী ত্রাণ বিতরণসহ অন্যদের বেলায় দেখা গেছে নানা অনিয়ম। এমনকি একজনতো সরকারি ত্রাণ নিয়ে দেয়ার জন্য দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে মোটর সাইকেলের তেল খরচ বাবদ ১০০ টাকা করে নিয়েছে। অনেকের কাছ থেকে ত্রাণ না পেয়ে ফিরে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এমনকি সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিলও হয়েছে। সেক্ষেত্রে শুধুমাত্র পরিচ্ছন্ন ও দৃঢ় নেতৃত্বের কারনে দিলনেওয়াজের বেলায় এমন কিছুই ঘটেনি।
সৈয়দপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সুমন আরিফুর আনোয়ার বলেন, যে কোন সংকট মূহুর্তে সৈয়দপুরের জনগনের পাশে থেকে নিবেদিত প্রান হিসেবে কাজ করেছে দিলনেওয়াজ খান। করোনা সংকটেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। এবার তার যে ভুমিকা তা সৈয়দপুরের ইতিহাসে বিরল। কোন নেতাই তার ধারে কাছেও যেতে পারেনি। এছাড়াও দলীয় কর্মকাণ্ডে তার অবদান অতুলনীয়। যা সৈয়দপুর আওয়ামীলীগসহ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের কেউই কোনদিন ভুলতে পারবেনা।
পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোজাম্মেল হক বলেন, দিলনেওয়াজ খানের করোনাকালীন ব্যাপক কার্যক্রম সৈয়দপুরবাসী দেখেছেন। তারাই তার মূল্যায়ন করবে।
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মোখছেদুল মোমিন বলেন, দিলনেওয়াজ খান ৯৬ এর গণ আন্দোলনের সময় থেকে প্রতিটি সময়েই বলিষ্ঠ ভুমিকা রেখে চলেছে। করোনার প্রেক্ষিতে সে যেভাবে মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছে তা অভূতপূর্ব। উপজেলা আওয়ামীলীগের কেউ এমন অবদান রাখতে পারেনি।
দিলনেওয়াজ খান সব সময়ই সমাজ সেবা মূলক কাজ করে চলেছে। দরিদ্র মানুষের মেয়ের বিয়ে, গরীব অসহায় মানুষের চিকিৎসা ও মেধাবী শিক্ষার্থীর ভর্তি-ফরম ফিলাপ, বই কিনে দেয়া ও পড়াশোনার খরচ বহন সহ যখন যেই তার শরণাপন্ন হয়েছে কেউই বিমুখ হয়নি। এভাবে সে দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর যাবত জনমানুষের সেবায় নিয়োজিত।
উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক দিলনেওয়াজ খান এ ব্যাপারে বলেন, আমরা হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক। তাঁর রাজনীতিই ছিল জনমানুষের জন্য। তাঁর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা জনসেবার উদ্দেশ্যেই রাজনীতি করি। করোনা প্রাদুর্ভাবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সার্বিকভাবে সচেষ্ট থেকেছি। তারই আলোকে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। মূলতঃ আমার বড় ভাই আমেরিকা প্রবাসী মরহুম পারভেজ খান সৈয়দপুরবাসীর জন্য যেভাবে নিবেদিতপ্রান ছিলো আপনারা সবাই জানেন। তাঁর সেই মানসেবার ধারা অব্যাহত রাখার চেষ্টা করছি মাত্র। আমরা শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী মানুষ।উত্তরাা ইপিজেড এ কেপি এন্টারন্যাশনাল নামে আমার ফ্যাক্টরী আছে। সেই সাথে রয়েছে  আমদানী-রফতানী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।        রাজনীতি করে অর্থ উপার্জনের কোন প্রয়োজন নেই। আমাদের রাজনীতির একমাত্র লক্ষই হচ্ছে মানুষের সেবা করা।
তিনি বলেন,  গত ফেব্রুয়ারিতে বাড়ি করার জন্য কিছু টাকা গচ্ছিত রেখেছিলাম। এমতাবস্থায় করোনা দেখা দেয়ায় সেই টাকাটাই ত্রাণ বিতরণের কাজে লাগিয়েছি। আজীবন এভাবেই জনগনের সেবা করে যেতে চাই। এজন্য মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের করুনা প্রার্থনা করি। সেই সাথে সৈয়দপুরবাসীর দোয়া চাই।

শুধু দলের নয় আপামর জনতার নেতায় পরিণত হয়েছেন যুবলীগের আহবায়ক দিলনেওয়াজ খান

Calendar

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  

Our Visitor

0010602
Visit Today : 8
Visit Yesterday : 16
Total Visit : 10602
Total Hits : 12978

রাজনীতি

 সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আতাউর রহমানের নামে থাকা বয়স্ক ভাতার কার্ডটি বাতিল করেছে উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর। ওই কার্ডটি একজন প্রকৃত দুস্থের নামে করে দেওয়ার পাশাপাশি গত এক বছরে ওই কার্ডের বিপরীতে তোলা ভাতার টাকাও ইউপি সদস্যের থেকে ফেরত নিয়ে দুস্থকে প্রদান করা হয়েছে।
ইউপি সদস্য মোঃ আতাউর রহমান অনিয়ম করে নিজের নামে ২০১৯-২০২০ ইং অর্থবছরের বয়স্ক ভাতা কার্ড ইস্যু করে এক বছর ধরে ভাতা উত্তোলন করে আসছিলেন। এ নিয়ে সাংবাদিক শাহজাহান আলী মনন ও জাকির হোসেন বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টাল সহ দৈনিক পত্রিকায় “সৈয়দপুরে রানিং ইউপি মেম্বার পাচ্ছেন বয়স্কভাতা” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে। এর প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সত্যতা পেয়ে সৈয়দপুর উপজেলা সমাজসেবা অফিসের দূর্নীতিবাজ ইউনিয়ন সমাজকর্মী মোঃ শাহজাহান কে কারন দর্শানোর নোটিশ প্রদান করে। পরে
গত ১৬ আগষ্ট বোববার বিকেলে উপজেলা পরিষদে কামারপুকুর ইউপির বাসিন্দা দিনমজুর মোঃ আবদুর রহমানের হাতে ওই বয়স্ক ভাতার কার্ড তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ নাসিম আহমেদ। এ সময় উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা হাওয়া খাতুন উপস্থিত ছিলেন।
সমাজসেবা কর্মকর্তা হাওয়া খাতুন বলেন, তদন্ত করে ওই ইউপি সদস্যের নামে বরাদ্দ করা বয়স্ক ভাতার কার্ড ইস্যু ও টাকা উত্তোলনের সত্যতা মিলেছে। তারপর পরই সেই কার্ড বাতিল করে উত্তোলিত টাকাসহ একজন প্রকৃত দুস্থের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন সমাজকর্মী ও সেই ইউপি সদস্যের কাছে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ নাসিম আহমেদ বলেন, বয়স্ক ভাতার কার্ড দুস্থ বয়স্করা পাবেন এটা স্বাভাবিক। কিন্তু ইউনিয়ন মেম্বার পাচ্ছেন তা জানার পর পরই সাথে সাথে তা বাতিল করে দুস্থদের দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, ইতোপূর্বে সৈয়দপুর উপজেলা সমাজসেবা অফিসের অপর কর্মচারী পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত মোঃ টুটুলের সাথে যোগ সাজশে পৌর মহিলা কাউন্সিলর কনিকা রানী কর্তৃক মৃত ব্যাক্তিকে জীবিত দেখিয়ে ভাতা উত্তোলনের সংবাদ প্রকাশ করে উক্ত দুই সাংবাদিক। এ ঘটনায় পৌর পরিষদের এক জরুরি সভায় তদন্ত কমিটি গঠন করেন পৌর মেয়র অধ্যক্ষ মোঃ আমজাদ হোসেন সরকার। কিন্তু আজও সে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ বা অনিয়মের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

ফলোআপঃ সৈয়দপুরের সেই ইউপি সদস্যের নামে বয়স্ক ভাতার কার্ড বাতিল করে দুস্থকে প্রদান

j

সৈয়দপুর :নীলফামারীর সৈয়দপুরে থানা বিএনপির সদস্য ত্যাগী ও নিবেদিত প্রান নেতা মরহুম আব্দুল রহিম সরকারের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৬ আগস্ট রোববার সন্ধ্যায় বাদ মাগরিব শহরের শহীদ ডাঃ জিকরুল হক রোডস্থ জেলা বিএনপি অফিসে এর আয়োজন করা হয়।

 

সৈয়দপুর থানা বিএনপির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করনে থানা বিএনপির আহবায়ক ও কামারপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ রেজাউল করিম লোকমান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও মরহুম আব্দুল রহিম সরকারের ভাই অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুল গফুর সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভা মেয়র ও সাবেক এমপি এবং জেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মোঃ আমজাদ হোসেন সরকার, পৌর প্যানেল মেয়র-১ ও বিএনপি নেতা জিয়াউল হক, ৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শাহিন আখতার৷

দোয়া মাহফিলে সৈয়দপুর থানা, পৌর ও জেলা বিএনপির নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সৈয়দপুরে বিএনপি নেতা আব্দুল রহিম সরকারের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

আরো সংবাদ.

মিডিয়া

নিউজ ২৬ ॥ নীলফামারীর সৈয়দপুরে উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করে অপপ্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ও সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি দিলনেওয়াজ খান। ১৬ আগস্ট রোববার সকাল ১১ টায় স্থানীয় রেলওয়ে মূর্তজা মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন যুবলীগ আহবায়ক। এসময় বক্তব্য রাখেন সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: মোখছেদুল মোমিন, পৌর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক, পৌর আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জোবায়দুর রহমান শাহীন।
অন্যান্যের মধ্যে পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক মোস্তফা ফিরোজ, যুগ্ম আহবায়ক আসাদুল ইসলাম আসাদ, পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ মোহন, বোতলাগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আল হেলাল চৌধুরী, বোতলাগাড়ী ইউনিয়ন আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাফিজ হাপ্পু, যুবলীগ নেতা গুলজার আহমেদ, সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহবায়ক ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সৈয়দপুর কলেজের ভিপি আব্দুস সবুর, সহ-সভাপতি সুমন মো: আরিফুর আনোয়ার, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রোবায়েত মিন্টু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী নজরুল ইসলাম রয়েল সহ যুবলীগ, ছাত্রলীগের বর্তমান ও সাবেক অন্যান্য নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

লিখিত বক্তব্যে দিলনেওয়াজ খান বলেন, আমি বিগত ২৪ বছর যাবত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (স্থানীয় ও কেন্দ্রীয়) কমিটি, যুবলীগের উপজেলা আহবায়ক সহ আওয়ামীলীগের সাথে সম্পৃক্ত থেকে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত প্রতিটি কর্মসূচীতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সফল করার লক্ষে অংশগ্রহণ করেছি। কিন্তু পরিতাপের বিষয় সৈয়দপুর আওয়ামী পরিবারের কয়েকজন স্বার্থান্বেষী নেতা-কর্মী প্রতিনিয়ত আমাকে “রাজাকারের সন্তান” আখ্যায়িত করাসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে আমার পিতাকে জড়িয়ে পার্বতীপুর ও সৈয়দপুরে শত শত হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগের মিথ্যে নোংরা অভিযোগ এনে আমার মরহুম পিতার সম্মান নষ্ট করার হীন খেলায় মেতেছে। এই নোংরা ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে গত ৮ জুন ২০২০ ইং তারিখে সৈয়দপুর উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মহসিনুল হক মহসিন দলীয় প্যাডে লিখিতভাবে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক বরবার অভিযোগ প্রেরণ করেছেন এবং গত ১১ আগস্ট ‘দৈনিক তৃতীয় মাত্রা’ পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে তার নিজস্ব ভিডিও সাক্ষাৎকার সহ সংবাদ প্রকাশ করে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করেছেন। যা সামাজিক ও পারিবারিক এবং রাজনৈতিকভাবে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে মনগড়াভাবে করা হয়েছে। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলতে চাই জাতীয় ও স্থানীয়ভাবে প্রকাশিত রাজাকারের তালিকায় কোথায়ও আমার বাবার নাম উল্লেখ নেই।

 

 

জাতীয়ভাবে প্রকাশিত রাজাকার তালিকার ( সৈয়দপুর অংশে ক্রমিক নং ২০ ও ৭০) এবং স্থানীয়ভাবে প্রকাশিত তালিকায় (ক্রমিক নং ১৯) এ নাইম উদ্দিন কাজী, পিতা- সালিম উদ্দিন এর নাম অন্তর্ভূক্ত। উক্ত রাজাকারের নামের সাথে আমার পিতা মো: নাইম খান এর নাম মিলিয়ে কলঙ্কিত করার অপচেষ্টা করছেন। যা ইতোপূর্বেও ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের মত ষড়যন্ত্র।
এ ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই সম্প্রতি নতুন করে ১৯৭১ সালে সৈয়দপুরে সংঘটিত ৪৫০ জন হিন্দু মারোয়ারী গণহত্যা (ট্রেন ট্রাজেডি) ঘটনার সাথে আমার পিতাকে জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি দায়িত্ব নিয়ে দৃঢ়তার সাথে বলতে পারি আমার বাবা কোন সময়ই কোন ভাবেই যুদ্ধাপরাধী কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলেন না। তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা তা মিথ্যা, বানোয়াট, কাল্পনিক, ষড়যন্ত্রমূলক ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত।

 

 

মহসিনুল হক মহসিন অভিযোগ তুলেছেন যে, দলীয় প্রভাব খাটিয়ে আমি প্রশাসনকে ম্যানেজ করে রেলওয়ে কোয়াটার দখল, চাঁদাবাজী, টেন্ডারবাজী, মাদক ব্যবসা সহ মাদক কারবারীদের গডফাদার হিসেবে অনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। এমনকি পার্বতীপুরে মাদকসহ মোটর সাইকেল ধরা পড়া ও এ ঘটনায় মামলা হওয়ার মত কল্পকাহিনীও উপস্থাপন করেছেন। তিনি অসুস্থ মস্তিস্কে এমন মন্তব্য করেছেন বলেই আমি মনে করি। তা না হলে তিনি কিভাবে তার হাত ধরে যুবলীগে আসা আবু বিন শাওন এর ব্যাপারে আমাকে জড়ান। বরং আমরা সবসময় মাদকসহ সকল প্রকার অপকর্মের বিপক্ষে। তাই কেন্দ্রের নির্দেশে শাওন কে বহিস্কার করেছি।

 

মারোয়ারী ব্যবসায়ী অমিত কুমার আগারওয়ালার সাথে সুজিত রায়ের জমি জমা সংক্রান্ত মামলার বিষয়েও মিথ্যেচার করে তিনি (মহসিনুল হক মহসিন) অমিত কুমারের বাড়ি দখলের অভিযোগ তুলেছেন। অথচ করোনাকালে ওই অমিত কুমারের সাথে ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা ত্রাণ বিতরণ করাসহ বিভিন্ন কাজ করেছি। যদি উপরোক্ত অভিযোগ সত্য হতো তাহলে কী অমিত কুমার আমার সাথে একত্রে কোন কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করতো?
তিনি অভিযোগ করেছেন যে, যুবলীগের সাবেক চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীকে মোটা অংকের টাকা প্রদান করে সৈয়দপুরের যুবলীগের আহ্বায়ক পদ আমি দখল করেছি। তিনি ইতোপূর্বে ছাত্রলীগের সভাপতি পদের ব্যাপারেও এমন অভিযোগ এনেছেন। মূলত: এগুলো তার যুবলীগের পদ হারানোর পর হতে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপপ্রচারের অংশমাত্র। যা সম্পূর্ণরুপে কাল্পনিক। বরং আমি আমার দক্ষতা, নিষ্ঠা, এবং আদর্শের কারনে ছাত্রলীগের সভাপতি ও যুবলীগের আহবায়ক হতে পেরেছি।
তিনিই মূলত একই সাথে জেলা তাঁতীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ ধরে আছেন। অথচ তিনি জাতীয় পার্টির রাজনীতি করতেন। ১৯৯৮ সালে পৌর নির্বাচনে আ’লীগের মেয়র প্রার্থী মোজাম্মেল হককে পরাজিত করতে বিএনপি প্রার্থীর সাথে আতাত করেছিলেন। তিনি জেলা যুবলীগের সভাপতি থাকাকালীন শহরের নতুন বাবুপাড়ায় লিচু বাগান এলাকায় সাবেক সেনা সদস্যের নামে বরাদ্দকৃত জমি জোড় দখল পূর্বক সেখানে বাড়ি নির্মাণ করে বাড়ায় দিয়েছেন। যার একটিতে তার দ্বিতীয় স্ত্রী যিনি ইতোপূর্বে একজন রিক্সা চালকের স্ত্রী ছিলেন। যাকে তিনি বিচার শালিস করতে গিয়ে নিজেই বিয়ে করেছন। সেই স্ত্রী পূর্বের স্বামীর সন্তানসহ বাস করেছেন। তাছাড়া তিনি রোটারী স্কুল ও চক্ষু হাসপাতালের ৮/৯ শতক (খাস জমি) জায়গা দখল করে বিক্রি করেছেন। এসময় বাধা দেয়ায় ম্যানেজিং কমিটিকে লাঞ্চিত করেছেন। এসবই তিনি করেছেন দলীয় প্রভাব খাটিয়ে এবং শহীদ পরিবারের সন্তান নাম ভাঙ্গিয়ে।
মূলত; আমি উর্দূভাষী বলেই কী এভাবে বার বার মিথ্যেচারের মাধ্যমে হেয় করা হচ্ছে। আমার সাথে রাজনৈতিক ও আদর্শিকভাবে পেরে না উঠে বরাবরই তারা অনৈতিকভাবে নোংরামোর আশ্রয় নিচ্ছে। এতে করে দীর্ঘ প্রচেষ্টায় আমার মাধ্যমে উর্দূভাষী জনগোষ্ঠীর যে বৃহদাংশ আ’লীগের পক্ষে ভোট প্রদানে সক্রীয় হয়েছিল তাদেরকে অন্যত্র ভোট প্রদানে কনভার্ট করার ষড়যন্ত্রই করা হচ্ছে।
দীর্ঘ ২৪ বছর আমি ও আমার পরিবার আ’লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। শুধুমাত্র দেশ, মাটি ও আ’লীগ তথা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি ভালোবাসাই কী আমার অপরাধ। যদি এটা অপরাধ হয়ে থাকে তাহলে আমি আজীবন এ অপরাধ করে যেতে চাই অর্থাৎ আ’লীগের রাজনীতি করে যাবো।
উল্লেখ্য. দিলনেওয়াজ খান তার লিখিত বক্তব্যের সাথে সৈয়দপুর উপজেলা আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক মহসিনুল হক মহিসন কর্তৃক যুবলীগের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর প্রেরিত অভিযোগ, দৈনিক তৃতীয় মাত্রার অনলাইন ভার্সনে প্রকাশিত সংবাদ (যা ফেসবুকে প্রচারিত), দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার রাজাকারের তালিকা, জাতীয়ভাবে প্রকাশিত রাজাকারের তালিকা, তাঁর বাবা নাইম খানের পার্সপোর্ট, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি থাকাকালীন ৫১ সদস্য বিশিষ্ট সৈয়দপুর উপজেলা ছাত্রলীগের পূর্নাঙ্গ কমিটির তালিকা, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ কর্তৃক প্রদেয় সদস্য পদ লাভের প্রত্যয়নের অনুলিপি সংযুক্ত করেন।

সৈয়দপুরে আ’লীগ সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগে যুবলীগ আহবায়কের সংবাদ সম্মেলন

আরো সংবাদ.

themesbazartvsite-01713478536
Top